বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত ‘জলিল চাচা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত ‘জলিল চাচা’

পাকিস্তান ক্রিকেটের গ্যালারিতে বহু দশক ধরে পরিচিত এক মুখ আব্দুল জলিল, যিনি সবার কাছে ‘জলিল চাচা’ নামেই বেশি পরিচিত। জাভেদ মিয়াদাদ, ওয়াসিম আকরাম থেকে শুরু করে বর্তমান প্রজন্ম—প্রায় ৬০ বছর ধরে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পাশে থেকেছেন তিনি। তবে এবার সেই দীর্ঘ পথচলার ইতি টানতে যাচ্ছেন এই কিংবদন্তি সমর্থক।

গায়ে পাকিস্তানের পতাকার আদলে গাঢ় সবুজ কুর্তা, মাথায় বিশেষ টুপি—স্বতন্ত্র এই সাজে যুগের পর যুগ গ্যালারিতে বসে দলকে সমর্থন দিয়েছেন জলিল চাচা। পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে তার এই আবেগঘন সম্পর্ক এবার শেষ হতে যাচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শনিবার (৩০ মে) শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ দিয়ে দেশের মাঠে শেষবার গ্যালারিতে থাকবেন তিনি। এরপর আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজে শেষবারের মতো তাকে গ্যালারি থেকে পতাকা নাড়তে দেখা যাবে।

জলিল চাচার ক্রিকেট-ভালোবাসার শুরু ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে, ইংল্যান্ডের পাকিস্তান সফরের সময় লাহোরে একটি ম্যাচ দেখে। এরপর ক্রিকেটই হয়ে ওঠে তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আশি ও নব্বইয়ের দশকে শারজাহতে পাকিস্তানের ম্যাচগুলোতে নিয়মিত উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি বিশ্ব ক্রিকেটে পরিচিত মুখে পরিণত হন।

তখন পর্যন্ত তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাকরি করতেন। পরে সেটি ছেড়ে পুরোপুরি পাকিস্তান দলের সমর্থক হয়ে যান। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় বছরের পর বছর দেশ-বিদেশে ঘুরে দলকে সমর্থন দিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে ৭৭ বছর বয়সী জলিল চাচা অবসরের পর নিজ শহর শিয়ালকোটের উপকণ্ঠে একটি রেস্তোরাঁ ও ক্রিকেট জাদুঘর গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোকে তিনি শুনিয়েছেন সেই স্বপ্নের কথা। তিনি বলেন, “বছরের পর বছর ধরে সংগ্রহ করা সব স্মৃতিচিহ্ন জাদুঘরে প্রদর্শন করবো। আমার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের ৫০০ ম্যাচে সমর্থন দেওয়া, যা আমি অর্জন করেছি।”

তারকাদের জন্য গলা ফাটিয়ে জলিল চাচা নিজেই পাকিস্তানে হয়ে ওঠেন বড় তারকা। তার কথা, “খেলা ও দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই সব করেছি। আমার লক্ষ্য ছিল দেশের একজন ভালো দূত হওয়া এবং সব দলের সমর্থকদের আনন্দ দেওয়া। এখন অবসরের পর কিছু জনকল্যাণমূলক কাজ করতে চাই।”

তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান দলের পারফরম্যান্সে হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে ধারাবাহিক পরাজয় তাকে কষ্ট দিয়েছে। এ কারণেই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখতে শ্রীলঙ্কায় যাননি বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘ভারতের কাছে পাকিস্তানের টানা তিনটি পরাজয় দেখেছি আমি (গত এশিয়া কাপে)। আমরা এখন ভারতের কাছে টানা ৯টি ম্যাচ হেরেছি। আমি চাইনি এশিয়া কাপের পর তারা আর একটিও ম্যাচ হারুক।’’

স্মরণীয় ম্যাচের প্রসঙ্গে জলিল চাচা বলেন, “১৯৮৬ সালে শারজাহতে জাভেদ মিয়াঁদাদ যখন শেষ বলে চেতন শর্মাকে ছক্কা মেরেছিলেন, আমি মাঠে ছিলাম। আর ২০১৭ সালে ওভালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচটিও আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।”

Ads small one

ঝাউডাঙ্গায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গায় এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ২৬ আগস্ট সকালে আল-হেরা মডেল একাডেমিক ভবনে ভোর ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে ও প্রবাসী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। প্রবাসী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইকরামুল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আল মুস্তানছির বিল্লাহ্।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোসাইটি ফর পিপলস ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আফতাবুজ্জামান, গ্লোবাল ট্যালেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. সাইফুল আলম, পাবনা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহ, সাউথল্যান্ড সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. মাহিনুজ্জামান, ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান, সোনাবাড়ীয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতার আসাদুজ্জামান, তালা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবদুর রহিম এবং অন্যান্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মশিউর রহমান ও আবদুস সালাম। আলোচনা শেষে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও শিক্ষাসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মী সম্মেলন ও কুইজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মী সম্মেলন ও কুইজ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন এবং সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাজরা ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক আবদুস গফ্ফার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক মো. শাহজাহান হোসেন। কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ইয়াছিন আরাফাত, আবুল হোসেন, আবদুর রশীদ ঢালী, আবু জাফর হোসেন ও মো. মহিউদ্দিন সানার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

খুলনা গেজেট এর বর্ষপূর্তিতে কেক কাটা ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
খুলনা গেজেট এর বর্ষপূর্তিতে কেক কাটা ও আলোচনা সভা

সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রত্যয় নিয়ে পথচলার এক বছর পূর্ণ করেছে দৈনিক খুলনা গেজেট। ২০২০ সালের ১৩ জুলাই অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবে যাত্রা শুরুর পর ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট দৈনিক মুদ্রিত পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে খুলনা গেজেট। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে দিনব্যাপী নিজ কার্যালয়ে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের মধ্যে ছিল বেলা ১১ টায় কেক কাটা ও আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক ও সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী সহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে খুলনা গেজেট পরিবারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের কথা, সম্ভাবনা, সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও পেশাদার সাংবাদিকতার চর্চা করে আসছে খুলনা গেজেট। এক বছর যেতে না যেতেই খুলনা গেজেট খুলনাবাসীসহ এ অঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে পত্রিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। খুলনা গেজেট হবে খুলনার গণমানুষের প্রাণের পত্রিকা।
বক্তারা আরও বলেন, অল্প দিনের মধ্যে খুলনা গেজেট জায়গা করে নিয়েছে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের প্রয়োজনে চলমান থাকবে এটা আমাদের প্রত্যাশা, সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ হিসেবে এটি সকলের কথা। সমাজের কথা, রাজনীতির কথা, মানুষের কথা তুলে ধরবে। সত্যনিষ্ঠা এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবে মানুষের মনে। এই প্রত্যাশা হবে।
খুলনা গেজেটের সম্পাদকমন্ডলীর উপ‌দেষ্টা গাজী আলাউদ্দিন আহমদের সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. মনিরুল হাসান বাপ্পী, জামায়াতের খুলনা মহানগর আমির মাহফুজুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ট্রেজারার প্রফেসর মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, খুলনা ওয়াসার ডিএমডি প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জুয়েল, খুলনা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক এবং সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. খ. ম. রেজাউল করিম, খুলনা গেজেটের নির্বাহী সম্পাদক কাজী মোতাহার রহমান, সাংবা‌দিক আবু তৈয়ব, সাংবাদিক ও পরিবেশ বিষয়ক গবেষক গৌরাঙ্গ নন্দী, বিএফইউজের সহকারী মহাস‌চিব এহতেশামুল হক শাওন, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি নিজামুর রহমান লালু, মহাসচিব হাফিজুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল কাদের খান,‌ কে‌ডিএস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম শিমুল, সোনামুখ স্মার্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মুজাহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক হাসান আহমেদ মোল্ল্যা, নগর ইসলামী আন্দোলনের সহ-সভাপতি শেখ নাসির উদ্দীন, নগর বিএনপি’র সাবেক প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ, সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কেএম হুমায়ুন কবীর ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দীন, মিজানুর রহমান বাবু, বিএনপি নেতা সামসুজ্জামান চঞ্চল, রবিউল ইসলাম রবি, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবু তাহের, নগর সামাজিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মোল্যা মারুফ রশিদ, মনিরুজ্জামান রহীম,  অধ্যাপক আবুল বাশার, শ্রমিক নেতা খলিলুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, নগর ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি আব্দুর রশীদ, সাংবাদিক রাশিদুল ইসলাম, এএইচএম শামীমুজ্জামান, আবুল হাসান হিমালয়, পারভেজ মোহাম্মদ, বিমল সাহা, আব্দুল্লাহ এম রুবেল, জামায়াত নেতা জিএম আব্দুল গফুর, নাইমুল ইসলাম নাইম, সাংবাদিক খায়রুল আলম, হাসানুর রহমান তানজির, বেল্লাল হোসেন সজল, ফকির শহিদুল ইসলাম, জিএম রাসেল হোসেন, নুরুল আমিন, তানজীম আহমেদ, রাজু হাওলাদার, এম এ সাদী, খুলনা সংবাদপত্র হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি খাইয়রুল আলম তালুকদার, সহ-সভাপতি আঃ বারেক মৃধা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলম গুড্ডু, সদস্য শাকিল আক্তার চুন্নু প্রমুখ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা গেজেটের বার্তা সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, প্রধান প্রতিবেদক মোহাম্মদ মিলন, সি‌নিয়র স্টাফ রিপোর্টার জাহা‌ঙ্গীর আলম, সহ-সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, আনিস উদ্দীন, নিজস্ব প্রতিবেদক জাহাঙ্গীর আলম, একরামুল হোসেন লিপু, আয়শা আক্তার জ্যোতি, বিএম শহিদুল ইসলাম, হিরামন সাগর, আল মামুন, সুব্রত ফৌজদার, ম্যানেজার আওয়াল শেখ, দেবাশীষ কুমার দে, নূর মোহাম্মদ নবাব, এআর শাওন, নূরহানুল ইসলাম রাতুল, শরিফুল ইসলাম শাওন, মৃদুল শেখ ও মোঃ আহাদ মোল্লা সহ গেজেট পরিবারের সদস্যরা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি