বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিজয়ের চমক, নেপথ্যে যত হিসাব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
বিজয়ের চমক, নেপথ্যে যত হিসাব

বিনোদন ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে শুধু চমকপ্রদ ফলই দেয়নি, বরং বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনও এনে দিয়েছে। বহু বছর ধরে রাজ্যটিতে যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল, সেটি এবার নড়বড়ে হয়ে গেছে। চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) নির্বাচনে এককভাবে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রশ্ন হলো- বিজয় কীভাবে এত অল্প সময়ে বিজয় ছিনিয়ে নিলেন? এ বিষয়ে উঠে এসেছে নানা বিষয়-
দুই দ্রাবিড় দলের প্রতি অনাস্থা:
কয়েক দশক পর তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো দুই প্রধান দ্রাবিড় দল—দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (ডিএমকে) ও অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে) শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতাই নয়, বরং এক ধরনের নীরব প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়েছে। নির্বাচনী প্রচারণা চলার সময় এ পরিবর্তনের আভাস তেমন একটা পাওয়া যায়নি। বড় ধরনের সরকারবিরোধী ঢেউও দেখা যায়নি; বরং বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষ করে শহরাঞ্চলের ভোটারদের আচরণের মধ্য দিয়ে তা প্রকাশ পেয়েছে।

কিছু ভোটারের কাছে ডিএমকে অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক দল। তারা শাসনব্যবস্থা পরিচালনার পাশাপাশি ক্ষমতাকে আরও সংহত করেছে। অন্যদিকে নেত্রী জয়ললিতার মৃত্যুর পর এআইএডিএমকে এখনো নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করতে পারেনি বলে অনেকে মনে করেন। এ নির্বাচনে ভোটাররা দ্রাবিড় রাজনীতিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেননি। তবে তারা দ্রাবিড় রাজনীতির বর্তমান নেতৃত্বের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। আর এই অসন্তোষের জায়গাটিই অনেক ক্ষেত্রে বিজয়কে সুবিধা দিয়েছে।

নতুন মুখের সন্ধান:
এবার ভোটারদের পছন্দের দল বেছে নেয়ার প্রবণতার দিক থেকে এবারের নির্বাচনটি ভিন্ন ছিল। এবার মানুষ শুধু পরিবর্তনের ইচ্ছাই প্রকাশ করেনি, বরং সে পরিবর্তনের ওপর একধরনের আস্থা রেখেই ভোট দিয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে বিজয় এক ব্যতিক্রমী মুখ হিসেবে উঠে আসেন। অভিনয়জগৎ থেকে রাজনীতিতে আসা বিজয় জাতি, শ্রেণি ও আঞ্চলিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে গিয়ে এক ধরনের ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠতে পেরেছেন। সমাজের বিভিন্ন স্তর ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রথমবারের মতো ভোটার হওয়া তরুণ, নারী ভোটারের একটি অংশ, শহরের ভাসমান ভোটার, এমনকি কিছু প্রবীণ ভোটারও তাকে সমর্থন দিয়েছেন।

চেন্নাইয়ে বড় পরিবর্তন:
এবার বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতিচ্ছবি দেখতে চাইলে চেন্নাইয়ের দিকে তাকাতে হবে। দীর্ঘদিন তামিলনাড়ু রাজ্যের এই রাজধানী শহরটির রাজনীতিতে সীমিত পরিবর্তন দেখা গেছে। কখনো কখনো রাজনৈতিক সমীকরণ বদলালেও কোনো বড় রাজনৈতিক শক্তির পুরোপুরি পতনের ঘটনা খুব একটা দেখা যায়নি। ২০২১ সালে দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম চেন্নাইয়ের ১৬টি আসনের সব কটিই জিতে নিয়ে আবারও শহরটিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছিল।

এবার পরিস্থিতি বদলে গেছে। সেই দুর্গ এখন ভেঙে পড়েছে। টিভিকে চেন্নাইয়ের অধিকাংশ আসনে বড় সাফল্য পেয়ে শহরের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দিয়েছে। আর চেপাউক ও হারবারের মতো হাতে গোনা কয়েকটি আসনে জয়ের মধ্য দিয়ে ডিএমকেকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

ভোট বনাম ক্ষমতা:
বিজয়ের উত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নকে সামনে এনেছে। সেটি হলো, আবেগের জায়গা থেকে মানুষকে এক করার মধ্য দিয়ে পাওয়া শাসনক্ষমতা কতটা টেকসই হবে? বিভিন্ন অঞ্চলে টিভিকের সমর্থন ছড়িয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে বিজয়ের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তামিলনাড়ুর ইতিহাস বলছে, নির্বাচনে জিততে হলে অনেক দিনের গড়ে ওঠা শক্ত সাংগঠনিক কাঠামো এবং পরিকল্পিতভাবে ভোট নিজেদের পক্ষে আনার ক্ষমতা দরকার। তামিলনাড়ু রাজ্যে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে তেমন সক্ষমতা তৈরি করেছিল। তবে এবারের নির্বাচনে টিভিকের সাফল্য নতুন এক রাজনৈতিক মডেলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তা হলো, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা জনসমর্থনও বড় ফল এনে দিতে পারে।

ব্যবস্থা পুনর্গঠন:
তামিলনাড়ু তার অতীত রাজনৈতিক ধারাকে পুরোপুরি ত্যাগ করেনি; বরং এই নির্বাচন সেটিকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করেছে। একসময় চলচ্চিত্র, আবেগ ও জনসংযোগের মতো যে বিষয়গুলো দ্রাবিড় রাজনীতির আধিপত্য গড়ে তুলেছিল, সেগুলোকেই এখন নতুন এক রাজনৈতিক শক্তি আবারও ব্যবহার করছে। তবে পার্থক্য হলো, বিজয় সেই উপাদানগুলো ব্যবহার করলেও মতাদর্শগত ও সাংগঠনিক ভিত্তিটা তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে পাননি।

Ads small one

সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

সংবাদদাতা: নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ৩ দিনব্যাপী ‘উদ্যোক্তা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’-এর সাতক্ষীরা প্রকল্প কার্যালয়ে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুন্নাহার। তিনি নারী উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন এবং সমাজ ও অর্থনীতিতে নারীদের অনবদ্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সাথে তিনি অংশগ্রহণকারী নারীদের আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজস্ব উদ্যোগ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী দিনে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের প্রতিনিধি মো. মেহেদী হাসান। তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে মূল ফেসিলিটেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংস্থাটির কমিউনিটি মোবিলাইজার মাসুদ রানা এবং কো-ফেসিলিটেটর হিসেবে ছিলেন শাহনাজ পারভিন।

কর্মশালায় ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সী স্থানীয় ২০ জন নারী অংশ নেন। ঘরোয়া দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে ক্ষুদ্র ব্যবসা বা সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণে নারীদের উৎসাহিত করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

তিন দিনের এই প্রশিক্ষণে হাতে-কলমে ব্যবসায়িক বিষয়াবলী শেখানো হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ব্যবসার উদ্ভাবনী ধারণা নির্বাচন ও নতুন উদ্যোগের পরিকল্পনা, স্থানীয় বাজার বিশ্লেষণ ও বিপণন কৌশল সমস্যা-ভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও সঠিক ব্যবসা পরিকল্পনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং নারী নেতৃত্ব উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ শেষে অনুভূতি প্রকাশ করে অংশগ্রহণকারী নারীরা বলেন, এ আয়োজন থেকে অর্জিত জ্ঞান তাদের নতুন ব্যবসার ধারণা তৈরি ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে দারুণ ভূমিকা রাখবে।

 

ভবিষ্যতে টেকসই উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে পরিবারের পাশাপাশি সমাজের আর্থিক উন্নয়নে তারা অবদান রাখতে চান।

 

পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে পাইকগাছায় পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষ বিতারণ ও রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

“গাছ লাগাই- পরিবেশ বাঁচাই” এই প্রতিপাদ্যে ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার হিতামপুর গ্রামের সড়কের পাশে গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও ছড়াকার অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কচি।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধুরি রানী সাধু, সাংবাদিক আহম্মেদ আলী বাঁচা, সমাজ সেবক সুকনাথ পাল, কার্তিক বাছাড় প্রমুখ। হিতামপুর গ্রামীন সড়কে ৩০টা নিম, কদম, পেয়ারা ও হিজল গাছের চারা রোপন করা হয়।

বৃক্ষ আমাদের ছায়া, ফল, কাঠ, আক্সিজেন দেয়, কার্বনডাই অক্সাইড শোষন করে ও সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির উদ্যোগে ভাদ্র মাস পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ বিতারণ ও রোপন কর্মসূচি পালন করা হবে।

মিস্টিতে তেলাপোকাসহ নানা অভিযোগ, রাজ-পানসি-সোনারগাঁও রেস্তোরায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
মিস্টিতে তেলাপোকাসহ নানা অভিযোগ, রাজ-পানসি-সোনারগাঁও রেস্তোরায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা শহরের ৩টি রেস্তোরায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়েছে। এসময় ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করা, বাসি খাবার ফ্রিজে রাখা, মিষ্টিতে তেলাপোকা পাওয়া এবং কিডনি ডায়ালাইসিস করার ক্যামিকেল কেওড়া জল খাবারে ব্যবহারের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান ৩টি থেকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় জানায়, শহরের পলাশপোল এলাকায় অবস্থিত পানসী রেস্তোরার ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করাসহ কিছু বাসি খাবার ফ্রিজে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এছাড়া শহরের মুনজিতপুর এলাকায় অবস্থিত হোটেল রাজ এর ফ্রিজে বাসি গ্রিল রাখা, ফ্রিজ অপরিস্কার অপরিচ্ছন্ন থাকা, খাবার ঢেকে না রাখা, মিষ্টিতে ছোট একটি তেলাপোকা পাওয়া, দই-ফিরনিতে লেবেল না দেয়া, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করার অভিযোগে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অপরদিকে শহরের লাবনী মোড় এলাকায় অবস্থিত সোনারগাঁও রেস্তোরায় দই-ফিরনিতে লেবেল না দেয়া, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করা, ঝুল পরিস্কার না করা, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষিদ্ধ কেওড়া জল (যা কিডনি ডায়ালাইসিস করার ক্যামিকেল) খাবারে ব্যবহার করার অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তিনটি রেস্তোরাকে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় আরো জানায়, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ এর একটি চৌকশ টিমের সহায়তায় উক্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান তানভীর উক্ত অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এসময় জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য অফিসার দীপংকর দত্ত এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), সাতক্ষীরা এর নির্বাহী সদস্য জি এম ইশতিয়াক জামিল সহায়তা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালের শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তদারকি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।