মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে জেলায় শীর্ষে সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে জেলায় শীর্ষে সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা

সংবাদদাতা: ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা। গত বছর দাখিল ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরা জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি। এবারও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে সেই সাফল্যের ধারা ধরে রেখেছে ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে মোট ৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৩৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জন জিপিএ-৫ এবং ৯ জন এ গ্রেড অর্জন করেছে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকরা জানান, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফলেই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত বছর জেলার সেরা ফলাফল অর্জনের পর এবারও সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতে পাঠদানের মান আরও উন্নত করে সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা শিক্ষা ও ফলাফলের ক্ষেত্রে আরও সাফল্য অর্জন করবে।

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় পঁচিশ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ, আটক-দুই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় পঁচিশ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ, আটক-দুই

পত্রদূত রিপোর্ট: সোমবার ও মঙ্গলবার (১০ ও ১১ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, বৈকারী, গাজীপুর, ঘোনা, কাকডাঙ্গা, মাদরা, হিজলদী ও সুলতানপুর বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২ জন বাংলাদেশী আসামীসহ ভারতীয় গলদা চিংড়ি মাছের রেনুপোনা, মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঊঝকটঋ ঝণজটচ ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেট আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার লক্ষীদাড়ি হতে ২ লাখ ১৫ হাজার ৪০০ টাকার ভারতীয় টাপেন্টাডল ট্যাবলেট আটক করে। গাজীপুর বিওপির আভিযানে সদর থানার বেলতলা হতে ৮২ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

বৈকারী বিওপির আভিযানে সদর থানার ছয়ঘরিয়া হতে ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। ঘোনা বিওপির আভিযানে সদর থানাধীন খলিলনগর মোড় হতে ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় গলদা চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও মোটরসাইকেল আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ১৮ হাজার টাকার ভারতীয় এসকুফ সিরাপ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি আমবাগান হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, সুলতানপুর বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বর্মীতলা হতে ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২৪ লাখ ৮৫ হাজার ৯০০ টাকা।

বিবিজি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

কেশবপুরে বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান ক্ষুধার তাড়নায় হানা দিচ্ছে লোকালয়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান ক্ষুধার তাড়নায় হানা দিচ্ছে লোকালয়ে

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে খাদ্য সংকটে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান। পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে তারা লোকালয়ে ঢুকে বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একাধিক হনুমান মারা যাচ্ছে। আবার কেউবা আহত হয়ে মানুষের দারস্থ হচ্ছে চিকিৎসা নিতে।

হনুমানের খাদ্য সরবরাহের সাথে সংশ্লিষ্টরা বলেন, হনুমানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য সংকট বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে হনুমানের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণে আনুষ্ঠানিক গণনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্র ও বন বিভাগের ধারণা অনুযায়ী, বর্তমানে কেশবপুরে প্রায় চার শতাধিক কালোমুখো হনুমান রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক গণনা না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে কেশবপুর ও আশ-পাশের অন্তত ১২টি এলাকায় হনুমানের বিচরণ বেশি দেখা যাচ্ছে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে ভোগতী, বালিয়াডাঙ্গা, মধ্যকুল, ক্ষতিয়াখালী, সুজাপুর, ব্রহ্মকাটি, আলতাপোল, বায়সা, রামচন্দ্রপুর, মাগুরাডাঙ্গা এবং মণিরামপুর উপজেলার মুজগুন্নী ও দুর্গাপুর। বনজ সম্পদের পরিমাণ কমে যাওয়ায় হনুমানগুলো আশপাশের নতুন এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে।

বন বিভাগ থেকে প্রতিদিন কালোমুখো হনুমানের জন্য ৪৭ কেজি ২০০ গ্রাম কলা, ৬ কেজি ৭০০ গ্রাম পাউরুটি, ৭ কেজি ৩৫০ গ্রাম বাদাম এবং ৭ কেজি সবজি সরবরাহ করা হয়। তবে এই খাদ্য প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে দাবি স্থানীয়দের। হনুমানের সংখ্যার তুলনায় খাদ্যের স্বল্পতার কারণে সব এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

খাদ্য সরবরাহকারী ভ্যানচালকআতিয়ার রহমান বলেয়ব্দুর রহমান কাছে যেতেই হনুমানটি তার কাঁধে চড়ে বসে।পরে তিনিটি চলে য সেটিকে পাশের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে হনুমনটি চলে যায়। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তাদের মতে, সঠিকভাবে হনুমান গণনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে এমন পরিস্থিতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি হনুমানের মৃত্যুর তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি আহত হনুমানের চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা সমীরণ বিশ্বাস বলেন, সম্প্রতি কেশবপুরে হনুমানের সংখ্যা বেড়েছে। উপজেলা সদর ও হাসপাতাল এলাকায় বিচরণকারী অধিকাংশ মা হনুমানের কোলে শাবক দেখা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে কেশবপুরে চার শতাধিক হনুমান রয়েছে। আনুষ্ঠানিক গণনা করা হলে প্রকৃত সংখ্যা জানা সম্ভব হবে।

 

 

কেশবপুর দিলীপ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে হোসেন ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
কেশবপুর দিলীপ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে হোসেন ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যু

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে দিলীপ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে ফোঁড়া অপারেশনেই রোগীর মৃত্যু । ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার রাতে।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলার মুজগুনি গ্রামের মতিয়ার মোড়লের স্ত্রী আছিয়া বেগম ৭৫ কে পরিবারের লোকজন একটি ফোঁড়ার জন্য ডাক্তার দিলীপ রায়ের কাছে দেখাতে নিয়ে যায় তিনি তাদেরকে পরামর্শ দেন অপারেশন ছাড়া এটা ভালো হওয়া সম্ভব নয় অপারেশনের জন্য ৭ হাজার টাকা দিতে হবে।

 

রোগীর লোকেরা রাজি হলে তৎক্ষণিকভাবে তাকে হোসেন ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন সেই মোতাবেক রোগী হোসেন ক্লিনিকে ভর্তি হয়। রাত দশটায় অপারেশন করার কথা থাকলেও তিনি রাত ৮ টায় ফোঁড়া অপারেশন করেন। রোগীর সজনরা জানান রোগীর হার্টের সমস্যা আছে ডাক্তারকে বারবার অবহিত করা হলেও তিনি বলেন এটা একটা সিম্পল অপারেশন হার্ট পর্যন্ত যাওয়া লাগবেনা।

 

অপারেশন এর পরে রোগী যখন ঘামতে শুরু করে পরবর্তীতে মরণাপন্ন অবস্থায় তাকে খুলনায় নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন চুকনগরে পৌঁছানোর আগেই রোগী মৃত্যুবরণ করেন। এ বিষয়ে ডাক্তার দিলীপ বাবু বলেন রোগীর হার্টের সমস্যা ছিল সেই কারণে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছিল পৌঁছানোর আগেই রোগীটি মারা যায়।

এ বিষয়ে ক্লিনিক মালিক হামিদুজ্জামান বলেন রোগীটা আমাদের ক্লিনিকে ছিল, তবে ডাক্তার দিলীপ রায়ের রোগী তিনি ট্রিটমেন্ট দিবেন তিনি সবকিছু করবেন আমরা মাত্র সেবা দাতা। রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়ার কারনে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নেওয়ার পথে পথিমধ্যেই মারা যান।।

এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার রেহনেওয়াজ বলেন আমি শুনেছি রোগীদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ আসলে ক্লিনিকের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।