বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

খুলনা বিভাগে কোরবানির পশুর হাট ১৭০টি, চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
খুলনা বিভাগে কোরবানির পশুর হাট ১৭০টি, চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় এবার ১৭০টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট বসছে। খামারিদের কাছে পর্যাপ্ত পশু থাকায় এবার স্থানীয় উৎপাদন দিয়েই কোরবানির চাহিদা মিটে যাবে বলে আশা করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। চাহিদার তুলনায় বিভাগে প্রায় ৩৮ শতাংশ অতিরিক্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে। হাট বসছে যেখানেবিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ২৭টি হাট বসবে, যার মধ্যে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) পরিচালিত জোড়াগেট হাটটি প্রধান। অন্যান্য জেলার মধ্যে বাগেরহাটে ২৯টি, ঝিনাইদহে ২২টি, যশোরে ২০টি, কুষ্টিয়ায় ১৭টি, সাতক্ষীরায় ১৬টি, মাগুরায় ১৫টি, নড়াইলে ১০টি, চুয়াডাঙ্গায় ৮টি এবং মেহেরপুরে ৬টি হাট বসানোর প্রস্তুতি চলছে। হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪২টি ভ্রাম্যমাণ পশুচিকিৎসা দল (ভেটেরিনারি টিম) সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। চাহিদার চেয়ে জোগান ৩ লাখ বেশিবিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. গোলাম হায়দার জানান, এ বছর বিভাগে কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার। এর বিপরীতে খামারিরা প্রস্তুত করেছেন ১৪ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি পশু। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় জোগান ৩৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেশি।
প্রস্তুতকৃত পশুর পরিসংখ্যান হলোÑ গরু৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬১, ছাগল৮ লাখ ৫১ হাজার ৩৭০, ভেড়া ৫১ হাজার ১৭৩, মহিষ ও অন্যান্য ৪ হাজার ৩০৫। জমে উঠছে জোড়াগেট হাট। ঈদের এখনো দুই সপ্তাহ বাকি থাকলেও শুক্রবার সকালে নগরের জোড়াগেট হাটে গিয়ে দেখা যায় প্রস্তুতির ব্যস্ততা। বাঁশ ও খুঁটি দিয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। ২০০৯ সাল থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই হাট পরিচালনা করছে কেসিসি। শহরের মানুষের জায়গার অভাব থাকায় সাধারণত ঈদের দু-তিন দিন আগে কেনাবেচা এখানে তুঙ্গে ওঠে। হাটের পাশেই গড়ে উঠেছে পশুর খাদ্যের মৌসুমি দোকান।
বিভাগীয় পরিচালক মো. গোলাম হায়দার বলেন, ”বিভাগে এবার পশুর কোনো সংকট হবে না। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে থাকবে বলে আশা করছি। গত বছর ১১ লাখের বেশি পশু বিক্রি হয়েছিল, এবার সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।” গত বছর বিভাগে ১৬৯টি হাটে কেনাবেচা চলেছিল। এবার একটি হাট বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং চিকিৎসা দলের সংখ্যা সমন্বয় করায় খামারি ও ক্রেতাÑ উভয়ই সুফল পাবেন বলে মনে করছে বিভাগীয় প্রশাসন।

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।