রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন, বিভিন্ন উপজেলায় পালিত নানা কর্মসূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন, বিভিন্ন উপজেলায় পালিত নানা কর্মসূচি

পত্রদূত ডেস্ক: ‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’Ñএই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন স্থানে তিন দিনব্যাপী জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ১৬ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবারে জেলা সদরসহ কলারোয়া, শ্যামনগর, আশাশুনি, খুলনার কয়রা, যশোরের কেশবপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পৃথক শোভাযাত্রা, জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, আলোচনা সভা এবং সফল মৎস্যচাষীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর এখানে তুলে ধরা হলো।

কলারোয়া: কলারোয়ায় সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালি শেষে সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও সফল মৎস্যচাষীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ সাইদুর রহমান রেজা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এইচএম শাহীন, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কামরুজ্জামান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুরাদ হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এসএম এনামুল ইসলাম, প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর আবু মুসা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন নাহার আক্তার, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর ও প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ সাজেদ। মৎস্যচাষীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন আতিয়ার রহমান, রফিকুল ইসলাম ও শাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠান শেষে উপজেলার ৪জন সফল মৎস্যচাষী ও উদ্যোক্তার হাতে বিশেষ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

দেবহাটা: জেলার শ্রেষ্ঠ কার্প জাতীয় মাছ চাষির পুরস্কার অর্জন করেছেন দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের মাছ চাষি মো. রিয়াজুল ইসলাম। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, শ্রম ও আধুনিক পদ্ধতির সমন্বয়ে মাছ উৎপাদনে বিশেষ অবদান রাখায় তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রিয়াজুল ইসলাম কেবল সফল উদ্যোক্তাই নন, অত্যন্ত বিনয়ী ও সদালাপী মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাঁর কর্মনিষ্ঠা এলাকার তরুণদের মধ্যে মৎস্য চাষে নতুন আগ্রহ তৈরি করছে। নিজের অর্জন সম্পর্কে রিয়াজুল ইসলাম জানান, সঠিক পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে মৎস্য খাতকে একটি অত্যন্ত লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। জেলার শ্রেষ্ঠ চাষির স্বীকৃতিকে তিনি নিজের দীর্ঘদিনের শ্রমের ফল হিসেবে দেখছেন। তাঁর এই অর্জনে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয় চাষিরা অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আশাশুনি: আশাশুনিতে উপজেলা পরিষদ লেকে মাছ অবমুক্তকরণের পর মডেল মসজিদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কু-ুর সভাপতিত্বে ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে স্বাগত বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ আব্দুর রশিদ ও আজহারুল ইসলাম মন্টু, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি জেলা সদস্য সচিব খাইরুল আহসান, প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন ও মৎস্যচাষী জাহেদুল ইসলাম বাবু।

অনুষ্ঠান শেষে উপজেলার শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী হিসেবে মিশ্র কার্প চাষে গুণাকরকাটি গ্রামের মো. সেফাতুল্লাহ, বাগদা চাষে শ্রীউলার কোহিনুর ইসলাম এবং গলদা চাষে বড়দলের আজহারুল ইসলাম মন্টুকে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

শ্যামনগর: শ্যামনগরে র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ পুকুরে ২০ কেজি রুই জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌহিদ হাসান।

অনুষ্ঠানে উপজেলার শ্রেষ্ঠ চার মৎস্যচাষীকে চারটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন—বাগদা চিংড়ি উৎপাদনে পদ্মপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমজাদুল ইসলাম, কার্প মিশ্র চাষে ঈশ্বরীপুর গ্রামের রিজভী আহম্মেদ, রুই জাতীয় মাছ উৎপাদনে ভূরুলিয়া গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম এবং নদীতে খাঁচায় মাছ উৎপাদনে শ্রেষ্ঠ দল বিশ্বজীত সরদার ও তাঁর দল। আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসাইন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জিয়াউর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এসএম দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান, শ্যামনগর থানার সেকেন্ড অফিসার বিপ্লব হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আমজাদুল ইসলাম, মৎস্যচাষী ফিরোজ হোসেন এবং বুড়িগোয়লিনী নৌ থানা পুলিশের প্রতিনিধি।

কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মেশকাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ কুমার রায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম, এনপিপির প্রধান সমন্বয়ক সম্রাট হোসেন ও পৌর জামায়াতের আমির প্রভাষক জাকির হোসেন। সভা শেষে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫ জন মৎস্যচাষীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

কয়রা (খুলনা): খুলনার কয়রায় উপজেলা পরিষদ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‌্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মৃন্ময় কুমার ম-লের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সমীর কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কয়রা-পাইকগাছা আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. হাসানুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার জিএম মাওলা বকস, কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এমএ হাসান, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, কয়রা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াছাদ আলী, মৎস্যচাষী ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম খোকা, মিনারুল ইসলাম, মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃ আকবার হোসেন, রোকনুজ্জামান ও নিরঞ্জন ম-ল। আলোচনা শেষে মৎস্য খাতে অবদানের জন্য ৩ জন মৎস্যচাষীকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের পুকুরে রুই জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

Ads small one

স্কুল ফিডিংয়ে উপস্থিতি বাড়লেও খাবার বরাদ্দ ৯০ শতাংশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
স্কুল ফিডিংয়ে উপস্থিতি বাড়লেও খাবার বরাদ্দ ৯০ শতাংশের

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: সরকারি ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির প্রভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও ভর্তির আগ্রহ বাড়লেও খাবার বরাদ্দ নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে মোট শিক্ষার্থীর ৯০ শতাংশের জন্য খাবার বরাদ্দ থাকায়, উপস্থিতির হার ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশে পৌঁছালে খাবারে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সব শিক্ষার্থীকে কর্মসূচির শতভাগ আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
যশোরের কেশবপুর, অভয়নগর ও ঝিকরগাছার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, যশোর, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা ও নড়াইলের ছয়টি উপজেলায় বর্তমানে ৯১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৬১ জন শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় রয়েছে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে—১৯১টি বিদ্যালয়ের ২৫ হাজার ৮১৫ জন। এছাড়া ঝিকরগাছার ১৩১টি বিদ্যালয়ে ২০ হাজার ৪৩৭, কেশবপুরের ১৫৮টি বিদ্যালয়ে ১৯ হাজার ৪৬২, অভয়নগরের ১১৭টি বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৪২, গাংনীর ১৬২টি বিদ্যালয়ে ১৮ হাজার ৩৪৭ এবং কালিয়ার ১৫৬টি বিদ্যালয়ে ১৮ হাজার ৭৫৮ জন শিক্ষার্থী খাবার পাচ্ছে।
কেশবপুরের মজিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদেব কুমার দেবনাথ জানান, কর্মসূচি শুরুর পর উপস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বেড়েছে। তবে শতভাগ খাবারের বরাদ্দ না থাকায় অনেক সময় খাবার ভাগ করে দিতে হয়।
অভয়নগরের অভিভাবক নাসিমা বেগম বলেন, এই ব্যবস্থার ফলে বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমেছে। যশোর জেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতা মো. শাহীনুর রহমান ও ঝিকরগাছার নাগরিক প্রতিনিধি মো. নাজমূল আলম উপস্থিতির সামঞ্জস্য রেখে খাবারের বরাদ্দ বৃদ্ধি ও শতভাগ শিক্ষার্থীকে যুক্ত করার জোর দাবি জানান।
কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের উপপরিচালক শাহিনা পারভীন জানান, প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নিয়ম মেনে প্রত্যন্ত অঞ্চলে খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং শতভাগ বরাদ্দের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।
কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনের উপস্থিতির হেরফের অনুযায়ী পাশের বিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে খাবার ব্যবস্থাপনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে এটি আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।

আশাশুনিতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী গ্রামের আমির আলী গাজীর ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী আলামিন হোসেন (২৫) নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে কুঁন্দুড়িয়া গ্রামে তাঁর বড় ভাই হোসেন আলীর বাড়ি থেকে নিজেদের বাড়ি শোভনালীর উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
আলামিনের পরনে ছিল লুঙ্গি, কালো শার্ট এবং হাতে ছিল একটি সাদা শপিং ব্যাগ। তাঁর গায়ের রং শ্যামলা ও পরিষ্কার। তিনি অস্পষ্ট ভাষায় কথা বলতে পারেন। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তাঁর সন্ধান পেলে বড় ভাই হোসেন আলীর সাথে মোবাইল নম্বরে (০১৭৭৮-৮৩৩৫৯৫) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

 

 

আশাশুনিতে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

সংবাদদাতা: আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে রবিবার ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের ইউনিয়ন পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা সংস্থা-এর অর্থায়নে, অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার-এর সহযোগিতায় এবং ‘উত্তরণ’-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শরিয়তুল্লাহ। প্রকল্পের নানা দিক তুলে ধরেন উত্তরণের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার মো. আল-আমিন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আশাশুনি সরকারি কলেজের প্রভাষক মাওলানা মো. বাকিবিল্লাহ, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন, ইউপি সদস্য মো. আব্দুস সালাম, মো. সিরাজুল ইসলাম, তারকচন্দ্র ম-ল, এস এম তারিকুল আউয়াল ও মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিন। উত্তরণের সহকারী প্রকল্প সমন্বয়ক মো. হেদায়েত উল্লাহ মুকুলসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।