রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ক্রীতদাস বাণিজ্য ও তার বিলোপের স্মরণ দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক ক্রীতদাস বাণিজ্য ও তার বিলোপের স্মরণ দিবস

ইতিহাসের কালো অধ্যায় থেকে মানবতার বিশ্ব
সাকিবুর রহমান বাবলা

২৩ আগস্ট বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক ক্রীতদাস বাণিজ্য ও তার বিলোপের স্মরণ দিবস। ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে গৃহীত ২৯ সি/রেজু:৪০-এর মাধ্যমে দিবসটি ঘোষিত হয়, যার উদ্দেশ্য মানব ইতিহাসের অন্যতম নির্মম অধ্যায় ‘ক্রীতদাস বাণিজ্য’ স্মরণ এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা। এই দিবস কেবল অতীতের একটি দুঃখজনক ইতিহাসকে স্মরণ করার উপলক্ষ নয়; বরং এটি মানব মর্যাদা, স্বাধীনতা, সমতা ও ন্যায়ের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার বিশেষ সুযোগ।

২৩ আগস্ট তারিখটি নির্বাচনের পেছনে রয়েছে এক অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনা। ১৭৯১ সালের ২২ আগস্ট দিবাগত রাতে তৎকালীন সান্টো ডোমিঙ্গো দ্বীপে আফ্রিকান ক্রীতদাসরা দাসপ্রথার বিরুদ্ধে এক ঐতিহাসিক বিদ্রোহ শুরু করেন। এই আন্দোলন পরবর্তীকালে ‘হাইতিয়ান বিপ্লব’ নামে পরিচিতি লাভ করে এবং বিশ্বের প্রথম সফল ক্রীতদাস বিদ্রোহ হিসেবে ইতিহাসে স্থান পায়। এই বিপ্লব শুধু একটি দেশের স্বাধীনতার পথই সুগম করেনি; বরং সমগ্র আটলান্টিক অঞ্চলে ক্রীতদাস বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে এবং দাসপ্রথা বিলোপের আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

মানব সভ্যতার ইতিহাসে ক্রীতদাস প্রথার শেকড় বেশ প্রাচীন। কৃষিভিত্তিক সমাজব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শ্রমশক্তির চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং যুদ্ধবন্দী, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কিংবা সামাজিকভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করার প্রবণতা তৈরি হয়। প্রাচীন মিশর, গ্রিস, রোম, মেসোপটেমিয়া এবং বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতায় দাসপ্রথা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছিল। তবে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ দেখা যায় ট্রান্সআটলান্টিক ক্রীতদাস বাণিজ্যে, যেখানে লক্ষ লক্ষ আফ্রিকান নারী, পুরুষ ও শিশুকে বলপূর্বক নিজ ভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন করে আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়।

ষোড়শ থেকে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত চলা এই বাণিজ্য মানবতার ওপর এক গভীর ক্ষতচিহ্ন রেখে গেছে। অমানবিক পরিবেশে সমুদ্রযাত্রা, নির্যাতন, পরিবার বিচ্ছিন্নতা, সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ধ্বংস এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলা বৈষম্য—সব মিলিয়ে এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ মানবিক বিপর্যয়। ক্রীতদাসদের শ্রমের ওপর দাঁড়িয়ে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক কাঠামো একদিকে কিছু শক্তিকে সমৃদ্ধ করেছে, অন্যদিকে অসংখ্য মানুষের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে।

এই ইতিহাসের শিক্ষা হলোÑকোনো মানুষ কখনোই অন্য মানুষের সম্পত্তি হতে পারে না। মানব মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং সমঅধিকার কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর জন্য নয়; বরং সকল মানুষের জন্মগত অধিকার। এ কারণেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ধীরে ধীরে দাসপ্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এবং একাধিক আন্তর্জাতিক দলিল ও কনভেনশনের মাধ্যমে দাসত্ব ও দাস ব্যবসাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯২৬ সালের ‘স্লেভারি কনভেনশন’ আন্তর্জাতিক আইনে দাসত্ব নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালের মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের ৪ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয় যে, কাউকে দাসত্ব বা পরাধীনতার মধ্যে রাখা যাবে না। ১৯৫৬ সালের ‘সাপ্লিমেন্টারি কনভেনশন’, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার বাধ্যতামূলক শ্রমবিরোধী কনভেনশনসমূহ এবং ২০০০ সালের ‘পালেরমো প্রোটোকল’ মানবপাচার ও আধুনিক দাসত্ব প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাঠামো গড়ে তুলেছে।

বাংলাদেশও এ বিষয়ে সুস্পষ্ট সাংবিধানিক ও আইনি অবস্থান গ্রহণ করেছে। সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদে জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দ-বিধি, ১৮৬০-এর বিভিন্ন ধারায় মানুষকে কেনাবেচা, আটকে রাখা বা জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করার বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে। পাশাপাশি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ আধুনিক দাসত্ব, মানব ও শ্রম পাচার এবং শোষণের বিরুদ্ধে দেশের অন্যতম প্রধান আইন হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।

তবে আইনি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আধুনিক বিশ্বে দাসত্ব সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়নি। বর্তমানে মানবপাচার, জোরপূর্বক শ্রম, ঋণ দাসত্ব, বাধ্যতামূলক বিবাহ, গৃহস্থালি শোষণ এবং বিভিন্ন ধরনের সংগঠিত অপরাধের মাধ্যমে আধুনিক দাসত্ব নতুন রূপে বিদ্যমান। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে প্রায় চার কোটি মানুষ আধুনিক দাসত্বের শিকার। অর্থাৎ দাসপ্রথা ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকলেও তার ছায়া আজও সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিদ্যমান।

এ বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক ক্রীতদাস বাণিজ্য ও তার বিলোপের স্মরণ দিবস আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে—আমরা কি সত্যিই সব ধরনের শোষণ, বৈষম্য ও মানবপাচারমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পেরেছি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে কেবল অতীতকে স্মরণ করাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন বর্তমান বাস্তবতাকে মোকাবিলা করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।

মানুষকে ক্রীতদাস হিসেবে ব্যবহার করার বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ও নৈতিক দর্শনে মানবতা, স্বাধীনতা, সমতা এবং মর্যাদার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন ঐতিহ্যে দাসমুক্তিকে মহৎ কাজ হিসেবে উৎসাহিত করা, নিপীড়িত মানুষের প্রতি মানবিক আচরণের নির্দেশ দেওয়া এবং সকল মানুষের সমান মর্যাদা ও অধিকারের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। এসব শিক্ষা মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মুক্তির চেতনাকে শক্তিশালী করেছে এবং দাসত্ব, বৈষম্য ও শোষণের পরিবর্তে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে।

নাগরিকদের দায়িত্ব হলো মানবপাচার, শ্রম শোষণ ও জবরদস্তিমূলক কর্মকা- সম্পর্কে সচেতন থাকা, সন্দেহজনক ঘটনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মী আচরণ করা। একই সঙ্গে মানবাধিকারকর্মী, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তা, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা।

ইউনেস্কোর ‘দ্য স্লেভ রুট’ প্রকল্প আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে ইতিহাসকে জানা মানে কেবল অতীতকে স্মরণ করা নয়; বরং ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা গ্রহণ করা। ক্রীতদাস বাণিজ্যের ইতিহাস মানবজাতিকে শিখিয়েছে যে বৈষম্য, লোভ ও ক্ষমতার অপব্যবহার শেষ পর্যন্ত মানবতার জন্যই ক্ষতিকর। তাই এই দিবস আমাদের আহ্বান জানায় এমন একটি পৃথিবী নির্মাণের, যেখানে স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকারের মূল্য সর্বোচ্চ স্থান পাবে।

২৩ আগস্টের এই স্মরণ দিবস তাই শুধু অতীতের লাখো নির্যাতিত মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের দিন নয়; এটি এমন এক বিশ্ব গঠনের অঙ্গীকারের দিন, যেখানে কোনো মানুষ আর কখনো শোষণ, দাসত্ব কিংবা মানবপাচারের শিকার হবে না।

 

Ads small one

সম্পাদকীয়/ নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মীসহ স্থানীয় সুশীল সমাজ। রবিবার ‘পত্রদূত’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, মে থেকে জুলাই পর্যন্ত মাত্র তিন মাসে জেলায় ৬৮৪টি অপরাধের ঘটনা এবং ১৩৬ জনের অপমৃত্যুর তথ্য আমাদের চিন্তিত করে। ২৫১টি মাদক মামলা, ৫০টি নারী নির্যাতন, ২১টি ধর্ষণ এবং ৯টি হত্যাকা-ের মতো ঘটনা প্রমাণ করে যে, অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে।
সর্বাধিক চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক অস্থিরতার প্রকাশ। তিন মাসে ৬৫টি আত্মহত্যার ঘটনা কোনো সাধারণ পরিসংখ্যান নয়; এটি তীব্র মানসিক সংকট, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও সামাজিক সহমর্মিতার অভাব নির্দেশ করে। এর পাশাপাশি সুন্দরবনে ডাকাতদের হাতে ৩২ জন জেলের অপহরণ এবং সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা উপকূলীয় ও সীমান্তঘেঁষা মানুষের জীবিকা ও জীবনকে প্রতিনিয়ত চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।
আইনশৃঙ্খলার এই ধসের পাশাপাশি বিচারপ্রার্থী মানুষের আইনি সুরক্ষার পথও আজ অবরুদ্ধ। সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘদিন বিচারক না থাকায় শত শত ভুক্তভোগী নারী ও শিশু বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেনÑযা মানবাধিকারের আরেকটি বড় লঙ্ঘন। বিচারিক প্রক্রিয়ার এই স্থবিরতা অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। মানবাধিকার রক্ষা কেবল কোনো নির্দিষ্ট সংস্থার একক দায়িত্ব হতে পারে না; এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি। সাতক্ষীরার এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অবিলম্বে কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তা হলোÑ মাদক ট্রাফিকিং, চুরি-ডাকাতি ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশের দৃশ্যমান ও কঠোর টহল নিশ্চিত করা। জজ কোর্টের শূন্য পদে দ্রুত বিচারক নিয়োগ দিয়ে স্থবির হয়ে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি করা। সীমান্তে কঠোর কূটনৈতিক তদারকি এবং সুন্দরবনে জেলেদের নিরাপত্তায় কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের যৌথ অভিযান জোরদার করা। আত্মহত্যা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে কাউন্সেলিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা।
একটি সভ্য সমাজে সংখ্যা দিয়ে মানুষের জীবনের মূল্য বিচার করা যায় না। প্রতিটি অপমৃত্যু ও অপরাধের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সুশীল সমাজকে অবিলম্বে একসঙ্গে বসে এই নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে।

ক্যালারোয়ায় ‘জাতীয় তরুণ সংঘের’ নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রবিউল, সম্পাদক রঞ্জু, সাংগঠনিক মোস্তাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ক্যালারোয়ায় ‘জাতীয় তরুণ সংঘের’ নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি রবিউল, সম্পাদক রঞ্জু, সাংগঠনিক মোস্তাক

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন জাতীয় তরুণ সংঘের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে কলারোয়া সরকারি কলেজ সংলগ্ন ক্লাবের নিজস্ব ভবনে এক জরুরি সভায় ক্লাবের সকল সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। তিন বছর মেয়াদি নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে মো. রবিউল হোসেনকে সভাপতি, আরিফুর রহমান রঞ্জুকে সাধারণ সম্পাদক ও মোস্তাক আহমেদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। এছাড়া কমিটিতে ৬ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে রাখা হয়েছে।
সভা শেষে নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক জানান, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন জাতীয় তরুণ সংঘ তার ঐতিহ্য অব্যাহত রাখতে কাজ করবে। মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে অতি দ্রুতই কলারোয়া সরকারি কলেজ মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন, তরুণ প্রতিভাবান ফুটবল খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। একই সাথে উপজেলায় বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম মল্লিক, এনায়েত খাঁন টুন্টু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আহম্মেদ সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ই-ইউনুছ আলী, কোষাধ্যক্ষ আলমগীর কবীর তারেক, দপ্তর সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুকুল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক শাহাদাত হোসেন অপু, প্রচার সম্পাদক নাছির উদ্দিন, সহ-প্রচার সম্পাদক আতিয়ার রহমান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাহেব আলী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক উত্তম গোলদার, সহ-সংস্কৃতি সম্পাদক সন্তোষ কুমার, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সহ-শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মজনুর রহমান মজনু, শাহীনুজ্জামান খাঁন পপি, মোজাম্মেল হক ও নজরুল ইসলাম।
এছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন-সিরাজুল ইসলাম, মাগফুর রহমান রাজু (সাবেক পৌর কাউন্সিলর), শেখ জামিল হোসেন (সাবেক পৌর কাউন্সিলর), শেখ আমজাদ হোসেন (সাবেক সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য), রফিকুল হাসান (সাবেক পৌর কাউন্সিলর) ও ড্যা. মনোয়ার হোসেন।

দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় শিশুশ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণা ও উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলার পারুলিয়া সীমান্ত ট্রেড স্কুল চত্বরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে এবং সুশীলন দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান।
সুশীলনের সিভিও কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক লিটন ঘোষ বাপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, সাংবাদিক মীর খাইরুল আলম, সাংবাদিক আর. কে. বাপ্পা, ইছামতি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আহসান সালেহীন, সাংবাদিক কে. এম. রেজাউল করিম, পারুলিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য নূর বানু কাদেরী, হাছিনা খাতুন ও রেহেনা পারভীন।