বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

মোটরসাইকেলের তেল সাশ্রয় করার ১০ কৌশল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
মোটরসাইকেলের তেল সাশ্রয় করার ১০ কৌশল

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে দেশের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে চলতে এবং পকেটের টাকা বাঁচাতে সচেতনভাবে মোটরসাইকেল চালানো জরুরি।
আর তাই বিশেষ ১০টি কৌশল অবলম্বন করে চললে আপনি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় করতে পারবেন।

তো আর দেরি না করে চলুন জেনে নিই মোটরসাইকেলের তেল সাশ্রয় করার ১০ কৌশল সম্পর্কে-

(১) সঠিক গতি বজায় রাখা
বাইক খুব দ্রুত বা খুব ধীরে না চালিয়ে একটি নির্দিষ্ট গতিতে চালানোর চেষ্টা করুন। সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে বাইক চালালে সবচেয়ে ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়। ঘন ঘন ব্রেক করা এবং বারবার হঠাৎ অ্যাক্সিলারেট করলে ইঞ্জিন বেশি জ্বালানি খরচ করে। বরং মসৃণভাবে গতি বাড়ানো অভ্যাস করুন।

(২) সঠিক গিয়ার ব্যবহার
কম স্পিডে হাই গিয়ার বা বেশি স্পিডে লো গিয়ার ব্যবহার করলে ইঞ্জিনে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং তেল বেশি খরচ হয়। গতি অনুযায়ী সঠিক গিয়ার পরিবর্তন করুন।

(৩) ট্রাফিক সিগন্যালে ইঞ্জিন বন্ধ রাখা
যদি ট্রাফিক জ্যামে বা সিগন্যালে ৩০ সেকেন্ডের বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তবে ইঞ্জিন বন্ধ করে দিন। অলসভাবে ইঞ্জিন চালু থাকলে তেল অপচয় হয়।

(৪) টায়ারের প্রেশার চেক করা
টায়ারে হাওয়া কম থাকলে ইঞ্জিনের ওপর লোড বেশি পড়ে, ফলে তেল বেশি লাগে। সপ্তাহে অন্তত একবার ম্যানুয়াল অনুযায়ী সঠিক টায়ার প্রেশার চেক করুন।

(৫) চেইন এবং ক্লাচ অ্যাডজাস্টমেন্ট
> চেইন: চেইন ঢিলেঢালা বা খুব বেশি টাইট থাকলে শক্তির অপচয় হয়। চেইন পরিষ্কার রাখুন এবং লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন।

>> ক্লাচ: ক্লাচ লিভার অতিরিক্ত টাইট বা লুজ থাকলে ইঞ্জিনের শক্তি চাকায় ঠিকমতো পৌঁছায় না।

(৬) অযথা ব্রেক না করা
রাস্তায় চলার সময় সামনের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখুন। অযথা ঘন ঘন ব্রেক না চেপে থ্রটল কমিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন। একে ‘স্মুথ রাইডিং’ বলা হয়।

(৭) ভালো মানের ফুয়েল ও সঠিক সময়
চেষ্টা করুন বিশ্বস্ত পাম্প থেকে তেল নিতে। রোদ বা অতিরিক্ত গরমে তেল না নিয়ে ভোরে বা রাতে তেল নেওয়া ভালো, কারণ তখন জ্বালানির ঘনত্ব বেশি থাকে।

(৮) নিয়মিত সার্ভিসিং ও এয়ার ফিল্টার
বাইকের এয়ার ফিল্টার ময়লা হলে ইঞ্জিন পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ফলে তেল বেশি পোড়ে। নিয়মিত সার্ভিসিং এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন।

(৯) অতিরিক্ত ওজন বহন না করা
বাইকে অতিরিক্ত ওজন বা মালামাল বহন করলে ইঞ্জিনে চাপ পড়ে এবং জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। রাইডিংয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় ভার এড়িয়ে চলুন।

(১০) কার্বুরেটর বা ফুয়েল ইনজেকশন চেক
আপনার বাইকটি যদি কার্বুরেটর চালিত হয়, তবে মেকানিক দিয়ে সেটি ‘ইকোনমি মোড’-এ টিউন করিয়ে নিন। আর এফআই (এফআই) ইঞ্জিন হলে সেন্সরগুলো ঠিক আছে কি না নিশ্চিত করুন।

বিশেষ পরামর্শ

> ছোট দূরত্বে হাঁটা বা বিকল্প ব্যবহার করুন। খুব কাছের পথে মোটরসাইকেল ব্যবহার না করে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করলে জ্বালানি সাশ্রয় হয়।

>> রুট পরিকল্পনা করে বের হন। যেখানে যানজট কম, এমন রাস্তা বেছে নিন। বারবার থামা-চলা তেলের খরচ বাড়ায়।

>>> তেল সাশ্রয়ের পাশাপাশি রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। আপনার সচেতনতাই পারে এই সংকটময় সময়ে কিছুটা স্বস্তি দিতে।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।