ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সেবা প্রদান, নাকতাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে জীবন সংশয়
আশাশুনি প্রতিনিধি: ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, দেওয়াল ও পিলোরে দেখা দিয়েছে ফাটল। তবুও এই জরাজীর্ণ ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের নিচেই চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের এমন নাজুক অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সেবা গ্রহীতা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
শ্রীউলা ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ নাকতাড়া কালীবাড়ী বাজার সংলগ্ন এলাকায় ১৯৯৮ সালে এ ক্লিনিকটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পর কেটে গেছে প্রায় ২৭-২৮ বছর। দীর্ঘদিনে কোনো বড় ধরনের মেরামত না করায় ভবনটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ১০-১২ বছর আগে দুটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কিছুটা রঙ ও টাইলসের কাজ করলেও বর্তমানে ছাদের মূল ঢালাইয়ের বড় বড় অংশ খসে পড়ছে।
ইতিমধ্যে ছাদের ঢালাই ভেঙে পড়ে সেবা নিতে আসা এক নারী এবং ক্লিনিকে কর্মরত গৌরাঙ্গ সরকার আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার ভয়ে দুটি কক্ষের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বারান্দায় বসেই চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন কর্মীরা। এমনকি টিকাদান কর্মসূচির সময় শিশুরা ও তাদের মায়েরা ভবনে ঢুকতে ভয় পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে সাময়িকভাবে টিকাদানের কাজ চালানো হচ্ছে।
দায়িত্বরত স্বাস্থ্য সহকারী সঞ্জয় কুমার মন্ডল জানান, প্রতিদিন প্রাণের ভয় নিয়ে তাদের কাজ করতে হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।
শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক দীপংকর বাছাড় দীপু বলেন, ক্লিনিকটির অবস্থা খুবই শঙ্কাজনক এবং প্রতিনিয়ত ছাদের অংশ ধসে পড়ছে। রোগীদের সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করা হয়েছে।












