শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘যেভাবেই হোক’ ছিনিয়ে নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘যেভাবেই হোক’ ছিনিয়ে নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করবে না বলে জানিয়ে দিলেও, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবেই বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আমরা এটি উদ্ধার করবই। আমাদের এটির প্রয়োজন নেই, আমরা এটি চাইও না। পাওয়ার পর আমরা সম্ভবত এটি ধ্বংস করে দেব, তবে আমরা কোনোভাবেই এটি তাদের কাছে রাখতে দেব না।

ইরান যাতে কোনও অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আবারও সেই দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে আমরা আলোচনা করছি, দেখা যাক কী হয়। তবে যেভাবেই হোক, আমরা এটি (ইউরেনিয়াম) নিয়ে নেব। তারা পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।

একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর যেকোনও ধরনের টোল বা শুল্ক আরোপের তীব্র বিরোধিতা করেন ট্রাম্প। ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধরে রাখতে দেওয়া হবে না বলে অঙ্গীকার করার পাশাপাশি তিনি বলেন, আমরা কোনও টোল চাই না। এটি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ। তারা বর্তমানে কোনও টোল আদায় করছে না।

নৌ-যান চলাচলের ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে ইরান বর্তমানে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য টোল আরোপ নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে চলমান আলোচনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নজর রাখছে বলে জানান ট্রাম্প। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই জলপথে সামুদ্রিক যান চলাচলের ওপর মার্কিন বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

Ads small one

না-এ কোনও ইতিহাস নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
না-এ কোনও ইতিহাস নয়

মারিয়া নূর
কয়েক মিলিয়ন কষ্টের বরাদ্দ নেওয়া ছিলো
আগেই, অনেক আগেই।
এখন আর বাড়তি দেনার দায় নেই ভাগ্যলিপিতে।
সুখেরা তো বরাবরই মুখচোরা
তাই আর ঘাঁটাতে চাইনি ওদের নতুন করে।

ফিরে যাওয়া বসন্তের আক্ষেপ পত্রে
অভিযোগ ছিলো – অপয়া মুখদর্শনের।
এখন দফায় দফায় হাজিরা চলে
জজকোর্ট থেকে হাইকোর্টের বারান্দায়।

সানগ্লাসটা ছোট হতে হতে
এখন মোটা ফ্রেমের চশমায় পরিনত।
চোখের নিচে বয়সের পাটিগণিত।
নামতা ভুলে গেছি সেই কবে;
উপপাদ্য বা সম্পাদ্য যাই বলো
সকল সুত্রের কারসাজিতে এখন
চোখ রাঙানি দেখি ভীষণ রকম।

যারা একসময় স্বপ্নের পরিচয়ে
চোখের সমুদ্রে খেলতো গোল্লাছুট;
বৃদ্ধ বটের নুয়ে পড়া তর্জনী আঁকড়ে
ওরাও ঝুলে থাকে অলস দুপুরে।

এখন আর দিবাকরের হৃদপি-ে কামড় দিয়ে
রোদ চুরি করে না কেউ।

না – এ কোনও ইতিহাস নয়;
রবীঠাকুরের ছোট গল্প? না তাও না।
এ হলো সেই চমকপ্রদ উপন্যাস
যার বিশেষ ক’টা পৃষ্ঠা অলক্ষেই অন্তর্ধান।

নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

বাবুল চৌধুরী
খোলা চুলে বাইরে এসো না এই ঘোর পূর্ণিমা-রাতে
সনাতন চাঁদ আকাশে সওয়ার চাঁদের জোয়ার, তাই
জোছনায় আহত হতে পারো আমিও চন্দ্রগ্রস্থ বলে
এক শ’ বছর পেছনে তাকাই অথবা তারও বেশি
সময়ের উল্টো স্রোতে, তোমার মুখে দেখি দীঘল
ফসলের মাঠ, চুলে খরতর নদী, ও শাড়ির জমিনে
জড়ানো স্থির অথবা অনেক উড়ন্ত ফিঙের ডানা,
আঁচলে আদরে আগলে রেখেছ নাকি ধান স্বর্ণালী!
আরেক মানবীর মতো তখন তুমি, যে মুখ বহু বছর
আগে দেখেছি – সে ছন্দে নাচে, উঠোনে হেসে যায়

এখনি ঢেঁকির শব্দ উঠবে, ঢেঁকিতে পড়ছে তার পা
স্বপ্নের ভেতর তার ছন্দিত পা দেখি, ধান ভাঙা হলে
এখনই দেবে সে নবান্নের ডাক, এখন চাঁদের মতো
সব থালা ভরবে নতুন খাদ্য-কণায়, নিরন্ন লোকালয়

নবান্নের সাড়া পেয়ে যায়, আকাশে চাঁদের জোয়ার –
এ নবান্নে নিমগ্ন আমি – খোলাচুলে বাইরে এসো না

সুখের দিনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
সুখের দিনে

ফাহিম শাহরিয়ার রুমি
সুখের দিনে কেন এ হৃদয়
নিভৃতে কাঁদিতে চায়?
হাসির আড়ালে কার যেন বেদনা
নীরবে ভাসিয়া যায়।

রৌদ্রঝলমল প্রভাত-আকাশে
স্বর্ণরেখা খেলে যায়,
তবু মোর চিত্তে অকারণ ছায়া
নিভৃত ব্যথা বুনে যায়।

সবাই যখন গাহে আনন্দগান,
মিলন-সুরে মাতে প্রাণ,
আমি কেন শুনি বিরহের বীণা
অশ্রুর মৃদু তান?

ফুলে ভরা এ জীবনের বাগান,
গন্ধে ভরে চারিধার,
তবু কেন যেন মলিন হইয়া
ঝরে পড়ে অন্তর-হার।

হায়, সুখের মাঝে লুকায়ে থাকে
দুঃখের অচেনা রূপ,
মানব-হৃদয় তাই চিরদিন
বিরোধে গাঁথা এক সুরূপ।