শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

নোটারি পাবলিক দিবস: স্বচ্ছতা ও জালিয়াতি রোধে সচেতনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
নোটারি পাবলিক দিবস: স্বচ্ছতা ও জালিয়াতি রোধে সচেতনতা

সাকিবুর রহমান বাবলা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা এবং ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস বজায় রাখতে নির্ভরযোগ্য দলিলপত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তিগত ঘোষণা, চুক্তি, হলফনামা কিংবা আন্তর্জাতিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত বিভিন্ন নথির সত্যতা ও যথার্থতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নোটারি পাবলিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের দায়িত্ব কেবল কোনো কাগজে সিল ও স্বাক্ষর দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং পরিচয় যাচাই, স্বাক্ষরের সত্যতা নিশ্চিত করা, শপথ গ্রহণ করানো এবং আইনি লেনদেনে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও জড়িত। আইন পেশা ও জনজীবনে নোটারি পাবলিকদের এই অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর পালিত হয় নোটারি পাবলিক দিবস।

দিবসটির প্রচলন ঘটে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৭৪ সালে আমেরিকান সোসাইটি অব নোটারিজ ৭ নভেম্বরকে নোটারি পাবলিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। যুক্তরাষ্ট্রে দিবসটির বিশেষ গুরুত্ব থাকলেও নোটারি পেশার দায়িত্ব ও অবদান বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। দিবসটির তারিখের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশটির নোটারি ব্যবস্থার একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নোটারি পাবলিক হিসেবে পরিচিত টমাস ফুগিলকে ১৬৩৯ সালের ২৫ অক্টোবর তৎকালীন জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে নিউ হ্যাভেন কলোনিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখটি ৭ নভেম্বরের সঙ্গে মিলে যায়। এই ঐতিহাসিক স্মৃতিই দিবসটির তারিখ নির্বাচনের ভিত্তি।

নোটারি ব্যবস্থার শিকড় প্রাচীন মিসর ও রোমান সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বিস্তৃত। সে সময় গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, রাজকীয় নির্দেশ, সম্পত্তি ও লেনদেনের তথ্য সংরক্ষণের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লিপিকার নিয়োগ করা হতো। সময়ের পরিবর্তনে সেই দায়িত্ব প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নোটারি পাবলিক একটি স্বীকৃত আইনি পেশায় পরিণত হন।

নোটারি পাবলিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো প্রতারণা ও জালিয়াতি প্রতিরোধে সহায়তা করা। কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিলে স্বাক্ষরকারীর পরিচয় যাচাই, তাঁর স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর করার বিষয়টি নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শপথ বা ঘোষণা গ্রহণের মাধ্যমে নথির বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানো তাঁদের কাজ। হলফনামা, চুক্তিপত্র, সম্পত্তিসংক্রান্ত নথি, শিক্ষাগত সনদ ও বিভিন্ন অনুবাদিত দলিলের সত্যায়নে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে নোটারি করা মানেই কোনো দলিলের প্রতিটি বক্তব্য সত্য প্রমাণিত হওয়া কিংবা সেটি সব ক্ষেত্রে আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়ে যাওয়া নয়। নোটারির ক্ষমতা ও দায়িত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসেও নোটারি পেশার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা রয়েছে। ১৯২৩ সালে দেশটির ৩০তম রাষ্ট্রপতি ক্যালভিন কুলিজ দায়িত্ব গ্রহণের সময় তাঁর বাবা জন কুলিজ তাঁকে রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠ করান। তিনি একজন নোটারি পাবলিক ছিলেন। বিখ্যাত লেখক মার্ক টোয়েন, যাঁর প্রকৃত নাম স্যামুয়েল ক্লেমেন্স, এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের শেষ স্বাক্ষরকারী থমাস ম্যাককিনও জীবনের একপর্যায়ে নোটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব ঘটনা পেশাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে।

আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে নোটারি ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন এসেছে। আগে কাগজ, কালি, সিল ও স্বাক্ষরনির্ভর এই কার্যক্রম এখন অনেক দেশে দূরবর্তী অনলাইন নোটারাইজেশন পদ্ধতিতে সম্পন্ন হচ্ছে। ভিডিও কনফারেন্স, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও ইলেকট্রনিক সিলের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকেও নথি সত্যায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশেও ইলেকট্রনিক নোটারাইজেশনের উদ্যোগ রয়েছে। ‘নোটারি বিডি’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম অনলাইন সেবা দেওয়ার দাবি করে। তবে এ ধরনের সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নোটারির সরকারি নিয়োগ, কার্যকর সনদ এবং ইলেকট্রনিক দলিলটি যে প্রতিষ্ঠানে জমা দেওয়া হবে, সেখানে তার গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা জরুরি।

বাংলাদেশে নোটারি পাবলিক নিয়োগ ও পেশা পরিচালিত হয় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে প্রধান আইন হলো ‘দ্য নোটারিজ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১’ এবং ‘নোটারিজ রুলস, ১৯৬৪’। আইন অনুযায়ী, যে কেউ ইচ্ছা করলেই নোটারি হতে পারেন না। সাধারণত অন্তত সাত বছর পেশাগত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবী, পাঁচ বছর বিচার বিভাগে কর্মরত ব্যক্তি এবং সরকারি আইন প্রণয়ন ও আইনের খসড়া তৈরির কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা নির্ধারিত শর্তে নিয়োগের যোগ্য বিবেচিত হন। নোটারির সনদ তিন বছর মেয়াদি এবং নির্ধারিত নিয়মে নবায়নযোগ্য। সরকার প্রতিবছর কার্যরত নোটারিদের তালিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করে।

সাধারণ মানুষ জেলা জজ আদালত, সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ কিংবা লাইসেন্সপ্রাপ্ত আইনজীবীদের চেম্বারে নোটারি সেবা নিতে পারেন। তবে সেবা গ্রহণের আগে নোটারির নিয়োগ ও সনদের বৈধতা যাচাই করা প্রয়োজন। তাঁর সরকারি নোটারি সিল, নিবন্ধনসংক্রান্ত পরিচিতি, স্বাক্ষর, নোটারি রেজিস্টার এবং দলিলের তারিখ ও ক্রমিক নম্বর সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া উচিত। কেউ নিজেকে নোটারি পরিচয় দিলেই তাঁকে বিশ্বাস করা নিরাপদ নয়। কারণ বৈধ সনদ ছাড়া নোটারি কার্যক্রম পরিচালনা আইনত দণ্ডনীয়।

নোটারি করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও দলিলের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয়। নতুন কোনো ঘোষণা, অঙ্গীকারনামা বা চুক্তি তৈরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপার ব্যবহার করতে হয়। নাম বা বয়স সংশোধনসংক্রান্ত হলফনামায় প্রচলিতভাবে ২০০ বা ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহারের কথা বলা হলেও প্রকৃত মূল্য নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দলিলের ধরন ও সরকারি স্ট্যাম্প শুল্কের বিধান অনুসরণ করতে হবে। চুক্তিপত্রের ক্ষেত্রেও ৫০, ১০০ বা ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষাগত সনদ, নম্বরপত্র, জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের ফটোকপি সত্যায়নে সাধারণ এ৪ বা লিগ্যাল সাইজের কাগজ ব্যবহার করা যায়। অনুবাদিত দলিলও সাধারণ সাদা কাগজে প্রস্তুত করা সম্ভব। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকারি ফি ও রাজস্ব স্ট্যাম্পের নিয়মও মানতে হবে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নোটারি করা আর বিবাহ নিবন্ধন এক বিষয় নয়। নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে শুধু হলফনামা বা ঘোষণাপত্র তৈরি করলেই আইনগতভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয় না। একইভাবে বিবাহবিচ্ছেদ বা অন্য কোনো আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট আইনের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। নোটারি সেবার প্রকৃতি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও সম্মতি যাচাই করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতারণা এড়াতে দালালের পরিবর্তে সরাসরি অনুমোদিত নোটারি পাবলিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা, মূল কাগজপত্র প্রদর্শন করা এবং নোটারি করা দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে নিশ্চিত করা উচিত। বিশেষ করে বিদেশে ব্যবহারের জন্য দলিল সত্যায়নের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রত্যয়ন বা অ্যাপোস্টিলের প্রয়োজন হতে পারে।

নোটারি পাবলিকরা নেপথ্যে থেকে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তি শক্তিশালী করেন। তাঁদের দায়িত্বশীলতা আইনি জটিলতা কমাতে, প্রতারণার ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় সহায়তা করে। তাই ৭ নভেম্বরের নোটারি পাবলিক দিবস কেবল একটি পেশাজীবী গোষ্ঠীকে সম্মান জানানোর দিন নয়; এটি আইনি সচেতনতা, স্বচ্ছতা, সততা ও জনআস্থার গুরুত্ব স্মরণ করারও উপলক্ষ। যথাযথ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং আইনের কঠোর অনুসরণের মাধ্যমে নোটারি পেশা আরও জনবান্ধব ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠুক—দিবসটির প্রত্যাশা হোক সেটিই।

Ads small one

তালার জলাশয়ে কচুরিপানার বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
তালার জলাশয়ে কচুরিপানার বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ

এম এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: শরৎ পেরিয়ে হেমন্তের আগমনী আবহে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জলাশয়, বিল ও নিচু জমিতে ফুটেছে কচুরিপানার বেগুনি ও সাদা ফুল। একসময় অবহেলিত এই জলজ উদ্ভিদের ফুল এখন প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে। সবুজের বুকে বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ মুগ্ধ করছে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

উপজেলার বিভিন্ন জলাশয় ঘুরে দেখা যায়, পানির ওপর ছড়িয়ে থাকা কচুরিপানার ফুলে কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক গালিচার মতো দৃশ্য। নিভৃত জলাশয়ে ফুটে থাকা এসব ফুল দেখতে চলার পথে থমকে দাঁড়াচ্ছেন স্থানীয় তরুণ-তরুণী ও পথচারীরা। কেউ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করছেন, কেউবা মুঠোফোনে ছবি তুলে রাখছেন।

কচুরিপানার ফুল দেখতে আসা স্থানীয় শিক্ষার্থী আহনাফ হক বলেন, “প্রতিদিনের পড়ালেখার ক্লান্তি কাটাতে প্রকৃতির এই রূপ সত্যিই মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।”

কাজের ফাঁকে ঘুরতে আসা আবুল হোসেন বলেন, “যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার পর গ্রামবাংলার এমন শান্ত পরিবেশ ও ফুলের সৌন্দর্য দেখতে চমৎকার লাগে। প্রকৃতির এই স্বাভাবিক রূপ মনে একধরনের প্রশান্তি এনে দেয়।”

গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ বাসিন্দা হায়দার আলী বলেন, “একসময় বিল-ঝিলে এমন কচুরিপানার ফুল অনেক দেখেছি। কিন্তু এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না।” কচুরিপানাকে ঘিরে তাঁর জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

পরিবেশবিদদের মতে, কচুরিপানার ফুল সাময়িকভাবে জলাশয়ের সৌন্দর্য বাড়ালেও অতিরিক্ত কচুরিপানা জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এর নান্দনিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলাশয়ের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

জেলা সবুজ পরিবেশ আন্দোলনের সভাপতি এজাজ আহম্মেদ স্বপন বলেন, ঋতুবদলের এই সময়ে কচুরিপানার বেগুনি ও সাদা ফুল গ্রামীণ পরিবেশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। সাধারণ এই জলজ উদ্ভিদের ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, গ্রামবাংলার চিরচেনা সৌন্দর্য আজও লুকিয়ে আছে নিভৃত জলাশয় ও সবুজের মাঝে।

৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে তালা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে তালা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম।

সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলী, শরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদুল রাজু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব এবং সরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

সভায় নেতারা জানান, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের বিকেল ৩টায় পাটকেলঘাটার পাঁচ রাস্তার মোড়ে শহীদ স ম আলাউদ্দীন চত্বরে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

oplus_0

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল আলীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল হাসান, শেখ জাহাঙ্গীর হাসেমী, সাংবাদিক আবু সাঈদ ও বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মনি।

এ সময় বক্তব্য দেন আবুল হাসান, ডা. আনোয়ার হোসেন, শাহজাহান আলী, কবীর হোসেন, যশোর আলী, মাসুম বিল্লাহ ও রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার কয়েকটি ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। লাবসা ইউনিয়নেও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এ কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলো প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবে।

অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।