বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

হারানো উৎসব, বদলে যাওয়া আশাশুনি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
হারানো উৎসব, বদলে যাওয়া আশাশুনি

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: সাতক্ষীরা-বাংলার গ্রামীণ জনপদ একসময় ছিল উৎসব, ঐতিহ্য আর মানবিক বন্ধনের এক অপূর্ব মিলনস্থল। সেই চিরচেনা গ্রামবাংলার প্রতিচ্ছবি স্পষ্টভাবে দেখা যেত সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায়। নবান্নের আনন্দ, নৌকাবাইচের উল্লাস, যাত্রাপালার আবেগ কিংবা বৈশাখী মেলার প্রাণচাঞ্চল্য-সব মিলিয়ে এটি ছিল এক জীবন্ত সংস্কৃতির আধার। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে আজ সেই ঐতিহ্য যেন হারিয়ে যাওয়ার পথে। এক সময় আশাশুনির গ্রামগুলোতে অগ্রহায়ণ এলেই শুরু হতো নবান্নের উৎসব। নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি হতো নানা রকম পিঠা-পুলি। বাড়ি বাড়ি চলত আদান-প্রদান, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ত উৎসবের আমেজ। আনুলিয়া ইউনিয়নের প্রবীণ বাসিন্দা আব্দুল গফুর (৭৫) স্মৃতিচারণ করে বলেন, আগে নবান্ন মানেই ছিল উৎসব। তিন-চার দিন ধরে পিঠা বানাতো বাড়ির মেয়েরা। এখন আর সেই পরিবেশ নেই, সব কিছুই ছোট হয়ে গেছে। বর্তমানে নবান্ন পালিত হলেও তা অনেকটাই আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ। নতুন প্রজন্মের কাছে এর গুরুত্বও কমে গেছে। বর্ষা মৌসুমে কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীতে বসত নৌকাবাইচের আসর। শত শত বৈঠার ছন্দে নদী মুখরিত হতো, দুই পাড়ে হাজারো দর্শকের ভিড় জমত। বুধহাটা এলাকার মাঝি হাশেম আলী (৬০) বলেন, “আগে বর্ষা মানেই নৌকা বাইচ। এখন নদীতে পানি নাই, আয়োজনও নেই। ছেলেপুলেরা আর আগ্রহ দেখায় না।” নদীর নাব্যতা সংকট, পৃষ্ঠপোষকতার অভাব এবং আধুনিক বিনোদনের কারণে এই ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। শীতের রাত মানেই ছিল যাত্রাপালা। গ্রামের খোলা মাঠে বসত আসর, যেখানে মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা মগ্ন থাকত। একইভাবে পুঁথি পাঠ, বায়োস্কোপ, সাপ খেলা, লাঠিখেলা ছিল গ্রামীণ বিনোদনের প্রধান মাধ্যম। বুধহাটার ব্যবসায়ী গৌতম ব্যানার্জী বলেন, আমরা ছোটবেলায় যাত্রা না দেখে শীত কাটাইনি। এখন বাচ্চারা মোবাইলেই ব্যস্ত, যাত্রা কী-তাই জানে না। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আশাশুনির বিভিন্ন স্থানে বসত বৈশাখী মেলা। হালখাতা, গ্রামীণ পণ্যের দোকান, লোকজ খেলাধুলা-সব মিলিয়ে এটি ছিল একটি সার্বজনীন উৎসব। বড়দল বাজারের নিতাই চন্দ্র বলেন, আগের মেলায় মানুষের ভিড়, আনন্দ-সবই ছিল আলাদা। এখন মেলা হয় ঠিকই, কিন্তু সেই প্রাণটা আর নেই। বর্তমানে মেলাগুলো অনেকটাই বাণিজ্যিক হয়ে গেছে, হারিয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্য। মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ও টেলিভিশনের প্রসার মানুষের জীবনধারায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। সহজেই মানুষ বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে, যা ধীরে ধীরে স্থান করে নিচ্ছে স্থানীয় সংস্কৃতির জায়গায়। আশাশুনির কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী রুবেল হোসেন বলেন, আমরা এখন অনলাইনে বেশি সময় কাটাই। গ্রামের পুরোনো খেলাধুলা বা উৎসবগুলো তেমন আকর্ষণ করে না। এই পরিবর্তন শুধু সংস্কৃতিতেই নয়, সামাজিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলছে। আগে যেখানে উৎসব মানেই ছিল সম্মিলিত অংশগ্রহণ, এখন সেখানে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা বেড়েছে। সংস্কৃতি রক্ষায় প্রয়োজন সচেতনতা ও পরিকল্পিত উদ্যোগ। স্থানীয়ভাবে নিয়মিত লোকজ উৎসব আয়োজন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার করা এবং তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি। আশাশুনি উপজেলা সাংস্কৃতিক কর্মী অসিম দত্ত বলেন, “আমরা যদি এখনই উদ্যোগ না নিই, তাহলে আগামী প্রজন্ম শুধু বইয়ে পড়ে এসব জানবে। বাস্তবে কিছুই থাকবে না।” সংস্কৃতি কোনো বিলাসিতা নয়; এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়। আশাশুনির হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য শুধু একটি অঞ্চলের ক্ষতি নয়, এটি পুরো বাঙালি জাতিসত্তার জন্য এক বড় সতর্কবার্তা। আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পাশাপাশি আমাদের শিকড়কে ধরে রাখতে হবে। আজ প্রয়োজন সম্মিলিত প্রয়াস-তবেই হয়তো আবার নবান্নের গন্ধে ভরে উঠবে গ্রাম, নদীতে ফিরবে নৌকাবাইচের ঢেউ, আর আশাশুনি ফিরে পাবে তার হারানো প্রাণ।

Ads small one

সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী সিপিজি কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে সাতক্ষীরা সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি (সিএমসি) ও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ।

সিএমসি সভাপতি মাহামুদা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বনভিবাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) এরফান উদ্দিন। সিএমসি সদস্য আবু ফরিদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী, কলাগাছিয়া বনবিভাগ কেন্দ্রের ইনচার্জ সুলজ কুমার দ্বীপ, ফরেস্ট জামে মসজিদের ইমাম রেজাউল করিম, সিপিজি সদস্য পঞ্চি রানী ও রুহুল আমিন, সিএমসি সদস্য আব্দুর রশিদ এবং উপকূল প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম।

বক্তারা বলেছেন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার শুধু বাংলাদেশের জাতীয় গর্ব নয়, সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান। তাই সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার আয়োজনে ও দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আলিম,
সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মুহা: মুনিরুদ্দীন, দেবহাটা সরকারি বি. বি. এম.পি ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেবহাটা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আকবর আলী, দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোঃ শাহজাহান আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জয়দেব কুমার পাল, দেবহাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মির্জা মুহসিন আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল আজাদ প্রমুখ।

 

ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল- দুর্নীতি দমনের জন্য আইন ব্যবস্থার পাশাপাশি সামাজিক দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন এবং বিতর্কের বিপক্ষ দল হিসাবে অংশ নেয় পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার লাভ করেন আফরিনা আলম পাপড়ি

রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা উপজেলার ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান।

 

 

 

দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

সভায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্লা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিফুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বল, দেবহাটা বিজিবির নায়েব সুবেদার সোলাইমান হোসেন, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ আব্দুস সাত্তার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান ফরহাদ, জুলাই যোদ্ধা মুজাহিদ বিন ফিরোজসহ বিজিবি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবিকে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়ে জানানো হয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যেন না ঘটে, সে লক্ষ্যে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মিলন সাহা বলেন, উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।