বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

তালায় এক বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
তালায় এক বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিদ্যালয়ে বই-খাতা নিয়ে শ্রেণিকক্ষে থাকার বয়সেই সংসার জীবনে পা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তালার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বিরুদ্ধে। একই প্রতিষ্ঠানের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির এসব ছাত্রীর বাল্যবিবাহের খবর প্রশাসনের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের উপস্থিত করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বাল্যবিবাহের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাস কুমার দাস, জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রশাসনিক প্রধান সাকিবুর রহমান, তালা থানার এসআই তৌহিদুজ্জামান, ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তালেব, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রায়হান, তালা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক জহর হাসান সাগরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এর মধ্যে ১১ জন ছাত্রী ও তাদের অভিভাবককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের নোটিশ প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি জানান, নোটিশের পর নির্ধারিত সময়ে আটজন ছাত্রীসহ ১১ জনের অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরে তাদের সঙ্গে কথা বলে বাল্যবিবাহের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, একই প্রতিষ্ঠানের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের বিষয়ে তাদের বাবা-মাকে ডেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আপাতত তারা যেন সংসারে ফিরে না গিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে আসে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের ছাত্রীদের বিষয়ে আরও সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় অসুস্থ বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানকে দেখতে জেলা নেতৃবৃন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অসুস্থ বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানকে দেখতে জেলা নেতৃবৃন্দ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানকে দেখতে যান জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় তার বাসভবনে নেতৃবৃন্দ তার শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন, তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং আশু আরোগ্য কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদি, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, ধুলিহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাকদীর আহসান রুবেল।

এছাড়াও জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সকলের কাছে অসুস্থ নেতার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

প্রতারণা মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, আসাদের নামে ফের আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
প্রতারণা মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, আসাদের নামে ফের আদালতে মামলা

বাগআঁচড়া (শার্শা) সংবাদদাতা: যশোরের শার্শায় মানবাধিকার কর্মী আসাদুজ্জামান আসাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আবারও প্রতারণার মাধ্যমে তিনলক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি সু’বিচার পেতে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান আসাদ যশোরের শার্শা উপজেলার ৮নং বাগআঁচড়ার আ.ফ.ম. নিছার আলীর ছেলে ও বাগআঁচড়া সাতমাইল গ্রামের বাসিন্দা। আসাদের নামে যশোর ও ঝিনাইদহ আদালতে তিনটি মামলা চলোমান ও শার্শা থানায় দুটি চাঁদাবাজি এবং একটি খুন জখমের অভিযোগসহ ছয়টি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

নতুন মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার আসাননগর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে চার লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিদেশে (মালয়েশিয়ায়) বৈধ ভিসায় মোটা টাকা বেতনের চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখালে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর বিদেশে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর তার বাড়িতে বসে “আসাদুজ্জামান আসাদকে” প্রথম ধাপে বিদেশে যাওয়ার জন্য গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে নন জুড়িশিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নগত তিন লক্ষ টাকা প্রদান করেন।

 

আসাদ সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে ঐ তিন লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন। মামলার কপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মালয়েশিয়া যাওয়ার ফ্লাইটের দিন ০১ এপ্রিল ২৬ তারিখে বাকী এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আসাদকে দিতে হবে। আর যদি ইংরেজি ০১ এপ্রিল তারিখের মধ্যে অভিযুক্ত আসাদ ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীরকে মালয়েশিয়ায় পাঠাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইংরেজি ০১ মে তারিখের মধ্যে তিন লক্ষ টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবেন। কিন্তু উক্ত তারিখের মধ্যে ভুক্তভোগীকে মালয়েশিয়া পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ায় আসাদকে দেওয়া তিনলক্ষ টাকা ফেরত চাইলে, তিনি টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন।

 

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন সুবিচার প্রার্থনা করে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও শৈলকুপা আমলী আদালত, ঝিনাইদহে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ধারা- ৪০৬/৪২০/৫০৬ (২) দঃ বিঃ আইন।

কেশবপুর শিক্ষকের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
কেশবপুর শিক্ষকের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে আব্দুস সাত্তারের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা বসতবাড়ির দ্বিতীয় তলায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে অচেতন করে ফেলে। পরবর্তীতে তারা আলমারি ভেঙে মেয়ের বিয়ের জন্য রাখা প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

সূত্রে জানাগেছে, চুরি শেষে দুর্বৃত্তরা পাশের একটি আমবাগানে বসে খালি গহনার প্যাকেটগুলো ফেলে রেখে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। বর্তমানে মাস্টার আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সাতক্ষীরার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কেশবপুর উপজেলায় প্রায়ই একইভাবে চেতনানাশক স্প্রে করে চুরির ঘটনা ঘটছে। গত কয়েক বছর ধরে উপজেলার বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এখন পর্যন্তর মূল চক্রকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। চিংড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শামীম হোসাইন বলেন, ঘটনার পর পুলিশ আলামত সংগ্রহ করেছে এবং অপরাধীদের ব্যবহৃত কৌশল ও ফেলে যাওয়া প্যাকেটগুলো পর্যালোচনা করছে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকসানা খাতুন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্তর গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অপরাধী চক্রটিকে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।