সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কলারোয়ায় পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম

কলারোয়া প্রতিনিধি: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কলারোয়ার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। রোববার (১১ অক্টোবর) বিকালে ও সন্ধ্যায় তিনি এ সকল পূজাম-প পরিদর্শন করেন। পুলিশ সুপার রোববার বিকেলে কলারোয়া পৌরসভার ঝিকরা হরিতলা পূজাম-প, উত্তর মুরারিকাটি পূজাম-প, তুলসীডাঙ্গা গোয়ালঘাটা, তুলসীডাঙ্গা ঘোষপাড়া, মুরারিকাটি পূজাম-প পরিদর্শন করেন।

 

উত্তর মুরারিকাটি পূজাম-পের সাদা তিলের প্রতিমা ও মুরারিকাটি চুমকি বসানো প্রতিমা এবারের পূজায় বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পরিদর্শনকালে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ ও পূজা ম-প পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলেন এবং সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। শান্তিপূর্ণ ও সকলের জন্য আনন্দময় পরিবেশে পূজা অনুষ্ঠানের দিনগুলি যাতে নির্বিঘেœ সস্পন্ন হতে পারে সেজন্য তিনি দিকনির্দেশনামূলক কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিশ্বাসী। হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে এখানে বসবাস করে থাকি, আচার অনুষ্ঠানে সবাই একত্রে করে থাকি।তিনি বলেন, সকল পূজাম-পে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পূজার সময় ট্রাফিক সচল ব্যবস্থা রাখা হবে। সকল পূজাম-পে ইতিমধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিঠুন সরকার মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহিনুর রহমান, ডিবি ওসি মাহমুদুর রহমান, কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি হরেন্দ্রনাথ রায়, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, কলারোয়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রকাশ চন্দ্র হালদার, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস (দেবু), স্বপন কুমার পাল, নিশীত রায় চৌধুরী, প্রদীপ পাল (ঝুনি), চয়ন কুমার কুন্ডু, সরজিত, জয়ন্ত, শম্ভু, রঞ্জিত, দীপক ঘোষ ও অমিত চৌধুরী প্রমুখ।

 

 

 

Ads small one

সম্পাদকীয়/ সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত: প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত: প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ

সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ ও প্রাণহানির হার প্রতিদিন বাড়ছে। সীমান্তঘেঁষা জেলা সাতক্ষীরাতেও প্রতিদিন নতুন করে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ২৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ কাজের বা পড়াশোনার জন্য পার্শ্ববর্তী জেলা খুলনায় অবস্থান করছিলেন। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরে সাতক্ষীরায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়ে গেছে। সারাদেশে মৃত্যু প্রায় তিন শতাধিক এবং আক্রান্ত লাখ ছুঁইছুঁইÑযা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিগত বছরগুলোর চরম ব্যর্থতা ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সংকটের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তাপমাত্রার তারতম্য, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এডিস মশার বংশবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। বর্তমানে এডিস মশার বিস্তার কেবল রাজধানী বা বিভাগীয় শহরে সীমাবদ্ধ নেই; গ্রাম ও মফস্বলেও তা ছড়িয়ে পড়েছে। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালে শয্যা, প্রয়োজনীয় কিট ও ওষুধের সংকট এই মুহূর্তে না থাকলেও মূল সমস্যা রয়ে গেছে প্রতিরোধের জায়গায়। কেবল আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেই এ মহামারির মতো সংকট নিরসন সম্ভব নয়; প্রয়োজন এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র নির্মূল করা।

প্রতি বছর ডেঙ্গুর মওসুমে রুটিনমাফিক কিছু স্প্রে ও মৌখিক প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি দেখা গেলেও দীর্ঘমেয়াদি ও বিজ্ঞানভিত্তিক কৌশলের ঘাটতি সুস্পষ্ট। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রথমত স্থানীয় প্রশাসন ও কৌরসভাগুলোকে ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে কার্যকর মশক নিধন অভিযান চালাতে হবে। ব্যবহৃত কীটনাশকের মান, কার্যকারিতা ও সঠিক মাত্রা নিয়মিত মনিটর করা জরুরি, যাতে নি¤œমানের কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থ ও শ্রমের অপচয় না ঘটে।

দ্বিতীয়ত, ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশা স্বচ্ছ জমাটবদ্ধ পানিতে বংশবৃদ্ধি করে এবং মূলত দিনের বেলায় কামড়ায়। ফলে নিজ নিজ ঘরবাড়ি, আঙিনা, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কেবল একটি মওসুমি স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, এটি একটি স্থায়ী জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। সময় এসেছে প্রথাগত মশক নিধন কার্যক্রমের বাইরে এসে বছরব্যাপী গবেষণা, মশার লার্ভা ধ্বংসের কার্যকর প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারণাকে সমন্বিত করার। সাতক্ষীরাসহ সারা দেশকে এডিস মুক্ত রাখতে এখনই সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; নতুবা ডেঙ্গুর এই রূপ আরও ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে।

বাঁশদহায় কাওনডাঙ্গা বাজারে রমজান আলীর মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
বাঁশদহায় কাওনডাঙ্গা বাজারে রমজান আলীর মতবিনিময়

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের কাওনডাঙ্গা বাজারে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রমজান আলী। সোমবার কাওনডাঙ্গা বাজারে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।

শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করার লক্ষ্যে জেলা বিএনপি ও মন্দির কমিটির প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করার লক্ষ্যে জেলা বিএনপি ও মন্দির কমিটির প্রস্তুতি সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় রয়েল কনভেনশন হলে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আয়োজনে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সাতক্ষীরা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি মন্দির কমিটির সভাপতি আইনজীবী সোমনাথ ব্যানার্জি, নারকেলতলা মন্দির কমিটির সভাপতি গৌর পাল, বিএনপিসহ সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন মন্দির ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘœভাবে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।