রামিসা হত্যা মামলায় চার্জগঠন শুনানি আজ, আদালতে কঠোর নিরাপত্তা
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার চার্জগঠন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সোমবার (১ জুন) সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে দেখা গেছে।
আদালত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রবেশপথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আদালতের সামনের হাজতখানার সামনে ব্যারিকেড দিয়ে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ সদস্যরা। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এদিকে সকাল থেকেই আদালত এলাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। চার্জগঠন শুনানিকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল দেখা যায়। আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত অনেককে মামলাটি নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গেছে। তারা আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শুনানিকে কেন্দ্র করে আজ সকাল পৌনে ৮টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানির সময় তাদের আদালতের এজলাসে তোলা হবে।
জানা গেছে, বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ বলেছে, ওইদিন সকালে পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা ৩২ বছরের সোহেল শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর ফ্ল্যাটের সাবলেট এই ভাড়াটে গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘরেই ছিলেন।
পুলিশ বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
এই ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে সেদিনই পল্লবী থানায় মামলা করেন।









