শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

লন্ডনে সপ্তাহব্যাপী ২৭তম রেইনবো চলচ্চিত্র উৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
লন্ডনে সপ্তাহব্যাপী ২৭তম রেইনবো চলচ্চিত্র উৎসব

শুরু হতে যাচ্ছে ২৭তম রেইনবো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। আগামী ১৭-২৩ মে শনিবার পর্যন্ত উৎসবটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক জেনেসিস সিনেমা হলে।

রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির আয়োজনে এবারের উৎসবে বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া এবং ইরানসহ মোট ১০টি দেশের ৪০টিরও বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।

উৎসবের উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘আগন্তুক’, যার প্রদর্শনী হবে ১৭ মে দুপুর ১২টায়. অন্যদিকে, ২৩ মে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ভারতের চলচ্চিত্র ‘স্বার্থপর’ (Sharthopor) প্রদর্শনের মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপী এই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে।

উৎসবে ‘আগন্তুক’ ছাড়াও প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের আরও পাঁচটি চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রগুলো হলো— ‘নয়া মানুষ’, ‘উড়াল’, ‘নয়া নোট’, ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অফ চাংখারপুল’ এবং ‘পাথর হওয়ার গল্প’।

উৎসবটি প্রসঙ্গে রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহমাদ মুজতবা জামাল বলেন, “অনেকদিন ধরেই এ উৎসবটি আয়োজিত হচ্ছে। আশা করছি এবারও সফল হবে। তবে, স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিকে আহ্বান জানাবো, উৎসবটিকে সফল করতে তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে। তাহলে দেশের চলচ্চিত্রগুলা যেমন উৎসাহিত হবে, উৎসবটিও সফল হবে।”

নয়া মানুষ চলচ্চিত্রের দৃশ্য

উৎসবে অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘নয়া মানুষ’। চলচ্চিত্রটির নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতি বলেন, “বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যখন কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করে তখন একজন চলচ্চিত্র কর্মী হিসেবে গর্ব করি. ‘নয়া মানুষ’ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেয় এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই চলচ্চিত্র এক ধরনের প্রতিবাদ”।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে ইরানের ‘দে লাভড মি’, রাশিয়ার ‘দ্য মিস্ট্রি অফ ব্ল্যাক হ্যান্ড’, ভারতের ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’ ও ‘গৃহ প্রবেশ’, চীনের ‘দ্য শোর অফ লাইফ’ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘ড্রেইনড বাই ড্রিম’ প্রদর্শিত হবে। এ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে ফিলিপাইনের ‘রেপুব্লিকা এনজি পিলিপিলিপিনাস’ এবং তাজাকিস্তানের ‘মোহি দার’ সহ আরও বেশ কিছু প্রশংসিত সিনেমা।

সমাপনী অনুষ্ঠান ছাড়া জেনেসিস সিনেমা হলের বাকি সকল প্রদর্শনী সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

Ads small one

রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন: স্পিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন: স্পিকার

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন রাষ্ট্রপতির সই করা পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদে স্পিকারের দফতরে পৌঁছে দেন। পরে বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্পিকার বলেন, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের দফা (৩) অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তার স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র আজ ২৪ জুলাই বিকাল ৫টা ১ মিনিটে আমার কাছে দাখিল করেছেন। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। পদত্যাগপত্রটি আমি গ্রহণ করেছি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের রেকর্ডে সংরক্ষণ ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্পিকার বলেন, ‘কেন তিনি পদত্যাগ করেছেন, এটি নিশ্চয়ই জানার কৌতূহল আপনাদের মধ্যে রয়েছে। তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে তিনি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় তিনি ভুগছেন। তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামে একটি রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে তিনি মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসব রোগের প্রাদুর্ভাব এবং শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন। এই কারণেই তিনি স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেছেন এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে আমি এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি।’

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়েও বক্তব্য দেন স্পিকার। তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনেরও শপথ নিয়েছি। একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও যখন শপথ নেন, তখন শপথের অংশে উল্লেখ থাকে যে, কোনও কারণে স্পিকারের পদ শূন্য থাকলে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।’

দেশে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে চলমান নানা আলোচনা-সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের নানা ধরনের কথাবার্তা চলছে। আমি দুপুরে এসেই শুনছি। কিন্তু প্রকৃত অর্থে তিনি শারীরিক অসমর্থ্যের কারণেই পদত্যাগ করেছেন।’

ব্রিফিংয়ের শেষ দিকে রাষ্ট্রপতির সুস্থতা কামনা করে স্পিকার বলেন, ‘আমি তার মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমার মনে হয়, তিনি মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও বর্তমানে জনগণের ভোটে যে সরকার নির্বাচিত হয়েছে, তার প্রতি তিনি সবসময় সমর্থন ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি।’

অবসরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন মেসি!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
অবসরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন মেসি!

 

লিওনেল মেসি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা না জানালেও আর্জেন্টিনার জার্সিতে তিনি যে শেষ বিশ্বকাপ খেলে ফেলেছেন, তা প্রায় নিশ্চিত। ৩৯ বছর বয়সী মেসি বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মাঠে নিজের ক্যারিশমা দেখিয়ে যাচ্ছেন।

আট গোল ও চার অ্যাসিস্টে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন তিনি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে হতাশাজনক হারের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা জানাননি তিনি।

তবে কোচ লিওনেল স্কালোনি মেসির জন্য দরজা খোলা রেখেছেন। কিন্তু আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, অবসরের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। তবে এখনই নয়। আরো কয়েক মাস জাতীয় দলের জার্সি পরতে চান তিনি।

মেসি জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবছেন। তার শূন্যতা যেন দলে তৈরি না হয়, তাকে ছাড়া যেন খেলোয়াড়রা মাঠে মানিয়ে নিতে শেখে, সেই সময়টা তিনি দিতে চান। তবে আগামী বিশ্বকাপে তিনি আর খেলবেন না। শিগগিরই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন তিনি।

আরো কিছু গণমাধ্যম জানিয়েছে, আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাদের কিংবদন্তিকে মহাসমারোহে বিদায় জানাতে চায়। মেসির শেষ ম্যাচ বিশেষভাবে আয়োজন করার পরিকল্পনা তাদের। দেশের সেরা খেলোয়াড়কে যেন মাঠে এসে বিদায় জানাতে পারেন দর্শকরা, সেই ব্যবস্থা নেবে দেশটির ফুটবল সংস্থা। এক কথায়, মেসি আরো কয়েক মাস আর্জেন্টিনার সক্রিয় ফুটবলার হিসেবেই থাকছেন।

কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি?

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, এমন পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির সিনিয়র তিন নেতার নাম আলোচনায় এসেছে।
রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আবদুল মঈন খানের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। এছাড়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করা এক সিনিয়র সচিবের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।

সূত্র জানায়, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নিয়ে সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলোচনা রয়েছে।

দলীয় সূত্রগুলোর মতে, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির কোনো নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ। অন্যদিকে, প্রায় ৬০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে দলের বাইরের গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়ার। তবে দলের একাধিক নেতা মনে করছেন, রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে দলীয় নেতৃত্বের অভিজ্ঞ কাউকেই দায়িত্ব দেওয়া উচিত।

এদিকে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্রের ভাষ্য, রাষ্ট্রপতি পদে যেসব নাম আলোচনায় আসছে, সেগুলো মূলত অনুমাননির্ভর। বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কেউ কিছু জানেন না বলে ওই সূত্র দাবি করেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা, সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গে সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা—এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হবে।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে তিনি দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছার কথা প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছিলেন। সর্বশেষ এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সরকার চাইলে দায়িত্বে থাকবেন, অন্যথায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।