শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন বলিউড অভিনেত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ
দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন বলিউড অভিনেত্রী

পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন বলিউড অভিনেত্রী এভেলিন শর্মা। শনিবার স্বামী তুশান ভিন্দির সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি। তবে এই বিচ্ছেদ দুইজনের সমঝোতার ভিত্তিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন এভেলিন।
বিচ্ছেদের খবর জানালেও স্বামীর সঙ্গে আলাদা হওয়ার কারণ নিয়ে বিস্তারিত কিছু কথা বলেননি অভিনেত্রী। বরং এই কঠিন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন এভেলিন।

এক সাক্ষাৎকারে এভেলিন শর্মা বলেন, দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানলেও তারা একে অপরের প্রতি সম্মান বজায় রেখেছেন। দুই সন্তানের (মেয়ে আভা ও ছেলে আরডেন) দায়িত্ব তারা যৌথভাবে পালন করবেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও বন্ধু হিসেবে সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করবেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে পরিচয় হয় এভেলিন ও তুশান ভিন্দির। পরের বছর বাগদান এবং ২০২১ সালে বিয়ে করেন তারা। পেশায় ডেন্টাল সার্জন তুশান অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক এবং নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে মিডিয়ার আড়ালেই রাখতে পছন্দ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই পারিবারিক মুহূর্ত শেয়ার করতেন এভেলিন। সর্বশেষ পোস্টে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর কিছু মুহূর্ত তুলে ধরে তিনি জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও ছোট ছোট আনন্দকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দেন।

‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ সিনেমা অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিত হন এভেলিন। এরপর ‘টার্ন লেফ্ট’, ‘ফ্রম সিডনি উইথ লাভ’, ‘ম্যায় তেরা হিরো’, ‘কুচ কুচ লোচা হ্যায়’, ‘পার্টি নোন স্টপ’ সিনেমায় দেখা দেছে তাকে। সর্বশেষ ‘কিসসেবাজ’, ‘এক্স রে: দ্য ইনার ইমেজ ও ‘সাহো’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

সব মিলিয়ে, পারস্পরিক সম্মান ও সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই দম্পতি—এমনটাই জানিয়েছেন এভেলিন শর্মা।

সূত্র: বলিউড শাদিস

Ads small one

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার

বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের দফা ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে আমার কাছে দাখিল করেছেন। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, পদত্যাগপত্রটি আমি গ্রহণ করেছি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের রেকর্ডে সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রমের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

কেন রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলেন করলেন এটি নিশ্চয়ই আপনাদের জানার কৌতূহল রয়েছে উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, তিনি (রাষ্ট্রপতি) লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে তিনি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় তিনি ভুগছেন।

স্পিকার বলেন, স্বাস্থ্য পরীক্ষায় রাষ্ট্রপতির অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামের রােগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে মাঝে মাঝে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

এসব রোগের প্রাদুর্ভাবে এবং শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা রাষ্ট্রপতির পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন স্পিকার। তিনি বলেন, তার (রাষ্ট্রপতির) দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন। এজন্য, স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে এই পদত্যাগপত্র একমাত্র আমি গ্রহণ করেছি।

স্পিকার এ সময় বলেন, যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছি। কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য থাকলে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার।

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত স্পিকার এ দায়িত্ব পালন করেন।

পদত্যাগপত্রে যা লিখেলেন সাহাবুদ্দিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
পদত্যাগপত্রে যা লিখেলেন সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগ করেছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বরাবর লেখা পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত ও শারীরিক কারণের কথা উল্লেখ করেছেন।শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে বঙ্গভবনের কয়েকজন কর্মকর্তা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র সংসদ ভবনে স্পিকারের কাছে পৌঁছে দেন।

স্পিকার বরাবর লেখা চিঠিতে বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে- রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ। কম্পোজ করা পদত্যাগপত্রে স্পিকারকে সম্বোধন এবং নিজের স্বাক্ষরের জায়গায় সাহাবুদ্দিন সবুজ কলম ব্যবহার করেছেন।

স্পিকারকে ‘শ্রদ্ধাজনেষু ও জনাব’ হিসেবে সম্বোধন করে লিখেছেন- আসসালামু আলাইকুম।
আমি মো. সাহাবুদ্দিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ২০২৩ খ্রি. সনের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করি এবং অদ্যাবধি নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ৫ই আগস্ট ২০২৪ সনে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকটের সৃষ্টি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি। অতঃপর বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলসমূহের সাথে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে।

নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়ে সরকার পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে। আমার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোন সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।

আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরিক্ষায় Autonomic Neuropathy নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগ সমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।

এমতাবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি। ধন্যবাদান্তে মো. সাহাবুদ্দিন।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। মেয়াদের আরও প্রায় এক বছর নয় মাস বাকি থাকতেই তিনি পদত্যাগ করলেন।

আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠভাজন হিসেবে পরিচিত সাবেক জেলা ও দায়রা জজ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবি জানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তখন বঙ্গভবন ঘেরাও কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে বিএনপি বরাবরই রাষ্ট্রপতিকে সরানোর পক্ষে ছিল না। ফলে শেষ পর্যন্ত টিকে যান মো. সাহাবুদ্দিন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার ঘটন করলে নতুন সরকারকে শপথ পড়ান সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তখন থেকেই কবে তাকে সরানোর হবে সেই প্রহর গোনা হচ্ছিল। অবশেষে সরকারের পাঁচ মাসের মাথায় তিনি বঙ্গভবন ছাড়ছেন।

 

দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদকের স্ত্রীর জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদকের স্ত্রীর জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন

পত্রদূত রিপোর্ট: পিতা-মাতার কবরের পাশে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহীর সহধর্মিণী রেহানা খাতুন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) জুম্মার নামাজের পর বেলা ২টার সময় সাতক্ষীরা শহরতলীর পারকুখরালীতে মরহুমার জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরাস্থানে দাফন করা হয়।

 

এরআগে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল মধুমোল্লারডাঙ্গীতে অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহীর বাসভবনে মরহুমার মরদেহ আনা হয়। সকাল ১০ টার দিকে মরদেহ মরহুমার পৈত্রিক নিবাস সাতক্ষীরা শহরের পাকাপুলের মোড়ে অবস্থিত মরহুমর রাহাতুল্লার বাসভবনে নেওয়া হয়। সেখান থেকে নেওয়া হয় পারকুখরালীতে। এসময় আত্মিয়-স্বজন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ সেখানে ভীড় জমায়।

গত ২৬ মে ২০২৬ সকালে নিজ বাড়িতে পা পিছলে পড়ে গুরুতর আহত হন রেহানা খাতুন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা জানান, তার কলার বোন (ক্ল্যাভিকল) ভেঙে গেছে। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩টা ১৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জেলা সাংবাদিক ফোরামের শোক
দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশিক-ই-এলাহীর স্ত্রী রেহেনা খাতুন হেনার মৃত্যুতে শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরাম এর নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, ফোরামের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন আব্বাস, যুগ্ম-সম্পাদক শেখ বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দীন, অর্থ সম্পাদক মোতাহার নেওয়াজ মিনাল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহফিজুল ইসলাম আক্কাজ, কার্যনির্বাহী সদস্য আনিছুর রহমান তাজু, আরীফ মাহমুদ, মোঃ আব্দুল মতিন, মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া ও এএইচএম তুমু।