শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

গরমেও পায়ের গোড়ালি ফাটছে? জানুন করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
গরমেও পায়ের গোড়ালি ফাটছে? জানুন করণীয়

আমরা সবাই জানি এবং দেখি যে, শীতকাল এলেই পায়ের গোড়ালি ফাটার সমস্যা শুরু হয়। কিন্তু অনেকেই অবাক হন, যখন তীব্র গরমেও একই সমস্যায় ভুগতে হয়। পায়ের গোড়ালি শুকিয়ে যাওয়া, চামড়া শক্ত হয়ে ফেটে যাওয়া কিংবা ব্যথা হওয়া এসব শুধু শীতের নয়, গরমেও হতে পারে।
তাই বিষয়টি অবহেলা না করে সময়মতো যত্ন নেওয়া জরুরি। তো চলুন জেনে নিই করণীয় সম্পর্কে-

কেন গরমেও গোড়ালি ফাটে?
গরমে শরীর ঘামে ঠিকই, কিন্তু অনেক সময় পায়ের ত্বক প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে না। ফলে ধীরে ধীরে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এছাড়া আরো কিছু কারণ রয়েছে। যেমন-

ডিহাইড্রেশন (পানিশূন্যতা): গরমে পর্যাপ্ত পানি না খেলে শরীরের ভেতর থেকে আর্দ্রতা কমে যায়, যা ত্বকেও প্রভাব ফেলে।
খোলা জুতা ব্যবহার: স্যান্ডেল বা খোলা জুতা বেশি পরলে পায়ের ত্বক সরাসরি ধুলাবালি ও গরমের সংস্পর্শে আসে, ফলে শুষ্কতা বাড়ে।
দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা: যারা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করেন, তাদের পায়ের ওপর চাপ বেশি পড়ে—এতে গোড়ালির চামড়া ফেটে যেতে পারে।
ত্বকের যত্নের অভাব: নিয়মিত পরিষ্কার ও ময়েশ্চারাইজ না করলে ত্বক শক্ত হয়ে ফাটে।
সমস্যা বাড়লে কী হতে পারে?

ব্যথা বাড়ে
হাঁটাচলায় অস্বস্তি হয়
কখনো কখনো রক্তপাতও হতে পারে
সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়
করণীয় কী?

নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। দিনে অন্তত একবার হালকা গরম পানিতে পা ধুয়ে নিন। এতে ধুলাবালি ও মৃত কোষ দূর হবে।
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। গোসলের পর পা শুকিয়ে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার বা ফুট ক্রিম লাগান। রাতে শোয়ার আগে লাগালে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন। শরীর হাইড্রেটেড থাকলে ত্বকও আর্দ্র থাকে। তাই গরমে পানি খাওয়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে।
পা ঢেকে রাখার চেষ্টা করুন। বাইরে গেলে যতটা সম্ভব আরামদায়ক ও কিছুটা ঢাকা জুতা ব্যবহার করুন, যাতে ধুলাবালি কম লাগে।
স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে এক-দুবার হালকা স্ক্রাব দিয়ে পায়ের মৃত কোষ পরিষ্কার করলে ত্বক নরম থাকে।
নারকেল তেল, অলিভ অয়েল বা গ্লিসারিন পায়ে লাগালে শুষ্কতা কমে এবং ত্বক নরম হয়।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

যদি গোড়ালির ফাটা খুব গভীর হয়, ব্যথা বেশি হয় বা রক্তপাত হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।
মনে রাখবেন, গরমে গোড়ালি ফাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, তবে অবহেলা করলে তা বড় সমস্যায় রূপ নিতে পারে। তাই প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নই পারে পায়ের ত্বককে নরম ও সুস্থ রাখতে। মনে রাখবেন, আপনার পায়ের যত্নও আপনার সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্যেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Ads small one

কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

oplus_0

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির কাশিমনগর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামি মহিদুল গাজীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে কাশিমনগর বাজারের প্রধান সড়কে মানববন্ধন, পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাজসেবক এম বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য দেন পাইকগাছা উপজেলা মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শেখ সেকেন্দার আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মাজেদা পারভীন, মাওলানা আবু মুসা, গোলাম মোস্তফা গাজী ও তাসমিরা খাতুন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদক ব্যবসায়ী ও নিজের ভাবিকে হত্যাকারী মহিদুল গাজীকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নিহতের মেয়ে তাসমিরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চাচা মহিদুল গাজী আমার মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় মামলা হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু গত ২১ এপ্রিল জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকে সে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদের ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা উল্টো তাদের ও মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এই পরিস্থিতিতে তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।

২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ঘরচালা মাঠপাড়া গ্রামে প্রায় ২৩ শতক জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। উভয় পক্ষই নিজেদের জমির বৈধ মালিক দাবি করে আসায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালত ও ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বল্লী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মৌজার সাবেক ২৪৮, ২৮৪, ২৮৭ সহ কয়েকটি দাগের অন্তর্ভুক্ত ২৩ শতক জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। বাদীপক্ষের মাসুরা খাতুন ও উজির আলী ফকির বিএস খতিয়ানে রেকর্ড সংশোধনের আবেদনসহ সায়েদ আলী মোড়লের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
অন্যদিকে বিবাদী সায়েদ আলী মোড়ল দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জমির নামজারি (মিউটেশন) তার নামে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করছেন। আবেশ আলী সরদারের কাছ থেকে তিনি জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ তাকে জমিতে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। তবে অন্য অংশীদার আবু তালেব ফকির এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, সায়েদ আলীর কাগজপত্র জাল। জমিটি বর্তমানে তাদের দখলে রয়েছে এবং এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে তারা সহকারী জজ ভূমি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র (মাসউক) সাতক্ষীরার উদ্যোগে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির ২০২৫-২০ছঞ মেয়াদের প্রশিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ (টিওটি) কোর্স সম্পন্ন হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে লোহাগড়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
এর আগে নড়াইল মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মৌসুমী রানী মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সালমা জামান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির লোহাগড়া শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর ফারুক এবং মানবাধিকার কর্মী সৈয়দ খায়রুল আলম।
তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে জীবন দক্ষতামূলক ও আয়বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন মডিউলের ওপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র রায় এবং মাস্টার ট্রেইনার মো. গিয়াসউদ্দিন। প্রশিক্ষণে মোট ১০জন প্রশিক্ষক অংশ নেন। সমাপনী দিনে মাসউকের হলরুমে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন।