রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রাথমিক স্কোয়াডে নেইমার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রাথমিক স্কোয়াডে নেইমার

অবশেষে সকল শঙ্কা পেছনে ফেলে জাতীয় দলে ফেরার পথে বড় এক ধাপ এগোলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। সোমবার কার্লো আনচেলত্তির ঘোষিত ব্রাজিলের প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আনচেলত্তি স্পষ্ট করে আসছিলেন, খ্যাতির জোরে দলে জায়গা মিলবে না, বরং পুরোপুরি ফিট ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থায় থাকা খেলোয়াড়দেরই বিবেচনায় নেওয়া হবে। সে কারণেই ব্রাজিলের সর্বশেষ দলে জায়গা হয়নি নেইমারের। তখনও এসিএল ইনজুরি থেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ছিলেন। তবে তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে বেশ আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছে।

তবে গত কয়েক মাসে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে নিজের পুরোনো ছন্দ ও প্রভাব ফিরে পেয়েছেন নেইমার। ১২ ম্যাচে পাঁচ গোল ও তিন অ্যাসিস্ট করেছেন এই ফরোয়ার্ড। তবে তার প্রভাব শুধু পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ নয়। তার নেতৃত্বে ব্রাজিলিয়ান লিগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সান্তোস, পাশাপাশি কোপা সুদামেরিকানাতেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে দলটি।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপের জন্য ৫৫ সদস্যের দল ঘোষণা করতে হবে ১১ মের মধ্যে। আর বড় এই তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় না। এখান থেকেই মূলত ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড বেছে নিতে হয়।

আনচেলত্তির চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা হবে আগামী ১৮ মে। তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে বিশ্বকাপে নেইমারের প্রত্যাবর্তন। দলে জায়গা পেলে এটি হবে ব্রাজিলের হয়ে তার চতুর্থ বিশ্বকাপ।

এবার দেখে নেওয়া যাক ব্রাজিল স্কোয়াড:

ফরোয়ার্ড: ভিনি (রিয়াল মাদ্রিদ), রাফিনিহা (বার্সেলোনা), ম্যাথেউস কুনিহা (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), লুইজ হেনরিকে (জেনিত), গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি (আর্সেনাল), জোয়াও পেদ্রো (চেলসি), এস্তেভাও (চেলসি), নেইমার (সান্তোস), এন্দ্রিক (লিওঁ), রায়ান (বোর্নমাউথ), অ্যান্টনি (রিয়াল বেতিস),
ইগর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড), পেদ্রো (ফ্ল্যামেঙ্গো), রিশার্লিসন (টটেনহাম), ইগর জেসুস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), কাইও জর্জে (ক্রুজেইরো)

মিডফিল্ডার: কাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ব্রুনো গিমারায়েস (নিউক্যাসল), ফাবিনিয়ো (আল-ইত্তিহাদ), আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি),দানিলো (বোটাফোগো), লুকাস পাকেতা (ফ্ল্যামেঙ্গো), গ্যাব্রিয়েল সারা (গালাতাসারাই), জোয়াও গোমেস (উলভস), আন্দ্রেয়াস পেরেইরা (পালমেইরাস), জোয়েলিন্তন (নিউক্যাসল), জেরসন (ক্রুজেইরো), ম্যাথেউস পেরেইরা (ক্রুজেইরো)

ডিফেন্ডার: মারকিনিওস (পিএসজি), থিয়াগো সিলভা (পোর্তো), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (আর্সেনাল), ব্রেমার (ইউভেন্টাস), লিও পেরেইরা (ফ্ল্যামেঙ্গো), ইবানেজ (আল-আহলি), আলেক্সসান্দ্রো (লিল), ফ্যাব্রিসিও ব্রুনো (ক্রুজেইরো), বেরালদো (পিএসজি), ভিতর রেইস (জিরোনা), মুরিল্লো (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), ওয়েসলি (রোমা), দানিলো (ফ্ল্যামেঙ্গো), পাওলো হেনরিকে (ভাস্কো), ভিতিনহা (বোটাফোগো), অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্ল্যামেঙ্গো), ডগলাস সান্তোস (জেনিত)
লুসিয়ানো জুবা (বাহিয়া), কাইও হেনরিকে (মোনাকো), কাইকি (ক্রুজেইরো), কার্লোস অগুস্তো (ইন্টার মিলান)

গোলরক্ষক: আলিসন (লিভারপুল), এদেরসন (ফেনারবাচে), বেন্তো (আল-নাসর), হুগো সৌজা (করিন্থিয়ান্স), জন (ফরেস্ট), কার্লোস মিগেল (পালমেইরাস)

Ads small one

কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি
শেখ জিল্লু, কলারোয়া: দূর থেকে দেখলে নীল রঙের রেলিং আর কাঠের পাটাতনে তৈরি সাঁকোটি বেশ দৃষ্টিনন্দন। কিন্তু কাছে গেলেই চোখে পড়ে এর নড়বড়ে অবস্থা। বাঁশের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সাঁকোটি দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বেত্রবতী নদীর ওপর নির্মিত এই কাঠের সাঁকোটি এখন এলাকাবাসীর দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা ও টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কলারোয়া পৌরসভার যুগিবাড়ি মোড় থেকে পূর্ব দিকে প্রায় ২০০ মিটার এগোলেই বেত্রবতী নদীর ওপর সাঁকোটির অবস্থান। দক্ষিণ মুরারিকাটি পূজামণ্ডপ-সংলগ্ন এই সাঁকোর পূর্ব পাশে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এবং পশ্চিম পাশে ৭ নম্বর ওয়ার্ড। দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটির কাঠের পাটাতন ও অবকাঠামো নড়বড়ে। ফলে পথচারীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পারাপার হতে হয়। দুই চাকার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো যান চলাচলের উপযোগী নয় সাঁকোটি। এতে মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াতের পাশাপাশি মালামাল পরিবহনেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সাঁকোটির পূর্ব পাশে রয়েছে যুগিবাড়ি বাজার ও বাসস্টপেজ। পশ্চিম পাশে রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি পূজামণ্ডপ ও একটি কালীমন্দির। দুর্গাপূজা এবং তালের রসের মেলাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ মুরারিকাটি গ্রামে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। এসব উৎসবে দর্শনার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম পথ এই সাঁকো। কিন্তু এর নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত কাঠামোর কারণে ভিড়ের সময় পারাপারে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে দক্ষিণ মুরারিকাটির বাসিন্দা নির্মল মণ্ডল ও অনিমেষ পাল বলেন, প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় তাঁদের মণ্ডপসহ আশপাশের পূজামণ্ডপগুলোতে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসেন। কিন্তু মণ্ডপ-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর সাঁকোটি নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত হওয়ায় দর্শনার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে তাঁরা সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মাহবুবুর রহমান ও আকবর হোসেন বলেন, মুরারিকাটি হাইস্কুল-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর ওপরের সাঁকোটির স্থলে ইতোমধ্যে পাকা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। একই আদলে দক্ষিণ মুরারিকাটির কাঠের সাঁকোটির স্থলেও পাকা সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে এখনো সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়নি।
এলাকাবাসীর মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগপথে একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে দুই ওয়ার্ডের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে আসা দর্শনার্থীদের দুর্ভোগ কমবে এবং নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
প্রসঙ্গে রোববার বিকেলে কলারোয়া পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী শেখ রুহুল আমিন জানান, কাঠের সাঁকোটির স্থলে একটি সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, বেত্রবতীর দুটি কাঠের সাঁকোই স্থায়ী(কনক্রিট/বেইলি)করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য কাজ চলমান রয়েছে।

সম্পাদকীয়/ বিপন্ন গাবুরার দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ও সুপেয় পানির সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ বিপন্ন গাবুরার দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ও সুপেয় পানির সংকট

উপকূলীয় অঞ্চল শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরায় খোলপেটুয়া নদীর চরে অবস্থিত সরকারি ‘দৃষ্টিনন্দন’ স্থাপনাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ২০০৩ সালে খাবার পানির সংকট নিরসন ও সবুজ বনায়ন সৃষ্টির লক্ষ্যে ইকোপার্কের আদলে নির্মিত এই প্রকল্প সময়ের ব্যবধানে একটি পরিচিত দর্শনীয় স্থান এবং দুর্যোগকালীন ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর দুই দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় তদারকি ও সংস্কার না হওয়ায় আজ এর পুকুর, চারপাশের সরকারি খাল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সবুজ গাছপালা নদীভাঙন এবং লবণাক্ত পানির আগ্রাসনে বিলীন হওয়ার পথে।

উপকূলীয় জনপদ গাবুরায় সুপেয় পানির সংকট এক ভয়াবহ বাস্তবতার নাম। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডর ও ২০০৯ সালের আইলার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সমগ্র এলাকার খাবার পানির প্রধান উৎস হয়ে উঠেছিল দৃষ্টিনন্দন স্থাপনার এই পুকুরটি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে যখন পুরো অঞ্চল জুড়েই লবণাক্ততার তীব্রতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন কয়েক হাজার মানুষের নিরাপদ পানির অন্যতম প্রধান উৎস রক্ষায় এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। বর্তমানে চারপাশের মাটির বাঁধ ক্ষয় হয়ে যাওয়া এবং পুকুরের পাড় ভেঙে বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের লবণাক্ত পানি প্রবেশের ঝুঁকিতে এই শেষ সম্বলটুকুও নষ্ট হতে বসেছে।

গাবুরার বিভিন্ন এলাকায় মেগা প্রকল্পের আওতায় যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন হলেও এই গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল চরাঞ্চলীয় স্থাপনাটি কেন এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মাটির বাঁধ ও পুকুরের পাড় উঁচুকরণ, লবণাক্ত পানি প্রতিরোধে স্লুইসগেট বা শক্ত সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, সরকারি খাল পুনঃখনন এবং স্থাপনাসংলগ্ন পরিবেশ রক্ষায় অবহেলা অব্যাহত থাকলে জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে থাকা মানুষের জীবনযাত্রা আরও দুঃসহ হয়ে উঠবে।

উপকূলীয় মানুষের সুপেয় পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিছক কোনো স্থানীয় দাবি নয়, এটি জীবন ও জীবিকা রক্ষার মৌলিক শর্ত। তাই অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনাটির চারপাশের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ ও পুকুরের পাড় টেকসইভাবে সংস্কার করতে হবে। পাশাপাশি এই স্থাপনা ও সংলগ্ন সুপেয় পানির আধারটিকে স্থায়ী দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রশক্তির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রশক্তির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সংবাদদাতা: জাতীয় ছাত্রশক্তির সাতক্ষীরা জেলা শাখার আওতাধীন শ্যামনগর উপজেলা শাখার আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ছয় মাসের জন্য অনুমোদিত এ কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) জেলা শাখার অনুমোদনপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কমিটিতে মো. তৌহিদুর রহমানকে আহ্বায়ক, সোহেল হাসানকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং শাওন হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. মারুফ বিল্লাহ ও মো. আফজাল হোসেনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।

সাইফুজ্জামানকে সদস্যসচিব, মো. ইসমাইল হোসাইনকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব এবং মো. ফয়ছাল আহমেদ, মো. আরিফুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও মো. মাহফুজ হোসেনকে যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া মো. আবু সাঈদকে প্রধান সংগঠক এবং মো. মাসুদ রানা, মো. নাঈম হোসেন, ফাহিম ও রাকিবুলকে সংগঠক করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. হুমায়ুন কবির, মো. আজমির হোসেন ও মো. মুজাহিদ হোসেন।

জাতীয় ছাত্রশক্তি সাতক্ষীরা জেলা শাখার প্রধান সংগঠক মুজাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রে কমিটির মেয়াদ ছয় মাস উল্লেখ করা হয়েছে। জেলা শাখার আহ্বায়ক হাসিবুল হাসান রুমন ও সদস্যসচিব বখতিয়ার হোসেন কমিটিটি অনুমোদন করেন।