মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

এআই ব্যবহারে বাড়ছে নির্ভরতা, কমছে চিন্তাশক্তি: গবেষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
এআই ব্যবহারে বাড়ছে নির্ভরতা, কমছে চিন্তাশক্তি: গবেষণা

এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার মানুষের তাৎক্ষণিক কাজের দক্ষতা বাড়ালেও দীর্ঘমেয়াদে তা চিন্তাশক্তি, অধ্যবসায় এবং স্বতন্ত্রভাবে সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে-এমন উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে নতুন এক গবেষণায়।
এনগ্যাজেট এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়-সম্প্রতি প্রকাশিত ‘এআই অ্যাসিস্ট্যান্স রিডিউসেস পারসিস্টেন্স অ্যান্ড হার্টস ইন্ডিপেনডেন্ট পারফরম্যান্স’ শীর্ষক এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, এআই সহায়তা তাৎক্ষণিক পারফরম্যান্স উন্নত করে, তবে এর বিনিময়ে দিতে হয় ‘ভারী কগনিটিভ মূল্য’ বা মস্তিষ্কের চিন্তা-ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব।

গবেষণাটি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক যৌথভাবে পরিচালনা করেন। এতে মোট ১ হাজার ২২২ জন অংশগ্রহণকারীর ওপর একাধিক র‍্যান্ডমাইজড কন্ট্রোলড ট্রায়াল চালানো হয়। গবেষকদের মতে, মাত্র ১০ মিনিট এআই ব্যবহার করার পরই অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভরতা তৈরি হতে দেখা গেছে। এআই সহায়তা বন্ধ করে দিলে তাদের সঠিক উত্তর দেওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, একই সঙ্গে অনেকেই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা ছেড়ে দেন।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের একাংশকে ভগ্নাংশভিত্তিক গাণিতিক সমস্যা সমাধানের সময় ওপেনএআই-এর জিপিটি-৫ ভিত্তিক একটি বিশেষ চ্যাটবট ব্যবহার করতে দেওয়া হয়। অপর অংশকে কোনো সহায়তা ছাড়া একই কাজ করতে বলা হয়।

পরীক্ষার মাঝপথে এআই ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সহায়তা সরিয়ে নেওয়া হলে দেখা যায়, তাদের সঠিক উত্তর দেওয়ার হার দ্রুত কমে যায় এবং অনেকেই পরবর্তী প্রশ্নে আর চেষ্টা করেননি। একই প্রবণতা পরবর্তী বৃহত্তর পরীক্ষাতেও পুনরাবৃত্তি হয়।

গবেষণার সহলেখক এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসের সহকারী অধ্যাপক রচিত দুবে বলেন, ‘এআই সরিয়ে নেওয়ার পর মানুষ শুধু ভুল উত্তরই দিচ্ছে না, তারা চেষ্টা করার ইচ্ছাও হারিয়ে ফেলছে’। তিনি সতর্ক করে বলেন, শিক্ষা খাতে দ্রুত এআই নির্ভরতা তৈরি হলে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে উঠতে পারে, যারা নিজেদের সক্ষমতা সম্পর্কে সচেতনই হবে না। এতে মানবিক উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে গবেষণায় একটি ইতিবাচক দিকও উঠে এসেছে। যারা এআইকে সরাসরি উত্তর পাওয়ার বদলে ইঙ্গিত, ব্যাখ্যা বা ধারণা পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করেছেন, তাদের স্বতন্ত্র পারফরম্যান্স তুলনামূলক ভালো ছিল।গবেষণাটি এখনো পিয়ার-রিভিউ হয়নি, ফলে এর ফলাফলকে প্রাথমিক পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ হিসেবে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Ads small one

কেশবপুরে দুই সন্তানসহ বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, কন্যা আশঙ্কাজনক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে দুই সন্তানসহ বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, কন্যা আশঙ্কাজনক

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ঘাস মারার বিষপান করে রহিমা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ওই গৃহবধূ কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার শিশু কন্যা নুসরাত (৯) ও ছেলে রহিম (২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে বাবার বাড়ির পাশে স্থানীয় বিদ্যালয়ের পিছনে গত ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় রহিমা খাতুন তার শিশু কন্যা নুসরাত ও ছেলে রহিমকে ঘাস মারার বিষ খাওয়ায়ে নিজেও খান। এলাকার মানুষ টের পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূ রহিমা খাতুন মারা যান। শিশু কন্যা নুসরাত ও ছেলে রহিম বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পার্শ্ববর্তী মণিরামপুর উপজেলার আটঘরা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী রহিমা খাতুন। তার বাবার বাড়ি কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মতলেব।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সমরেশ দত্ত বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ওই গৃহবধূ মারা যান। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য তার স্বজনদেরকে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

শ্যামনগরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৫০ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৫০ জন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে এসএসসি,দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় প্রথমদিনে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৫০ জন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থী ২১৮২ জন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে প্রকাশ, এসএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ১০ জন, দাখিলে দুটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত ৩৭ জন ও কারিগরির দুটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৩ জন। উপস্থিত শিক্ষার্থী এসএসসিতে ১৩৩৯ জন, দাখিলে ৭৩৩ জন ও কারিগরিতে ১১০ জন। এসএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্র হল নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দাখিলের দুটি কেন্দ্র হল শ্যামনগর কেন্দ্রিয় দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ও নওয়াবেঁকী বিড়ালাক্ষা¥ী কাদেরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। কারিগরি পরীক্ষার কেন্দ্র দুটি হল শ্যামনগর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ও নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

তালায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
তালায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলাম-এর বদলিজনিত কারণে এক আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সন্তোষ কুমার মন্ডল।
বিদায়ী বক্তব্যে গাজী সাইফুল ইসলাম তালা উপজেলার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপিইটিসি ইন্সট্রাক্টর মো. ঈমান উদ্দীন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম এবং অন্যান্য সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ।
তালা উপজেলার ২১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিপুল সংখ্যক সহকারী শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বক্তারা বিদায়ী কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠান শেষে তাকে সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।