সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রতি রাতে ঘুম একই সময় ভেঙে যায়, জেনে নিন কারণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ
প্রতি রাতে ঘুম একই সময় ভেঙে যায়, জেনে নিন কারণ

অনেক মানুষ লক্ষ্য করেন যে তারা প্রায় প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট একটি সময়ে ঘুম ভেঙে যায়। কখনো সেটি মাঝরাতে, কখনো ভোরের দিকে। বিষয়টি অদ্ভুত মনে হলেও এর পেছনে শরীরের ভেতরের জৈবিক ঘড়ি, ঘুমের অভ্যাস, মানসিক চাপ এবং কিছু শারীরিক সমস্যাও কাজ করতে পারে।

ঘুমের এই পুনরাবৃত্তি সবসময়ই বড় কোনো রোগের ইঙ্গিত নাও হতে পারে, তবে কারণগুলো বুঝতে পারলে ঘুমের মান উন্নত করা সহজ হয়।

শরীরের প্রাকৃতিক ঘুমের ছন্দ
মানুষের শরীরের একটি নিজস্ব সময়সূচি থাকে, যাকে বলা হয় সার্কাডিয়ান রিদম। এটি প্রায় ২৪ ঘণ্টার একটি চক্র, যা মস্তিষ্কের একটি অংশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

এই জৈবিক ঘড়ি ঠিক করে দেয় কখন ঘুম আসবে, কখন শরীর জেগে উঠবে, এমনকি শরীরের তাপমাত্রা এবং হরমোন নিঃসরণের সময়ও নিয়ন্ত্রণ করে।

যদি কেউ প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যায়, তাহলে শরীর সেই সময় অনুযায়ী একটি অভ্যাস তৈরি করে নেয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কেউ প্রতিদিন রাত ১০টায় ঘুমিয়ে পড়েন এবং শরীরের ঘুমের চক্র ছয় ঘণ্টার হয়, তাহলে ভোর ৪টার দিকে ঘুম ভেঙে যাওয়া স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে।

অনেক সময় মানুষ এই জেগে ওঠা টেরও পান না, কারণ ঘুম এবং জাগরণের মাঝামাঝি একটি হালকা অবস্থায় তারা আবার ঘুমিয়ে পড়েন।

ঘুমের ধাপগুলো যেভাবে কাজ করে
ঘুম একটানা এক অবস্থায় থাকে না। এটি কয়েকটি ধাপে বিভক্ত থাকে।

প্রথমে থাকে হালকা ঘুম, এরপর গভীর ঘুম, এবং পরে আসে স্বপ্নের ধাপ। এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি চক্রের মতো চলতে থাকে।

প্রতি ৯০ থেকে ১২০ মিনিট পর ঘুমের একটি পূর্ণ চক্র শেষ হয়। তখন সামান্য সময়ের জন্য ঘুম ভেঙে যেতে পারে। অনেক সময় এটি এত দ্রুত ঘটে যে আমরা তা মনে রাখি না।

প্রতি রাতে একই সময় ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণ-

পরিবেশগত কারণ
ঘুম ভাঙার পেছনে আশপাশের পরিবেশ বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

রাতের শব্দ, যেমন যানবাহন, ট্রেন বা বৈদ্যুতিক যন্ত্রের শব্দ ঘুমের মধ্যে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ঘরের এসি বা হিটার চালু এবং বন্ধ হওয়াও ঘুম ভেঙে দিতে পারে।

তাপমাত্রার পরিবর্তনও একটি কারণ। শীতকালে রাতে তাপমাত্রা কমে গেলে বা গরমে বেশি গরম লাগলে শরীর ঘুমের মধ্যে সাড়া দিতে পারে।

ডিজিটাল ডিভাইসের প্রভাব
মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট বা টেলিভিশনের মতো ডিভাইস ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এসব যন্ত্র থেকে আসা আলো বা শব্দ মস্তিষ্ককে সক্রিয় করে রাখতে পারে।

ঘুমের সময় হালকা শব্দ বা আলোও ঘুমের গভীরতা কমিয়ে দিতে পারে, ফলে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যেতে পারে।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
চাপ এবং দুশ্চিন্তা ঘুমের বড় শত্রু। দীর্ঘ সময় মানসিক চাপ থাকলে শরীরের রক্তচাপ এবং হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তিত হতে পারে।

এর ফলে রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা বা অস্থির অনুভূতি হতে পারে। উদ্বেগজনিত সমস্যায় এই পরিস্থিতি আরও বেশি দেখা যায়।

ঘুমের ব্যাধি
কিছু শারীরিক সমস্যাও নিয়মিত ঘুম ভাঙার কারণ হতে পারে।

ঘুমের সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এতে শরীর অক্সিজেনের ঘাটতি অনুভব করে এবং হঠাৎ ঘুম ভেঙে যেতে পারে।

আরেকটি সমস্যা হলো ঘুমের সময় শরীর চলতে না পারা, যা অনেককে ভয় পেয়ে জাগিয়ে তোলে।

চোখেই মিলতে পারে ফ্যাটি লিভারের ইঙ্গিত, বুঝবেন যেসব লক্ষণে
রাতে বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন
রাতে বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন হলে ঘুম নিয়মিতভাবে ভেঙে যেতে পারে। এটি ডায়াবেটিস, প্রোস্টেট সমস্যা, ব্লাডার সমস্যা বা অতিরিক্ত পানি পান করার কারণে হতে পারে।

কখনো কখনো ঘুমের শ্বাসকষ্টের সমস্যাও এই অবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকে।

হজমজনিত সমস্যা
অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে শোয়ার পর বুক জ্বালা বা অস্বস্তি হতে পারে।

বিশেষ করে সমতলভাবে শুয়ে থাকলে পেটের অ্যাসিড ওপরে উঠে এসে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে, যা ঘুম ভেঙে দেয়।

হরমোনের পরিবর্তন
নারীদের ক্ষেত্রে বয়স বা শারীরিক পরিবর্তনের কারণে হরমোনের ওঠানামা ঘুমে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে রাতের ঘাম, হঠাৎ গরম লাগা বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

গর্ভাবস্থায়ও শরীরের পরিবর্তনের কারণে ঘুম ভাঙা সাধারণ একটি বিষয়।

বয়স বাড়ার প্রভাব
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমের মান পরিবর্তিত হয়। অনেকের ক্ষেত্রে গভীর ঘুম কমে যায় এবং ঘুম ভাঙার প্রবণতা বেড়ে যায়।

এ ছাড়া বয়সজনিত নানা রোগ যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা শ্বাসকষ্টও ঘুমে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

ওষুধের প্রভাব
কিছু ওষুধ ঘুমের স্বাভাবিক চক্রকে প্রভাবিত করতে পারে। কিছু ওষুধ শরীরকে উত্তেজিত রাখে, আবার কিছু ওষুধ বারবার প্রস্রাবের প্রয়োজন বাড়িয়ে দেয়।

এ ছাড়া ক্যাফেইন বা উদ্দীপক জাতীয় উপাদানও ঘুম ভাঙার কারণ হতে পারে।

প্রতি রাতে একই সময়ে ঘুম ভেঙে যাওয়া সবসময় গুরুতর সমস্যা নাও হতে পারে। অনেক সময় এটি শরীরের স্বাভাবিক অভ্যাস বা জীবনযাত্রার ফল। তবে যদি এটি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে এবং ক্লান্তি বা অস্বস্তি বাড়ায়, তাহলে ঘুমের অভ্যাস, খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক অবস্থার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

সঠিক অভ্যাস এবং সচেতনতার মাধ্যমে ঘুমের মান উন্নত করা সম্ভব এবং রাতে গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম পাওয়া সহজ হয়ে যায়।

সূত্র: ভেরি ওয়েল হেল্থ

Ads small one

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি নিয়ে সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এ মামলায় আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হাসান তারেক। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

এর আগে ১১ আগস্ট মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) আবেদন ও আসামির আপিল শুনানি শুরু হয়েছিল।

২০২৫ সালের মার্চ মাসের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতাল নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশু আছিয়া।

পরে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। সে রায়ে এ মামলার বাকি তিন আসামি শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়। মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে পরে এই মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে আসে।

এদিকে, দেশে নারী শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য ২০২৬ সালের ১০ জুন একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বিশেষ এই বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এই টিমের আইনজীবী সদস্যরা হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা তাসনিম আঁখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী।

কিরগিজস্তানে বৈঠকে বসছেন বিশ্বনেতারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
কিরগিজস্তানে বৈঠকে বসছেন বিশ্বনেতারা

সোমবার (৩১ আগস্ট) কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) বার্ষিক সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ আরও এক ডজনেরও বেশি দেশের নেতারা যোগ দিচ্ছেন।

এ বছর ‘এসসিও’ প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে। চীনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের মধ্যেই এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

‘এসসিও’ ঐতিহাসিকভাবে অর্থনৈতিক বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। তবে প্রেসিডেন্ট পুতিন ও প্রেসিডেন্ট শি এই সম্মেলনকে বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের নিজেদের ধারণা তুলে ধরা এবং পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান প্রকাশের জন্যও ব্যবহার করেছেন।

‘এসসিও’র প্রতিষ্ঠা ঘোষণায় বলা হয়েছে, সংগঠনটি ‘অন্য কোনও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত জোট নয়’। কিন্তু গত বছরের সম্মেলনে পুতিন পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইউক্রেন যুদ্ধ উসকে দেওয়ার অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, শি ‘ভয় দেখানোর কর্মকাণ্ড’-এর নিন্দা করেন, যা যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনার প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। এবারের সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং তার তুর্কি প্রতিপক্ষ রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে তুরস্ক এই সংগঠনের সদস্য নয়।

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে এবারের ‘এসসিও’সম্মেলনের ফাঁকে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে পুতিনের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ইরান ২০২৩ সালে এই জোটে যোগ দেয়। দেশটির সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক রয়েছে এবং চীনের সঙ্গে রয়েছে জ্বালানি খাতে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই কিরগিজস্তানের চোলপন-আতায় অনুষ্ঠিত ‘এসসিও’এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাউন্সিলের বৈঠকের ফাঁকে বৈঠক করেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

‘এসসিও’ এর ১০টি স্থায়ী সদস্য দেশের পাশাপাশি আরও ১৫টি দেশ ‘ডায়ালগ পার্টনার’ হিসেবে সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতার।

‘এসসিও’ পূর্ণ সদস্য ভারত ও পাকিস্তানের নেতারাও এবারের সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এই জোটের দাবি, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের ২৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে তারা।

সম্প্রতি মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, তিনি জি২০-এর সদস্য দেশগুলোকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের শর্তগুলো নতুন করে পর্যালোচনা করতে উৎসাহিত করবেন। তিনি বেইজিংয়ের ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বৃত্তকে ‘অস্থিতিশীল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

রবিবার (৩০ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রে জি২০-এর অর্থনৈতিক নেতাদের বৈঠকের আগে রয়টার্সকে বেসেন্ট বলেন, ‘১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নিয়ে বিশ্ব একটি চীনকে মেনে নিতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘চীনের অর্থনীতি বেশ দুর্বল এবং তারা রফতানির মাধ্যমে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। তাদের অর্থনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।’

মার্কিন অর্থমন্ত্রী আরও জানান, জি২০ সম্মেলনের সময় তিনি চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়নার গভর্নর প্যান গংশেংয়ের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আজ কোন এলাকায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
আজ কোন এলাকায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে?

বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকায় সোমবার (৩১ আগস্ট) অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে উত্তরের বিভাগগুলোতে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা বেশি।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

ঢাকায় সকালের দিকে হালকা মেঘ থাকলেও দুপুর ৩টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে বজ্রঝড় ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণে কিছুটা ভ্যাপসা গরম অনুভূত হতে পারে। দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৩ মাইল বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।