মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত ঘর ভাংচুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত ঘর ভাংচুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত একটি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীউলা গ্রামের চা ব্যবসায়ি ইমরানের নেতৃত্বে এ হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়।

নাকতাড়া কালীবাড়ি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, নাকতাড়া কালী মন্দিরের নামে ১৪ শতক দেবত্ব সম্পত্তি ছাড়াও স্থানীয়দের দেওয়া পুকুরের ৫৯ শতক ও ৫৫ শতক ডাঙা জমি মন্দিরের নামে বর্তমানে রেকর্ড রয়েছে। শ্রীউলার আবুল হোসেন ঘোলা-আশাশুনি সড়কের কালীমন্দির সংলগ্ন কিছু জমি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে দুটি দোকানঘর নির্মাণ করে ইমরান হোসেন ও মনিকে ভাড়া দেন। ইমরান চায়ের দোকান ও মনি মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকান পরিচালনা করে আসছে।

আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বজল কুমার মিত্র জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী কালীমন্দিরের প্রধান ফটক ও পুকুর ঘাট ভাংচুর করে একটি বিশেষ মহল। স্থানীয় বিএনপি নেতা অ্যাড. নুুরুল আমিন ও সরকারী কৌশুলী অসীম কুমার ম-লের সহযোগিতায় ওই পুকুরঘাট আবারো সংস্কার করা হয়। গত চৈত্র মাসে ওই পুকুর এসকেবেটর মেশিন দিয়ে খনন করার সময় পুকরঘাটটি আবারো ভেঙে যায়। নারীদের ¯œানের সুবিধার্থে সোমবার বিকেলে একটি নতুন ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করে তারা যার যার মত বাড়ি চলে যান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চায়ের দোকানদার ইমরান দোকান মালিক দাবিদার আবুল হোসেনের নির্দেশে ৮/১০জন লোক নিয়ে নবনির্মিত ওই ঘরের এসবেস্টার্স ও প্রাচীর ভাংচুর চালায়।

 

বিষয়টি নাকতাড়া বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি ও শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ পুলিশকে অবহিত করা হয়। সন্ধ্যায় আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক সেলিমসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মন্দিরে এলে ইমরান পালিয়ে যায়। পুলিশের নির্দেশনায় আব্দুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ^াস দেওয়ায় তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। মঙ্গলবারের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হলে বুধবার তারা থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন।

এ ব্যাপারে আবুল হোসেনের সঙ্গে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাড়াটিয়া ইমরান সাংবাদিকদের জানান, পুকুরঘাটে যেখানে নতুন ঘর বানানো হয়েছে তা মন্দিরের রেকডীয় হলেও মালিক আবুল হোসেনের দখলে ছিল। তাই আবুল হোসেনের নির্দেশে তিনি লোকজন নিয়ে ঘর ভেঙে দিয়েছেন।

শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও নাকতাড়া কালীবাড়ি বাজার পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহম্মেদ খান মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদককে জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ও লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

Ads small one

কালিমুঞ্জের ঘোজাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
কালিমুঞ্জের ঘোজাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের ঘোজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ এনে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সাবেক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মতিয়ার রহমানসহ পরিচালনা কমিটির তিনজন সদস্য এবং কয়েকজন অভিভাবক গত ১৮ অক্টোবর (রবিবার) এ অভিযোগ করেন। আবেদনপত্রে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ও ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবু মুছা সরদার সুপারিশ করেছেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শহীদুল ইসলাম ঘোজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হয়ে আসেন। এ বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে তিনি ছাত্রীদের ছবি তুলে ব্লাকমেইল করার চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির পাশাপাশি অভিভাবকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে আসছেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, পহেলা বৈশাখ, খেলাধুলার বরাদ্দ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্লিপের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগে সন্ন্যাসীর চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা তাঁর বিরুদ্ধে ঝাঁটা মিছিল ও মানববন্ধন করেছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাঁকে অন্যত্র ডেপুটেশনে পাঠান। পরে শিক্ষা কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তিনি বর্তমান বিদ্যালয়ে বদলি হয়ে আসেন। এ ছাড়া ৩৮ নম্বর মৌতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬৯ নম্বর কাজলা প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৭ নম্বর কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৪ নম্বর নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৭২ নম্বর সেহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করার সময়ও ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে জুতোপেটা, ঝাঁটা মিছিল ও মানববন্ধন হয়েছিল। ওই সব ঘটনার সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল এবং তার ফটোকপি অভিযোগপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঘোজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ওই শিক্ষককে শাস্তিমূলক বদলি করা না হলে বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রী অন্যত্র চলে যাবে। অক্টোবরের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উপজেলা সদরের ফুলতলা মোড়ে ঝাঁটা মিছিল ও মানববন্ধন করা হবে।

এ বিষয়ে ঘোজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) শহীদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে কয়েকটি বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকাকালীন শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলা হলেও বর্তমান অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। পূর্বের অভিযোগকে কাজে লাগিয়ে তাঁকে বদলি করানোর জন্য একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে। তদন্ত করলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

ইয়েমেনে হুথিদের হামলায় নিহত ৭৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
ইয়েমেনে হুথিদের হামলায় নিহত ৭৩

ইয়েমেনের শাবওয়া প্রদেশে সরকারি প্রশিক্ষণ শিবিরে হুথিদের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনও ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

শাবওয়া প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রশিক্ষণ চলাকালে নিয়োগপ্রাপ্তদের লক্ষ্য করে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। রয়টার্সের যাচাই করা ভিডিওতে আহত ব্যক্তিদের এবং রক্তাক্ত মরদেহ মাটিতে ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

চলতি মাসে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলো পুনর্দখলে অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে তারা কিছু এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে। অন্যদিকে, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় হুথিবিরোধী বাহিনীর সর্বশেষ বড় নগর ঘাঁটি তাইজ অবরোধ করে রেখেছে হুথিরা।

ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের বিস্তৃত সংঘাতের আরেকটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ইয়েমেনের এই সংঘাত। এর মধ্যে সৌদি আরবের রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আরামকোর স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে হুথিরা।

দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন ম-প পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন ম-প পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘœ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সর্বদা কাজ করছে। দেবহাটা থানাসহ জেলার ৬০৯টি পূজাম-পকে কেন্দ্র করে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় দেবহাটা ফুটবল মাঠ দুর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, দুর্গাপূজা নির্বিঘেœ উদ্যাপনের লক্ষ্যে জেলা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পৃথক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিট পুলিশিং কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সার্কেল অফিসারসহ তিনি নিজেও জেলার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করছেন। প্রতিমা ও ম-পের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি পূজা উদ্যাপন কমিটি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘেœ পূজাম-প পরিদর্শন করতে পারেন, সে জন্য সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ হোসেন, দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন, ওসি (তদন্ত) সাখাওয়াত হোসেন, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, উপজেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাবিব মন্টু, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আল আমিন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর কে বাপ্পা, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আলী রেজা, উপজেলা জামায়াতের প্রশাসনিক সম্পাদক ফয়েজুল ইসলাম, দেবহাটা ফুটবল মাঠ মন্দির কমিটির সভাপতি দিপঙ্কর ঘোষ এবং উপজেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরে পুলিশ সুপার পারুলিয়ার জেলিয়াপাড়া পূজাম-প এবং আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন।