শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পরিত্যাক্ত পাইকগাছার গদাইপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরোনো ভবন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
পরিত্যাক্ত পাইকগাছার গদাইপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরোনো ভবন

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): পরিত্যক্ত ভবন পড়ে আছে ঝুঁকি নিয়ে, নষ্ট হচ্ছে সরকারি সম্পদ খুলনার পাইকগাছা পৌর সদরের গদাইপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরোনো ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বছরের পর বছর ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণের বাইরে থাকায় ভবনটির বিভিন্ন অংশ এখন জরাজীর্ণ। ছাদ ও দেয়ালে জন্মেছে গাছপালা, খসে পড়ছে ইট-পলেস্তারা। একসময় স্বাস্থ্যসেবার কাজে ব্যবহৃত এই সরকারি স্থাপনাটি এখন পড়ে থেকে ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ভবনের আশপাশ দিয়ে চলাচলকারী মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গদাইপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরোনো ভবনটি দীর্ঘদিন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার পর প্রায় তিন দশক আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এর পাশেই নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে পুরোনো ভবনটি আর ব্যবহার করা হয়নি। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভবনটির পরবর্তী ব্যবস্থাপনা বা অপসারণের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি বলে স্থানীয়দের দাবি।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরোনো ভবনটির বিভিন্ন অংশে ভাঙন ধরেছে। ছাদ ও দেয়ালের ওপর গজিয়ে উঠেছে বড় বড় গাছ। কোথাও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছে, কোথাও ইট বেরিয়ে এসেছে। দীর্ঘদিনের বৃষ্টির পানি ও প্রাকৃতিক ক্ষয়ের প্রভাবে ভবনের কাঠামো ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

ভবনের বর্তমান চেহারায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে দীর্ঘদিনের অযতেœর চিত্র। কোনো কোনো অংশে এমনভাবে ক্ষয় ধরেছে যে সেগুলো যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ভবনটি পরিত্যক্ত হলেও এর আশপাশের চলাচল বন্ধ হয়নি। প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভবনের পাশ দিয়ে যাতায়াত করেন। ফলে ভবনের কোনো অংশ আকস্মিকভাবে ভেঙে পড়লে অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। একটি সরকারি ভবন দীর্ঘদিন ব্যবহার না করে ফেলে রাখলে সময়ের সঙ্গে তার কাঠামোগত সক্ষমতা কমে যায়। একই সঙ্গে ভবনের দরজা-জানালা, কাঠ, ইট, লোহা ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীও নষ্ট হতে থাকে। গদাইপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরোনো ভবনটির ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, ভবনটি নির্মাণে একসময় সরকারি অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল। বর্তমানে ভবনটির বিভিন্ন অংশ ক্ষয়ে যাওয়ায় সেই সরকারি বিনিয়োগের বড় একটি অংশ ধ্বংসের মুখে পড়েছে।
ভবনটির বর্তমান মূল্য ও অবশিষ্ট নির্মাণসামগ্রীর মূল্য নির্ধারণ করে যথাযথ সরকারি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এতে একদিকে সরকারি সম্পদের অপচয় কমবে, অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনাটি থেকেও জনসাধারণ নিরাপদ থাকবে।

প্রায় ৩০ বছর ধরে একটি সরকারি ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। ভবনটি ঠিক কবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল, এরপর এর বিষয়ে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, অপসারণের জন্য কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল কি না এসব তথ্যও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কারণ দীর্ঘদিন একটি স্থাপনা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকলে সেটি শুধু সম্পদহানির কারণ নয়; সময়ের সঙ্গে তা জননিরাপত্তার ঝুঁকিতেও পরিণত হতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পরিত্যক্ত ভবনটির বর্তমান অবস্থা দ্রুত সরেজমিনে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। ভবনটি সংস্কারযোগ্য হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ব্যবহারের অনুপযোগী হলে সরকারি বিধি অনুযায়ী অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ভবনটির বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে একদিকে সরকারি সম্পদ আরও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে, অন্যদিকে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে।

স্থানীয় বাসিন্দা রহমত আলী জানান, ভবনটি যখন আর ব্যবহারযোগ্য নয়, তখন দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ফেলে রাখার পরিবর্তে যথাযথ প্রক্রিয়ায় এর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে জনসাধারণের চলাচলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা থাকায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।

তিন দশকের বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা গদাইপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরোনো ভবনটি এখন তাই শুধু একটি জরাজীর্ণ স্থাপনা নয়; এটি দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় পড়ে থাকা একটি সরকারি সম্পদের চিত্রও তুলে ধরছে।

Ads small one

পাইকগাছায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কিশোরের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কিশোরের মৃত্যু

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মুন্না (১৭) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের হেল্পার এবং ভিলেজ পাইকগাছা গ্রামের মাসুম বিল্লার ছেলে। শনিবার সকাল ৮:১৫ মিনিটে খুলনার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জানা যায়, কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভোগার পর মুন্না স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তার ডেঙ্গু পরীক্ষা করালে পজিটিভ আসে এবং তাকে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা একটি ক্লিনিকে রেফার করা হয়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তার জীবন প্রদীপ নিভে যায়। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তরতাজা এক যুবকের এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাইকগাছায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ও একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর পাইকগাছার ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার মন্ডল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বর্তমানে পাইকগাছা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এই অল্প বয়সে এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না।

গোদাড়া চিত্রানদীর তীরে হাজারো মানুষের ভিড় নামে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
গোদাড়া চিত্রানদীর তীরে হাজারো মানুষের ভিড় নামে

সৈয়দ অনুজ, ফকিরহাট (বাগেরহাট): আশ্বিনের প্রখর রোদ, নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর এর সঙ্গে বইঠার ছন্দ, নৌকার গতি আর দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাস সব মিলিয়ে উৎসবে পরিণত হয় বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের গোদাড়া চিত্রানদী।

কলকলিয়া ত্রিপল্লী মাঝি মিলন সংঘের আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকেলে চিত্রানদীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গস্খামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে হাজারো মানুষের ঢল নামে। বাঙালি সংস্কৃতির প্রাচীনতম এ উৎসব উপভোগ করতে শিশু-কিশোর ও নারী-পুরুষেরা আনন্দে মেঠে উঠে।  উৎসবকে কেন্দ্র করে বসে গ্রামীণ মেলা। এদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ প্রতিযোগিতা। এতে ৮টি নৌকা অংশগ্রহণ করে। কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, তারা পরিবার নিয়ে নৌকা বাইচ দেখতে এসেছেন। প্রতিবছর এই দিনে এখানে নৌকা বাইচ দেখতে আসেন। নৌকা বাইচ দেখে তারা অনেক মুগ্ধ।

আয়োজন কমিটি বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে এই নৌকা বাইচ এর আয়োজন করা হয়। নৌকা বাইচ দেখতে আশপাশের অঞ্চল থেকে হাজারো মানুষের উপস্থিতি ঘটে। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফকিরহাট সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শরীফ নেওয়াজ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আয়োজক কমিটির সভাপতি নরেন্দ্রনাথ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক পিযুষ কান্তি সরকার, ইউপি সদস্য মহাদেব বিশ্বাস মদন, মনোজ মজুমদার, জীবন সরকার, উপজেলা বিএনপি নেতা শেখ ইফতেখার আহমেদ পলাশ, মোড়ল কামরুজ্জামান, সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুজ্জামান রিপন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব লায়ন দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী মঈন উদ্দিন মেরু, মূলঘর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত গোলদার শুভ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো: শরীফ রসরদার, ছাত্রদল নেতা সাবিতুল ইসলামসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের অভিযানে আশাশুনিতে ৭ ও দেবহাটায় ১ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে ১ জনের জেলা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
পুলিশের অভিযানে আশাশুনিতে ৭ ও দেবহাটায় ১ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে ১ জনের জেলা জরিমানা

বিএম আলাউদ্দীন/কে এম রেজাউল করিম: আশাশুনিতে পুলিশের নিয়মিত বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে একজনকে ২ মাসের কারাদন্ড ও ১০১ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দেবহাটায় আটক করা হয়েছে সিআর পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে।

আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফ জানান, থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে পৃথক অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মোঃ আব্দুর খালেক শেখের ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ ইসাহাক সরদারের ছেলে মোঃ রুহুল কুদ্দুস, মোঃ ফজোর আলী মোড়লের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ মুনছুর গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ রহমাত কারিকরের ছেলে মোঃ আসাদুল কারিকর এবং সুরমান সরদারের ছেলে মোঃ লিয়াকত আলী সরদার।
অপরদিকে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তারকৃত একজনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০১ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। দন্ডপ্রাপ্তের নাম রুহুল আমিন (৩০)। সে আশাশুনি সদরের পূর্বপাড়া গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আশাশুনিতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দন্ডাদেশ দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শ্যামানন্দ কুন্ডু। আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে এসআই লক্ষণ, এএসআই অমিত হাসান সহ সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে দেবহাটায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে সিআর পরোয়ানাভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দেবহাটা থানাধীন কোড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. হাবিবুর রহমান উপজেলার কোড়া গ্রামের মো. হান্নান আলীর ছেলে।

দেবহাটা থানা সূত্রে জানা যায়, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম শাহিন হোসেনের নেতৃত্বে এএসআই মো. ইব্রাহিম খলিল ও এএসআই রহমত আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।