সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

চৈত্র সংক্রান্তি ও কৃষিজীবনের নারীর লোকায়ত সংস্কৃতি: গ্রামীণ বাংলার অন্তর্লীন উৎসবচেতনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
চৈত্র সংক্রান্তি ও কৃষিজীবনের নারীর লোকায়ত সংস্কৃতি: গ্রামীণ বাংলার অন্তর্লীন উৎসবচেতনা

সচ্চিদানন্দ দে সদয়
চৈত্র সংক্রান্তি বাংলা বর্ষপঞ্জির শেষ দিন। এটি শুধু একটি ক্যালেন্ডারিক সমাপ্তি নয়, বরং গ্রামীণ বাংলার কৃষিনির্ভর জীবনের এক গভীর সাংস্কৃতিক উপলক্ষ। পুরোনো বছরের ক্লান্তি, অর্জন, ব্যর্থতা ও স্মৃতিকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের সম্ভাবনাকে বরণ করার এক অনন্য সামাজিক আচার এই দিনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে কৃষিজীবী সমাজে, যেখানে প্রকৃতি ও জীবিকার সম্পর্ক অটুট, সেখানে চৈত্র সংক্রান্তি এক ধরনের মানসিক পুনর্জাগরণ। এই উৎসবের কেন্দ্রে রয়েছে কৃষিজীবনের নারী-যিনি ঘর, পরিবার, কৃষি এবং প্রকৃতির মধ্যে এক নীরব সেতুবন্ধন তৈরি করেন।বাংলা বছরের শেষ মাস চৈত্র। গ্রীষ্মের প্রচ- দাবদাহে প্রকৃতি যখন শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে ওঠে, তখন কৃষক সমাজ নতুন বর্ষার অপেক্ষায় থাকে। এই সময়েই চৈত্র সংক্রান্তি পালিত হয়, যা ঋতুচক্রের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন চিহ্নিত করে। কৃষিজীবী মানুষের কাছে এই সময় মানে হলো-জমির প্রস্তুতি, বীজ সংরক্ষণ, এবং নতুন চাষের পরিকল্পনা। প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এই সমাজে চৈত্র সংক্রান্তি তাই এক গভীর অর্থ বহন করে। চৈত্র সংক্রান্তির সবচেয়ে গভীর দিকটি হলো কৃষিজীবনের নারীর ভূমিকা। তারা শুধু গৃহিণী নন, বরং কৃষিভিত্তিক সমাজের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই সময়ে নারীরা বিভিন্ন ব্রত পালন করেন, যা পরিবারের কল্যাণ, স্বামীর কৃষিকাজের সফলতা এবং সন্তানের সুস্থতার জন্য নিবেদিত। তাদের ব্রতকর্মের মধ্যে রয়েছে-নিরামিষ আহার, উপবাস, ঘর পরিষ্কার এবং বিশেষ শাক-সবজি সংগ্রহ। বিশেষভাবে ‘চৌদ্দ শাক’ আহারের ঐতিহ্য এই সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই চৌদ্দ শাকের মধ্যে একটি অবশ্যই তিতা স্বাদের হতে হয়, যেমন গিমা শাক। বিশ্বাস করা হয়, এই শাক শরীরকে শুদ্ধ করে এবং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের ভারসাম্য বজায় রাখে। গ্রামীণ সমাজে চৈত্র সংক্রান্তি শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণের এক লোকজ পদ্ধতি। কুড়িয়ে পাওয়া শাক, বৃষ্টির পূর্বাভাস, গাছপালার অবস্থা-সবকিছুই ভবিষ্যৎ কৃষির ইঙ্গিত বহন করে বলে বিশ্বাস করা হয়। এই বিশ্বাস কৃষি সমাজকে প্রকৃতির প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে। প্রকৃতিকে শোষণ নয়, বরং সহাবস্থানের দৃষ্টিতে দেখা-এই দর্শনই চৈত্র সংক্রান্তির অন্তর্নিহিত শিক্ষা। চৈত্র সংক্রান্তির সঙ্গে যুক্ত গাজন ও চড়ক উৎসব গ্রামীণ বাংলার লোকসংস্কৃতির এক শক্তিশালী প্রকাশ। শিব ও গৌরী কেন্দ্রিক এই উৎসবে নৃত্য, কীর্তন এবং শোভাযাত্রা গ্রামজীবনে এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে। চড়ক উৎসবে ভক্তদের আত্মত্যাগমূলক আচার-অনুষ্ঠান হলেও এর মূল উদ্দেশ্য ভক্তির প্রতীকী প্রকাশ। আধুনিক সময়ে অনেক ক্ষেত্রে এই আচার প্রতীকী রূপে সীমাবদ্ধ হলেও এর সাংস্কৃতিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ন।
চৈত্র সংক্রান্তির প্রস্তুতিতে নারীর ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তারা সকাল থেকে ঘর পরিষ্কার, উঠান গোছানো, গোয়ালঘর পরিচ্ছন্ন করা এবং পশুপালনের কাজে সক্রিয় থাকেন। দুপুরের বিশেষ নিরামিষ ভোজ-ছাতু, চিড়া, দই, মুড়ি, খই, তিল ও নারিকেলের নাড়ু-সবকিছুর প্রস্তুতিও তাদের হাতেই সম্পন্ন হয়। এই শ্রম সাধারণত অদৃশ্য থেকে যায়, কিন্তু উৎসবের প্রাণশক্তি গড়ে তোলে এই নারীরাই। চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অনুষঙ্গ হলো হালখাতা। পুরোনো হিসাব শেষ করে নতুন খাতা খোলার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা নতুন বছরের সূচনা করেন। এই সময়ে দোকান পরিষ্কার, মিষ্টি বিতরণ, এবং গ্রাহকদের আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে এক সামাজিক সম্পর্ক পুনর্গঠিত হয়। এটি শুধু অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া নয়; এটি বিশ্বাস ও সম্পর্কের পুনর্নবীকরণ। চড়ক উৎসবের ইতিহাস বহু পুরোনো। কিছু লোককথা অনুযায়ী, ১৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুর এই উৎসবের প্রচলন করেন বলে বিশ্বাস করা হয়। তবে এর ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ সরকার কিছু কঠোর আচার নিষিদ্ধ করলেও লোকজ সংস্কৃতিতে এর উপস্থিতি এখনও রয়ে গেছে। এটি গ্রামীণ মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ হয়ে আছে। চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে বসা মেলা গ্রামীণ সমাজের মিলনকেন্দ্র। এখানে বিভিন্ন বয়স, শ্রেণি ও পেশার মানুষ একত্রিত হন। এটি শুধু বিনোদন নয়; এটি সামাজিক যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্র। আগে এই মেলায় আত্মীয়-স্বজনদের আমন্ত্রণ জানানো হতো, নতুন পোশাক দেওয়া হতো এবং বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হতো। আজও সেই ঐতিহ্যের কিছু অংশ টিকে আছে। শহুরে সংস্কৃতির প্রভাব গ্রামীণ চৈত্র সংক্রান্তিকেও পরিবর্তিত করেছে। অনেক আচার সংক্ষিপ্ত হয়েছে, কিছু রীতি প্রতীকী রূপ নিয়েছে। তবে মূল চেতনা-নবজীবনের আহ্বান ও প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা-এখনও অক্ষুণ্ন। এই পরিবর্তন একদিকে যেমন ঐতিহ্যের রূপান্তর, অন্যদিকে তেমনি সংস্কৃতির অভিযোজন। চৈত্র সংক্রান্তি কেবল একটি উৎসব নয়; এটি কৃষিজীবী মানুষের জীবনদর্শন। কৃষিজীবনের নারীর ব্রত, লোকবিশ্বাস, প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক এবং সামাজিক সংহতির এক অনন্য সমন্বয় এই উৎসব। এই সংস্কৃতি যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন গ্রামীণ বাংলার শিকড়ও অটুট থাকবে। চৈত্র সংক্রান্তি তাই শুধু অতীতের স্মৃতি নয়-এটি ভবিষ্যতের সাংস্কৃতিক সম্ভাবনাও বটে। লেখক: সংবাদ কর্মী

Ads small one

গাবুরা-বুড়িগোয়ালিনী সংযোগ খেয়াঘাট ভাঙনের মুখে, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
গাবুরা-বুড়িগোয়ালিনী সংযোগ খেয়াঘাট ভাঙনের মুখে, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম ডুমুরিয়া খেয়াঘাট বর্তমানে ভাঙনের কবলে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘাটের বিভিন্ন অংশে ভাঙন দেখা দেওয়ায় প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজারো মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ২০০৯ সালে বুড়িগোয়ালিনী অংশের খেয়াঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

দীর্ঘদিন পার হলেও সেই ঘাটটি এখনো স্থায়ীভাবে পুননির্মাণ করা হয়নি। ফলে দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতে নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে ডুমুরিয়া ঘাটেও একই ধরনের ভাঙন শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গাবুরা ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত বলেন, “ডুমুরিয়া খেয়াঘাটটি গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালে বুড়িগোয়ালিনী পাশের ঘাট ভেঙে যাওয়ার পরও সেটির স্থায়ী সমাধান হয়নি।

এখন ডুমুরিয়া ঘাটটিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ এর বিভাগীয় সমন্বয়কারী ইমাম হোসেন বলেন, “প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করেন। ভাঙনের কারণে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সংস্কার ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, ঘাটটি দ্রুত সংস্কার ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তাই জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

 

 

শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: “জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা” প্রতিপাদ্য বিশেষ সামনে রেখে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ জুন সকাল ১০ টা থেকে দিনব্যাপী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে মানুষসহ সকল প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ প্রসাদ দেবনাথ।
বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং সিএরআরএন-বিফোআরএল প্রকল্পের সরোয়ার হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ আন্দোলনের সহায়ক হিসেবে ১৩ জন ছাত্রী ও ১২ জন ছাত্রের সমন্বয়ে ২৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিবেশ ক্লাব গঠন করা হয়। শিক্ষার্থীরা দলভিত্তিকভাবে বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছের বৈশিষ্ট্য, উপকারিতা এবং লবণাক্ত মাটিতে এসব গাছের অভিযোজন কৌশল নিয়ে আলোচনা ও উপস্থাপনা করে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। রোপিত গাছ ও বিদ্যালয়ের নার্সারির নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব পরিবেশ ক্লাবের সদস্যদের প্রদান করা হয়।

 

 

 

তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফট স্কিল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ও অর্থায়নে সমাজসেবা অধিদপ্তরের “বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ)” প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক রতন কুমার হালদার।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাহাত খান।

প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, জয়পুরহাট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক হারুন উর রশিদ, খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাসুদুর রহমান, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু এবং ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক।

এ সময় বক্তব্য দেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেলিম হায়দার, সাংবাদিক বি.এম. জুলফিকার রায়হান, কামরুজ্জামান মিঠু, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সমন্বয়কারী তৌফিক ইমরান, সহকারী অসিত রায় ও ইমদাদুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

প্রশিক্ষণে তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রান্তিক পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করছেন। দক্ষতা বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা জানান।