মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা: উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে আলমগীর হোসেন ও শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রওশন আরা রুবি। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন সুলতানপুর গ্রামের মৃত ফজলুর কাদেরের স্ত্রী রওশন আরা রুবি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেবহাটা উপজেলার বালিথা ও বিল শিমুলবাড়িয়া মৌজার ‘ধাপার ঘের’-এ তাঁদের এসএ ও বিএস খতিয়ানভুক্ত মোট ৮ দশমিক ৩৩ একর পৈত্রিক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর স্বামী ২০০২ সালে মৃত্যুবরণ করার পর অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে চাচা শ্বশুর আবুল কাশেমের উত্তরাধিকারীরা, যার মধ্যে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত শরিফুল ইসলাম ও মামলাবাজ আলমগীর হোসেন রয়েছেন, জোরপূর্বক ওই সম্পত্তি দখল করে ভোগদখল শুরু করেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৮ সালে তাঁরা নিজস্ব সম্পত্তিতে পুনরায় দখল নেন এবং বর্তমানে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন। এরপর প্রতিপক্ষ একাধিক মামলা দায়ের করলেও পর্যায়ক্রমে বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তিনি দাবি করেন, উচ্চ আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ এখনো বহাল রয়েছে এবং এ অবস্থায় নিম্ন আদালতও মামলার কার্যক্রম স্থগিত রেখেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আদালতে সুবিধা করতে না পেরে প্রতিপক্ষ বিভিন্ন দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করছে এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষের কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে তাঁদের সহযোগী মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার চার্জশিট রয়েছে (মামলা নং- ৭, তারিখ: ৬ নভেম্বর ২০২৫)। মামলার দিন আগামী ১২/৮/২০২৬। এছাড়া দেবহাটা থানায় শরিফুলদের অন্যতম সহযোগী আলমগীর, রনিসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে (মামলা নং-১৬/২৫)। মামলার দিন আগামী ০২/৯/২০২৬। এসব তথ্য গোপন রেখে একটি দলীয় পরিচয় ব্যভহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে জমি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এ ঘটনায় মাননীয় পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন রওশন আরা রুবি।

 

 

Ads small one

তালায় দুই মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
তালায় দুই মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে দুইটি মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে তালা উপ শহরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বপ্না এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

অভিযানে তালা বাজারের সাতক্ষীরা ঘোষ ডেইরিকে ৩ হাজার টাকা এবং যাদব ঘোষ ডেইরিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন তালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেমায়েত হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা রওনুক জাহান, তালা প্রেসক্লাবের জেষ্ঠ যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম হাসান আলী বাচ্চু, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের মীর মিল্টন, জমির উদ্দীন প্রমুখ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।

 

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত ঘর ভাংচুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত ঘর ভাংচুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত একটি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীউলা গ্রামের চা ব্যবসায়ি ইমরানের নেতৃত্বে এ হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়।

নাকতাড়া কালীবাড়ি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, নাকতাড়া কালী মন্দিরের নামে ১৪ শতক দেবত্ব সম্পত্তি ছাড়াও স্থানীয়দের দেওয়া পুকুরের ৫৯ শতক ও ৫৫ শতক ডাঙা জমি মন্দিরের নামে বর্তমানে রেকর্ড রয়েছে। শ্রীউলার আবুল হোসেন ঘোলা-আশাশুনি সড়কের কালীমন্দির সংলগ্ন কিছু জমি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে দুটি দোকানঘর নির্মাণ করে ইমরান হোসেন ও মনিকে ভাড়া দেন। ইমরান চায়ের দোকান ও মনি মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকান পরিচালনা করে আসছে।

আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বজল কুমার মিত্র জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী কালীমন্দিরের প্রধান ফটক ও পুকুর ঘাট ভাংচুর করে একটি বিশেষ মহল। স্থানীয় বিএনপি নেতা অ্যাড. নুুরুল আমিন ও সরকারী কৌশুলী অসীম কুমার ম-লের সহযোগিতায় ওই পুকুরঘাট আবারো সংস্কার করা হয়। গত চৈত্র মাসে ওই পুকুর এসকেবেটর মেশিন দিয়ে খনন করার সময় পুকরঘাটটি আবারো ভেঙে যায়। নারীদের ¯œানের সুবিধার্থে সোমবার বিকেলে একটি নতুন ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করে তারা যার যার মত বাড়ি চলে যান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চায়ের দোকানদার ইমরান দোকান মালিক দাবিদার আবুল হোসেনের নির্দেশে ৮/১০জন লোক নিয়ে নবনির্মিত ওই ঘরের এসবেস্টার্স ও প্রাচীর ভাংচুর চালায়।

 

বিষয়টি নাকতাড়া বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি ও শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ পুলিশকে অবহিত করা হয়। সন্ধ্যায় আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক সেলিমসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মন্দিরে এলে ইমরান পালিয়ে যায়। পুলিশের নির্দেশনায় আব্দুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ^াস দেওয়ায় তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। মঙ্গলবারের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হলে বুধবার তারা থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন।

এ ব্যাপারে আবুল হোসেনের সঙ্গে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাড়াটিয়া ইমরান সাংবাদিকদের জানান, পুকুরঘাটে যেখানে নতুন ঘর বানানো হয়েছে তা মন্দিরের রেকডীয় হলেও মালিক আবুল হোসেনের দখলে ছিল। তাই আবুল হোসেনের নির্দেশে তিনি লোকজন নিয়ে ঘর ভেঙে দিয়েছেন।

শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও নাকতাড়া কালীবাড়ি বাজার পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহম্মেদ খান মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদককে জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ও লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।