বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

ঈদে সিনেমা মুক্তির হিড়িক, শঙ্কায় হল মালিকরা, দর্শক যাবে কোথায়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
ঈদে সিনেমা মুক্তির হিড়িক, শঙ্কায় হল মালিকরা, দর্শক যাবে কোথায়?

এক ঈদে এত সিনেমা—ঢালিউডে এমন দৃশ্য অনেকদিন দেখা যায়নি। বড় তারকা, বড় বাজেট, আলোচিত গল্প আর জমজমাট প্রচারণা নিয়ে এবার ঈদুল আজহায় মুক্তির তালিকায় রয়েছে একের পর এক সিনেমা। দর্শকদের জন্য এটি যেমন উৎসবের খবর, তেমনি রয়েছে দ্বিধাও। পাশাপাশি চলচ্চিত্র ব্যবসার ভেতরে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অস্বস্তি।

কারণ, দেশের সীমিত সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে এতগুলো সিনেমা একসঙ্গে জায়গা পাবে কীভাবে—সেই প্রশ্ন এখন নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক থেকে শুরু করে হল মালিকদের মুখে মুখে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত দর্শকই বা পছন্দের একাধিক চলচ্চিত্র কীভাবে দেখবে? ব্যস্ত জীবনে সময় করে উঠতে পারবেন তো?

ঈদকে কেন্দ্র করে মুক্তির তালিকায় রয়েছে— রকস্টার, মাসুদ রানা, রইদ, মালিক, নাকফুলের কাব্য, দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল, পিনিক, তছনছ এবং বনলতা সেন।

বেশিরভাগ সিনেমাই বড় তারকা ও বড় বাজেটনির্ভর হওয়ায় মাল্টিপ্লেক্স ও সিঙ্গেল স্ক্রিন—দুই ধরনের হলেই তৈরি হয়েছে তীব্র চাপ। একই সময়ে এতগুলো সিনেমা মুক্তি পাওয়ায় স্ক্রিন ভাগ হয়ে যাচ্ছে, ফলে অনেক সিনেমাই প্রত্যাশিত শো পাচ্ছে না। বিশেষ করে সিনেপ্লেক্সগুলোতে বড় বাজেট ও তারকানির্ভর ছবিগুলো অগ্রাধিকার পেলে মাঝারি বাজেটের সিনেমাগুলো আরও বেশি চাপে পড়ছে।

এ বিষয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল বলেন, “দর্শক যেটা ভালো মনে করেন, সেটাই দেখবেন। তাতে আমরা কোনো বাধা দেখি না। কিন্তু ঈদকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র মুক্তির এই দৌড় ও প্রবণতা প্রযোজকদের ঝুঁকির কারণ। আমরাও হয়তো লাভবান হতাম যদি ঈদ ছাড়াও ভালো ভালো ছবিগুলো আসত। সারা বছরই তখন ব্যবসা থাকতো, হলও চাঙা হতো। প্রযোজকদের বলবো, এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে।”

দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্স–এর প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “দীর্ঘমেয়াদে এটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য খুবই খারাপ ফল বয়ে আনবে। সারাবছর দর্শক সিনেমা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নতুন দর্শক তৈরি হচ্ছে না। হলমালিকরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।”

তিনি মনে করেন, প্রদর্শক সমিতি, প্রযোজক ও পরিবেশকদের মধ্যে জরুরি সমন্বয় প্রয়োজন। তার ভাষায়, “কোন সময় কোন ছবি মুক্তি পাবে, সেটি নির্ধারণ করা গেলে সবাই উপকৃত হবেন।”

অন্যদিকে মাসুদ রানা চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিবেশক আব্দুল আজিজ মনে করছেন, একসঙ্গে এত সিনেমা মুক্তির পরিস্থিতি কোনোভাবেই সুস্থ প্রতিযোগিতা নয়। তবে নিজের সিনেমা ঈদে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তকেই সঠিক বলে মনে করছেন তিনি।

তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই সুস্থ প্রতিযোগিতা না। কিন্তু ঈদ হচ্ছে সবচেয়ে বড় সিনেমা সিজন। সবাই চায় এই সময়ে দর্শকের কাছে পৌঁছাতে। সেই জায়গা থেকে আমরাও ‘মাসুদ রানা’ ঈদেই মুক্তি দিচ্ছি।”

তবে প্রতিযোগিতার বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন মালিক চলচ্চিত্রের পরিচালক সাইফ চন্দন। তার মতে, ঈদ ছাড়া অন্য সময়ে বড় সিনেমা মুক্তি দেওয়া কঠিন।

সাইফ চন্দন বলেন, “ঈদ ছাড়া কেন রিলিজ দিবো, কোথায় রিলিজ দিবো, কে দেখবে? এখানে কোনো প্রতিযোগিতা নেই। এখানে আমরা সবাই কলিগ। প্রতিটি নায়ক, নায়িকা, নির্মাতা, প্রযোজক—প্রত্যেকেই আপন।”

অন্যদিকে রইদ নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন বলছেন, গত দুই বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক নির্মাতাই নিরাপদ সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন।

তিনি বলেন, “দুই বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা গেছে। কেউই আসলে চায় না এমন একটা টাইমে রিলিজ হয়ে গেল, যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা বা অন্য কিছুর মাঝে পড়ে তার চলচ্চিত্রটি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। উৎসবকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র মুক্তিকে নেতিবাচকভাবে দেখছি না। আমাদের প্রযোজকও ইতিবাচকভাবেই দেখছেন পরিস্থিতি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার আসলে কোনো উপায় ছিল না। আমি তিন মাস আগেও রিলিজ দিতে পারতাম না। আবার সামনে আসছে বিশ্বকাপ ফুটবল, তাই এই সময়টাই বেছে নিয়েছি।”

সিঙ্গেল স্ক্রিনের প্রতিনিধিত্ব করে মধুমিতা সিনেমা হল–এর মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ বলেন, “এটা খুবই ব্যাড কালচার। একসঙ্গে এতগুলো ছবি ঈদে, ঈদের পর তো আমাদেরকে হলগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। তখন কী করবো? কোনো ছবি থাকে না। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি এভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা ‘রকস্টার’ দিয়ে শুরু করছি। এরপর দর্শক রেসপন্স বুঝে অন্য সিনেমাগুলো হলে তুলবো।”

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নব্বইয়ের দশকে যখন একের পর এক চলচ্চিত্র মুক্তি পেত, তখন প্রযোজক, পরিবেশক, নির্মাতা ও হল মালিকদের প্রতিনিধিত্বে একটি রিলিজ কমিটি ছিল। সেই কমিটিই ইন্ডাস্ট্রির পরিস্থিতি বিবেচনায় চলচ্চিত্র মুক্তির অনুমতি ও সমন্বয় করতো। বর্তমানে কার্যকর এমন কোনো সমন্বয় কাঠামো নেই বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো—সমন্বিত মুক্তি পরিকল্পনা। বছরে শুধু ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসার দিকে না ঝুঁকে সারা বছরজুড়ে বড় ও মাঝারি বাজেটের সিনেমা ছড়িয়ে মুক্তি দেওয়া গেলে প্রেক্ষাগৃহও সচল থাকবে, দর্শকের আগ্রহও বাড়বে। একই সঙ্গে পুনরায় একটি কার্যকর রিলিজ কমিটি গঠন করে কোন সময়ে কোন ধরনের সিনেমা মুক্তি পাবে, তার পরিকল্পনা তৈরি করা গেলে অযাচিত প্রতিযোগিতা কমবে।

তা না হলে, এক ঈদে যতই সিনেমার জোয়ার আসুক না কেন, বছরের বাকি সময়জুড়ে খালি হল আর লোকসানের চক্র থেকেই বের হতে পারবে না দেশের চলচ্চিত্র শিল্প।

Ads small one

সাতক্ষীরায় শিশু ও যুবদের সুরক্ষায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশু ও যুবদের সুরক্ষায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিশু ও যুবদের জন্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও কমিউনিটি ভিত্তিক নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ তৈরিতে কমিউনিটি ভিত্তিক শিশু সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং বেসরকারী সংস্থা ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শহরের অদূরে এল্লারচর চিংড়ি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সখিপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর পবিত্র মোহন দাস, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি প্রমুখ। সভায় এসময় গণ্যমাধ্যম কর্র্মী, সিএসও প্রতিনিধি, শিশু সুরক্ষা কমিটির সদস্য, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, মসজিদের ইমামসহ কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় প্রজেক্টারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম সেশন পরিচালনা করেন, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর প্রতিনিধি নূর জামান ও মনির হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, আফরোজা সুলতানা ও আব্দুল মান্নাণ।
মতবিনিময় সভায় বক্তরা বলেন, শিশু ও তরুণ প্রজন্মের সার্বিক সুরক্ষা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে তাদের নিরাপদ বিচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ভিড়ে শিশুরা যাতে কোনো ধরনের সাইবার ঝুঁকি বা অনাকাঙ্খিত পরিবেশের শিকার না হয়, তার জন্য একটি শক্তিশালী কমিউনিটি ভিত্তিক সুরক্ষা বলয় গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। একই সাথে, তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারেও আলোচনা করা হয়।

শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

 

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা,জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই) সকালে সরকারি মহসীন কলেজ চত্তরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক।

কলেজর অধ্যক্ষ প্রফেসর ড.এ কে এম আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য সচিব ড.প্রতাপ কুমার রায়, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আল মোকাররম বিল্লাহ, আলাউদ্দীন, গিয়াসউদ্দীন প্রমুখ।

বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে নারকেল, কদবেল, আম, অর্জুন, পেয়ারা সহ অন্যান্য বৃক্ষ রোপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন পরিবেশ সুরক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির বিকল্প নাই। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ব্যক্তি পর্যায়ে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যাও প্রয়োজন।

অনুষ্ঠান শেষে কলেজ ক্যাম্পাসে আরও সবুজয়ানের ব্যাপারে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলার সুশীলগাতী এলাকায় সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শেখ এমরানুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলফেরদাউস আলফা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, চিকিৎসক ডা. আরিফ হোসাইন এবং সমাজসেবক চিকিৎসক রবিউল ইসলাম।

এ সময় সংগঠনের সেক্রেটারি ফয়সাল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের, সাংস্কৃতিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ডা. আরিফ হোসাইনের নেতৃত্বে চিকিৎসক দল এলাকার অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধও বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
সবশেষে সংগঠনের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করতে উপস্থিতদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

এ সময় অতিথিরা ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের এমন মানবিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমাজসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংগঠনটির পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তারা।