শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বৃষ্টি বিরতির পর শুরু হয়েছে শেষ সেশনের খেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
বৃষ্টি বিরতির পর শুরু হয়েছে শেষ সেশনের খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩১ ওভারে ৯৩/২ (মুমিনুল ৩৭*, শান্ত ৩৪*; মাহমুদুল ৫, সাদমান ১০)

পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ১০০.৩ ওভারে ৩৮৬/১০ (আব্বাস ৬*; ইমাম ৪৫, আজান ১০৩, শান ৯, সৌদ ০, ফজল ৬০, রিজওয়ান ৫৯, সালমান ৫৮, নোমান ২, শাহীন ১৩, হাসান ৬)

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩/১০ (নাহিদ ৪*; মাহমুদুল ৮, সাদমান ১৩, শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, লিটন ৩৩, মিরাজ ১০, তাইজুল ১৭, মুশফিক ৭১, এবাদত ০, তাসকিন ২৮)

বৃষ্টিতে ভেসে গেছে পুরো দ্বিতীয় সেশন। তৃতীয় সেশনের খেলাও শুরু হয়েছে দেরিতে বিকাল পৌনে ৪টায়। ফলে ম্যাচটা পৌনে ৬টা পর্যন্ত চলবে। আলো থাকলে খেলা চলতে পারে সোয়া ৬টা পর্যন্তও।

মিরপুরে থেমেছে বৃষ্টি, খেলা শুরুর অপেক্ষা

লাঞ্চ বিরতির পর বৃষ্টিতে পুরো দ্বিতীয় সেশন ভেসে গেছে। মিরপুরে বৃষ্টি থামলেও মাঠ শুকানোর কাজ চলছে। এখন ম্যাচ শুরুর অপেক্ষা। ক্রিকইনফোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী খেলা শুরু হতে পারে পৌনে ৪টায়।

লাঞ্চ বিরতির পর বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা

লাঞ্চ বিরতির পর বৃষ্টির কারণে মিরপুরে নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় সেশনের খেলা শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে।

১২০ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশ

চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনের প্রথম ঘণ্টায় দুই ওপেনারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তার পর অবশ্য ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। এই ম্যাচে দ্বিতীয় শক্ত জুটি গড়ে লাঞ্চ বিরতিতে গেছেন তারা। তাদের প্রতিরোধে দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৯৩ রানে প্রথম সেশন শেষ করেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের লিড দাঁড়িয়ে ১২০ রানে। মুমিনুল হক ৩৭ রানে, নাজমুল হোসেন ৩৪ রানে ব্যাট করছেন।

আগের দিন আলোর স্বল্পতায় আগেভাগে ম্যাচ শেষ হওয়ায় এদিন ১৫ মিনিট আগে শুরু হয় খেলা।

এসেই সাদমানকে তুলে নিলেন হাসান আলী

মাহমুদুল হাসান জয়ের পর বেশিক্ষণ ক্রিজে প্রতিরোধ গড়তে পারেননি আরেক ওপেনার সাদমান ইসলামও। হাসান আলীর দিনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই ক্যাচ দিয়ে ১০ রানে ফিরেছেন। তার ২২ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার।

হাসান আলীর বাড়তি বাউন্স ভড়কে দেয় সাদমানকে। বল তার ব্যাটের উপরে লেগে চলে যায় সৌদ শাকিলের হাতে।

চতুর্থ দিনের শুরুতে ফিরলেন মাহমুদুল

স্থায়ী হয়নি বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। চতুর্থ দিনে ৫.১ ওভারে আব্বাসের প্রথম বলেই লেগ বিফোরের শিকার হয়েছেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (৫)। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। আম্পায়ার্স কলে কপাল পুড়েছে তার। বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারায় ১৫ রানে।

বড় লক্ষ্যের আশায় চতুর্থ দিন শুরু করেছে বাংলাদেশ

ঢাকা টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় দিনের শেষ বিকালে আলোর স্বল্পতায় বেশিক্ষণ ব্যাট করার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ। ১.৫ ওভারে ৭ রানে খেলা শেষ করেছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে আজ চতুর্থ দিন তাই আগেভাগে শুরু হয়েছে খেলা। ৩৪ রানের লিড নিয়ে খেলা শুরু করেছেন দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম।

গতকাল মেহেদী হাসান মিরাজের পাঁচ উইকেট শিকারের দিনে পাকিস্তানকে প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রানে থামায় বাংলাদেশ। ফলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে তারা ২৭ রানে পিছিয়ে থেকে অলআউট হয়েছে।

পাকিস্তানের ইনিংসে বড় অবদান ছিল অভিষিক্ত আজান আওয়াইজের। সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। এছাড়া আবদুল্লাহ ফজল, সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান হাফসেঞ্চুরিতে প্রতিরোধ গড়েন।

১০২ রানে মিরাজ নিয়েছেন সর্বোচ্চ ৫ উইকেট। দুটি করে নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম।

 

Ads small one

প্রতাপনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াছাত আলীর পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
প্রতাপনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াছাত আলীর পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রিয়াছাত আলীর পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় প্রতাপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়।

এ উপলক্ষে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা প্রার্থীর ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মোটরসাইকেলসহ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে মোটরসাইকেলের বহরটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রার আগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জামায়াতে ইসলামীর পেশাজীবী বিভাগের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারি গাজী মোস্তফা কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি প্রফেসর শাহজাহান হোসেন ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রিয়াছাত আলী।

বক্তব্যে গাজী মোস্তফা কামাল বলেন, স্থানীয় সরকার থেকে জাতীয় নির্বাচন—সব ক্ষেত্রেই ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে হবে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে জনগণের সামনে তুলে ধরতে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রিয়াছাত আলী বলেন, “আজকের এই শোভাযাত্রা ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়; বরং ইসলামী আন্দোলন ও সাংগঠনিক স্বার্থে। জামায়াতে ইসলামী আমাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করায় আমি কৃতজ্ঞ। প্রতাপনগর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

এ সময় প্রতাপনগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ মাওলানা অহিদুজ্জামান, সেক্রেটারি মাওলানা আল আমিন, নায়েবে আমির মাওলানা শফিকুল ইসলাম, বাইতুলমাল সম্পাদক মাওলানা কামরুজ্জামান, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আব্দুস সাত্তারসহ ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সেক্রেটারি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, মৎস্যজীবী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষকের মৃত্যু

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাওলানা রহমাতুল্লাহ নামে এক মাদ্রাসার আরবি প্রভাষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিজ বাড়িতে ধানখেতে পানি দেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রহমাতুল্লাহ প্রতাপনগর গ্রামের সুলতান আহমেদ ময়রার একমাত্র ছেলে। তিনি আনুলিয়া মদিনাতুল উলুম সিনিয়র মাদ্রাসায় আরবি বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে মোটরের সাহায্যে ধানখেতে পানি দেওয়ার সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি মা-বাবা, স্ত্রী ও দুই ছেলেসন্তান রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে আরও জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

সাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভায় প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলনমেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভায় প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলনমেলা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঋতু পরিবর্তনের বারতায় মৃদু হাওয়ায় যখন চারপাশের রূপ বদলে যায়, তখনই মাটির টানে যেন জেগে ওঠে মানুষের সুকোমল মন। প্রকৃতির সেই অপার সৌন্দর্য, রূপ ও ছন্দকে জীবনের পরম পাথেয় করে সাতক্ষীরায় আয়োজিত হলো এক ব্যতিক্রমী প্রীতি মিলনমেলা। ‘সুন্দর প্রকৃতিতে গড়ি সুস্থ জীবন’—এই মর্মবাণীকে অন্তরে ধারণ করে শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব, সাতক্ষীরা’-র সাধারণ সভা।

ঋতুর ঘূর্ণাবর্তে রূপসী বাংলা একেক সময় একেক নতুন সাজে ধরা দেয়। কখনো বর্ষার অবিরল জলধারা ধুয়ে দেয় শ্রান্তি, কখনো শরতের শুভ্র কাশফুল ও মেঘমুক্ত নীল আকাশ মনে করিয়ে দেয় পরম বিশুদ্ধতার কথা। প্রকৃতির এই চিরন্তন নিয়মের সঙ্গেই যেন একাকার হয়ে উঠেছিল ক্লাব সদস্যদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি।

সবুজে ঘেরা বনাঞ্চল ও জলরাশিবেষ্টিত সুন্দরবনের উপকূলীয় এই জনপদের প্রকৃতি বাঁচানোর এক সুকোমল আকুতি ধ্বনিত হয়েছে অনুষ্ঠানে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরিচালনায় এই সভা কেবল এক প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন হয়ে থাকেনি; বরং তা হয়ে উঠেছিল পরিবেশ রক্ষা, সুষম জীবনযাপন এবং ঋতুভিত্তিক প্রাকৃতিক সামঞ্জস্য রক্ষার এক অনন্য অঙ্গীকারনামা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে পৃথিবীই একমাত্র প্রাণের ভালোবাসার ঘর। তাই এর পরিবেশ ও প্রকৃতিকে আগলে রাখার দায়িত্বও আমাদের। হৃদয়ের মমতা ও সংবেদনশীলতা দিয়ে প্রকৃতিকে ভালোবাসতে হবে। সুন্দরবন আমাদের ফুসফুস; একে রক্ষায় আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পাশাপাশি নদ-নদী রক্ষা, দূষণ প্রতিরোধ এবং নিয়মিত বৃক্ষরোপণ করে তার যত্ন নিতে হবে।

সংগঠনের সাতক্ষীরা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মুনির উদ্দীনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন সমন্বয়কারী ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ। সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন উপদেষ্টা প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ডাক্তার সুশান্ত কুমার ঘোষ, অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, মাধব চন্দ্র দত্ত, আলী নূর খান বাবুল; সহসভাপতি জ্যোৎস্না দত্ত, প্রবীর চন্দ্র দত্ত, সত্যপ্রকাশ দত্ত; কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ; সদস্য বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজবাবু, শেখ হারুন উর রশিদ, এসএম শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক পাল শুভাশীষ, নাজমুল হক, উম্মে ফুয়ারা, এসএম হাবিবুল হাসান, জিএম আমিনুল হক, মোস্তাকিম হোসেন, গাজী আসাদ, সালাউদ্দীন রানা, মিলন বিশ্বাস, হাবিবুর রহমান সোহাগ, মৃত্যুঞ্জয় রায় অপূর্ব, মোঃ আব্দুর রহিম, সুধাংশু কুমার রাহা, জাহিদ হাসান, মোঃ ওলিউর রহমান, তানজির আহমেদ, গাজী মাহিদা মিজান, ফাহিম হাসনাত ইমন, মেহেদী হাসান (শিমুল), মো. হোসেন আলী ও সাখাওয়াতউল্যাহ।

প্রকৃতির স্নিগ্ধতা রক্ষা ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে সংগঠনের পক্ষ থেকে নানামুখী কর্মসূচির রূপরেখা ঘোষণা করা হয়। তা হলো— বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: আগামী জুন-জুলাই মাসে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করে প্রতিটি শাখা অন্তত ৩০০টি (১০০টি ফলদ, ১০০টি বনজ ও ১০০টি ঔষধি) চারা রোপণ করবে। সফলতম ৩টি শাখাকে কেন্দ্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করা হবে। এ ছাড়া সদস্যরা বছরজুড়ে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকেও বৃক্ষরোপণ চালিয়ে যাবেন।

ভিডিওচিত্র ও আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা: পরিবেশ, প্রকৃতি ও জলবায়ু বিষয়ে ২-৩ মিনিটের ভিডিওচিত্র এবং স্থিরচিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। নির্বাচিত সেরা চিত্রগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের পাশাপাশি বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে।

‘প্রকৃতিবার্তা’ ও প্রকাশনা: সদস্যদের পরিবেশবিষয়ক সেরা লেখা ও ছবি ‘প্রকৃতিবার্তা’ ম্যাগাজিনে স্থান পাবে। পাশাপাশি শাখাগুলো নিজস্ব উদ্যোগেও প্রকাশনা বের করতে পারবে।

স্কুলপর্যায়ে বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ: পরিবেশ সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয় পর্যায়ে বিতর্ক, প্রাথমিকে চিত্রাঙ্কন ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভিডিও প্রদর্শনীর মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতি মাসে নদী তীর, পার্ক, সড়ক, বনাঞ্চল, শহীদ মিনার ও পাঠাগারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।

পাঠচক্র ও পাঠাগার স্থাপন: প্রকৃতিবিষয়ক বই নিয়ে নিয়মিত মাসভিত্তিক পাঠচক্রের আয়োজন এবং স্থানীয়ভাবে পাঠাগার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দিবস পালন ও সেবামূলক কাজ: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের পাশাপাশি রক্তদান, চিকিৎসাসেবা, শীতবস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণের মতো আর্তমানবতার সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ইকো ট্যুরিজম ও বৈঠক: সদস্যদের সৌহার্দ্য বাড়াতে প্রাকৃতিক পরিবেশে আনন্দঘন ‘ইকো ট্যুরিজম’-এর আয়োজন করা হবে। সংগঠনের কার্যকারিতা বজায় রাখতে প্রতি মাসে কার্যনির্বাহী বৈঠক ও প্রতি তিন মাস পর পর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, প্রতিটি কর্মসূচির তথ্য ও ফুটেজ কেন্দ্রীয় পর্ষদে পাঠানো হবে এবং সারা বছরের কাজের ভিত্তিতে সেরা ১০টি ক্লাবকে ‘বর্ষসেরা অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।

আলোচনা পর্বের শেষাংশে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব সাতক্ষীরা শাখার ১১ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। নবগঠিত কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন—সভাপতি: অ্যাডভোকেট মুনির উদ্দীন, সহ-সভাপতি: মো. ওলিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক: মো. আব্দুস সামাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. নাজমুল হক, অর্থ সম্পাদক: মো. আসাদুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: মো. হোসেন আলী, দপ্তর সম্পাদক: মাশকুরা পারভীন মৌ, নারী বিষয়ক সম্পাদক: উম্মে ফুয়ারা রানী, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: এস এম শহীদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক: এসএম সাজেদুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক: অর্পণ বসু। প্রকৃতির ছন্দে পা মিলিয়ে মানুষের এই সম্মিলিত পথচলা যেন ঋতুচক্রের প্রতিটি বাঁকে হারিয়ে যাওয়া স্নিগ্ধতা ও প্রাণপ্রবাহ ফিরিয়ে আনার এক নতুন দীপশিখা হয়ে জ্বলছে।