শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

বাংলাদেশ ২০২৬: উন্নয়নের পথে এক নবযাত্রার সম্ভাবনা-চার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ২০২৬: উন্নয়নের পথে এক নবযাত্রার সম্ভাবনা-চার

পরিবর্তন-পর্ব ৩৯

আশরাফ রহিম

পরিবর্তন-৩৮ আলোচনায় প্রধান বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান কেন্দ্রিক মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি-যা আমাদের জন্য এক অশনি সংকেত। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি-সব মিলিয়ে এর প্রভাব পড়বে পরিবহন, কৃষি ও নিত্যপণ্যের বাজারে। অর্থাৎ, এর সরাসরি চাপ পড়বে সাধারণ মানুষের জীবনে।

সম্ভাব্য প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন অন্যতম। ইদানীং লোডশেডিং নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আমরা অবশ্যই এই সমস্যার সমাধান চাই-এবং চাই একটি স্থায়ী সমাধান। এই সমাধান দুই ধাপে অর্জন করা সম্ভব:

১) ২০২৬-২৭ অর্থবছরকে সামনে রেখে তাৎক্ষণিক বা স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ;

২) দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ-অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদি কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের উপযোগী একটি টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়ন।

স্বল্পমেয়াদি কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের পরপরই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে হবে।
আগেও বলেছি, আবারও বলছি-বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে অসম্ভব বলে কিছু নেই। ১৯৭১ সালে আমরা তার প্রমাণ দিয়েছি। এই সংকটের সমাধানও বাংলাদেশের মানুষই করতে সক্ষম। প্রয়োজন অগণিত “আলোকিত মানুষ”-যাদের সততা, কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও ত্যাগ অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে। আমাদের দরকার আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যমী মানুষ-যারা বিশ্বাস করে, আমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আমরাই গড়ে তুলবো।

আজকের আলোচনায় তুলে ধরা হলো এমন কিছু কার্যকর পদক্ষেপ, যা এখনই শুরু করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, এখানে প্রস্তাবিত কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সহায়তা নেওয়া হয়েছে। মনে রাখতে হবে, নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে।

বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট-সম্ভাব্য সমাধান
বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুতর জ্বালানি সরবরাহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াবে-এটি সত্য। তবে মূল প্রশ্ন হলো, কীভাবে দেশে নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়?

বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট কোনো একক কারণে সৃষ্টি হয়নি; বরং এটি জ্বালানির উপর অতিনির্ভরতা, সঞ্চালন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, অর্থায়ন সংকট এবং চাহিদার দ্রুত বৃদ্ধির সম্মিলিত ফল। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবশ্যই সহায়ক হবে, তবে এটিকে একমাত্র সমাধান হিসেবে দেখা বাস্তবসম্মত নয়। সমাধান হতে হবে বহুমাত্রিক ও বাস্তবভিত্তিক।

নি¤েœ কিছু কার্যকর দিক তুলে ধরা হলো-
১) গ্রিড ও অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ (সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার)
বাংলাদেশে অনেক সময় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে বিভ্রাট ঘটে।

⦁ সঞ্চালন লাইনের উন্নয়ন করে জট ও ক্ষতি কমানো

⦁ স্মার্ট গ্রিড প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ (রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ ও ত্রুটি শনাক্তকরণ)

⦁ সিস্টেম লস কমানো

এই খাতের উন্নয়ন ছাড়া নতুন উৎপাদন নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে পারবে না।

২) জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য আনা (গ্যাস নির্ভরতা হ্রাস)

বর্তমানে বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাস ও আমদানিকৃত জ্বালানির উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। একটি ভারসাম্যপূর্ণ জ্বালানি মিশ্রণে থাকা উচিতÑ

⦁ সৌর শক্তি (ছাদভিত্তিক ও শিল্প খাতে)

⦁ এলএনজি (স্বল্পমেয়াদে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে)

⦁ পারমাণবিক শক্তি (বেসলোড)

⦁ আঞ্চলিক জলবিদ্যুৎ আমদানি (নেপাল, ভুটান, ভারত থেকে)

৩) কৌশলগতভাবে সৌর শক্তিতে বিনিয়োগ

জমির সীমাবদ্ধতা বিবেচনায়Ñ

⦁ কারখানা ও বাণিজ্যিক ভবনে ছাদভিত্তিক সৌর ব্যবস্থা

⦁ জলাশয়ে ভাসমান সৌর প্রকল্প

⦁ গ্রামীণ ও দ্বীপ অঞ্চলে সৌর মাইক্রোগ্রিড

এতে কেন্দ্রীয় গ্রিডের উপর চাপ কমবে।

৪) জ্বালানি সংরক্ষণ (Energy Storage) বৃদ্ধি

⦁ ব্যাটারি স্টোরেজে বিনিয়োগ

⦁ পাম্পড হাইড্রো স্টোরেজ (যেখানে সম্ভব)

⦁ শহরাঞ্চলে গ্রিড-স্কেল স্টোরেজ

৫) জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার (স্বল্পমেয়াদে জরুরি)

⦁ দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) চুক্তি

⦁ কৌশলগত জ্বালানি মজুদ

⦁ সরবরাহ উৎসের বৈচিত্র্য

৬) চাহিদা ব্যবস্থাপনা (দ্রুত ফলপ্রসূ)

⦁ সময়ভিত্তিক বিদ্যুৎ মূল্য নির্ধারণ

⦁ জ্বালানি সাশ্রয়ী যন্ত্রে প্রণোদনা

⦁ শিল্পে অফ-পিক সময় ব্যবহার

মাত্র ৫-১০% পিক চাহিদা কমানো গেলে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে।

৭) আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণ

⦁ নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি

⦁ ভারতের সাথে গ্রিড সংযোগ বৃদ্ধি

৮) সুশাসন ও দক্ষতা বৃদ্ধি

⦁ প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও বিলম্ব হ্রাস

⦁ ইউটিলিটি ব্যবস্থার আর্থিক দক্ষতা বৃদ্ধি

⦁ বেসরকারি বিনিয়োগে সহায়ক নীতি

৯) পারমাণবিক শক্তির বাস্তবসম্মত ব্যবহার

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র বেসলোড সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ হলেও-

⦁ এটি ব্যয়বহুল

⦁ দ্রুত সম্প্রসারণযোগ্য নয়

⦁ শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামো প্রয়োজন

সারসংক্ষেপ (Bottom Line)

বাংলাদেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কোনো একক সমাধান যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগÑ

⦁ শক্তিশালী গ্রিড অবকাঠামো

⦁ বহুমুখী জ্বালানি উৎস

⦁ নবায়নযোগ্য শক্তি ও সংরক্ষণ প্রযুক্তির সমন্বয়

⦁ আঞ্চলিক সহযোগিতা

⦁ দক্ষ ও সচেতন বিদ্যুৎ ব্যবহার

এই সমন্বিত পথই বাংলাদেশকে একটি টেকসই, নির্ভরযোগ্য এবং ভবিষ্যতমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে পারে-এটাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। অবশ্যই মনে রাখতে হবে, নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে। (চলবে…)

Ads small one

সম্পাদকীয়/ নদী ও জলাশয় রক্ষায় চাই কঠোর পদক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নদী ও জলাশয় রক্ষায় চাই কঠোর পদক্ষেপ

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগের চিত্র ফুটে উঠেছে দুটি সাম্প্রতিক ঘটনায়। একদিকে সদর উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বেতনা নদীতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে খননকাজ চালানোর পর পলি জমে নাব্যতা হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বেআইনি আড় জালের জন্য। অন্যদিকে শ্যামনগরের অন্তাখালী খালে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয়েছে ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী ও বুলেট নেট জাল, যা পরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। ঘটনা দুটি ভিন্ন উপজেলার হলেও তাদের মূল সংকট অভিন্নÑআইন অমান্য করে ক্ষতিকর জালের অবাধ ব্যবহার এবং জলজ জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস সাধন।

বেতনা নদী সাতক্ষীরা অঞ্চলের নিষ্কাশন ব্যবস্থার অন্যতম মূল ধমনি। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নদীটি খনন করার মূল উদ্দেশ্য ছিল জোয়ার-ভাটা স্বাভাবিক রাখা এবং এলাকাকে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করা। কিন্তু সদর উপজেলার বিনেরপোতা, শাল্যে, মাছখোলা ও কামারডাঙ্গা এলাকায় নদীর এক তীর থেকে অন্য তীর পর্যন্ত আড়াআড়িভাবে আড় জাল পেতে রাখা হচ্ছে। এর ফলে পানির গতিপথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দ্রুত পলি জমে তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই প্রবণতা রোধ করা না গেলে স্লুইসগেট দিয়ে বিলের পানি নদীতে নিষ্কাশিত হতে পারবে না, যার খেসারত দিতে হবে পুরো সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে।

অন্যদিকে, ক্ষুদ্র ফাঁসের চায়না দুয়ারী কিংবা বুলেট জালের মতো প্রাণঘাতী জালের সয়লাব দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য এক নীরব মহামারি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে কেবল বড় মাছই ধরা পড়ে না, রেনু পোনা থেকে শুরু করে জলজ সব কীটপতঙ্গ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যায়। শ্যামনগরে মৎস্য বিভাগের অভিযানে এই ক্ষতিকর জাল জব্দ ও ধ্বংস করার ঘটনা ইতিবাচক ও প্রশংসনীয়। কিন্তু সাময়িক অভিযান চালিয়ে এমন ভয়াবহ প্রবণতা স্থায়ীভাবে থামানো কঠিন।

নদী বা খাল পুনঃখননে যে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়, অসচেতনতা ও গুটিকয়েক সুযোগসন্ধানী লোকের প্রভাবে যদি তার সুফল নষ্ট হয়, তবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে কেবল প্রথাগত অভিযানে সীমাবদ্ধ না থেকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। সেগুলো হলোÑ বেতনা নদীসহ স্পর্শকাতর নদ-নদীগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল জোরদার করতে হবে। নদীতে অবৈধভাবে জাল স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী বা অন্যান্য নিষিদ্ধ জাল বাজারে বেচাকেনা ও প্রস্তুত বন্ধে এর উৎসমুখ ও কারখানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। নদী রক্ষা ও মাছের প্রজনন সুরক্ষায় ইউপি সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক সচেতনতা বাড়িয়ে পাহারাদার কমিটি গঠন করা যেতে পারে।

নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা নিশ্চিত করে নদী ও জলাশয়গুলোকে দখল ও ক্ষতিকর ফাঁদের হাত থেকে মুক্ত রাখা এখনই সময়ের বড় দাবি।

 

সাতক্ষীরায় ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা’বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা’বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে এক সপ্তাহ মেয়াদি ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টায় ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট এ এস এম হাফিজুর রহমান কর্মসূচির সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ সদস্যদের জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও কৌশল বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ আয়োজন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনানুগভাবে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

খুলনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা, পারস্পরিক সম্প্রীতি, মানবাধিকার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খুলনায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আয়োজনে এবং ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ’ প্রকল্পের সহযোগিতায় ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলার জন্য আয়োজিত এ কর্মশালায় পবিত্র মোহন দাসের নেতৃত্বে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায়ের ২০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সাতক্ষীরা থেকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, ফরিদা আক্তার বিউটি, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, লেখক শেখ সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক ভারতেশ্বরী বিশ্বাস, জেলা নাগরিক কমিটির নেতা আলী নূর খান বাবুল, ধর্মীয় নেতা শেখ মাহবুব রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হেনরী সরদার, অ্যাডভোকেট সেলিনা আক্তার প্রমুখ। হাঙ্গার প্রজেক্টের জ্যেষ্ঠ কর্মসূচি কর্মকর্তা রুবিনা আক্তার, সুশান্ত রায় ও রাজু জোবেদ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি