শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

জুলাই সনদ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি সহ্য করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
জুলাই সনদ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি সহ্য করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এমএ রহিম, বেনাপোল (যশোর): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ৫ আগস্টের পর দেশের সকল রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে যে ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর করেছিল, তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। সোমবার সকালে যশোরের শার্শায় ঐতিহাসিক উলশী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে এক সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটি পক্ষ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কোনো কোনো রাজনৈতিক দল গণভোটের রায়কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। যারা দেশের এই অর্জন নসাৎ করতে চায়, দেশবাসী তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে।”
সকাল ১২টার দিকে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে উলশী-যদুনাথপুর খালের চার কিলোমিটার পুনঃখনন কাজের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, ঠিক ৫০ বছর আগে ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর এই উলশী থেকেই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন।
সেই স্মৃতি স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়া বুঝতে পেরেছিলেন কৃষি বিপ্লব ছাড়া এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব নয়। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার দেশজুড়ে ২০ হাজার খাল খননের মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগাতে হবে। কেউ বসে থাকলে চলবে না। সিঙ্গাপুর যদি মেধা ও শ্রম দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে, তবে বাংলাদেশও পারবে।”
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে তিনটি বিশেষ কার্ডের ঘোষণা দেন। তিনি জানানÑকৃষকদের জন্য আগের ‘কৃষক কার্ড’-এর সুবিধা বাড়ানো হবে। সারাদেশে মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দিতে প্রবর্তন করা হবে ‘স্বাস্থ্য সেবা কার্ড’। রান্নার খরচ কমাতে মায়েদের জন্য দেওয়া হবে স্বল্পমূল্যের ‘এলপিজি কার্ড’।
পরিবেশ রক্ষায় সরকার সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উলশী খালের দুই ধারে তিন হাজার গাছ লাগানো হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় ৭০ হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।
দীর্ঘদিন পর এই খাল পুনঃখননের উদ্যোগে উলশী এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এই এলাকায় একটি আধুনিক হাসপাতাল ও একটি ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দেন।
শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাসান জহিরের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা আজিজুর রহমান ও সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তিসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, “শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়া শিখিয়েছেন বাংলাদেশই আমাদের শেষ ঠিকানা। তাই আমাদের অঙ্গীকারÑপ্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ।”

Ads small one

কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

oplus_0

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির কাশিমনগর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামি মহিদুল গাজীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে কাশিমনগর বাজারের প্রধান সড়কে মানববন্ধন, পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাজসেবক এম বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য দেন পাইকগাছা উপজেলা মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শেখ সেকেন্দার আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মাজেদা পারভীন, মাওলানা আবু মুসা, গোলাম মোস্তফা গাজী ও তাসমিরা খাতুন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদক ব্যবসায়ী ও নিজের ভাবিকে হত্যাকারী মহিদুল গাজীকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নিহতের মেয়ে তাসমিরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চাচা মহিদুল গাজী আমার মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় মামলা হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু গত ২১ এপ্রিল জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকে সে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদের ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা উল্টো তাদের ও মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এই পরিস্থিতিতে তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।

২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ঘরচালা মাঠপাড়া গ্রামে প্রায় ২৩ শতক জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। উভয় পক্ষই নিজেদের জমির বৈধ মালিক দাবি করে আসায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালত ও ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বল্লী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মৌজার সাবেক ২৪৮, ২৮৪, ২৮৭ সহ কয়েকটি দাগের অন্তর্ভুক্ত ২৩ শতক জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। বাদীপক্ষের মাসুরা খাতুন ও উজির আলী ফকির বিএস খতিয়ানে রেকর্ড সংশোধনের আবেদনসহ সায়েদ আলী মোড়লের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
অন্যদিকে বিবাদী সায়েদ আলী মোড়ল দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জমির নামজারি (মিউটেশন) তার নামে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করছেন। আবেশ আলী সরদারের কাছ থেকে তিনি জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ তাকে জমিতে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। তবে অন্য অংশীদার আবু তালেব ফকির এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, সায়েদ আলীর কাগজপত্র জাল। জমিটি বর্তমানে তাদের দখলে রয়েছে এবং এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে তারা সহকারী জজ ভূমি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র (মাসউক) সাতক্ষীরার উদ্যোগে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির ২০২৫-২০ছঞ মেয়াদের প্রশিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ (টিওটি) কোর্স সম্পন্ন হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে লোহাগড়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
এর আগে নড়াইল মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মৌসুমী রানী মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সালমা জামান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির লোহাগড়া শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর ফারুক এবং মানবাধিকার কর্মী সৈয়দ খায়রুল আলম।
তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে জীবন দক্ষতামূলক ও আয়বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন মডিউলের ওপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র রায় এবং মাস্টার ট্রেইনার মো. গিয়াসউদ্দিন। প্রশিক্ষণে মোট ১০জন প্রশিক্ষক অংশ নেন। সমাপনী দিনে মাসউকের হলরুমে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন।