মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

দেবহাটায় বৃদ্ধার ৫০ বছরের বসতভিটার ঘর ভাঙচুর করে উচ্ছেদের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় বৃদ্ধার ৫০ বছরের বসতভিটার ঘর ভাঙচুর করে উচ্ছেদের অভিযোগ

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের টিকেট গ্রামে এক বৃদ্ধার ৫০ বছরের পুরোনো বসতভিটার ঘর ভাঙচুর করে উচ্ছেদ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী এক মহলের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী অরবিন্দুর স্ত্রী সুভদ্রা বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সুভদ্রা জানান, বিয়ের পর থেকে প্রায় ৫০ বছর ধরে তিনি ওই ভিটায় বসবাস করছেন। তাঁর স্বামী অসুস্থ হয়ে ভারতে চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁর দেখাশোনার জন্য তিনি কিছুদিন পর পর দেশে ও ভারতে যাতায়াত করেন। ২৮ জুলাই মেয়ের বাড়িতে অবস্থানকালে এলাকার তারক, দুঃখে, রাখাল বৌদ্দি, রঞ্জন বৌদ্দিসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন জোরপূর্বক তাঁর বসতভিটা ভাঙচুর করে নতুন ঘর নির্মাণ করেন।

এ ঘটনায় দেবহাটা থানায় অভিযোগ করা হলে ৩১ জুলাই পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) ঘটনাস্থল তদন্ত করেন। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট থানায় উভয় পক্ষকে ডাকা হলে বিবাদীরা তাঁর কাছে ৫ হাজার টাকা পাওনা দাবি করেন এবং তিনি তা পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে দেবহাটা থানা থেকে কুলিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ ম-লের ওপর বিষয়টি মীমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং সুভদ্রার বসবাসের জন্য একটি ছোট ঘর নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে ঘর নির্মাণ করতে গেলে বিবাদীরা তা পুনরায় ভাঙচুর করেন।

পরপর কুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব শেখ মোকাররম হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ ম-লকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁরা সমাধান করতে পারেননি। পরবর্তীতে সুভদ্রা দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহার কাছে অভিযোগ দিলে তিনি নায়েবকে জমি মেপে বের করার নির্দেশ দেন। কিন্তু সুভদ্রার অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জমি বের না করার জন্য নায়েবকে নির্দেশনা দিয়ে ঘোরাচ্ছেন। তিনি দ্রুত নিজের জমি ফিরে পেয়ে পুনরায় বসবাসের ব্যবস্থা করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তার আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

Ads small one

সুন্দরবন অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল জীবিকায়নবিষয়ক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল জীবিকায়নবিষয়ক কর্মশালা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (খামারবাড়ি) কমপ্লেক্সে সুন্দরবন অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, মৎস্য চাষ, গবাদিপশু ও জীবিকার ওপর স্থানীয় পর্যায়ের সমন্বয় এবং যৌথ পরিকল্পনাবিষয়ক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘জলবায়ু-সহনশীল জীবিকায়ন: স্থানীয় পর্যায়ের সমন্বয় ও যৌথ পরিকল্পনা’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করে কেয়ার বাংলাদেশের নেতৃত্বে ‘নবপল্লব’ কনসোর্টিয়াম ও কর্ডএইড।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপপরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেয়ার বাংলাদেশের রিজিওনাল ম্যানেজার লুৎফা পারভীন ও কর্ডএইডের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মাসুদ রানা।
কর্মশালায় বক্তারা সুন্দরবন উপকূলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান (নেচার-বেসড সলিউশনস) গ্রহণের ওপর জোর দেন। জলবায়ু অভিযোজন ও স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারি দপ্তর, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় সুদৃঢ় করার আহ্বান জানানো হয়।

কলারোয়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

 

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার মানিকনগর গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভিটেবাড়ি দখলের চেষ্টা, মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সোমবার রাতে কলারোয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, একই গ্রামের তিন নারী ও কপিল উদ্দিন গাজী দীর্ঘদিন ধরে নানা কৌশলে তাঁর পরিবারকে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। তাঁদের অত্যাচারের কারণে মানিকনগরের বাড়ি ছেড়ে বর্তমানে খোর্দ্দ বাজারে দাদার বাড়িতে তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন।
উজ্জ্বল হোসেন জানান, ২০১৪ সালে তাঁদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হলেও তা আদালতে প্রমাণিত হয়নি। পরবর্তীতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং ৩০ আগস্ট তাঁদের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। এর মধ্যে সর্বশেষ মামলায় ২ নম্বর আসামি হিসেবে তাঁর মামা শামিনুর রহমানকে ১২ সেপ্টেম্বর রাতে সোনাবাড়িয়া বাজার থেকে কলারোয়া থানা-পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ ও জখমের হুমকি দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

জেলা কালচারাল অফিসার অন্বেষার সঙ্গে মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
জেলা কালচারাল অফিসার অন্বেষার সঙ্গে মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মৌচাক সাহিত্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিস কক্ষে উপস্থিত হয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সংগঠনটির প্রতিনিধিরা।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি মৌচাক সাহিত্য পরিষদের বিভিন্ন কর্মকা- সম্পর্কে অবহিত হন এবং সংগঠনের কবি-সাহিত্যিকদের খোঁজখবর নেন। এ সময় মৌচাক সাহিত্য পরিষদের পক্ষ থেকে জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষাকে শুভেচ্ছা স্মারক, ‘মৌচাক’ পত্রিকা এবং মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি আব্দুল ওহাব আজাদের লেখা তিনটি বই প্রদান করা হয়।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি আব্দুল ওহাব আজাদ, সহসভাপতি প্রভাষক মহিনুর ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. মছরুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুন্না ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রেবেকা সুলতানা প্রমুখ।