শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনি সদর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে মাসব্যাপী গণসংযোগ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনি সদর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে মাসব্যাপী গণসংযোগ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: মাসব্যাপী গণসংযোগ অভিযানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আশাশুনি সদর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে গণসংযোগ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেল ৫টায় আশাশুনি বাজার জামে মসজিদ থেকে এ কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

নেতৃবৃন্দ বাজারে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ও প্রচারপত্র বিতরণ করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান মুকুল। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা আমির প্রফেসর আব্দুস সবুর, উপজেলা আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, নায়েবে আমির নুরুল আফসার মুর্তজা, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আনারুল হক প্রমুখ।

Ads small one

কলারোয়ায় রাজনগর মাদ্রাসায় অবৈধ নিয়োগ বোর্ড বাতিলের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় রাজনগর মাদ্রাসায় অবৈধ নিয়োগ বোর্ড বাতিলের দাবি

সংবাদদাতা: কলারোয়া উপজেলার ছোট রাজানগর দাখিল মাদ্রাসায় নৈশপ্রহরী ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। নির্দিষ্ট প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ বোর্ড আয়োজনের চেষ্টার অভিযোগ তুলে কথিত অবৈধ নিয়োগ বোর্ড বাতিল করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন এক প্রার্থীর স্বামী।

১৭ সেপ্টেম্বর রাতে কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অফিস সহায়ক পদে আবেদনকারী জাকিয়া সুলতানার স্বামী মো. ফিরোজ আলম এসব অভিযোগ করেন।

তিনি দাবি করেন, ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট বজলুল করিম জানান, এসব বক্তব্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। নোটিশের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়ে নিয়ম অনুযায়ী প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদও অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন।

আশাশুনির কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলে রাতের আঁধারে মাছ চুরি, ঘের মালিকদের উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলে রাতের আঁধারে মাছ চুরি, ঘের মালিকদের উদ্বেগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ও ঝাউবুনিয়া বিলের বিভিন্ন চিংড়ি ঘের থেকে রাতের আঁধারে বিপুল পরিমাণ মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে।

১৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা একাধিক ঘেরে প্রবেশ করে মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে ঘের মালিক আব্দুল মান্নান ও মাসুদ রেজাসহ অন্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দা রাখেদুল ইসলাম ও মাহমুদ আলী খান জানান, প্রতি বছরই এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকায় রাতের পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

গুড়পুকুরপাড়ে মনসা পূজা, মেলার অপেক্ষায় সাতক্ষীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
গুড়পুকুরপাড়ে মনসা পূজা, মেলার অপেক্ষায় সাতক্ষীরা

oplus_0

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরপাড়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনসা পূজা। ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) শহরের পলাশপোল এলাকার মনসাতলায় এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই পূজাস্থলে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভক্তরা ফুল, ফল ও বিভিন্ন উপাচার নিবেদন করে প্রার্থনা করেন।

মনসা পূজাকে কেন্দ্র করেই দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরায় বসে আসছে ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলা। একসময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা এ মেলায় আসতেন। নানা পণ্যের দোকানের পাশাপাশি মেলাটি পরিণত হতো মানুষের মিলনমেলায়। তবে ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বোমা হামলার পর দীর্ঘ সময় মেলার আয়োজন বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে আবার শুরু হলেও আগের সেই জৌলুস আর ফিরে আসেনি। গত বছরও মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হলেও মেলা হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে হলেও সাতক্ষীরার এই ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন আবারও চালু করা হোক। তাঁদের মতে, গুড়পুকুর মেলা শুধু একটি আয়োজন নয়, এটি সাতক্ষীরার ইতিহাস ও লোকজ সংস্কৃতির অংশ।

১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল গুড়পুকুর মনসাতলায় বটবৃক্ষের নিচে মনসা ও বিশ্বকর্মা পূজা শুরু হয়। একই সাথে দুটি পূজাকে কেন্দ্র করে এলাকাটি মহা মিলনমেলায় পরিণত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পলাশপোল গুড়পুকুর পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক গৌর দত্ত, সদস্যসচিব তপন হালদার, পলাশপোল মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার বসু, পুরোহিত পরিতোষ চক্রবর্তী, সহকারী পুরোহিত তাপস চক্রবর্তীসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা।

সাধারণত প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর কন্যা সংক্রান্তি বা ভাদ্র মাসের শেষ দিনে বিশ্বকর্মা পূজা পালিত হয়। হিন্দু ধর্মের অন্যান্য পূজা চাঁদের গতির ওপর নির্ভর করে হলেও, বিশ্বকর্মা পূজা নির্ধারিত হয় সূর্যের গতির ওপর। কন্যা সংক্রান্তির দিন সূর্য সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি ভাদ্র সংক্রান্তি বা ভাদ্র মাসের শেষ দিন। সাধারণত বাংলা পঞ্জিকার প্রথম পাঁচ মাস মিলিয়ে ১৫৬ দিন হয়, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর পড়ে। তাই প্রায় প্রতি বছরই এই দিনে দেবশিল্পীর আরাধনা করা হয়। তবে কোনো বছর মাসের দিনের তারতম্য হলে এটি ১৮ সেপ্টেম্বরও হতে পারে।

হিন্দু ধর্মালম্বীদের মতে, দেবশিল্পী ভগবান বিশ্বকর্মা হলেন মহাবিশ্বের প্রথম স্থপতি বা প্রকৌশলী। তিনি দেবতাদের নানা অস্ত্র, প্রাসাদ ও পুরীর জগন্নাথ মূর্তি নির্মাণ করেছিলেন। কারিগর, শিল্পী, শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা তাঁদের কাজের যন্ত্রাংশ, গাড়ি ও যন্ত্রপাতি পূজা করে জ্ঞান, দক্ষতা ও সমৃদ্ধি প্রার্থনা করেন।