বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব ও ভূ-রাজনীতি: আমাদের আবেগ ও বাস্তবতার টানাপোড়েন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব ও ভূ-রাজনীতি: আমাদের আবেগ ও বাস্তবতার টানাপোড়েন

শেখ সিদ্দিকুর রহমান
ইসলামী বিশ্বের মানচিত্রে শিয়া-সুন্নি মতভেদ কোনো নতুন বিষয় নয়। কয়েক শতাব্দী ধরে এই দুই ধারার মধ্যে তাত্ত্বিক ও আদর্শিক লড়াই চলছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি এবং বিশেষ করে ইরান বনাম ইসরায়েল-আমেরিকা দ্বন্দ্ব বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে এক অদ্ভুত মানসিক ও আদর্শিক বৈপরীত্য তৈরি করেছে। যে শিয়া মতবাদকে কট্টর সুন্নি আলেমগণ অনেক সময় ‘কাফের’ বা ‘ইসলামের গন্ডি বহির্ভূত’ বলে ফতোয়া দেন, সেই ইরানের পক্ষে আজ রাজপথে স্লোগান উঠছে। এই ধর্মীয় অনুভূতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যবচ্ছেদ করা এখন সময়ের দাবি।
আদর্শিক দেয়াল ও শিয়া-সুন্নি বিতর্ক : বাংলাদেশের মুসলিম সমাজের সিংহভাগ সুন্নি মতাদর্শের অনুসারী। কওমি ও সালাফি ঘরানার আলেমদের বড় একটি অংশ শিয়াদের আকিদাগত বিশ্বাসের কারণে তাদের ইসলামের মূল ধারা থেকে বিচ্যুত মনে করেন। বিশেষ করে সাহাবায়ে কেরামদের প্রতি শিয়াদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সুন্নিদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিদ্যমান। অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় জলসাগুলোতে শিয়াদের ‘অমুসলিম’ হিসেবে অভিহিত করার নজিরও কম নয়। যদি আদর্শই শেষ কথা হয়, তবে একজন সুন্নি মুসলমানের কাছে শিয়া প্রধান ইরান কখনোই ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু অদ্ভুতভাবে যখন বৈশ্বিক রাজনীতির প্রসঙ্গ আসে, তখন এই ‘কাফের’ ফতোয়া যেন আলমারিতে বন্দি হয়ে যায়।
ইসরায়েল ভীতি বনাম ইরান প্রীতি: ইরানের প্রতি এই আকস্মিক সহমর্মিতার মূলে শিয়াদের প্রতি ভালোবাসা কাজ করছে না; বরং কাজ করছে ইসরায়েল ও আমেরিকার প্রতি চরম ঘৃণা। বাংলাদেশের সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে ফিলিস্তিন ইস্যুটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। দীর্ঘকাল ধরে আরবরা যখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয়েছে, তখন ইরানের সরব উপস্থিতি তাদের মনে আশার আলো জাগিয়েছে। এখানে ‘শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু’ নীতিটি প্রকট। সুন্নিরা দেখছে, কথিত ‘কাফের’ ইরানই আজ গাজা ও ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে, অথচ অনেক সুন্নি আরব রাষ্ট্র নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এই দৃশ্যপটই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ইরানের প্রতি একটি কৃত্রিম কিন্তু শক্তিশালী ধর্মীয় আবেগ তৈরি করেছে।
আরব বিশ্বের অনীহা ও রাজনৈতিক মেরুকরণ: আমরা অনেকেই লক্ষ্য করি না যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব বা বাহরাইনের মতো সুন্নি রাষ্ট্রগুলো ইরানকে চরম সন্দেহের চোখে দেখে। এর কারণ কেবল ধর্মীয় নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক। ইরান তার ‘বিপ্লব’ রপ্তানি করতে চায় এবং মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া আধিপত্য বিস্তার করতে চায়-এমন একটি ভয় আরব রাজতন্ত্রগুলোর মধ্যে প্রবল। বিশেষ করে হুতি বিদ্রোহী, হিজবুল্লাহ এবং ইরাকের মিলিশিয়াদের মাধ্যমে ইরান যেভাবে প্রভাব বাড়াচ্ছে, তাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত বা সৌদি আরব নিজেদের অস্তিত্বের সংকট দেখছে। ফলে তারা অনেক সময় ইরানের চেয়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করাকেই নিরাপদ মনে করছে। অথচ বাংলাদেশে বসে আমরা কেবল ধর্মীয় চশমা দিয়ে বিচার করছি, যেখানে আরবরা বিচার করছে জাতীয় নিরাপত্তা ও ক্ষমতার ভারসাম্য দিয়ে।
জাতীয় স্বার্থ ও আমাদের হুরমুজ সংকট: সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, আমাদের এই আবেগ অনেক সময় জাতীয় স্বার্থকেও ছাপিয়ে যায়। হুরমুজ প্রণালী দিয়ে আমাদের পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে যখন ইরান বাধা দেয় বা অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন বাংলাদেশে তেমন কোনো প্রতিবাদ দেখা যায় না। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রশ্ন জাগে-আমাদের কাছে দেশের মর্যাদা বড়, না কি একটি নির্দিষ্ট দেশের ধর্মীয় পরিচিতি বড়? হুরমুজ প্রণালীতে বাংলাদেশি জাহাজের হয়রানি আমাদের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কিন্তু ইরানের প্রতি অন্ধ আবেগের কারণে এই বিষয়গুলো জনসমক্ষে আলোচনাতেই আসে না।
ধর্মীয় অনুভূতি অবশ্যই ব্যক্তিগত ও পবিত্র। কিন্তু সেই অনুভূতি যখন ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণে ব্যবহৃত হয়, তখন সেখানে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। শিয়ারা যদি সুন্নিদের দৃষ্টিতে কাফেরই হয়, তবে তাদের কর্মকান্ডকে কেন ‘ইসলামী বিজয়’ হিসেবে দেখা হবে? আবার যদি তারা ভাই হয়, তবে আরব রাষ্ট্রগুলোর সাথে তাদের কেন এই রক্তক্ষয়ী বিরোধ? বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে বুঝতে হবে যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কেবল ফতোয়া দিয়ে চলে না। এখানে প্রতিটি দেশ নিজের স্বার্থ দেখে। আমাদের আবেগ যেন এমন না হয় যা দেশের স্বার্থকে ছোট করে আর বিদেশের সংকীর্ণ স্বার্থকে মহান করে তোলে। আবেগ ও বিবেকের সঠিক সমন্বয়ই কেবল আমাদের এই দ্বিচারিতা থেকে মুক্তি দিতে পারে। লেখক: গবেষক ও কলামিস্ট

Ads small one

সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী সিপিজি কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে সাতক্ষীরা সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি (সিএমসি) ও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ।

সিএমসি সভাপতি মাহামুদা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বনভিবাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) এরফান উদ্দিন। সিএমসি সদস্য আবু ফরিদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী, কলাগাছিয়া বনবিভাগ কেন্দ্রের ইনচার্জ সুলজ কুমার দ্বীপ, ফরেস্ট জামে মসজিদের ইমাম রেজাউল করিম, সিপিজি সদস্য পঞ্চি রানী ও রুহুল আমিন, সিএমসি সদস্য আব্দুর রশিদ এবং উপকূল প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম।

বক্তারা বলেছেন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার শুধু বাংলাদেশের জাতীয় গর্ব নয়, সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান। তাই সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার আয়োজনে ও দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আলিম,
সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মুহা: মুনিরুদ্দীন, দেবহাটা সরকারি বি. বি. এম.পি ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেবহাটা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আকবর আলী, দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোঃ শাহজাহান আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জয়দেব কুমার পাল, দেবহাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মির্জা মুহসিন আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল আজাদ প্রমুখ।

 

ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল- দুর্নীতি দমনের জন্য আইন ব্যবস্থার পাশাপাশি সামাজিক দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন এবং বিতর্কের বিপক্ষ দল হিসাবে অংশ নেয় পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার লাভ করেন আফরিনা আলম পাপড়ি

রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা উপজেলার ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান।

 

 

 

দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

সভায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্লা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিফুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বল, দেবহাটা বিজিবির নায়েব সুবেদার সোলাইমান হোসেন, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ আব্দুস সাত্তার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান ফরহাদ, জুলাই যোদ্ধা মুজাহিদ বিন ফিরোজসহ বিজিবি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবিকে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়ে জানানো হয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যেন না ঘটে, সে লক্ষ্যে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মিলন সাহা বলেন, উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।