রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের দেশে ফেরার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের দেশে ফেরার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন নীতির আওতায়, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অধিকাংশ অভিবাসীকে স্থায়ী বসবাসের অনুমতির আবেদন সম্পন্ন করতে নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। ফলে দেশটিতে বৈধভাবে থাকা হাজারো শিক্ষার্থী, কর্মী, পর্যটক এবং ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বেড়েছে।
অভিবাসন বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বহু মানুষের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আইনি প্রক্রিয়ায় বড় প্রভাব পড়তে পারে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) নতুন একটি নির্দেশনা জারি করে। সেখানে বলা হয়, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকেই গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত করা হবে।

গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কঠোর করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলোর মধ্যে শুক্রবার (২২ মে)-এর এই নীতি পরিবর্তনটি সর্বশেষ।

ইউএসসিআইএস একটি নীতি স্মারকলিপিতে এই পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন আছে কিনা তা নির্ধারণ করার সময় প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক বিষয় এবং তথ্য বিবেচনা করতে হবে।

“যে বিদেশি যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িকভাবে আছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাকে আবেদন করার জন্য অবশ্যই তার নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে,” বলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, যা ইউএসসিআইএস-এর তত্ত্বাবধান করে।

এতে আরো বলা হয়, এই নীতিটি আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থাকে আইনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী কাজ করতে সাহায্য করবে, কোনো ফাঁকফোকরকে উৎসাহিত করবে না।

ইউএসসিআইএস বলেছে যে, নতুন নীতিটি সংস্থার সম্পদকে অন্যান্য মামলা প্রক্রিয়াকরণে মনোনিবেশ করার জন্য মুক্ত করবে।

শরণার্থীসহ অন্যান্য অভিবাসী গোষ্ঠীকে পরিষেবা প্রদানকারী একটি সাহায্য সংস্থা, এইচআইএএস বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি প্রদানকারী গ্রিন কার্ডের জন্য তাদের আবেদন প্রক্রিয়া করার উদ্দেশ্যে ইউএসসিআইএস মানব পাচারের শিকার এবং নির্যাতিত ও অবহেলিত শিশুদেরকে তাদের পালিয়ে আসা বিপজ্জনক দেশগুলিতে ফিরে যেতে বাধ্য করছে।

গত বছর, ট্রাম্প প্রশাসন ছাত্র, সাংস্কৃতিক বিনিময় পরিদর্শক এবং গণমাধ্যমের সদস্যদের জন্য ভিসার মেয়াদ কমানোর পদক্ষেপ নিয়েছিল।

জানুয়ারিতে, স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে যে, ট্রাম্প আগের বছর ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কিউবার গুয়াইয়েসা নামক জঙ্গি সংগঠনের নির্বাহী সভাপতির বোন আদিসলা এস্ত্রেলা মোরেইরাকে গ্রেপ্তার করেছে।

এতদিন অনেক অভিবাসী “অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস” প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেই স্থায়ী বসবাসের অনুমতির আবেদন করতে পারতেন। নতুন নীতির ফলে অধিকাংশ আবেদনকারীকে নিজ দেশে ফিরে মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে অভিবাসী ভিসার আবেদন করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে ছাত্র ভিসাধারী, অস্থায়ী কর্মী এবং মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করা অভিবাসীদের ওপর। কারণ আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য দেশ ছাড়ার পর অনেকেরই পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ জটিল হয়ে যেতে পারে।

বর্তমানে আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে কড়াকড়ি রয়েছে। এছাড়া যেসব ব্যক্তি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে অবস্থান করেছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লে অনেক ক্ষেত্রে ১০ বছরের পুনঃপ্রবেশ নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।

সাবেক ইউএসসিআইএস কর্মকর্তা মাইকেল ভালভার্দে বলেছেন, এই নীতি প্রতি বছর লাখো পরিবার ও নিয়োগদাতার পরিকল্পনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তার মতে, “যারা নিয়ম মেনে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেছেন, তাদের জন্যও এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।”

বাইডেন প্রশাসনের সময় ইউএসসিআইএসে কর্মরত সাবেক কর্মকর্তা ডগ র‍্যান্ড বলেন, প্রতি বছর প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকেই “অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস” প্রক্রিয়ায় গ্রিন কার্ড পান। নতুন পরিবর্তনের ফলে এসব আবেদনকারীর বিশাল অংশ সমস্যায় পড়তে পারেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থাকে আইনের মূল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে এবং বিভিন্ন “ফাঁকফোকর” ব্যবহারের সুযোগ কমে আসবে।

ইউএসসিআইএসের মুখপাত্র জ্যাক কাহলার এক বিবৃতিতে বলেন, “অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত কেউ যদি গ্রিন কার্ড চান, তবে বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া তাকে নিজ দেশে ফিরে আবেদন করতে হবে।”

তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাখা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন। উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের জন্য এইচ-১বি ভিসাধারী, শরণার্থী এবং রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীরা আগের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থেকেই আবেদন করার সুযোগ পেতে পারেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের বৈধ অভিবাসন আরও সীমিত করার বৃহত্তর নীতির অংশ। নতুন নির্দেশনা কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Ads small one

ঈদযাত্রা: যমুনা সেতু দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার যান চলাচল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
ঈদযাত্রা: যমুনা সেতু দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার যান চলাচল

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যমুনা সেতু দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় প্রায় ৩ কোটি।

রবিবার যমুনা সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ১৬ হাজার ৭৫৩টি যানবাহন চলাচল করেছে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৭ হাজার ১৫০ টাকা।

অন্যদিকে, পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে পারাপার হয়েছে ১৫ হাজার ৮৯৬টি যান। এ থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৫০ টাকা।

দুই প্রান্ত মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন যমুনা সেতু ব্যবহার করেছে। এই সময়ে মোট টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘সেতুর উভয় প্রান্তে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম যমুনা সেতু। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াতের জন্য এসব জেলার অধিকাংশ যানবাহন এই সেতু ব্যবহার করে। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে সেতু ও সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। তবে এখন পর্যন্ত যাতায়াত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

যেসব ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছালো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
যেসব ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছালো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই চুক্তির আওতায় ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে এবং ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারবে। একইসঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়েও আলোচনা চলবে। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমঝোতা স্মারকের আওতায় ওই ৬০ দিনের মেয়াদে হরমুজ প্রণাললি কোনও শুল্ক ছাড়াই উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়া জাহাজ চলাচল অবাধ করতে এই প্রণালিতে বসানো সব মাইন সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে ইরান।

এর বিনিময়ে প্রস্তাবিত চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেবে এবং ইরানকে অবাধে তেল বিক্রির অনুমতি দিতে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, খসড়া চুক্তিতে ইরানের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরান কখনওই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করার বিষয়ে আলোচনা করবে এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেবে।

এই সমঝোতা স্মারকে এটিও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসান ঘটবে। তবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যদি কোনও উসকানি দেয় বা হামলা চালায়, তবে ইসরায়েল তাদের ওপর পাল্টা আঘাত করার অনুমতি পাবে।

ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, হিজবুল্লাহ যদি শান্ত থাকে, তবে ইসরায়েলও শান্ত থাকবে। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নিজস্ব অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিবেচনা রয়েছে, তবে ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বার্থের কথা চিন্তা করতে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক ফোনালাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বেশ কিছু বিষয়ে তার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

দুইটি সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করা এবং পারমাণবিক উপাদান ত্যাগ করার বিষয়ে ইরান কতটা ছাড় দিতে ইচ্ছুক, সে সম্পর্কে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তেহরান।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রও এই ৬০ দিনের মেয়াদে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আটকে থাকা ইরানি তহবিল মুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করতে সম্মত হবে।

ওই মার্কিন কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, দুই একদিনের মধ্যেই এই চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান যদি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ট্রাম্পের দাবিগুলো মেনে নিতে প্রস্তুত থাকে, তবে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি সুযোগ তৈরি হবে এবং ইরান তার পূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারবে।

তবে এই প্রতিবেদনের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি হোয়াইট হাউজ।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, ২ জন গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, ২ জন গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী মেম্বারকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় দুই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলসহ দুই জনকে আটক করেছে।

রবিবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ঘটনাটি ঘটে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. অহিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক দুই জনের মধ্যে একজনের নাম হচ্ছে জিয়াউল হক জিয়া। তার বাড়ি ঈদগাঁও উপজেলার কালিরছড়া এলাকায়। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নাম মঈন উদ্দিন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি লিয়াকত আলী মেম্বারের চাচাতো ভাই। অপরজনের পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মেম্বার মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আসেন। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। লিয়াকত আলী সরে গেলে গুলিটি পাশে থাকা এক ব্যক্তির শরীরে বিদ্ধ হয়। তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধারের পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘দুই জনকে আটক করা হয়েছে। আটক এক ব্যক্তির কাছ থেকে পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়েছে। তাকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

কক্সবাজার সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তদন্তের জন্য এই মুহূর্তে প্রতিপক্ষের নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।’