সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছার লতায় নদীর গ্রাস থেকে সড়ক রক্ষায় বাঁধ দিলেন এলাকাবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছার লতায় নদীর গ্রাস থেকে সড়ক রক্ষায় বাঁধ দিলেন এলাকাবাসী

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গুনোখালী নদীতে জোয়ারের পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় লতা বাজার এলাকার সড়ক দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়রা সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ তিনটি স্থানে বাঁধ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

শনিবার জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গুনোখালী নদীর পানি লতা বাজারের সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা যায়। এতে সড়কের মাটি নরম হয়ে বিভিন্ন অংশে ক্ষয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়। পানি অব্যাহতভাবে সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এ অবস্থায় স্থানীয়দের নিয়ে সড়ক রক্ষায় এগিয়ে আসেন লতা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ইমরান সরদার। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে মাটি ও কাদামাটি দিয়ে বাঁধ দেওয়ার কাজে অংশ নেন। এতে সড়কের ওপর দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবাহের তীব্রতা কিছুটা কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, গুনোখালী নদীতে জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়ায় লতা বাজার সংলগ্ন সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সড়কের পাশে ও নিচের অংশে পানি জমে মাটি নরম হয়ে গেছে। এলাকাবাসীকে নিয়ে সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে মাটি ফেলে বাঁধ দেওয়া।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জোয়ারের পানি প্রতিদিনই বাড়ছে। পানি যদি দীর্ঘ সময় সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তাহলে সড়কের মাটি সরে গিয়ে ভাঙন দেখা দিতে পারে। এতে বাজার ও আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় বাসীন্দা আমির হোসেন বলেন, দ্রুত সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো পরিদর্শন করে স্থায়ীভাবে পানি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নদীর জোয়ারের পানি যাতে সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে না পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এটিকে স্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখছেন না এলাকাবাসী। তাঁদের মতে, বর্ষা ও জোয়ারের মৌসুমে এ ধরনের পরিস্থিতি বারবার দেখা দিতে পারে। তাই সড়ক রক্ষায় টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী। বাঁধ দেয়ার কাজে আরো অংশগ্রহণ করেন ইউপি সদস্য স্বপন মন্ডল, শিক্ষক তাপস মন্ডল, অরন্য রায়, উজ্জল রায়, সুজন মন্ডল, লাবন্য রায়, শান্ত রায়, প্রতিভা মন্ডল, সন্ধ্যা মন্ডল, সৌরভসহ আরো অনেকে।

 

জোয়ারের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে লতা বাজারের সড়কের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে সড়কটি বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে এলাকাবাসী জানান।

Ads small one

তালায় ‎দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
তালায় ‎দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

‎তালা প্রতিনিধি: ‎সাতক্ষীরার তালায় দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা এবং কার্যকর সাড়াদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড কনসার্ন (বাংলাদেশ) এর ওভিটি প্রকল্পের আয়োজনে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে তালা উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের সভা কক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

‎প্রশিক্ষণে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এজাহার আলী এবং ইউপি সদস্যা রেবেকা মকবুল, ফারহানা ইয়াসমিন, ওয়ার্ল্ড কনর্সান’র প্রজেক্ট অফিসার রনজিৎ দাশ, সুদীপ রায়, সল্ট সুপারভাইজার লিসা হালদার, সুভাষ সরদার ও মনি শংকর দাসসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি প্রতিনিধি ও দূর্যোগ প্রবণ সংশ্লিষ্ট এলাকার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার বিধান বিশ্বাস। তিনি দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় সহজ ও ব্যবহারিকভাবে তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা, বজ্রপাত, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে। এসব দুর্যোগে নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই দুর্যোগের আগে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিত করে তাদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি ও সহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।

‎এজন্য তিনি স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগের ঝুঁকি ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা প্রচার, উদ্ধার ও নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের বিস্তারিত ধারণা প্রদান করেন।

কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: রবিবার ও সোমবার (১৬ ও ১৭ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর ব্যাটালিয়ন সদর এবং অধীনস্থ কাকডাঙ্গা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় শাড়ি, বিস্কুট, চকলেট, দুধ, ফুসকা, সোনপাপড়ি, চা পাতা, কিসমিস, হরলিক্স, জুস, পলিথিন এবং কসমেটিকস সামগ্রী আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে।

এছাড়াও, ব্যাটালিয়ন সদর এর আভিযানে সোনাবাড়িয়া বেলেপাড়া প্রাইমারি স্কুল নামক স্থান হতে ৫০ হাজার ৫৬০ টাকার ভারতীয় বিস্কুট, চকলেট, দুধ, ফুসকা, সোনপাপড়ি, চা পাতা, কিসমিস, হরলিক্স, জুস, পলিথিন এবং কসমেটিকস সামগ্রী আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

মণিরামপুরে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী ইউনিয়নের ছোট দোনারে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শামীম হোসেন। তাঁর উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কার হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ৩ নম্বর ভোজগাতী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট দোনারের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় ছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি ও কাদা জমে যেত। এতে বয়স্ক মানুষ, শিশু এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। জরুরি প্রয়োজনে রোগী ও যানবাহন চলাচলেও সমস্যার সৃষ্টি হতো।
স্থানীয় কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি রাস্তার দুরবস্থার বিষয়টি শামীম হোসেনকে জানালে তিনি এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ নেন।
সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। শামীম হোসেনের উদ্যোগে সংস্কার হওয়ায় এখন চলাচলে আগের তুলনায় অনেক সুবিধা হচ্ছে।
শামীম হোসেন বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মনে করি। মানুষের ছোট্ট একটি উপকার করতেও আমি আনন্দ পাই। এলাকার মানুষের সমস্যা জানতে পারলে সাধ্য অনুযায়ী তা সমাধানে এগিয়ে আসব।”
তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিত্বের মূল উদ্দেশ্য মানুষের সেবা করা। তাই এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবেন তিনি।