শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত ‘জলিল চাচা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত ‘জলিল চাচা’

পাকিস্তান ক্রিকেটের গ্যালারিতে বহু দশক ধরে পরিচিত এক মুখ আব্দুল জলিল, যিনি সবার কাছে ‘জলিল চাচা’ নামেই বেশি পরিচিত। জাভেদ মিয়াদাদ, ওয়াসিম আকরাম থেকে শুরু করে বর্তমান প্রজন্ম—প্রায় ৬০ বছর ধরে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পাশে থেকেছেন তিনি। তবে এবার সেই দীর্ঘ পথচলার ইতি টানতে যাচ্ছেন এই কিংবদন্তি সমর্থক।

গায়ে পাকিস্তানের পতাকার আদলে গাঢ় সবুজ কুর্তা, মাথায় বিশেষ টুপি—স্বতন্ত্র এই সাজে যুগের পর যুগ গ্যালারিতে বসে দলকে সমর্থন দিয়েছেন জলিল চাচা। পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে তার এই আবেগঘন সম্পর্ক এবার শেষ হতে যাচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শনিবার (৩০ মে) শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ দিয়ে দেশের মাঠে শেষবার গ্যালারিতে থাকবেন তিনি। এরপর আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজে শেষবারের মতো তাকে গ্যালারি থেকে পতাকা নাড়তে দেখা যাবে।

জলিল চাচার ক্রিকেট-ভালোবাসার শুরু ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে, ইংল্যান্ডের পাকিস্তান সফরের সময় লাহোরে একটি ম্যাচ দেখে। এরপর ক্রিকেটই হয়ে ওঠে তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আশি ও নব্বইয়ের দশকে শারজাহতে পাকিস্তানের ম্যাচগুলোতে নিয়মিত উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি বিশ্ব ক্রিকেটে পরিচিত মুখে পরিণত হন।

তখন পর্যন্ত তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাকরি করতেন। পরে সেটি ছেড়ে পুরোপুরি পাকিস্তান দলের সমর্থক হয়ে যান। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় বছরের পর বছর দেশ-বিদেশে ঘুরে দলকে সমর্থন দিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে ৭৭ বছর বয়সী জলিল চাচা অবসরের পর নিজ শহর শিয়ালকোটের উপকণ্ঠে একটি রেস্তোরাঁ ও ক্রিকেট জাদুঘর গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোকে তিনি শুনিয়েছেন সেই স্বপ্নের কথা। তিনি বলেন, “বছরের পর বছর ধরে সংগ্রহ করা সব স্মৃতিচিহ্ন জাদুঘরে প্রদর্শন করবো। আমার লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের ৫০০ ম্যাচে সমর্থন দেওয়া, যা আমি অর্জন করেছি।”

তারকাদের জন্য গলা ফাটিয়ে জলিল চাচা নিজেই পাকিস্তানে হয়ে ওঠেন বড় তারকা। তার কথা, “খেলা ও দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই সব করেছি। আমার লক্ষ্য ছিল দেশের একজন ভালো দূত হওয়া এবং সব দলের সমর্থকদের আনন্দ দেওয়া। এখন অবসরের পর কিছু জনকল্যাণমূলক কাজ করতে চাই।”

তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান দলের পারফরম্যান্সে হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে ধারাবাহিক পরাজয় তাকে কষ্ট দিয়েছে। এ কারণেই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখতে শ্রীলঙ্কায় যাননি বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘ভারতের কাছে পাকিস্তানের টানা তিনটি পরাজয় দেখেছি আমি (গত এশিয়া কাপে)। আমরা এখন ভারতের কাছে টানা ৯টি ম্যাচ হেরেছি। আমি চাইনি এশিয়া কাপের পর তারা আর একটিও ম্যাচ হারুক।’’

স্মরণীয় ম্যাচের প্রসঙ্গে জলিল চাচা বলেন, “১৯৮৬ সালে শারজাহতে জাভেদ মিয়াঁদাদ যখন শেষ বলে চেতন শর্মাকে ছক্কা মেরেছিলেন, আমি মাঠে ছিলাম। আর ২০১৭ সালে ওভালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচটিও আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।”

Ads small one

সাতক্ষীরায় শুরু হয়ে গেছে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, উড়ছে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শুরু হয়ে গেছে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, উড়ছে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকা

পত্রদূত ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ১২ দিন বাকি। এরই মধ্যে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে উঠেছে সাতক্ষীরার শহর থেকে গ্রামাঞ্চল। বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। প্রিয় দলের শক্তি-সামর্থ্য তুলে ধরার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের দুর্বলতা নিয়ে তর্ক-বিতর্কে ব্যস্ত সময় পার করছেন সমর্থকরা। তবে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পাশাপাশি অন্যান্য দলের সমর্থকরাও নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।

 

গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার, বাড়িঘর, ঘরের দেয়াল এমনকি বাড়ির সামনে গাছের ডালেও শোভা পাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা। কোথাও কোথাও দেখা মিলছে অন্যান্য দেশের পতাকাও। বিশ্বকাপকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

আশাশুনি উপজেলার কাপসন্ডা গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন জানান, তিনি ক্রোয়েশিয়ার সমর্থক। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে তিনি এলাকার ঈদগাহ মাঠের গেট ক্রোয়েশিয়ার পতাকার আদলে তৈরি কাপড় দিয়ে সাজিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ক্রোয়েশিয়ার সমর্থক। তাই এবার ঈদগাহর গেট ক্রোয়েশিয়ার পতাকার আদলে সাজিয়েছি। আশা করছি, এবারের বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া ভালো করবে।

 

বিশ্বকাপের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে শিশু-কিশোরদের মাঝেও। সাতক্ষীরা শহরের কালেক্টরেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র সোয়াইব হক আর্জেন্টিনার খুদে সমর্থক। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার মেসির ভক্ত সে। কয়েকদিন আগে দাদার কাছ থেকে আর্জেন্টিনার জার্সি সংগ্রহ করেছে সোয়াইব। তবে স্কুল খোলা থাকা এবং বাড়ির টেলিভিশনের ডিশ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এবার সরাসরি খেলা দেখতে না পারার আক্ষেপ রয়েছে তার। তাই দাদাকে অনুরোধ করেছে আর্জেন্টিনার সব ম্যাচ মোবাইলে রেকর্ড করে রাখতে।

 

বিশিষ্ট সাংবাদিক জি, এম মনিরুল ইসলাম মিনি রাত জেগে বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রতিটি খেলা দেখেন। গত বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সাপোর্টার থাকলেও এবার তিনি ব্রাজিলের সাপোর্টার। ছেলে সেনা অফিসার আল ইমরান আদনান এর কোথায় তিনি আগের দলে ভিড়েছেন। তবে ছেলে আদনানের ধারণা এবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ান হবে ফ্রান্স।

এদিকে বিশ্বকাপ সামনে রেখে বেড়েছে ক্রীড়া সামগ্রীর বিক্রিও। সাতক্ষীরা শহরের বিউটি খেলাঘর প্লাসের মালিক সেলিম জানান, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

 

তিনি বলেন, বিশ্বকাপ শুরু হতে আর কয়েকদিন বাকি। ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি বিক্রি শুরু হয়েছে। অনেকেই দুই দলের জার্সি কিনছেন। এছাড়া দু-একজন ক্রোয়েশিয়াসহ অন্যান্য দলের জার্সিও খুঁজছেন। তবে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সিই বেশি বিক্রি হচ্ছে।

 

বিশ্বকাপের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সমর্থকদের উন্মাদনা। প্রিয় দলের পতাকা, জার্সি ও নানা সাজসজ্জায় ফুটে উঠছে বিশ্বকাপের রঙিন আবহ। শহর থেকে গ্রাম-সবখানেই এখন একটাই আলোচনা, কে জিতবে এবারের বিশ্বকাপ।

দুস্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
দুস্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৩০ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় মানিকমিয়া এভিনিউয়ে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর ১৬টি স্থানে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, শ্যামলী স্কয়ার, সরকারি বাংলা কলেজ এলাকা, পল্লবী মেট্রো স্টেশন, ইসিবি চত্বর, কুড়িল বিশ্বরোড, ফুজি ট্রেড সেন্টার, জোড়পুকুর খেলার মাঠ, বাংলাবাজার, যাত্রাবাড়ী, জুরাইন ও ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।

গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়

গরমকালে অনেকেই চুলকানি, র‌্যাশ বা ঘামাচির সমস্যায় ভোগেন। এই সময়ে আরো একটি সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ‘নিকেল অ্যালার্জি’। আংটি, চুড়ি বা ঘড়ি অথবা ধাতব কিছু থেকে এক রকম চর্মরোগ হতে দেখা যায়। এতে ত্বকে জ্বালা, চুলকানি বাড়ে। কারো ত্বকে বড় বড় ফোস্কা পড়ে। ত্বকের রংও বদলে যায়।
ত্বক চিকিৎসকেরা বলেন, গরমের সময়ে হিট র‌্যাশ ও কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের সমস্যা বাড়ে। এর থেকে রেহাই পেতে ঘরোয়া কিছু টোটকাই কাজে আসতে পারে।

গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়-

> গরমে গোসলের বিকল্প নেই। দুই থেকে তিনবার গোসল করুন। এতে ত্বক ঠান্ডা থাকবে। গোসলের সময় খুব বেশি সুগন্ধযুক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না। হালকা বডিওয়াশ ব্যবহার করা ভালো। এতে ত্বকে পিএইচ ব্যালান্স বজায় থাকবে। প্রতিবার গোসলের পর অন্তর্বাসসহ পোশাক বদলে ফেলুন।

> গরমের সময় টাইট বা ফিটিং পোশাক পরা থেকে বিরত থাকুন। শরীরে যেন বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সেজন্য ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। টাইট পোশাক পরলেই ত্বকে সংক্রমণ দেখা দেবে। মনে রাখবেন, ত্বকের যেসব স্থানে বেশি ঘাম হয়; সেসব স্থানগুলো যাতে পরিষ্কার ও খোলামেলা থাকে। তাহলেই র্যাশ বা ফুসকুড়ি উঠবে না।

> গোসলের আগে প্রতিবার ত্বকের আক্রান্ত স্থানে বরফের সেঁক নিতে পারেন। এতে জ্বালা-পোড়াভাব ও চুলকানি কমবে। একটি তোয়ালের মধ্যে কিছু বরফ নিয়ে পুরো শরীরে কিছু সময়ের জন্য সেঁক নিতে পারেন।

> চন্দন ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ রোধে জাদুকরী ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, চন্দন কাঠের গুঁড়োয় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যানালজেসিক আছে। যা ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ রোধ করে। পাশাপাশি আক্রান্ত স্থানের জ্বালা-পোড়াভাব কমায়। চন্দনের গুঁড়ো সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখ, গলাসহ আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করতে পারেন।

> বেকিং সোডা ব্যবহারে ত্বকের চুলকানি বা প্রদাহ মুহূর্তেই কমে। এটি ত্বকের সংক্রমণ রোধে দুর্দান্ত একটি ঘরোয়া প্রতিষেধক। পানির সঙ্গে কয়েক টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে গোসল করুন। এভাবে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর শরীরে পরিষ্কার পানি ঢেলে গোসল সম্পন্ন করুন।

> অ্যালোভেরার নির্যাস ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-সেপটিক উপাদান আছে। যা ত্বক ঠান্ডা করে সংক্রমণ কমায়। ত্বকের অস্বস্তি দূর করতে আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরার রস ব্যবহার করতে পারেন।

সূত্র: আনন্দবাজার