শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার আলাদীপুর গ্রামে বাড়ির পাশের গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে স্বাক্ষর শীল নামে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত স্বাক্ষর শীল মিঠুন শীলের সন্তান। বাড়ির পাশের গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। শিশুটির আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। এ ঘটনায় শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ মর্মান্তিক ঘটনা শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। বাড়ির আশপাশের পুকুর, গর্ত ও পানিভর্তি স্থান নিরাপদ রাখা এবং শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া জরুরি।

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভায় প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলনমেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভায় প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলনমেলা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঋতু পরিবর্তনের বারতায় মৃদু হাওয়ায় যখন চারপাশের রূপ বদলে যায়, তখনই মাটির টানে যেন জেগে ওঠে মানুষের সুকোমল মন। প্রকৃতির সেই অপার সৌন্দর্য, রূপ ও ছন্দকে জীবনের পরম পাথেয় করে সাতক্ষীরায় আয়োজিত হলো এক ব্যতিক্রমী প্রীতি মিলনমেলা। ‘সুন্দর প্রকৃতিতে গড়ি সুস্থ জীবন’—এই মর্মবাণীকে অন্তরে ধারণ করে শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব, সাতক্ষীরা’-র সাধারণ সভা।

ঋতুর ঘূর্ণাবর্তে রূপসী বাংলা একেক সময় একেক নতুন সাজে ধরা দেয়। কখনো বর্ষার অবিরল জলধারা ধুয়ে দেয় শ্রান্তি, কখনো শরতের শুভ্র কাশফুল ও মেঘমুক্ত নীল আকাশ মনে করিয়ে দেয় পরম বিশুদ্ধতার কথা। প্রকৃতির এই চিরন্তন নিয়মের সঙ্গেই যেন একাকার হয়ে উঠেছিল ক্লাব সদস্যদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি।

সবুজে ঘেরা বনাঞ্চল ও জলরাশিবেষ্টিত সুন্দরবনের উপকূলীয় এই জনপদের প্রকৃতি বাঁচানোর এক সুকোমল আকুতি ধ্বনিত হয়েছে অনুষ্ঠানে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরিচালনায় এই সভা কেবল এক প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন হয়ে থাকেনি; বরং তা হয়ে উঠেছিল পরিবেশ রক্ষা, সুষম জীবনযাপন এবং ঋতুভিত্তিক প্রাকৃতিক সামঞ্জস্য রক্ষার এক অনন্য অঙ্গীকারনামা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে পৃথিবীই একমাত্র প্রাণের ভালোবাসার ঘর। তাই এর পরিবেশ ও প্রকৃতিকে আগলে রাখার দায়িত্বও আমাদের। হৃদয়ের মমতা ও সংবেদনশীলতা দিয়ে প্রকৃতিকে ভালোবাসতে হবে। সুন্দরবন আমাদের ফুসফুস; একে রক্ষায় আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পাশাপাশি নদ-নদী রক্ষা, দূষণ প্রতিরোধ এবং নিয়মিত বৃক্ষরোপণ করে তার যত্ন নিতে হবে।

সংগঠনের সাতক্ষীরা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মুনির উদ্দীনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন সমন্বয়কারী ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ। সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন উপদেষ্টা প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ডাক্তার সুশান্ত কুমার ঘোষ, অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, মাধব চন্দ্র দত্ত, আলী নূর খান বাবুল; সহসভাপতি জ্যোৎস্না দত্ত, প্রবীর চন্দ্র দত্ত, সত্যপ্রকাশ দত্ত; কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ; সদস্য বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজবাবু, শেখ হারুন উর রশিদ, এসএম শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক পাল শুভাশীষ, নাজমুল হক, উম্মে ফুয়ারা, এসএম হাবিবুল হাসান, জিএম আমিনুল হক, মোস্তাকিম হোসেন, গাজী আসাদ, সালাউদ্দীন রানা, মিলন বিশ্বাস, হাবিবুর রহমান সোহাগ, মৃত্যুঞ্জয় রায় অপূর্ব, মোঃ আব্দুর রহিম, সুধাংশু কুমার রাহা, জাহিদ হাসান, মোঃ ওলিউর রহমান, তানজির আহমেদ, গাজী মাহিদা মিজান, ফাহিম হাসনাত ইমন, মেহেদী হাসান (শিমুল), মো. হোসেন আলী ও সাখাওয়াতউল্যাহ।

প্রকৃতির স্নিগ্ধতা রক্ষা ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে সংগঠনের পক্ষ থেকে নানামুখী কর্মসূচির রূপরেখা ঘোষণা করা হয়। তা হলো— বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: আগামী জুন-জুলাই মাসে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করে প্রতিটি শাখা অন্তত ৩০০টি (১০০টি ফলদ, ১০০টি বনজ ও ১০০টি ঔষধি) চারা রোপণ করবে। সফলতম ৩টি শাখাকে কেন্দ্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করা হবে। এ ছাড়া সদস্যরা বছরজুড়ে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকেও বৃক্ষরোপণ চালিয়ে যাবেন।

ভিডিওচিত্র ও আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা: পরিবেশ, প্রকৃতি ও জলবায়ু বিষয়ে ২-৩ মিনিটের ভিডিওচিত্র এবং স্থিরচিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। নির্বাচিত সেরা চিত্রগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের পাশাপাশি বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে।

‘প্রকৃতিবার্তা’ ও প্রকাশনা: সদস্যদের পরিবেশবিষয়ক সেরা লেখা ও ছবি ‘প্রকৃতিবার্তা’ ম্যাগাজিনে স্থান পাবে। পাশাপাশি শাখাগুলো নিজস্ব উদ্যোগেও প্রকাশনা বের করতে পারবে।

স্কুলপর্যায়ে বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ: পরিবেশ সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয় পর্যায়ে বিতর্ক, প্রাথমিকে চিত্রাঙ্কন ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভিডিও প্রদর্শনীর মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতি মাসে নদী তীর, পার্ক, সড়ক, বনাঞ্চল, শহীদ মিনার ও পাঠাগারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।

পাঠচক্র ও পাঠাগার স্থাপন: প্রকৃতিবিষয়ক বই নিয়ে নিয়মিত মাসভিত্তিক পাঠচক্রের আয়োজন এবং স্থানীয়ভাবে পাঠাগার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দিবস পালন ও সেবামূলক কাজ: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের পাশাপাশি রক্তদান, চিকিৎসাসেবা, শীতবস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণের মতো আর্তমানবতার সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ইকো ট্যুরিজম ও বৈঠক: সদস্যদের সৌহার্দ্য বাড়াতে প্রাকৃতিক পরিবেশে আনন্দঘন ‘ইকো ট্যুরিজম’-এর আয়োজন করা হবে। সংগঠনের কার্যকারিতা বজায় রাখতে প্রতি মাসে কার্যনির্বাহী বৈঠক ও প্রতি তিন মাস পর পর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, প্রতিটি কর্মসূচির তথ্য ও ফুটেজ কেন্দ্রীয় পর্ষদে পাঠানো হবে এবং সারা বছরের কাজের ভিত্তিতে সেরা ১০টি ক্লাবকে ‘বর্ষসেরা অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।

আলোচনা পর্বের শেষাংশে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব সাতক্ষীরা শাখার ১১ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। নবগঠিত কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন—সভাপতি: অ্যাডভোকেট মুনির উদ্দীন, সহ-সভাপতি: মো. ওলিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক: মো. আব্দুস সামাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. নাজমুল হক, অর্থ সম্পাদক: মো. আসাদুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: মো. হোসেন আলী, দপ্তর সম্পাদক: মাশকুরা পারভীন মৌ, নারী বিষয়ক সম্পাদক: উম্মে ফুয়ারা রানী, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: এস এম শহীদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক: এসএম সাজেদুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক: অর্পণ বসু। প্রকৃতির ছন্দে পা মিলিয়ে মানুষের এই সম্মিলিত পথচলা যেন ঋতুচক্রের প্রতিটি বাঁকে হারিয়ে যাওয়া স্নিগ্ধতা ও প্রাণপ্রবাহ ফিরিয়ে আনার এক নতুন দীপশিখা হয়ে জ্বলছে।

গ্রামবাংলার খাল-বিলে মাছ ধরার চিরচেনা দৃশ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
গ্রামবাংলার খাল-বিলে মাছ ধরার চিরচেনা দৃশ্য

আজহারুল ইসলাম সাদী

গ্রামবাংলার প্রকৃতি মানেই সবুজের সমারোহ, আঁকাবাঁকা মেঠোপথ, গাছের ছায়া আর খাল-বিলজুড়ে পানির কলতান। বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে চারপাশের জলাশয়গুলো পানিতে ভরে ওঠে। খাল-বিলে ফুটে থাকা শাপলা-শালুকের সৌন্দর্যের সঙ্গে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য গ্রামীণ জীবনে যোগ করে ভিন্ন এক মাত্রা।

গ্রামবাংলার খাল, নালা ও বিলে জাল ফেলে মাছ ধরার দৃশ্য আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। মাছ ধরা শুধু জীবিকা নির্বাহ কিংবা পরিবারের খাদ্যের জোগান নয়; এটি অনেকের কাছে আনন্দ, মিলন ও পারস্পরিক সহযোগিতারও উপলক্ষ। জালভরা টেংরা, পুঁটি, কই, মাগুর, বাইনসহ নানা প্রজাতির দেশি মাছ ধরা পড়লে জেলেদের মুখে ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি।

গ্রামাঞ্চলে মাছ ধরার রয়েছে নানা ঐতিহ্যবাহী কৌশল। কোথাও বাঁশের কাঠামোয় বসানো ভেসাল বা খারা জাল পানিতে নামিয়ে মাছ ধরা হয়। কোথাও দক্ষ হাতে ঝাঁকি জাল ছুড়ে পানির মাছ আটকে ফেলা হয়। চার কোণায় বাঁশের কাঠি লাগানো ধর্ম জাল পানিতে নামিয়ে তোলা হয়, আর ঠেলা জাল দিয়ে অগভীর পানিতে ছোট মাছ ও চিংড়ি ধরা হয়। এ ছাড়া খাল-নালায় পানির স্রোতের মুখে বাঁশের তৈরি ঘুনি ও অন্যান্য ফাঁদ পেতেও মাছ শিকার করেন গ্রামীণ মানুষ।

প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের নিবিড় সম্পর্কের এমন দৃশ্য গ্রামবাংলার সহজ-সরল জীবনযাত্রার পরিচয় বহন করে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এলেও খাল-বিলে মাছ ধরার এই চিরচেনা দৃশ্য আজও গ্রামীণ ঐতিহ্য ও প্রকৃতির সৌন্দর্যকে জীবন্ত করে রেখেছে।

ছবি: সাতক্ষীরার কুলিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর টিকিট গ্রামের প্রবেশদ্বারের একটি খাল থেকে মাছ ধরছেন এক জেলে।

সাতক্ষীরায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রাম থেকে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে পাঁচজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শনিবার সকালে ছাত্রীর মা সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৫ বছর বয়সী ওই ছাত্রী রায়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দুই দিন আগে বিকেলে নিজ বাড়ির সামনে থেকে জাহিদ হাসানসহ কয়েকজন তাকে অপহরণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন পাটকেলঘাটা থানার নোয়াকাটি গ্রামের জাহিদ হাসান, তার বাবা কলিম সরদার ছোট, কলিম সরদারের স্ত্রী রেহেনা খাতুন এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের আমিনুর সরদার ও মনা খাতুন। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনকে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, জাহিদ হাসান বিভিন্ন সময় তার মেয়েকে কুপ্রস্তাব দিতেন এবং ভয়ভীতি ও হুমকি দিতেন। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য অভিযুক্তদের কাছে গেলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “ছাত্রীর মা থানায় অভিযোগ জমা দিয়েছেন। পুলিশ দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেবে।”