রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঈদে সিনেমা মুক্তির হিড়িক, শঙ্কায় হল মালিকরা, দর্শক যাবে কোথায়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
ঈদে সিনেমা মুক্তির হিড়িক, শঙ্কায় হল মালিকরা, দর্শক যাবে কোথায়?

এক ঈদে এত সিনেমা—ঢালিউডে এমন দৃশ্য অনেকদিন দেখা যায়নি। বড় তারকা, বড় বাজেট, আলোচিত গল্প আর জমজমাট প্রচারণা নিয়ে এবার ঈদুল আজহায় মুক্তির তালিকায় রয়েছে একের পর এক সিনেমা। দর্শকদের জন্য এটি যেমন উৎসবের খবর, তেমনি রয়েছে দ্বিধাও। পাশাপাশি চলচ্চিত্র ব্যবসার ভেতরে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অস্বস্তি।

কারণ, দেশের সীমিত সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে এতগুলো সিনেমা একসঙ্গে জায়গা পাবে কীভাবে—সেই প্রশ্ন এখন নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক থেকে শুরু করে হল মালিকদের মুখে মুখে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত দর্শকই বা পছন্দের একাধিক চলচ্চিত্র কীভাবে দেখবে? ব্যস্ত জীবনে সময় করে উঠতে পারবেন তো?

ঈদকে কেন্দ্র করে মুক্তির তালিকায় রয়েছে— রকস্টার, মাসুদ রানা, রইদ, মালিক, নাকফুলের কাব্য, দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল, পিনিক, তছনছ এবং বনলতা সেন।

বেশিরভাগ সিনেমাই বড় তারকা ও বড় বাজেটনির্ভর হওয়ায় মাল্টিপ্লেক্স ও সিঙ্গেল স্ক্রিন—দুই ধরনের হলেই তৈরি হয়েছে তীব্র চাপ। একই সময়ে এতগুলো সিনেমা মুক্তি পাওয়ায় স্ক্রিন ভাগ হয়ে যাচ্ছে, ফলে অনেক সিনেমাই প্রত্যাশিত শো পাচ্ছে না। বিশেষ করে সিনেপ্লেক্সগুলোতে বড় বাজেট ও তারকানির্ভর ছবিগুলো অগ্রাধিকার পেলে মাঝারি বাজেটের সিনেমাগুলো আরও বেশি চাপে পড়ছে।

এ বিষয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল বলেন, “দর্শক যেটা ভালো মনে করেন, সেটাই দেখবেন। তাতে আমরা কোনো বাধা দেখি না। কিন্তু ঈদকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র মুক্তির এই দৌড় ও প্রবণতা প্রযোজকদের ঝুঁকির কারণ। আমরাও হয়তো লাভবান হতাম যদি ঈদ ছাড়াও ভালো ভালো ছবিগুলো আসত। সারা বছরই তখন ব্যবসা থাকতো, হলও চাঙা হতো। প্রযোজকদের বলবো, এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে।”

দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্স–এর প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “দীর্ঘমেয়াদে এটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য খুবই খারাপ ফল বয়ে আনবে। সারাবছর দর্শক সিনেমা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নতুন দর্শক তৈরি হচ্ছে না। হলমালিকরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।”

তিনি মনে করেন, প্রদর্শক সমিতি, প্রযোজক ও পরিবেশকদের মধ্যে জরুরি সমন্বয় প্রয়োজন। তার ভাষায়, “কোন সময় কোন ছবি মুক্তি পাবে, সেটি নির্ধারণ করা গেলে সবাই উপকৃত হবেন।”

অন্যদিকে মাসুদ রানা চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিবেশক আব্দুল আজিজ মনে করছেন, একসঙ্গে এত সিনেমা মুক্তির পরিস্থিতি কোনোভাবেই সুস্থ প্রতিযোগিতা নয়। তবে নিজের সিনেমা ঈদে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তকেই সঠিক বলে মনে করছেন তিনি।

তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই সুস্থ প্রতিযোগিতা না। কিন্তু ঈদ হচ্ছে সবচেয়ে বড় সিনেমা সিজন। সবাই চায় এই সময়ে দর্শকের কাছে পৌঁছাতে। সেই জায়গা থেকে আমরাও ‘মাসুদ রানা’ ঈদেই মুক্তি দিচ্ছি।”

তবে প্রতিযোগিতার বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন মালিক চলচ্চিত্রের পরিচালক সাইফ চন্দন। তার মতে, ঈদ ছাড়া অন্য সময়ে বড় সিনেমা মুক্তি দেওয়া কঠিন।

সাইফ চন্দন বলেন, “ঈদ ছাড়া কেন রিলিজ দিবো, কোথায় রিলিজ দিবো, কে দেখবে? এখানে কোনো প্রতিযোগিতা নেই। এখানে আমরা সবাই কলিগ। প্রতিটি নায়ক, নায়িকা, নির্মাতা, প্রযোজক—প্রত্যেকেই আপন।”

অন্যদিকে রইদ নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন বলছেন, গত দুই বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক নির্মাতাই নিরাপদ সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন।

তিনি বলেন, “দুই বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা গেছে। কেউই আসলে চায় না এমন একটা টাইমে রিলিজ হয়ে গেল, যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা বা অন্য কিছুর মাঝে পড়ে তার চলচ্চিত্রটি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। উৎসবকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র মুক্তিকে নেতিবাচকভাবে দেখছি না। আমাদের প্রযোজকও ইতিবাচকভাবেই দেখছেন পরিস্থিতি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার আসলে কোনো উপায় ছিল না। আমি তিন মাস আগেও রিলিজ দিতে পারতাম না। আবার সামনে আসছে বিশ্বকাপ ফুটবল, তাই এই সময়টাই বেছে নিয়েছি।”

সিঙ্গেল স্ক্রিনের প্রতিনিধিত্ব করে মধুমিতা সিনেমা হল–এর মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ বলেন, “এটা খুবই ব্যাড কালচার। একসঙ্গে এতগুলো ছবি ঈদে, ঈদের পর তো আমাদেরকে হলগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। তখন কী করবো? কোনো ছবি থাকে না। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি এভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা ‘রকস্টার’ দিয়ে শুরু করছি। এরপর দর্শক রেসপন্স বুঝে অন্য সিনেমাগুলো হলে তুলবো।”

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নব্বইয়ের দশকে যখন একের পর এক চলচ্চিত্র মুক্তি পেত, তখন প্রযোজক, পরিবেশক, নির্মাতা ও হল মালিকদের প্রতিনিধিত্বে একটি রিলিজ কমিটি ছিল। সেই কমিটিই ইন্ডাস্ট্রির পরিস্থিতি বিবেচনায় চলচ্চিত্র মুক্তির অনুমতি ও সমন্বয় করতো। বর্তমানে কার্যকর এমন কোনো সমন্বয় কাঠামো নেই বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো—সমন্বিত মুক্তি পরিকল্পনা। বছরে শুধু ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসার দিকে না ঝুঁকে সারা বছরজুড়ে বড় ও মাঝারি বাজেটের সিনেমা ছড়িয়ে মুক্তি দেওয়া গেলে প্রেক্ষাগৃহও সচল থাকবে, দর্শকের আগ্রহও বাড়বে। একই সঙ্গে পুনরায় একটি কার্যকর রিলিজ কমিটি গঠন করে কোন সময়ে কোন ধরনের সিনেমা মুক্তি পাবে, তার পরিকল্পনা তৈরি করা গেলে অযাচিত প্রতিযোগিতা কমবে।

তা না হলে, এক ঈদে যতই সিনেমার জোয়ার আসুক না কেন, বছরের বাকি সময়জুড়ে খালি হল আর লোকসানের চক্র থেকেই বের হতে পারবে না দেশের চলচ্চিত্র শিল্প।

Ads small one

লবণাক্ততার আগ্রাসন ও দুর্যোগ: উপকূলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
লবণাক্ততার আগ্রাসন ও দুর্যোগ: উপকূলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে একসময় মাটির তৈরি দেওয়াল আর খড়ের ছাউনির ঘরই ছিল সাধারণ মানুষের প্রধান আশ্রয়। কৃষি-নির্ভর এই জনপদে যুগ যুগ ধরে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে এই মাটির ঘরেই বাস করত। তবে ২০০৯ সালের ২৫ মে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘আইলা’র পর থেকে মাটির ঘর নির্মাণ এ অঞ্চলে নেই বললেই চলে। আইলার পর বুলবুল, আম্পান, ইয়াসের মতো একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপকূলের মাটি ও মানুষের জীবনকে ওলটপালট করে দিয়ে গেছে। জলোচ্ছ্বাসের লোনা পানি বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় সংকুচিত হয়েছে কৃষিজমি, আর তাতেই হারিয়ে যেতে বসেছে উপকূলের চিরচেনা এই মাটির ঘর।
স্থানীয় প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপকূলের বেলে-দোঁয়াশ ও এঁটেল মাটি মিশিয়ে ম- তৈরি করা হতো। এরপর হাতের সুনিপুণ কারুকাজে মাটির ‘চাফ’ (দলা) কেটে ধাপে ধাপে তৈরি হতো ঘরের মজবুত দেওয়াল। কিন্তু ক্রমাগত প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাটির দেওয়াল ধসে আসবাবপত্র নষ্ট হওয়া এবং শিশুসহ মানুষ চাপা পড়ার ঘটনার পর থেকে এই ঘরের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমতে থাকে। এর ওপর বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাটির সংকট। চিংড়ি ঘেরের কারণে লোনা পানি ঢুকে টপ-সয়েলের (মাটির উপরিভাগ) বুনট নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে ঘর তৈরির উপযোগী আঠালো মাটি এখন আর পাওয়াই যায় না।
উপকূলের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্বকালিনগর গ্রামে এখনো কোনোমতে টিকে আছে একটি মাটির ঘর। ঘরের কারিগর কৃষক শ্যামাপদ বৈদ্য বলেন, “এখন আর মাটির ঘর চোখেই পড়ে না। অথচ ২০-২৫ বছর আগে পৌষ থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত মাটির দেওয়াল তৈরির কাজে আমাকে দিন-রাত ব্যস্ত থাকতে হতো। এই ঘরগুলোতে খরচ কম, আরাম বেশি। বাইরে ঝড়-বৃষ্টি হলেও ভেতরে সহজে টের পাওয়া যেত না। এখনকার বেড়ার ঘরে সামান্য বাতাসেই বুক কাঁপে। আগেকার মাটির উঁচু ঘর চোর-ডাকাতদের থেকেও নিরাপদ ছিল।”
শ্যামাপদ বৈদ্যের স্ত্রী কৃষ্ণা রানী বৈদ্য বলেন, “আইলার আগে আমাদের তিনটি মাটির ঘর ছিল, সব ভেঙে গেছে। এবার খরচ ও পরিশ্রম কমাতে শুধু গোয়ালঘরটা আবার মাটি দিয়েই তৈরি করছি। বছরে একবার গোবর-মাটি দিয়ে লেপে দিলেই এক বছর চলে যায়।”
স্থানীয় শিক্ষক মনোজিৎ কর্মকার বলেন, “আগে গ্রামে প্রায় সব ঘরই ছিল মাটির। মানুষ তখন শান্তিতে থাকত, রোগবালাই কম ছিল। মাটির ঘর তৈরির জন্য গ্রামে কিছু লোকায়ত জ্ঞানসম্পন্ন প্রবীণ মানুষ ছিলেন। বছরের শুরুতে পৌষ-মাঘ মাসে কৃষিজমির বিশেষ মাটি তুলে ঘর বাঁধার প্রস্তুতি নেওয়া হতো। মাটি পেটানো, শুকানো আর ধাপে ধাপে দেওয়াল তুলতে তিন-চার মাস সময় লেগে যেত।” তিনি আফসোস করে বলেন, মাটির ঘরের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী মাটির হাঁড়ি, পাতিল, কলসের ব্যবহারও এখন বিলুপ্তির পথে।
বেসরকারি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিভাগীয় সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম এই পরিস্থিতিকে ‘সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার নীরব বিপ্লব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, “উপকূলে মাটির ঘর ছিল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ঐতিহ্য। একান্নবর্তী পরিবারগুলোতে থাকার ঘর, গোয়াল ঘর, খড় রাখার ঘরÑসবই মাটির তৈরি হতো। এগুলো ছিল প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বেঁচে থাকার প্রতীক। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভূগর্ভস্থ এবং উপরিভাগের পানি ও মাটি অতিরিক্ত লবণাক্ত হয়ে পড়েছে, যা মাটির স্বাভাবিক আঠালো বুনট নষ্ট করে দিয়েছে। মাটি ও পানির সংকটে এ অঞ্চলের কুমারদের পেশাও বদলে যাচ্ছে।”
শাহিন ইসলাম আরও বলেন, উপকূলে লবণ পানির এই আগ্রাসন ও জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব রুখতে না পারলে শুধু মাটির ঘরই নয়, প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় সংস্কৃতি ও প্রাণবৈচিত্র্যকেও টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কোন আবেদন ফুরিয়ে যায় না, জানালেন অপু বিশ্বাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
কোন আবেদন ফুরিয়ে যায় না, জানালেন অপু বিশ্বাস

ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস সবসময়ই তার অভিনয় দক্ষতা, ফ্যাশন সেন্স এবং পর্দার উপস্থিতি দিয়ে আলোচনায় থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয়, যেখানে তার প্রতিটি পোস্টই ভক্তদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করে।
সম্প্রতি তিনি নতুন একটি ফটোশুটের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনটি ভিন্ন লুকে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ফ্যাশনেবল ও স্টাইলিশ উপস্থিতির মাধ্যমে আবারও নিজের জনপ্রিয়তা ও আকর্ষণীয় ইমেজের প্রমাণ দিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

ছবিগুলোতে তাকে একদম ভিন্ন রূপে, পরিচ্ছন্ন এবং রাজকীয় ভঙ্গিতে দেখা গেছে। ছবি শেয়ার করে অপু ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘চিরায়ত রূপের আবেদন কখনো ফুরিয়ে যায় না।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপু বিশ্বাসের এই ছবিগুলো শেয়ার করার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। অনেকেই তার মন্তব্যের ঘরে প্রশংসার ঝড় তুলেছেন। কেউ লিখেছেন ‘কিউট’, কেউ বা বলেছেন ‘রানী’। তার এই নতুন লুকে তার ভক্তরা পুরোপুরি মুগ্ধ।

প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাস ‘কোটি টাকার কাবিন’ দিয়ে ২০০৬ সালের পরিচিত পান। এর আগে ‘কাল সকালে’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। সিনেমাটি পরিচালনা করেন আমজাদ হোসেন। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত হোন অপু বিশ্বাস। অনেকদিন পর এমন নিয়মিত জুটি পায় বাংলা সিনেমা।

ঈদের ছুটিতেও ব্যাংক খোলা যেসব এলাকায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
ঈদের ছুটিতেও ব্যাংক খোলা যেসব এলাকায়

দুয়ারে পবিত্র ঈদুল আজহা। উৎসবের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে সোমবার (২৫ মে) থেকে (৩১ মে) রোববার পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে দেশের পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্ধারিত কোরবানির হাট এলাকায় ঈদুল আজহার আগের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (২৪ মে) প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের দেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এক চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়।

এতে বলা হয়, এই সময়কালে ব্যাংক নির্ধারিত শাখা, উপশাখা বা হাটে স্থাপিত বুথগুলো সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, খুলনা সিটি করপোরেশন, রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও রংপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় কোরবানির পশুর হাট পরিচালিত হতে যাচ্ছে।

এসব হাটে অধিক সংখ্যক ক্রেতা ও ব্যবসায়ীর সমাগম এবং বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হচ্ছে। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তা বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোরবানির পশুর হাটের কাছাকাছি ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা এবং সংশ্লিষ্ট পশুর হাটে স্থাপন করা অস্থায়ী বুথ ব্যবহার করে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা যেন ক্রয়-বিক্রয়ের অর্থ সহজে লেনদেন করতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং সহায়তা জরুরি।

হাটগুলো হলো—

ঢাকা উত্তর করপোরেশন
১. বনরূপা আবাসিক প্রকল্পের খালি জায়গা
২. মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড নম্বর-৬ (ইস্টার্ন হাউজিং) এর খালি জায়গা
৩. মিরপুর কালশী বালুর মাঠের (১৬ বিঘা) খালি জায়গা
৪. ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন খালি জায়গা
৫. বাড্ডা থানার অন্তর্গত স্বদেশ প্রপার্টির খালি জায়গা
৬. ২৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব হাজীপাড়া, ইশরা মাদ্রাসার পাশে খালি জায়গা
৭. উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নং সেক্টরসংলগ্ন বউ বাজার এলাকার খালি জায়গা
৮. গাবতলী পশুর হাট
৯. খিলক্ষেত থানাধীন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন পশ্চিম পাড়া এলাকা
১০. বড় বেরাইদ বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
১. কাজলা ব্রীজ থেকে মাতুয়াইল মৃধাবাড়ী পানির পাম্প পর্যন্ত
২. মোস্তমামি মোড় সংলগ্ন গ্রীণ বনশ্রী হাউজিং
৩. ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের দক্ষিণ পূর্ব পাশ এলাকা
৪. রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন এলাকা
৫. পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিমপার্শ্বে নদীর পাড় এলাকা
৬. উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজারের মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশ এলাকা
৭. শিকদার মেডিক্যাল সংলগ্ন আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের এলাকা
৮. গোলাপবাগস্থ আউটফল স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা
৯. আমুলিয়া মডেল টাউন
১০. সারুলিয়া
১১. সাদেক হোসেন খোকা মাঠের দক্ষিণ পার্শ্বের খালি জায়গা অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
১. বিবির হাট
২. সাগরিকা

রংপুর সিটি করপোরেশন
১. লালবাগ সদর হাট

খুলনা সিটি করপোরেশন
১. জোড়া হাট

রাজশাহী সিটি করপোরেশন
১. সিটি হাট