সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বাঘ, সাপ ও বনদস্যুর ভয় মাথায় নিয়েই সুন্দরবনে জীবিকার সন্ধানে উপকূলের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
বাঘ, সাপ ও বনদস্যুর ভয় মাথায় নিয়েই সুন্দরবনে জীবিকার সন্ধানে উপকূলের মানুষ

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে সুন্দরবনে যেতে হয় উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের। বাঘের আক্রমণ, বিষধর সাপের দংশন, বনদস্যুদের অপহরণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয় মাথায় নিয়েই তারা নদী-খাল আর গভীর বনের ভেতর সংগ্রাম করে চলেছেন পরিবারের মুখে দুমুঠো খাবার তুলে দেওয়ার আশায়।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর, আশাশুনি ও কয়রা উপজেলার উপকূলীয় এলাকার অনেক পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস সুন্দরবন। মাছ ধরা, কাঁকড়া আহরণ, গোলপাতা কাটা, মধু সংগ্রহের জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে বন বিভাগ থেকে পাশ নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেন তারা। তবে প্রতিটি যাত্রাই যেন অনিশ্চিত এক জীবনযুদ্ধ।

স্থানীয় জেলে ও মৌয়ালদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন ভোরে নৌকাযোগে তারা বনের গভীরে প্রবেশ করেন। সেখানে দিনের পর দিন থাকতে হয় খালে ও জঙ্গলের ভেতরে। কখন কোথা থেকে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আক্রমণ আসবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। আবার নদীর চরে কিংবা গাছের নিচে লুকিয়ে থাকা বিষধর সাপের কামড়ের ঘটনাও প্রায় ঘটে।

শ্যামনগরের গাবুরা এলাকার জেলে আমজাদ শেখ জানান, “আমরা জানি বনে গেলে জীবিত ফিরে না-ও আসতে পারি। তারপরও সংসারের জন্য যেতে হয়। মাছ না ধরলে ঘরে খাবার জোটে না।”

অন্যদিকে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্যও এখন আরো বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক সময় জেলে ও মৌয়ালদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। কেউ কেউ মারধর ও নির্যাতনের শিকারও হন। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটান বনজীবীরা।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, সুন্দরবন নির্ভর মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। বনদস্যু দমনে নিয়মিত অভিযান, বনজীবীদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রদান, সহজ শর্তে ঋণ ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা গেলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।

এদিকে বনজীবীদের দাবি, সুন্দরবনে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি সহায়তা বাড়ানো জরুরি। তারা বলেন, “আমরা দেশের সম্পদ রক্ষা করি, অথচ আমাদের জীবনই সবচেয়ে অনিরাপদ।”

প্রতিদিনের ভয় আর অনিশ্চয়তাকে সঙ্গী করেই সুন্দরবনের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন উপকূলের হাজারো জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়াল পরিবার। সুন্দরবনে বনজীবিদের নিরাপত্তার বিষয়ে বন কর্মকর্তারদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, বনের ভিতরে আমাদের সদস্যরা সব সময় সুন্দরবনের বৈধ স্থানে জেলে বাওয়ালিদের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।বন কর্মকর্তা আরো বলেন, কিছু অসাধু জেলে বাওয়ালি নিষিদ্ধ স্থানে ঢুকে মাছ, কাঁকড়া ধরতে যেয়ে বিপদগামী হয়ে থাকে।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মতো কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা পুলিশের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।

 

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল। বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, বাংলাদেশ রেফারিজ কমিটির জেলা ফুটবল রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক তৈয়ব হাসান শামসুজ্জামান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন সরকার, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংগঠক, রেফারি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন থানার বালক ও বালিকা দল অংশ নেয়। উদ্বোধনী দিনে সাতক্ষীরা সদর থানা ও তালা থানার দলের মধ্যকার খেলার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

মামলায় গ্রেফতার হলেন গাজী নজরুল, এমপি পদ থাকবে কি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
মামলায় গ্রেফতার হলেন গাজী নজরুল, এমপি পদ থাকবে কি

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আজ স্পিকারকে জানিয়ে মরিয়মের বাবার করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

এরই মধ্যে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত এই সংসদ সদস্যের পদ থাকবে কি না, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে দল থেকে বহিষ্কার হওয়ার কারণে সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হবে—এমন সরাসরি বিধান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে নেই।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ওই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হবে। সেখানে দল থেকে বহিষ্কারের কথা উল্লেখ নেই। ফলে দল থেকে বহিষ্কারের করার পরও তার সংসদ সদস্য পদ টিকে আছে।

অন্যদিকে, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কোনও ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে নির্দিষ্ট শর্তে তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

যদিও শুধু মামলা হওয়া বা গ্রেফতার হওয়া সংসদ সদস্য পদ হারানোর সমার্থক নয়। আদালতে দণ্ডিত হওয়ার মতো বিষয় থাকলে তখন সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের অযোগ্যতার বিধান প্রাসঙ্গিক।

গাজী নজরুলের ক্ষেত্রে এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক তদন্ত করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটি জানিয়েছিল, তদন্তে তার ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণিত হয়েছে। পরে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিলের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠিও দেয় জামায়াত। তবে জাতীয় সংসদ থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্বাচন কমিশনকে কোন চিঠি দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, দলীয় তদন্তে ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণিত হওয়ার বিষয়টি নিজে থেকে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সংসদ সদস্য পদ বাতিলের কারণ হয়ে যায় না। কারণ ওই অনুচ্ছেদে নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে আদালতের দণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

সংবিধানের ৬৬(৪) অনুযায়ী, কোনও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ৬৬(২)-এর কোনও অযোগ্যতায় পড়েছেন কি না বা ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার আসন শূন্য হয়েছে কি না—এ নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে নিষ্পত্তির জন্য পাঠানোর বিধান রয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্তই এ বিষয়ে চূড়ান্ত। তবে জাতীয় সংসদ থেকে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনের শিশু পাঠানো হয়নি।

ফলে গাজী নজরুলের ক্ষেত্রে এখন দুটি বিষয় আলাদাভাবে সামনে এসেছে। একদিকে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনি প্রক্রিয়া চলছে; অন্যদিকে জামায়াত থেকে বহিষ্কারের পর তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না, তা নিয়ে সাংবিধানিক ও নির্বাচনি প্রশ্ন রয়েছে।

পুলিশ এরই মধ্যে জানিয়েছে, মামলায় গাজী নজরুলকে গ্রেফতার দেখানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন অনুসরণ করা হচ্ছে এবং স্পিকারকে চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এদিকে মামলায় গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে আসামি করা হয়েছে। মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলাটি করেন।

তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাসভাড়া কত বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাসভাড়া কত বাড়ছে

জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর পর বাসের ভাড়া পুনর্নির্ধারণে আজ সোমবার সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। সংস্থাটির বনানী কার্যালয়ে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকে বাস মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। জ্বালানি তেলের নতুন দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাসের ভাড়া কতটা বাড়ানো হবে, মূলত সেটিই আলোচনায় আসবে। তবে পরিবহন মালিক সমিতি কিলোমিটার প্রতি ২০ পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেবে বৈঠকে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এস এম আহমেদ খোকন  এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে গতকাল রবিবার রাতে সরকার চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম রবিবার মধ্যরাত থেকে থেকে কার্যকর হয়েছে।

এর মধ্যে বাসসহ অধিকাংশ গণপরিবহনে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩৫ টাকা। অর্থাৎ এক লিটার ডিজেলে খরচ সরাসরি ২০ টাকা বেড়েছে।

বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে, নতুন পরিস্থিতিতে বাসের পরিচালন ব্যয় ও জ্বালানি খরচ হিসাব করে ভাড়া সমন্বয়ের প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। দূরপাল্লা, মহানগর ও অন্য শ্রেণির বাসের ক্ষেত্রে পৃথক হিসাবও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া কত বাড়বে, তা বৈঠকের আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রস্তাবের পর নির্ধারণ হবে।

এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে বাসের ভাড়া সমন্বয়ের সর্বশেষ নজির চলতি বছরের এপ্রিলের। তখন সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করেছিল। একই সময়ে অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বাড়ানো হয়। এরপর বিআরটিএর ভাড়া নির্ধারণ-সংক্রান্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে বাসের ভাড়া বাড়ানোর সুপারিশ করে।

এরপর ২৩ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের বাসের ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং ডিটিসিএ এলাকার মিনিবাসের ভাড়া ২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সা করা হয়। অর্থাৎ দূরপাল্লা ও মহানগরের বাসে কিলোমিটারপ্রতি ১১ পয়সা করে ভাড়া বেড়েছিল।

বিআরটিএ’র আজকের বৈঠকেই তাই মূলত নির্ধারিত হবে—নতুন জ্বালানি মূল্যের পর বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে কতটা বাড়বে। বৈঠকের সুপারিশের পরই চূড়ান্ত ভাড়া নির্ধারণের পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এ এস এম আহমেদ খোকন বলেন, জ্বালানির দাম কত শতাংশ বাড়লে ভাড়া কেমন বৃদ্ধি করা যাবে এমন প্রস্তাবনা আগে থেকেই আছে। সেইসঙ্গে আমাদের কিছু চাওয়া পাওয়া আজকের বৈঠকে আমরা তুলে ধরবো। দেখা যাক সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়।