শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত ‘জলিল চাচা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত ‘জলিল চাচা’

পাকিস্তান ক্রিকেটের গ্যালারিতে বহু দশক ধরে পরিচিত এক মুখ আব্দুল জলিল, যিনি সবার কাছে ‘জলিল চাচা’ নামেই বেশি পরিচিত। জাভেদ মিয়াদাদ, ওয়াসিম আকরাম থেকে শুরু করে বর্তমান প্রজন্ম—প্রায় ৬০ বছর ধরে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পাশে থেকেছেন তিনি। তবে এবার সেই দীর্ঘ পথচলার ইতি টানতে যাচ্ছেন এই কিংবদন্তি সমর্থক।

গায়ে পাকিস্তানের পতাকার আদলে গাঢ় সবুজ কুর্তা, মাথায় বিশেষ টুপি—স্বতন্ত্র এই সাজে যুগের পর যুগ গ্যালারিতে বসে দলকে সমর্থন দিয়েছেন জলিল চাচা। পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে তার এই আবেগঘন সম্পর্ক এবার শেষ হতে যাচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শনিবার (৩০ মে) শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ দিয়ে দেশের মাঠে শেষবার গ্যালারিতে থাকবেন তিনি। এরপর আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজে শেষবারের মতো তাকে গ্যালারি থেকে পতাকা নাড়তে দেখা যাবে।

জলিল চাচার ক্রিকেট-ভালোবাসার শুরু ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে, ইংল্যান্ডের পাকিস্তান সফরের সময় লাহোরে একটি ম্যাচ দেখে। এরপর ক্রিকেটই হয়ে ওঠে তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আশি ও নব্বইয়ের দশকে শারজাহতে পাকিস্তানের ম্যাচগুলোতে নিয়মিত উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি বিশ্ব ক্রিকেটে পরিচিত মুখে পরিণত হন।

তখন পর্যন্ত তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাকরি করতেন। পরে সেটি ছেড়ে পুরোপুরি পাকিস্তান দলের সমর্থক হয়ে যান। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় বছরের পর বছর দেশ-বিদেশে ঘুরে দলকে সমর্থন দিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে ৭৭ বছর বয়সী জলিল চাচা অবসরের পর নিজ শহর শিয়ালকোটের উপকণ্ঠে একটি রেস্তোরাঁ ও ক্রিকেট জাদুঘর গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোকে তিনি শুনিয়েছেন সেই স্বপ্নের কথা। তিনি বলেন, “বছরের পর বছর ধরে সংগ্রহ করা সব স্মৃতিচিহ্ন জাদুঘরে প্রদর্শন করবো। আমার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের ৫০০ ম্যাচে সমর্থন দেওয়া, যা আমি অর্জন করেছি।”

তারকাদের জন্য গলা ফাটিয়ে জলিল চাচা নিজেই পাকিস্তানে হয়ে ওঠেন বড় তারকা। তার কথা, “খেলা ও দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই সব করেছি। আমার লক্ষ্য ছিল দেশের একজন ভালো দূত হওয়া এবং সব দলের সমর্থকদের আনন্দ দেওয়া। এখন অবসরের পর কিছু জনকল্যাণমূলক কাজ করতে চাই।”

তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান দলের পারফরম্যান্সে হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে ধারাবাহিক পরাজয় তাকে কষ্ট দিয়েছে। এ কারণেই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখতে শ্রীলঙ্কায় যাননি বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘ভারতের কাছে পাকিস্তানের টানা তিনটি পরাজয় দেখেছি আমি (গত এশিয়া কাপে)। আমরা এখন ভারতের কাছে টানা ৯টি ম্যাচ হেরেছি। আমি চাইনি এশিয়া কাপের পর তারা আর একটিও ম্যাচ হারুক।’’

স্মরণীয় ম্যাচের প্রসঙ্গে জলিল চাচা বলেন, “১৯৮৬ সালে শারজাহতে জাভেদ মিয়াঁদাদ যখন শেষ বলে চেতন শর্মাকে ছক্কা মেরেছিলেন, আমি মাঠে ছিলাম। আর ২০১৭ সালে ওভালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচটিও আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।”

Ads small one

জ্বালানি তেলের দাম কমানো ও নদী খননের দাবিতে যশোরে হাটসভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
জ্বালানি তেলের দাম কমানো ও নদী খননের দাবিতে যশোরে হাটসভা

যশোর প্রতিনিধি: জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, ন্যায্যমূল্যে পর্যাপ্ত সার ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, নদী খনন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে যশোর সদর উপজেলার মনোহরপুর বাজারে হাটসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় কৃষক সংগ্রাম সমিতি যশোর সদর থানা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের নেতা নজরুল ইসলাম। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ বিশ্বাস। বক্তব্য দেন সংগঠনের জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহরাব উদ্দিন মাস্টার, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট যশোর সদর থানা কমিটির সভাপতি শাহারিয়ার আমির ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আহাদ আলী লস্কর।

বক্তারা বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অপরিকল্পিত নদী খনন ও ক্রস বাঁধের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জলাবদ্ধতা বাড়ছে। অবাধ জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা ও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান তাঁরা। এ বিষয়ে গত ৩১ আগস্ট যশোর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন নেতারা।

তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে পর্যাপ্ত সার না পাওয়ায় কৃষকেরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সার ও বিদ্যুৎ সংকটের সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি কৃষি উৎপাদন ব্যাহত করছে। বক্তারা বর্ধিত জ্বালানির দাম প্রত্যাহার, পর্যাপ্ত সার ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে কৃষক-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অবৈধ অভিবাসন নিয়ে ইতালির কড়া বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
অবৈধ অভিবাসন নিয়ে ইতালির কড়া বার্তা

অবৈধ অভিবাসন নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে ইতালি। ঢাকায় ইতালির দূতাবাস আজ শুক্রবার এ তথ্য জানায়।

দূতাবাস জানায়, ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়ে ইইউ ফ্রন্টেক্সের একটি ফ্লাইট আজ পাঠানো হয়েছে। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং বৈধ অভিবাসনের পক্ষে ইউরোপ। ইউরোপ অবৈধ আগমন এবং অবৈধ অবস্থানের সঙ্গে জিরো টলারেন্স।

দূতাবাস আরও জানায়, পাচারকারী, দালাল এবং চোরাকারবারিদের যথাযথ ভিসা ছাড়াই ইতালিতে যাওয়ার জন্য অর্থ প্রদান করা অবৈধ এবং এর ফলে শেনজেন দেশগুলো থেকে তাদের প্রত্যাবাসন এবং নিষিদ্ধ করা হবে।

খুলনায় নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করল ‘দ্য পালংকি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
খুলনায় নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করল ‘দ্য পালংকি’

খুলনা নগরীর ভোজনরসিকদের জন্য নতুন সংযোজন হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘দ্য পালংকি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টার’। নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ সরণিতে, গাজী মেডিকেল কলেজের বিপরীতে অবস্থিত আধুনিক এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করা হয় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে, এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে।

প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দৈনিক পূর্বাঞ্চল-এর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি ও দৈনিক খুলনাঞ্চল-এর সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটন।

আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ এবং খাবারে বৈচিত্র্য নিয়ে খুলনার রেস্টুরেন্ট অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করতে চায় ‘দ্য পালংকি’। নগরীর ব্যস্ততম এলাকায় নতুন এই রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টার চালুর ফলে খাবারপ্রেমীদের জন্য যুক্ত হলো রুচিশীল একটি স্থান। সুস্বাদু দেশি-বিদেশি খাবারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত আয়োজন, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক সমাবেশ আয়োজনের সুবিধাও থাকবে এখানে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বলেন, খুলনা নগরীতে মানসম্মত ও আধুনিক রেস্টুরেন্ট এবং পার্টি সেন্টারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে ‘দ্য পালংকি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টার’-এর যাত্রা স্থানীয় খাবারপ্রেমী ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি