বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা শুরু

সংবাদদাতা: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শুরু হয়েছে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬’। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয় পর্যায় থেকে বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত ধাপে ধাপে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা) জারি করা এক স্মারকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ, সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ এবং কাবিং- এই চারটি বিভাগে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। ক্রীড়া বিভাগে ১০০ মিটার দৌড়, দীর্ঘ লাফ, উচ্চ লাফসহ বিভিন্ন ইভেন্ট রয়েছে।

 

সাংস্কৃতিক বিভাগে কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, নৃত্য, গান, গল্প বলা, উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্কসহ মোট ১১টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে কুইজ প্রতিযোগিতা। সময়সূচি অনুযায়ী, বিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করে ১৯ মে’র মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের তালিকা পাঠাতে হবে।

 

ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ১৯-২০ মে, উপজেলা পর্যায় ২২-২৩ মে, জেলা পর্যায় ৬-৭ জুন এবং বিভাগীয় পর্যায় ৮-৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, শুধুমাত্র তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে এবং ছেলে-মেয়ে পৃথক গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। প্রতিযোগিতার সব ধাপ প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান নীতিমালা-২০২৬ অনুসরণ করে আয়োজন করতে হবে।

 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ১৯৮৫ সাল থেকে চালু থাকা এ পদক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সৃজনশীল অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।