মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘœ চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘœ চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থানীয় রুটে ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক) নির্বিঘেœ চলাচল নিশ্চিত করা এবং চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলারযান শ্রমিক দল (রেজি. নং-চ-২৪৫৩), সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার উপদেষ্টা অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, সভাপতি শেখ ফেরদৌস আলম বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি আক্তারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইমন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকশ ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চালক অংশ নেন।


বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত কিছুদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন সড়ক ও এলাকায় কতিপয় অসাধু ব্যক্তি ও প্রভাবশালী মহল ইজিবাইক চলাচলে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করছে। তারা চলন্ত ইজিবাইক থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে, চালকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে এবং অনেক ক্ষেত্রে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে চালকদের নিয়মিত মানসিক হয়রানি, আর্থিক ক্ষতি এবং জীবিকা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার চালকদের জন্য সরকারি নীতিমালার আলোকে লাইসেন্স ও নিবন্ধনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়, যাতে তারা বৈধভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন এবং অযথা হয়রানির শিকার না হন।

এছাড়া সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন সড়ক ও স্থানীয় রুটে ইজিবাইক চালকদের হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অবৈধভাবে চলাচলে বাধা প্রদান বন্ধে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। বিশেষভাবে সাতক্ষীরা-পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা-ঝাউডাঙ্গা-কলারোয়া, কদমতলা-আবাদেরহাট-বাঁশদহা, সাতক্ষীরা-ঘোনা, সাতক্ষীরা-ভোমরা, সাতক্ষীরা-বুধহাটা, সাতক্ষীরা-পারুলিয়াসহ জেলার বিভিন্ন স্থানীয় রুটে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে ইজিবাইক আটকিয়ে অর্থ আদায় কিংবা চালকদের হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি ইজিবাইক চালকদের জীবিকা, নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের দাবিসহ মোট পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

Ads small one

আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত ঘর ভাংচুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত ঘর ভাংচুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত একটি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীউলা গ্রামের চা ব্যবসায়ি ইমরানের নেতৃত্বে এ হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়।

নাকতাড়া কালীবাড়ি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, নাকতাড়া কালী মন্দিরের নামে ১৪ শতক দেবত্ব সম্পত্তি ছাড়াও স্থানীয়দের দেওয়া পুকুরের ৫৯ শতক ও ৫৫ শতক ডাঙা জমি মন্দিরের নামে বর্তমানে রেকর্ড রয়েছে। শ্রীউলার আবুল হোসেন ঘোলা-আশাশুনি সড়কের কালীমন্দির সংলগ্ন কিছু জমি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে দুটি দোকানঘর নির্মাণ করে ইমরান হোসেন ও মনিকে ভাড়া দেন। ইমরান চায়ের দোকান ও মনি মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকান পরিচালনা করে আসছে।

আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বজল কুমার মিত্র জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী কালীমন্দিরের প্রধান ফটক ও পুকুর ঘাট ভাংচুর করে একটি বিশেষ মহল। স্থানীয় বিএনপি নেতা অ্যাড. নুুরুল আমিন ও সরকারী কৌশুলী অসীম কুমার ম-লের সহযোগিতায় ওই পুকুরঘাট আবারো সংস্কার করা হয়। গত চৈত্র মাসে ওই পুকুর এসকেবেটর মেশিন দিয়ে খনন করার সময় পুকরঘাটটি আবারো ভেঙে যায়। নারীদের ¯œানের সুবিধার্থে সোমবার বিকেলে একটি নতুন ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করে তারা যার যার মত বাড়ি চলে যান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চায়ের দোকানদার ইমরান দোকান মালিক দাবিদার আবুল হোসেনের নির্দেশে ৮/১০জন লোক নিয়ে নবনির্মিত ওই ঘরের এসবেস্টার্স ও প্রাচীর ভাংচুর চালায়।

 

বিষয়টি নাকতাড়া বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি ও শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ পুলিশকে অবহিত করা হয়। সন্ধ্যায় আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক সেলিমসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মন্দিরে এলে ইমরান পালিয়ে যায়। পুলিশের নির্দেশনায় আব্দুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ^াস দেওয়ায় তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। মঙ্গলবারের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হলে বুধবার তারা থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন।

এ ব্যাপারে আবুল হোসেনের সঙ্গে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাড়াটিয়া ইমরান সাংবাদিকদের জানান, পুকুরঘাটে যেখানে নতুন ঘর বানানো হয়েছে তা মন্দিরের রেকডীয় হলেও মালিক আবুল হোসেনের দখলে ছিল। তাই আবুল হোসেনের নির্দেশে তিনি লোকজন নিয়ে ঘর ভেঙে দিয়েছেন।

শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও নাকতাড়া কালীবাড়ি বাজার পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহম্মেদ খান মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদককে জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ও লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

কলারোয়ার দুই সাংবাদিক সংগঠনকে এমপি ইজ্জত উল্লাহর আর্থিক অনুদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার দুই সাংবাদিক সংগঠনকে এমপি ইজ্জত উল্লাহর আর্থিক অনুদান

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর পক্ষ থেকে কলারোয়ার দুই সাংবাদিক সংগঠন-কলারোয়া প্রেসক্লাব ও কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর পক্ষে অনুদান প্রদান করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাঃ কামারুজ্জামান।

এ সময় তিনি বলেন, সমাজে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা ও উৎসাহ প্রদান সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। তিনি সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের প্রতি শুভেচ্ছা ও সহযোগিতার বার্তা পৌঁছে দেন।

কলারোয়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের আহ্বায়ক তৌফিকুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ম আহ্বায়ক এম. এ. সাজেদ, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু এবং প্রধান শিক্ষক রাশিদুল হাসান কামরুলসহ অন্যান্য সদস্যরা।

অন্যদিকে কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহ-সভাপতি এস. এম. জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম. এ. আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফারুকী, দপ্তর সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদ রিপন, প্রচার সম্পাদক ফারুক হোসেন রাজ এবং নির্বাহী সদস্য মোর্তুজা হাসানসহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা এ সহযোগিতার জন্য সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের কল্যাণ ও পেশাগত উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

 

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা: উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে আলমগীর হোসেন ও শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রওশন আরা রুবি। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন সুলতানপুর গ্রামের মৃত ফজলুর কাদেরের স্ত্রী রওশন আরা রুবি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেবহাটা উপজেলার বালিথা ও বিল শিমুলবাড়িয়া মৌজার ‘ধাপার ঘের’-এ তাঁদের এসএ ও বিএস খতিয়ানভুক্ত মোট ৮ দশমিক ৩৩ একর পৈত্রিক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর স্বামী ২০০২ সালে মৃত্যুবরণ করার পর অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে চাচা শ্বশুর আবুল কাশেমের উত্তরাধিকারীরা, যার মধ্যে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত শরিফুল ইসলাম ও মামলাবাজ আলমগীর হোসেন রয়েছেন, জোরপূর্বক ওই সম্পত্তি দখল করে ভোগদখল শুরু করেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৮ সালে তাঁরা নিজস্ব সম্পত্তিতে পুনরায় দখল নেন এবং বর্তমানে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন। এরপর প্রতিপক্ষ একাধিক মামলা দায়ের করলেও পর্যায়ক্রমে বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তিনি দাবি করেন, উচ্চ আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ এখনো বহাল রয়েছে এবং এ অবস্থায় নিম্ন আদালতও মামলার কার্যক্রম স্থগিত রেখেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আদালতে সুবিধা করতে না পেরে প্রতিপক্ষ বিভিন্ন দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করছে এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষের কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে তাঁদের সহযোগী মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার চার্জশিট রয়েছে (মামলা নং- ৭, তারিখ: ৬ নভেম্বর ২০২৫)। মামলার দিন আগামী ১২/৮/২০২৬। এছাড়া দেবহাটা থানায় শরিফুলদের অন্যতম সহযোগী আলমগীর, রনিসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে (মামলা নং-১৬/২৫)। মামলার দিন আগামী ০২/৯/২০২৬। এসব তথ্য গোপন রেখে একটি দলীয় পরিচয় ব্যভহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে জমি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এ ঘটনায় মাননীয় পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন রওশন আরা রুবি।