শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ভাই কলারোয়ায় শিক্ষক নেতা আখতারুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ভাই কলারোয়ায় শিক্ষক নেতা আখতারুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মিজানুর রহমানের বড় ভাই সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও কুশোডাঙ্গা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

 

শুক্রবার (২২ মে ২০২৬) সকাল দশটায় উপজেলার কুশোডাঙ্গার নিজ বাড়ির আঙিনায় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়।

 

জানাজা পূর্ব আলোচনায় অংশ নেন মরহুমের মেঝ ভগ্নিপতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সচিব খ.ম কবিরুল ইসলাম, মেঝ ভাই নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মিজানুর রহমান, কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু নসর, মরহুমের একমাত্র জামাতা পুলিশ সুপার মাহবুব, শ্যালক তালা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমানুল্লাহ ও কুশোডাঙ্গা হাইস্কুলের শিক্ষক আল মামুন।

 

মরহুমের ছোট ভাই সোনালী ব্যাংকের এজিএম আসাদুজ্জামান, বড় ভগ্নিপতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কবিরুল ইসলাম, সেঝ ভগ্নিপতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব আবুল হাসান, ছোট ভগ্নিপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ডক্টর রবিউল হোসেন, সাতক্ষীরায় মেডিকেল কলেজের পরিচালক কুদরত-ই-খোদাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় অসংখ্য মুসল্লী জানাজায় অংশ নেন।

 

জানাজা নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা আরশাদ হোসেন। জানাজা পূর্ব আলোচনা সঞ্চালনা করেন আজিজুল হক বাবু খান। জানাজা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ওমর আলী।

 

উল্লেখ্য, মাথায় ব্রেন টিউমার ও ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬) বিকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আখতারুজ্জামান (৬০) ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি পিতা, মাতা, স্ত্রী, এক কন্যা, ২ ভাই, ৪ বোনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
তিনি ওই গ্রামের আতিয়ার সরদারের বড় পুত্র।

Ads small one

না-এ কোনও ইতিহাস নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
না-এ কোনও ইতিহাস নয়

মারিয়া নূর
কয়েক মিলিয়ন কষ্টের বরাদ্দ নেওয়া ছিলো
আগেই, অনেক আগেই।
এখন আর বাড়তি দেনার দায় নেই ভাগ্যলিপিতে।
সুখেরা তো বরাবরই মুখচোরা
তাই আর ঘাঁটাতে চাইনি ওদের নতুন করে।

ফিরে যাওয়া বসন্তের আক্ষেপ পত্রে
অভিযোগ ছিলো – অপয়া মুখদর্শনের।
এখন দফায় দফায় হাজিরা চলে
জজকোর্ট থেকে হাইকোর্টের বারান্দায়।

সানগ্লাসটা ছোট হতে হতে
এখন মোটা ফ্রেমের চশমায় পরিনত।
চোখের নিচে বয়সের পাটিগণিত।
নামতা ভুলে গেছি সেই কবে;
উপপাদ্য বা সম্পাদ্য যাই বলো
সকল সুত্রের কারসাজিতে এখন
চোখ রাঙানি দেখি ভীষণ রকম।

যারা একসময় স্বপ্নের পরিচয়ে
চোখের সমুদ্রে খেলতো গোল্লাছুট;
বৃদ্ধ বটের নুয়ে পড়া তর্জনী আঁকড়ে
ওরাও ঝুলে থাকে অলস দুপুরে।

এখন আর দিবাকরের হৃদপি-ে কামড় দিয়ে
রোদ চুরি করে না কেউ।

না – এ কোনও ইতিহাস নয়;
রবীঠাকুরের ছোট গল্প? না তাও না।
এ হলো সেই চমকপ্রদ উপন্যাস
যার বিশেষ ক’টা পৃষ্ঠা অলক্ষেই অন্তর্ধান।

নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

বাবুল চৌধুরী
খোলা চুলে বাইরে এসো না এই ঘোর পূর্ণিমা-রাতে
সনাতন চাঁদ আকাশে সওয়ার চাঁদের জোয়ার, তাই
জোছনায় আহত হতে পারো আমিও চন্দ্রগ্রস্থ বলে
এক শ’ বছর পেছনে তাকাই অথবা তারও বেশি
সময়ের উল্টো স্রোতে, তোমার মুখে দেখি দীঘল
ফসলের মাঠ, চুলে খরতর নদী, ও শাড়ির জমিনে
জড়ানো স্থির অথবা অনেক উড়ন্ত ফিঙের ডানা,
আঁচলে আদরে আগলে রেখেছ নাকি ধান স্বর্ণালী!
আরেক মানবীর মতো তখন তুমি, যে মুখ বহু বছর
আগে দেখেছি – সে ছন্দে নাচে, উঠোনে হেসে যায়

এখনি ঢেঁকির শব্দ উঠবে, ঢেঁকিতে পড়ছে তার পা
স্বপ্নের ভেতর তার ছন্দিত পা দেখি, ধান ভাঙা হলে
এখনই দেবে সে নবান্নের ডাক, এখন চাঁদের মতো
সব থালা ভরবে নতুন খাদ্য-কণায়, নিরন্ন লোকালয়

নবান্নের সাড়া পেয়ে যায়, আকাশে চাঁদের জোয়ার –
এ নবান্নে নিমগ্ন আমি – খোলাচুলে বাইরে এসো না

সুখের দিনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
সুখের দিনে

ফাহিম শাহরিয়ার রুমি
সুখের দিনে কেন এ হৃদয়
নিভৃতে কাঁদিতে চায়?
হাসির আড়ালে কার যেন বেদনা
নীরবে ভাসিয়া যায়।

রৌদ্রঝলমল প্রভাত-আকাশে
স্বর্ণরেখা খেলে যায়,
তবু মোর চিত্তে অকারণ ছায়া
নিভৃত ব্যথা বুনে যায়।

সবাই যখন গাহে আনন্দগান,
মিলন-সুরে মাতে প্রাণ,
আমি কেন শুনি বিরহের বীণা
অশ্রুর মৃদু তান?

ফুলে ভরা এ জীবনের বাগান,
গন্ধে ভরে চারিধার,
তবু কেন যেন মলিন হইয়া
ঝরে পড়ে অন্তর-হার।

হায়, সুখের মাঝে লুকায়ে থাকে
দুঃখের অচেনা রূপ,
মানব-হৃদয় তাই চিরদিন
বিরোধে গাঁথা এক সুরূপ।