বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সন্তানকে যেভাবে সবজি খাওয়াবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
সন্তানকে যেভাবে সবজি খাওয়াবেন

সবজির মধ্যে আছে ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা একটি শিশুর বিকাশে সাহায্য করে এবং তার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। পরিবারের ছোট সদস্যরা এমনকি পরিণত বয়সের সন্তানকেও সবজি খাওয়াতে বেগ পেতে হয় অনেক মায়ের। খেতে বসে সবজি দেখলে তারা নাক সিটকায়, মুখ বাকায়, জেদ করে।

শিশুরা সবজি দেখলেই মুখ ফিরিয়ে নিলেও বড়দের চেষ্টা করতে হবে সেটা খাওয়ানোর। সবজি না খাওয়ালে তো সুষম পুষ্টি মিলবে না। তাই অনাগ্রহী হলেও সন্তানকে সবজি খাওয়াতে হবে। ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যের আটটি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে চালানো গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাস্তায় সবজি দিলে প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রেই শিশুরা তা খেয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ সাধারণত নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার খায়, তাই মাংস বা অন্য কিছু র তুলনায় সবজির অনুপাত বাড়ালে শিশু স্বাভাবিকভাবেই বেশি পরিমাণে সবজি গ্রহণ করে। প্লেটে ফল ও সবজির পরিমাণ ৫০ শতাংশ বাড়ালে শিশু তা খাওয়ার পরিমাণও বেড়ে যায়। এ ছাড়া একসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সবজি দিলে প্রাক-বিদ্যালয়ের শিশুরা বেশি পরিমাণে সেগুলো খায়।

যুক্তরাজ্যের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব-মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ম্যারিয়ন হেথারিংটন বলছেন, শৈশবে যত বেশি ধরনের শাকসবজি বারবার খাওয়ানোর চেষ্টা করা হবে, শিশু তত সহজেই সেগুলো গ্রহণ করবে। প্রাক-বিদ্যালয় পর্যায়ে অর্থাৎ পাঁচ বছর বয়সের আগে এই অভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে কার্যকর।

তার মতে, পাঁচ বছরের মধ্যে যদি শিশুকে বিভিন্ন সবজির সঙ্গে পরিচিত করানো না যায়, তবে পরে তা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। একেবারেই যে পারা যায় না তা নয়, তবে অনেক কঠিন হয়ে যায়।

মার্কিন পেনসিলভানিয়া স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞানের অধ্যাপক বারবার রোলস বলছেন, এভাবে প্রথমে সবজি দিলে শিশু অতিরিক্ত খাবারও খায় না। শুধু দুপুর বা রাতের খাবার নয়, সকালের নাস্তাতেও সবজি যোগ করা যেতে পারে। যেমন ওমলেটে মাশরুম বা পালংশাক, বা মাফিনে কুচি করা কুমড়ো।

কীভাবে খাওয়াবেন-
১। শিশুদের পছন্দমতো রান্না করুন। প্রয়োজনে সবজির মধ্যে মুরগির মাংস দিয়ে দিন।

২। কয়েক রঙের সবজি রান্না করুন। একটু কর্নফ্লাওয়ার আর ডিম দিন।

৩। সবজি দিয়ে কাটলেট তৈরি করুন, বার্গারও করে দিতে পারেন।

৪। শিশুরা ঝাল খেতে পারে না। তাই রান্নার পরে সবজিতে হালকা চিনি মিশিয়ে দিন।

৫। সবজি কেনার সময় খেয়াল করতে হবে, এগুলো যেন তরতাজা থাকে।

৬। রান্নার সময় খেয়াল রাখতে হবে, সবজি কেনার পর যত দ্রæত সম্ভব রান্না করতে হবে।

৭। সবজি ধোয়ার জন্য বেশি সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখা যাবে না।

৮। শিশুকে বোঝাতে হবে যে সবজি মানেই সেটা সব সময় বিস্বাদ নয়। বাড়িতে যদি ভালো করে সেটা রান্না করা যায়, খেতে ভালোই লাগবে।

৯। যখন সবজি রান্না করা হচ্ছে তখন, কিছু দায়িত্ব আপনার শিশু সন্তানকেও দেয়া যায়। গাজর, আলু, মটরশুটি এগুলো যদি সে ধুয়ে দেয় বা রান্নার সময় একটু খুন্তি নাড়িয়ে দেয়, তাহলে তার মনে হবে সেও অনেক কিছু করেছে। যা জিনিসটা খাওয়ার প্রতি তার আকর্ষণ বাড়াবে।

১০। ধৈর্য না হারিয়ে ধীরে ধীরে আপনার শিশু সন্তানকে সবজি খাওয়ানো অভ্যাস করতে হবে। বকুনি দিলে জিনিসটা খাওয়া নিয়ে তার মনে ভয় আর অনিচ্ছা বাড়বে বই কমবে না।

১১। একটা শিশুর জন্য বাবা মা-ই প্রথম রোল মডেল হয়। তারা যা করে শিশুরাও চেষ্টা করে তেমন করতে। সবাই একসঙ্গে খেতে বসলে শিশু যখন দেখবে পরিবারের সবাই ফল আর সবজি খাচ্ছে তখন সেও সেটি খেতে আগ্রহী হবে।

সে খেতে না চাইলে জোর করবেন না। তাহলে খাবারের প্রতি তার আগ্রহ চলে যাবে। নিয়মিত একসঙ্গে খেতে বসুন। এক সময় সে নিজেই প্লেট থেকে খাবার তুলে নেবে।

১২। নিয়মিত খাবার খেতে উৎসাহিত করার জন্য শিশুকে ছোট ছোট পুরস্কার দিতে পারেন। যেমন পেন্সিল, বা তার পছন্দের কার্টুন স্টিকার। নিয়মিত তার লম্বা হওয়ার বিবরণ রাখুন। শিশুকে জানান সে নিয়মিত খাওয়ার ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তার শারীরিক গঠন বাড়ছে।

Ads small one

ঢাকার নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন সম্পন্ন, রাজধানীতে সবচেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রবির 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
ঢাকার নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন সম্পন্ন, রাজধানীতে সবচেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রবির 
রবি আজিয়াটা পিএলসি বৃহত্তর ঢাকাজুড়ে তাদের মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যাপক আধুনিকায়ন কার্যক্রমের কাজ সম্পন্ন করেছে। দেশের সবচেয়ে বেশি ডেটা ব্যবহার হওয়া এই অঞ্চলে সংযোগ সেবার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে রবি।
বর্তমানে হাতে গোনা কয়েকটি জেলা আধুনিকায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। রবির দাবি, এরই মধ্যে ঢাকার গ্রাহকরা আরও দ্রুতগতির ডেটা সেবা, আরও পরিষ্কার ভয়েস কল এবং আরও শক্তিশালী ইনডোর নেটওয়ার্ক কভারেজের সুবিধা পাচ্ছেন।
ঢাকার এই নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন রবির দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক রূপান্তর কর্মসূচির অংশ। এই কাজে নতুন প্রজন্মের “গিগা গ্রিন ৪জি/৫জি রেডি” প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী, ভবিষ্যৎ উপযোগী এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। এখন রবি আধা-শহুরে (সেমি-আরবান) এলাকায় নেটওয়ার্ক আরও জোরদার করার দিকে নজর দিচ্ছে, যাতে এসব এলাকার দ্রুত বর্ধনশীল গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা যায়।
গাজীপুর, সাভার, মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জসহ বৃহত্তর ঢাকায় ৪,৮০০টির বেশি সাইট আধুনিকায়ন করা হয়েছে। গ্রাহকসেবায় প্রায় কোনো বিঘ্ন ছাড়াই এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে নেটওয়ার্ক ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে। ডেটার গতি বেড়েছে, কল ড্রপ কমেছে এবং গ্রাহকরা ইনডোর আরও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক পাচ্ছেন।
নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্সেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন ক্লাস্টারে গ্রাহক অভিজ্ঞতা সর্বোচ্চ ১২৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নত হয়েছে। কল ড্রপ ২০ শতাংশ কমেছে। বৃহত্তর ঢাকা ও গাজীপুরের গ্রাহকরা ইনডোর আগের তুলনায় তিন গুণ ভালো কভারেজ ও সংযোগ পাচ্ছেন। নতুন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নেটওয়ার্কের কারণে প্রতি জিবি ডেটা ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচও ২০ শতাংশ কমেছে। এটি রবির টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনাকে আরও শক্তিশালী করছে।
এই আধুনিকায়নের ফলে রবির তরুণদের জন্য তৈরি ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড সার্কেল-এর গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা আরও ভালো হবে। ভিডিও স্ট্রিমিং, গেমিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বেশি ডেটা প্রয়োজন এমন বিভিন্ন কাজে তারা আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ পাবেন। গতি, নির্ভরযোগ্যতা এবং ঘরের ভেতরের নেটওয়ার্ক মান উন্নত করার মাধ্যমে ঢাকায় নেটওয়ার্কের নেতৃত্বের দাবি আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে জানিয়েছে রবি। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমানভাবে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত তরুণ জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।
আজ ঢাকার তেজগাঁওয়ে রবির করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের বিস্তারিত তুলে ধরেন রবির চিফ টেকনোলজি অফিসার (সিটিও) পেরিহান এলহামে আহমেদ মেতাওয়েহ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা এবং প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “আমাদের সরকার বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের মাধ্যমে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকদের আরও ভালো সেবা দিতে রবির নেটওয়ার্কে বড় বিনিয়োগ দেখে আমি উৎসাহিত। এই মাইলফলকের জন্য রবিকে অভিনন্দন জানাই। সব নাগরিকের কাছে ডিজিটাল সুবিধা পৌঁছে দিতে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে প্রস্তুত। তবে মোবাইল অপারেটরদের তাদের নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখতে হবে।”
রেহান আসিফ আসাদ বলেন, “শিল্পখাত আরও পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেবার মানই এখন প্রতিযোগিতার প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে। ঢাকার নেটওয়ার্ক নতুন করে সাজিয়ে রবি তার প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে দেখে আমি আনন্দিত। গ্রাহকরা ভালো মানের সেবা পেলে সেটি সবার জন্যই লাভজনক।”
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) এমদাদ উল বারী বলেন, “একজন প্রকৌশলী হিসেবে আমি বুঝতে পারি, মাত্র তিন মাসে প্রায় ৫,০০০টি সাইটে কাজ সম্পন্ন করা একটি অবিশ্বাস্য ও বিস্ময়কর অর্জন। এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য আমি বিশেষভাবে রবি টেকনোলজি টিমকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। গ্রাহকদের জন্য মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কারণে রবিকে দ্বিগুণ অভিনন্দন প্রাপ্য। ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে এই মুহূর্তে আমাদের ঠিক এ ধরনের উদ্যোগই প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও জিয়াদ সাতারা ঢাকার নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ঢাকায় এখন রবির নেটওয়ার্ক সবচেয়ে শক্তিশালী।
তিনি জানান, রবি শিগগিরই চট্টগ্রামের নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের কাজও শেষ করবে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সেরা মানের নেটওয়ার্ক হিসেবে তার অবস্থান ধরে রাখবে। তার ভাষায়, এই শ্রেষ্ঠত্ব শুধু বিজ্ঞাপনে নয়, বাস্তব নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতাতেও দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, “আধুনিকায়নের ফলে আমাদের নেটওয়ার্ক অনেক শক্তিশালী হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় এখনও কাজ বাকি রয়েছে, কারণ সেখানে আমাদের নতুন সাইট প্রয়োজন। নতুন সাইটের জায়গা পাওয়া এখন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ঢাকার প্রতিটি এলাকায় একই মানের সেবা পৌঁছে দিতে সাইট স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা পেতে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির জরুরি সহযোগিতা চাই।”
রবি ধারাবাহিকভাবে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিতে নতুনত্ব এনেছে। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সব ৬৪ জেলায় ৪জি সেবা চালু করে। বর্তমানে রবির ৪জি গ্রাহকের হার ৭২ শতাংশ, যা দেশের মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রবি দেশের প্রথম অপারেটর হিসেবে নির্দিষ্ট উচ্চ-ট্রাফিক এলাকা, যেমন ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে, বাণিজ্যিকভাবে ৫জি সেবা চালু করে।
২০২০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে রবি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ৯,৩৩১ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেছে। এই সময়ে ৪জি সাইটের সংখ্যা ১৩,১৭৩ থেকে বেড়ে ১৯,৬৪৬টিতে পৌঁছেছে। একই সময়ে রবির স্পেকট্রামও ৩.৪ গুণ বেড়ে ১২৪ মেগা হার্টজ হয়েছে।
শুধু ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (কিউ২) রবি ৭২১.৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এর ফলে ৪জি সাইটের সংখ্যা ১৯,৬০০ ছাড়িয়েছে এবং দেশের জনসংখ্যার ৯৮.৯৮ শতাংশ এখন রবির ৪জি নেটওয়ার্ক কভারেজের আওতায়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কে কালভার্ট স্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কে কালভার্ট স্থাপন
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিমতলা–কন্দর্পপুর সড়কের কাটা অংশে কালভার্ট স্থাপন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির একটি অংশ কাটা থাকায় আশপাশের দুই থেকে তিনটি গ্রামের মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে সড়কটি সচল করার উদ্যোগ নেন ভোজগাতী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. শামিম হোসেন।
বুধবার সকালে সড়কের কাটা অংশে কালভার্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়। একই সঙ্গে সড়কে মাটি ফেলার কাজও চলছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কাজ শেষ হলে বৃহস্পতিবার থেকেই সড়কটি স্বাভাবিকভাবে চলাচলের উপযোগী হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিমতলা থেকে কন্দর্পপুর পর্যন্ত এ সড়কটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। দীর্ঘদিন সড়কের একটি অংশ কাটা থাকায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। বিষয়টি স্থানীয়রা শামিম হোসেনকে জানালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
শামিম হোসেন বলেন, “এলাকাবাসী বিষয়টি জানালে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং সমস্যাটি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বুধবার সকালে এখানে কালভার্ট স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে মাটি ফেলার কাজ চলছে। আশা করছি, বৃহস্পতিবার থেকেই রাস্তাটি আগের মতো চলাচলের উপযোগী হবে, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সাধ্যমতো ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমৃত্যু মানুষের পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ।”
কালভার্ট স্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন ভোজগাতী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রহমত আলী, সাংগঠনিক সেক্রেটারি আবু বক্কার, মাওলানা মিজানুর রহমান, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ইকবাল হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
এদিকে কালভার্ট স্থাপনের উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দ্রুত মাটি ভরাট ও অন্যান্য কাজ শেষ করে সড়কটি পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফকিরহাটে ফলতিতা বাজারে ১৩টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে ফলতিতা বাজারে ১৩টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার ফলতিতা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৩টি ছোট-বড় দোকান পুড়ে ছাই  হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিস, ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার (১৯ আগষ্ট) রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভাতে চেষ্টা করে। প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরমধ্যে ১৩টি দোকান এবং দোকানে থাকা নগদ টাকাসহ, মালামাল ও জিনিপত্র পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে গেছে।

এসব দোকানের মধ্যে দুটি মিষ্টির দোকান, দুটি ভাতের হোটেল, দুটি মুদি দোকান, ১টি ফাষ্টফুডের দোকান, অন্যান্য খাবারের দোকান ছিল।

ক্ষতিগগ্রস্থ দোকানদার আরিফ শেখ, মো: বক্কার, নিমাই, রুপ সাহাসহ অন্যান্যরা জানান, তারা ভোর ৪টার দিকে খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখেন সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো: শাহাজাহান মিয়া বলে, বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিটের মাধ্যমে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।