সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রাণ জুড়ানো সবুজ নিঃশ্বাস: বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ অক্সিজেনদাতা গাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
প্রাণ জুড়ানো সবুজ নিঃশ্বাস: বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ অক্সিজেনদাতা গাছ

তারিক ইসলাম

‎আজকের কংক্রিটের শহরে নিঃশ্বাস নেওয়া যেন এক কঠিন সংগ্রাম। মাত্রাতিরিক্ত নগরায়ণ, যানবাহনের কালো ধোঁয়া আর অপরিকল্পিত শিল্পায়ন প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশের বাতাসকে বিষাক্ত করে তুলছে। এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে কেবল যেকোনো গাছ লাগালেই চলবে না, বরং প্রয়োজন এমন সব উদ্ভিদ নির্বাচন করা যা অধিক পরিমাণে অক্সিজেন উৎপাদন এবং বাতাস পরিশুদ্ধ করতে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটিতে প্রাকৃতিকভাবেই এমন কিছু গাছ জন্মে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর।
‎আমাদের পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক এমন শীর্ষ ৫টি উচ্চ অক্সিজেন প্রদানকারী গাছের বিবরণ তুলে ধরা হলো:

‎১. অশ্বত্থ গাছ
‎তালিকার শীর্ষেই রয়েছে অশ্বত্থ গাছ। এর রয়েছে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণের অসামান্য ক্ষমতা। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, বিশেষ মেটাবলিক প্রক্রিয়া বা ‘ক্যাম’ পাথওয়ের কারণে এটি রাতের বেলাতেও বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন নির্গত করতে সক্ষম। এর সুবিশাল ক্যানোপি বা পাতার বিস্তার বাতাস থেকে প্রচুর ধূলিকণা দূর করে এবং শহুরে উষ্ণতা কমাতে দারুণ কার্যকরী।

‎‎২. বট গাছ
‎আমাদের গ্রামীণ জনপদের চিরচেনা বট গাছ তার বিশাল আকৃতি এবং সুবিশাল ডালপালার কল্যাণে এক একটি প্রাকৃতিক অক্সিজেন কারখানা। এর পাতার মোট উপরিভাগ বা সারফেস এরিয়া অনেক বেশি হওয়ায় সালোকসংশ্লেষণের মাত্রা বহুগুণ বেড়ে যায়। বিপুল পরিমাণ সবুজ পাতার প্রাচুর্য থাকায় এটি আশেপাশের পরিবেশকে সবসময় শীতল ও সতেজ রাখে।

‎‎৩. নিম গাছ
‎পরিবেশবান্ধব গাছের তালিকায় নিম গাছের নাম সর্বাগ্রে আসে। এটি কেবল দিনের বেলায় বিপুল পরিমাণ অক্সিজেনই তৈরি করে না, বরং বাতাসকে প্রাকৃতিক ফিল্টার হিসেবে পরিষ্কার রাখে। বায়ুমন্ডলের ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস শোষণ করে পরিবেশ ঠান্ডা রাখতে এবং বাতাসকে বিষমুক্ত করতে নিম গাছের জুড়ি মেলা ভার।

‎‎৪. অর্জুন গাছ
‎রাস্তার ধার কিংবা মেঠোপথে পরম যতেœ বেড়ে ওঠা অর্জুন একটি ঘন পাতার চিরহরিৎ গাছ। এর চওড়া ক্যানোপি দ্রুতগতিতে বাতাস থেকে কার্বন সেকুয়েস্ট্রেশন (কার্বন আটকে রাখা) কাজটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে। ফলস্বরূপ, এই গাছটি প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন বায়ুমন্ডলে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম।

‎৫. জাম গাছ
‎আমাদের চেনা পরিচিত জাম গাছ অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর পাতার ঘনত্ব বেশ বেশি। এটি বাতাস থেকে সালফার ডাই অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইডের মতো মারাত্মক দূষিত উপাদানগুলো শুষে নিয়ে বিশুদ্ধ অক্সিজেন ফিরিয়ে দিতে অত্যন্ত পারদর্শী। দূষণ রোধ ও পরিবেশ সুরক্ষায় এই ফল গাছের অবদান অনস্বীকার্য।

‎বায়ুদূষণের এই চরম সংকটময় সময়ে আমাদের বাড়ির আঙিনা, গ্রামীণ সড়ক, মহাসড়কের পাশ কিংবা কংক্রিটের শহুরে চত্বরে অশ্বত্থ, বট, নিম, অর্জুন ও জামের মতো উপকারী গাছগুলো সংরক্ষণ ও রোপণ করা অত্যন্ত জরুরি। একটি সবুজ, সুস্থ ও প্রাণবন্ত ভবিষ্যৎ গড়তে এখনই আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

‎লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

 

 

Ads small one

হঠাৎ এমন বিষণ্ণ দীপা খন্দকার, কী ঘটেছে তার জীবনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
হঠাৎ এমন বিষণ্ণ দীপা খন্দকার, কী ঘটেছে তার জীবনে

চোখেমুখে ক্লান্তি, অথচ সেই ক্লান্তির আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর কোনও গল্প। পরনে সাদামাটা শাড়ি, এলোমেলো চুল আর বিষণ্ন দৃষ্টিতে যেন একরাশ না-বলা কথা। এমনই এক আবহে দেখা মিলেছে অভিনেত্রী দীপা খন্দকারের।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে দীপা নিজেই তার এমন একটি ছবি প্রকাশ করেছেন।

অভিনেত্রী জানালেন এটি তার নতুন নাটকের একটি স্থিরচিত্র। সোমবার ((১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় সিনেমাওয়ালা এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেলে এসেছে তার অভিনীত মিনি সিরিজ ‘কর্মফল’। এ সিরিজে এমনই একটি চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। এটি পরিচালনা করেছেন মাহিন খান।

সাম্প্রতিক সময়ে পারিবারিক গল্পের নাটকের প্রতি দর্শকের আগ্রহ বেড়েছে। এদিকে পারিবারিক গল্পের নাটক মানেই দীপার উপস্থিতি।

তার ভাষ্য, ‘আমি ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই পারিবারিক গল্পের নাটকগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে আসছি। মাঝে আমাদের নাটক কিছুটা এখান থেকে সরে আসে। এখন অনেক নির্মাতা আবার পারিবারিক গল্পের নাটক নির্মাণ করছেন। দর্শক সেগুলে দারুণভাবে দেখছেনও। এ নাটকও আশা করি দর্শকের ভালো লাগবে। নাটকের প্রতিটি চরিত্রে তারা নিজেদের খুঁজে পাবে।’

‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ থেকে ‘নিন্দার কাঁটা’—ফরিদা পারভীনের ১০ গান‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ থেকে ‘নিন্দার কাঁটা’—ফরিদা পারভীনের ১০ গান
‘কর্মফল’সিরিজে আরও অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, ইরফান সাজ্জাদ, আ.খ.ম হাসান ও মনিরা মিঠুসহ অনেকে

মানদেব প্রণালিতে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি তেল আমদানিতে বাড়ছে ঝুঁকি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
মানদেব প্রণালিতে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি তেল আমদানিতে বাড়ছে ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক: ইয়েমেনের বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ায় সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল আনার গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালিতে ঝুঁকি বেড়েছে। এতে জ্বালানি তেল আমদানিতে সময় ও খরচ বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। তবে এর প্রভাব দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দামে এখনই পড়ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ সেপ্টেম্বর মাসের জন্য সরকার আগেই জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বাব আল-মানদেব নৌপথে হুথিদের নিয়ন্ত্রণের সময় দীর্ঘ হলে সংকট সৃষ্টি হতে পারে।

আন্তর্জাতিক রয়টার্সের খবরে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে জানান, মোখায় হুথিদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রণালির প্রবেশপথে তাদের সরাসরি উপস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে লোহিত সাগর ও আশপাশের নৌপথে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

এদিকে বাংলাদেশে গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তরল জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির চেষ্টা করছে সরকার। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংসদে জানান, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে আরও ৬ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। ঠিক এই সময়ে এমন পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুধু বৈশ্বিক তেলের বাজারেই নয়, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও নতুন চাপ তৈরি করতে পারে। যদিও এখনই তা ভোক্তার কাঁধে বর্তাবে বলে মনে করা হচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বর মাসে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে। এর আগে জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসেও একই দাম বহাল রাখা হয়েছিল। সেপ্টেম্বরেও দাম অপরিবর্তিত থাকায় টানা চতুর্থ মাসে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানো বা কমানো হয়নি।

লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে ইয়েমেন ও জিবুতির মাঝখানে সরু জলপথ বাব আল-মানদেব প্রণালি। হরমুজের পর তেল পরিবহনে বিকল্প জলপথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল কিন্তু গত শুক্রবার বাব আল-মানদেব প্রণালির পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে হুথিরা। তারা বন্দরনগর মোখা দখল করেছে।

গত চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। গত এক সপ্তাহে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। জুলাইয়ের মাঝামাঝির পর এক সপ্তাহে এখন তেলের দামের সবচেয়ে বড় উত্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।

জ্বালানি সংশ্লিষ্টরা জানান, সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল আনার ক্ষেত্রে বাব আল-মানদেব গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হয়ে উঠেছিল। সম্প্রতি নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে বাংলাদেশগামী একটি জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকারকে এই প্রণালি এড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। এতে যেখানে বাব আল-মানদেব হয়ে বাংলাদেশে আসতে প্রায় ১৬ দিন লাগতো, সেখানে ঘুরপথে সময় লেগেছে প্রায় ৫০ দিন। এভাবে একটি ট্যাংকারে বাড়তি ব্যয় হতে পারে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত বলে জানিয়েছে জাহাজের সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল আমদানির প্রধান নৌপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি। ইরান যুদ্ধের কারণে ওই পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেব হয়ে বাংলাদেশে তেল আনার পথটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। এখন বাব আল-মানদেবেও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় জ্বালানি তেল আমদানিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তবে এই পরিস্থিতির কারণে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সামনে বাড়বে কিনা, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক বাজারের দাম, আমদানি ব্যয় ও দেশের বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করে সরকার।

তবে বাব আল-মানদেবের নিরাপত্তাঝুঁকি দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি তেল আমদানির সময় ও ব্যয় কতটা বাড়বে এবং এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত দেশের বাজারে পড়বে কিনা, তা নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আমদানির পরবর্তী ব্যয়ের ওপর।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, এর ফলে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাবে। ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এমনিতেই ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। এই দাম আরও বৃদ্ধির শঙ্কা তৈরি হলো। বিশেষ করে ডিজেলের দাম বাড়তে পারে। তিনি বলেন, এখনই আমেরিকায় গ্যালনপ্রতি ডিজেলের দাম ছয় ডলার ছাড়িয়েছে, যা সর্বোচ্চ। এটি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

আন্তর্জাতিক তেলের বাজার নিয়ে কাজ করে আসা অয়েল ডটকম তাদের এক খবরে জানিয়েছে, চলতি বছরের মার্চের শুরুর দিকে ১১৯ দশমিক ৪৮ ডলারে পৌঁছেছিল তেলের দাম। বর্তমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের কাছাকাছি আবার চলে যেতে পারে তেলের দাম।

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করলো জামায়াত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করলো জামায়াত

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে ও ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে জামায়াতে ইসলামীর মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করেছেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত সিরাতুন্নবী (সা.) কনফারেন্সে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও স্থানীয় নির্বাচনে সব দল আলাদাভাবে নির্বাচন করবে। সেজন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতের দুই প্রার্থীও ঠিক করা হয়েছে।’

এসময় তিনি বলেন, উত্তরে নির্বাচন করবেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণ সিটিতে নির্বাচন করবেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।

ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ভাঙচুর প্রসঙ্গে পরওয়ার বলেন, যারা প্রথাগত রাজনীতি করে এই ভূখণ্ডের ইতিহাস জানে না, তারাই এ ধরনের আচরণ করতে পারে।