শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পরিবেশ পর্যটন যেভাবে বদলে দিতে পারে বাংলাদেশের উন্নয়ন মডেল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ
পরিবেশ পর্যটন যেভাবে বদলে দিতে পারে বাংলাদেশের উন্নয়ন মডেল

মো. মামুন হাসান

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আমরা সাধারণত গাছ লাগানো, প্লাস্টিক দূষণ বা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কথা বলি। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন খুব কমই আলোচিত হয়। বাংলাদেশে কি এমন কোনো অর্থনৈতিক খাত আছে, যেখানে একটি বন, একটি নদী, একটি জলাভূমি বা একটি বন্যপ্রাণী জীবিত থাকলে অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টি হয়; আর ধ্বংস হয়ে গেলে জাতীয় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়? এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের নিয়ে যায় পরিবেশ পর্যটনের কাছে।

বিশ্ব অর্থনীতির ইতিহাসে শিল্প বিপ্লব কয়লা ও ইস্পাতকে সম্পদে পরিণত করেছিল। তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লব তথ্যকে সম্পদে রূপান্তর করেছে। একবিংশ শতাব্দীর সবুজ অর্থনীতি প্রকৃতিকেই সম্পদে রূপান্তর করছে। বর্তমানে বৈশ্বিক পর্যটন খাত বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ এবং ৩৫৭ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। অর্থাৎ বিশ্বের প্রতি ১০টি চাকরির একটি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পর্যটনের সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু এই সাফল্যের বিপরীতে একটি অস্বস্তিকর সত্যও রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে বৈশ্বিক পর্যটন খাত একাই বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের প্রায় ৮ থেকে ৯ শতাংশের জন্য দায়ী। পরিবহন, বিশেষ করে বিমান ভ্রমণ, এই নির্গমনের সবচেয়ে বড় উৎস। অর্থাৎ পর্যটন একই সঙ্গে অর্থনীতির বন্ধু এবং পরিবেশের ওপর চাপ সৃষ্টিকারী শক্তি।এই দ্বৈত বাস্তবতা থেকেই জন্ম নিয়েছে নতুন ধারণা। পরিবেশ পর্যটন।কিন্তু বাংলাদেশে আমরা এখনও পরিবেশ পর্যটনকে মূলত বনভ্রমণ বা প্রকৃতি ভ্রমণ হিসেবে দেখি। উন্নত দেশগুলো এখন অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তারা প্রকৃতি অনুকূল পর্যটন ধারণা নিয়ে কাজ করছে। অর্থাৎ একজন পর্যটক চলে যাওয়ার পর প্রকৃতির অবস্থা আগের চেয়ে ভালো হতে হবে।

কোস্টারিকা আজ বিশ্বের সবচেয়ে সফল পরিবেশ পর্যটন অর্থনীতির একটি উদাহরণ। দেশটি তার বন উজাড়ের হার নাটকীয়ভাবে কমিয়ে বনভূমিকে পর্যটন সম্পদে পরিণত করেছে। বর্তমানে সংরক্ষিত বনাঞ্চল, জীববৈচিত্র্য এবং কার্বন সংরক্ষণই দেশটির পর্যটন ব্র্যান্ডের ভিত্তি। রুয়ান্ডা আরও একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ। পাহাড়ি গরিলা সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পর্যটন থেকে অর্জিত আয়ের একটি অংশ স্থানীয় জনগণের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়। ফলে স্থানীয় জনগণ বন্যপ্রাণী রক্ষার অংশীদারে পরিণত হয়েছে। নিউজিল্যান্ড তাদের পর্যটন নীতিতে একটি প্রতিশ্রুতি চালু করেছে, যেখানে পর্যটককে শুধু অতিথি নয়, পরিবেশের অভিভাবক হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

বাংলাদেশের জন্য এখানেই সবচেয়ে বড় শিক্ষা লুকিয়ে আছে। আমরা এখনও পর্যটন উন্নয়ন বলতে নতুন হোটেল, নতুন সড়ক বা নতুন অবকাঠামোকে বুঝি। অথচ ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা অবকাঠামোর নয়; পরিবেশগত সক্ষমতার। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, টাঙ্গুয়ার হাওর, রাতারগুল, হাকালুকি, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং অসংখ্য নদীনির্ভর বাস্তুতন্ত্র বাংলাদেশের হাতে এমন সম্পদ তুলে দিয়েছে যা অনেক দেশের কাছেই নেই। তবুও আমরা পরিবেশ পর্যটনে দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্ব দিতে পারিনি। কারণ আমাদের পরিকল্পনার কেন্দ্রে এখনও প্রকৃতি নয়, নির্মাণ। আমি মনে করি বাংলাদেশের জন্য এখন একটি সবুজ পর্যটন মহাপরিকল্পনা ২০৫০ প্রয়োজন। এই পরিকল্পনার পাঁচটি কৌশলগত স্তম্ভ হতে পারে।

প্রথমত, প্রতিটি পরিবেশ সংবেদনশীল পর্যটন এলাকার জন্য বৈজ্ঞানিক ধারণ ক্ষমতা নির্ধারণ করতে হবে। একটি বন, একটি দ্বীপ বা একটি হাওর দিনে কতজন পর্যটক গ্রহণ করতে পারবে তা গবেষণার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, পর্যটন সংরক্ষণ তহবিল গঠন করতে হবে। পর্যটন আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ বাধ্যতামূলকভাবে বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যয় করতে হবে।

তৃতীয়ত, কমিউনিটি মালিকানা মডেল চালু করতে হবে। স্থানীয় জনগণকে হোমস্টে, গাইডিং, পরিবেশ শিক্ষা, নৌভ্রমণ এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের সরাসরি অংশীদার করতে হবে।

চতুর্থত, বাংলাদেশের জন্য কার্বন নিরপেক্ষ পর্যটন অঞ্চল কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে। সৌরশক্তি, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং প্লাস্টিকমুক্ত পর্যটন অঞ্চল গড়ে তুলতে হবে।

পঞ্চমত, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরিবেশ পর্যটন গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা উচিত, যেখানে পর্যটন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে নিয়মিত গবেষণা হবে।

সুন্দরবন নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এই বনভিত্তিক পর্যটনের অর্থনৈতিক মূল্য বছরে প্রায় ৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ হতে পারে। অর্থাৎ একটি জীবিত বন কেবল পরিবেশগত নয়, অর্থনৈতিক সম্পদও। এখানেই ভবিষ্যতের অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। অতীতে অর্থনীতি বন কেটেছে। বর্তমান অর্থনীতি বন রক্ষা করছে। আর ভবিষ্যতের অর্থনীতি বনকে বিনিয়োগে পরিণত করবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে তাই বাংলাদেশের সামনে প্রকৃত প্রশ্ন হলো আমরা কি প্রকৃতিকে উন্নয়নের বাধা হিসেবে দেখব, নাকি উন্নয়নের মূলধন হিসেবে দেখব? যদি দ্বিতীয় পথটি বেছে নিতে পারি, তাহলে পরিবেশ পর্যটন শুধু একটি শিল্প নয়; এটি হতে পারে বাংলাদেশের সবুজ অর্থনীতি, জলবায়ু অভিযোজন এবং গ্রামীণ পুনর্জাগরণের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।

মো. মামুন হাসান, ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

Ads small one

সাতক্ষীরায় সীমানা পিলারসহ আটক ৪

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সীমানা পিলারসহ আটক ৪

খেশরা (তালা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় তালার কলাগাছি গ্রামের ভোলানাথ সানার (৫০) বসতবাড়ি থেকে সীমানা পিলারসহ এক্সপার্ট চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার (৫ জুন) রাত ১০ টার পরে তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রামের ভোলানাথ সানার বাড়ি থেকে এই পিলার উদ্ধার করা হয়।
আটক ভোলানাথ সানা কলাগাছি গ্রামের মৃত চতুর চন্দ্র সানার ছেলে এবং অন্য তিন জনের একজন খুলনার বটিয়াঘাটার বাসিন্দা ও অন্য ২ জন পাইকগাছা গ্রামের বাসিন্দা তুষার ও ভোলানাথ সানার কুটুম সুশান্ত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোলানাথ সানার বসতবাড়ির পাশে একটি মাটির ঘরে এই পিলার মাটির নিচে বসানো ছিলো। আজকে এক্সপার্টরা এই পিলার সঠিক কি-না যাচাইয়ের জন্য আসবে বলে মাঠি খুড়ে বের করে ঘরের ভিতর রাখা হয়। তখনই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের টিম সেখানে অভিযান চালায়। রাত সাড়ে ১০ টায় পিলারসহ তাদের বসতবাড়ি থেকে আটক করে পুলিশের চৌকস টিম।

 


তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, রাত সাড়ে ১০ টায় আমরা খবর পাই কলাগাছিতে সীমানা পিলার বেচাকেনা চলছে। এই খবর পেয়ে আমারা অভিযান চালাই। অভিযান চালিয়ে আমরা তাদের পিলারসহ আটক করি। তবে আমরা তাদের থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাচ্ছি। যারা এর সাথে জড়িত রয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। যারা জড়িত না তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

 

 

সম্পাদকীয়/ নির্বিচারে বৃক্ষনিধন রোধে চাই কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নির্বিচারে বৃক্ষনিধন রোধে চাই কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা

উন্নয়ন প্রকল্প, নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার অজুহাতে দেশে আশঙ্কাজনক হারে গাছ কাটা ও বন উজাড়ের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সম্প্রতি পরিবেশ অধিদপ্তর মিলনায়তনে পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিবেশবিদেরা দেশের সবুজ আচ্ছাদন ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাওয়ার যে তথ্য প্রকাশ করেছেন, তা আমাদের পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর এক মারাত্মক নেতিবাচক বার্তা দেয়। এই বাস্তবতায় দেশে নির্বিচারে গাছ কাটা রোধে একটি ‘জাতীয় বন ও বৃক্ষনিধন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার যে দাবি তাঁরা জানিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং এর দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।
উত্থাপিত গবেষণা প্রবন্ধ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র এক বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৫২ হাজার ৩৭৫টি বৃক্ষনিধনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এই সংখ্যাটি আগের বছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ২ শতাংশ কম এবং এটি সচেতনতা বৃদ্ধির ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে, তবুও প্রতিবছর হাজার হাজার পরিপক্ব গাছ এভাবে কেটে ফেলা কোনোভাবেই হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। বিশেষ করে জেলাভিত্তিক হিসাবে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ২৩ হাজার এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ হাজার বৃক্ষনিধনের তথ্য পরিবেশগত সুরক্ষাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। কক্সবাজারের মতো সংবেদনশীল ও পর্যটন এলাকায় এত বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার খেসারত আগামী দিনে ওই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও পাহাড় সুরক্ষায় মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
আমরা প্রায়ই দেখি, রাস্তা সম্প্রসারণ কিংবা অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের জন্য কোনো বিকল্প ভাবনা ছাড়াই শতবর্ষী ও ছায়াসুনিবিড় গাছগুলো সবার আগে কেটে ফেলা হয়। আইন ও নীতিমালা থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ এবং জবাবদিহিতার অভাবে এই অপরাধ পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, মাঠপর্যায়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃক্ষনিধনের এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাটিক্ষয়, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং সামগ্রিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তীব্র তাপপ্রবাহের মাধ্যমে আমরা টের পাচ্ছি।
সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে নতুন গাছ লাগানোর চেয়ে বিদ্যমান বড় ও পরিণত গাছগুলোকে বাঁচিয়ে রাখা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অনেক বেশি কার্যকর। বন আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, টেকসই কৃষিবনায়ন সম্প্রসারণ এবং নগর পরিকল্পনায় সবুজ অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে পরিবেশগত অপরাধ দমনে ইউনিয়ন বা স্থানীয় পর্যায়ে শক্তিশালী তদারকি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন।
জলবায়ু সংকটের এই বর্তমান বাস্তবতায় শুধু উৎসব করে গাছ লাগালেই চলবে না, বরং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সবুজ আচ্ছাদন ও বনাঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। আমরা আশা করি, পরিবেশবাদীদের দীর্ঘদিনের দাবি আমলে নিয়ে সরকার অনতিবিলম্বে একটি কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে এবং বনের ওপর স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার ও তদারকি নিশ্চিত করে পরিবেশ রক্ষায় কঠোর ভূমিকা পালন করবে।

বুধহাটা বাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
বুধহাটা বাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার এলাকায় ড্রেনেজ সমস্যার কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ লাঘবে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়টি নজরে আসার পর সাতক্ষীরা জজকোর্টের এপিপি ও আশাশুনি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম নিজস্ব লোকবল নিয়ে ভেঙে পড়া ড্রেন পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। তাৎক্ষণিকভাবে পানি চলাচলের সাময়িক ব্যবস্থা করায় বাজারের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।

স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম জানান, বুধহাটা বাজারের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নতুন ড্রেন নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কার করা প্রয়োজন। এই বিষয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। হঠাৎ করে নেওয়া এই কার্যকর উদ্যোগের জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।