সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বেনাপোল সাদিপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনেরর চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
বেনাপোল সাদিপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনেরর চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি
এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের বেনাপোল সাদিপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনেরর চেষ্টা। বিজিবি বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন। ভারতীয় বিএসএফ বেশ কিছু বাংলাদেশিকে পুশব্যাকের চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় কড়া নজর দারীতে রয়েছে বিজিবি।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক গোলম মোহাম্মদ সাইফুল আলস খান নিশ্চিত করে জানান, বেনাপোল সাদিপুর খড়েরমাঠ এলাকা  ২১/৬ নং পিলারের কাছ দিয় ভারতীয় বিএসএফ বেশকিছু নগরিককে পুশব্যাকের চেষ্টা করলে জিরো লাইন এলাকায় রুখে দিয়েছে বিজিবি।
স্থানীয়রা জানান সোমবার গভীর রাতে ৮/১০ জনের মত একদল নাগরিককে বাংলাদেশের দিকে টেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। প্রবেশে বাধা দেয় বিজিবি। রাত থেকে জিরো লাইনে অবস্থান করছেন তারা।
বিজিবি কর্পকর্তারা জানান, সকাল দশটার দিকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সুরাহের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

Ads small one

তিন মাস সুন্দরবন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে কয়রার বনজীবীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
তিন মাস সুন্দরবন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে কয়রার বনজীবীরা

জি এম রিয়াজুল আকবর, কয়রা (খুলনা): ৪০ বছর ধরে সুন্দরবনে কাকড়া ধরে তাই বিক্রি করে জীবন যাপন করিতেছি। আমার নিজস্ব কোন জায়গা জমি নেই, এই কাকড়া বিক্রি করে যা আয় হয় তাতে সংসার চলে। সুন্দরবন যখন বন্ধ থাকে তখন কোন কাজ কাম থাকেনা। এই তিন মাস সম্পূর্ণ বাড়ি বসে থাকতে হয়। আয় রোজগারের কোন সুযোগ নেই। বয়স হয়ে গেছে কেউ কাজে নিতে চায় না। সরকার থেকে যে চাউল দেয় তাতে চলে না। বাজার ঘাট করতে হয়, অসুখ-বিসুখ আছে ঔষধ পানি কিনতে হয়।

 

সুন্দরবন বন্ধের সময় যদি আমাকে সরকারের পাশাপাশি কোন এনজিও সংস্থা বা কেউ সাহায্য করতো তাহলে বাঁচতে পারতাম। বন্ধের সময়টা খুব কষ্টে দিন কাটে এভাবে কথাগুলো বলেছিলেন তেঁতুলতলা গ্রামের মৃত মইজুদ্দিন শেখের ছেলে সুন্দরবনের বনজীবী আব্দুল বারিক শেখ। চৌকুনি গ্রামের বনজীবী মোঃ জামাল হোসেন শেখ বলেন, আমি লেখাপড়া করতাম, অভাবের কারণে আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকে আমার আব্বার সাথে সুন্দরবনে কাকড়া ধরার পেশা বেছে নেই। তিনি আরও বলেন, আমার আয়ের উপর আমাদের পরিবার চলে। ৩ মাস সুন্দরবন বন্ধের সময় আমাদের কোন কাজ থাকেনা, খুব কষ্টে জীবন যাপন করতে হয়।

সুন্দরবনের বনজীবী মোঃ আব্দুস সাত্তারসহ একাধিক বনজীবী জানান, সুন্দরবন বন্ধের সময় অতি কষ্টে তাদের জীবন যাপন করতে হয়। তারা কর্মহীন হয়ে পড়ে। সরকারের পাশাপাশি তারা বিভিন্ন বিভিন্ন এনজিও সংস্থাকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানান।

বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ এবং পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সুন্দরবনের অধিকাংশ মাছ, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজনন মৌসুম। এ সময়ে নদী-খালে মাছ ডিম ছাড়ে, বন্যপ্রাণীদের প্রজনন ঘটে এবং বিভিন্ন গাছের বীজ থেকে নতুন চারা গজায়। তাই প্রাকৃতিক পরিবেশ নির্বিঘ রাখতে প্রতিবছরের মতো এবারও তিন মাসের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে বন বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের পাস-পারমিট ইস্যু করা হবে না। কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বনে প্রবেশ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দীন বলেন, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের বেশিরভাগ বন্য প্রাণী ও জলজ প্রার্ণীর প্রজনন মৌসুম। পাশাপাশি এই সময়ে বনে প্রচুর চারা গজায়। তাই এই তিন মাস সুন্দরবন বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে সুন্দরবনের সজীবতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় সুন্দরবন সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

এদিকে, দীর্ঘ তিন মাসের জন্য সুন্দরবন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন উপকূলীয় এলাকার হাজারো বনজীবী। বনের সম্পদের ওপর নির্ভরশীল এসব মানুষের জীবন-জীবিকা থমকে যাওয়ায় তারা এখন দিশেহারা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে সরকারি সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী বনজীবীরা।

 

প্রভাতের আলোয় একঝাঁক পায়রা এই স্লোগানে “আবাবিল” সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
প্রভাতের আলোয় একঝাঁক পায়রা এই স্লোগানে “আবাবিল” সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রভাতের আলোয় একঝাঁক পায়রা” এই স্লোগানে “আবাবিল” নামক একটি অরাজনৈতিক এবং সেচ্ছাসেবী সংগঠনের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়েছে। গত ২৯ মে-২০২৬ শুক্রবার সমাজের গুণিজনকে সম্মাননা স্মারক প্রদানের মাধ্যমে “আবাবিল” এর কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়।

 

সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আত্ম সামাজিক মান উন্নয়নে পাশে দাঁড়ানো, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, বৃক্ষরোপন কর্মসূচি এবং গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা নিশ্চিতকরণ লক্ষ্যে সংগঠনটি যাত্রা শুরু করলো।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ ওসমান গনি বাবলার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুল হাসান, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক আল ফিরদাউস আলফা, ৫নং দেবহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মতিন বকুল, ক্রীড়াবিদ শিক্ষক মোঃ আফসার আলী, দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি আর কে বাপ্পা, সাংবাদিক মোঃ ফারুক হোসেন, শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোঃ রবিউল ইসলাম ও মোঃ আবুল হাসান, জনপ্রতিনিধি কামাল হোসেন, মোঃ শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রভাষক আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় “আবাবিল” পরিবারের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আশরাফুল আলম সুমনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ কবির হোসেন, মোঃ খায়রুল ইসলাম,মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ আবুল হোসেন প্রমুখ।

 

এসময় হাফেজে, বীর মুক্তিযোদ্ধা, হাজী, কবি ও সাহিত্যিক, ক্রিয়াবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক আলোকিত পিতামাতা, কৃত শিক্ষার্থী, ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রে গাইলেন কনক দত্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রে গাইলেন কনক দত্ত

প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করলেন কনক দত্ত। ওয়ালিদ আহমেদ পরিচালিত ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের গানে তার এই অভিষেক হয়। ওয়ালিদ আহমেদের লেখা ও সুরে এবং রুবেল ফ্লাইং কাইটস এর সংগীত পরিচালনায় “হৃদয়ের জমিনে” শিরোনামের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সঙ্গীতশিল্পী কনক দত্ত বলেন, সংগীত আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেক বছর ধরে গান করছি, তবে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার সুযোগ এবারই প্রথম পেলাম। প্রতিটি শিল্পীর স্বপ্ন থাকে প্লেব্যাক করার। ‘ঢাকা ১২০৫’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। নির্মাতা আমার কন্ঠে আস্থা রেখেছেন তাই আমি কৃতজ্ঞ।

সংগীত পরিচালক রুবেল ফ্লাইংকাইটস বলেন, “হৃদয়ের জমিনে” গানটি একদম মনে দাগ কাটার মতে। গানটি শোনার সময় শ্রোতারা শুধু মিউজিক না পাশাপাশি এমন অনুভব করবেন যেন পুরো গানটা তারা শুনেই ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারছেন। কন্ঠশিল্পী কনক দত্ত একজন বিনয়ী গুণীশিল্পী। তার ব্যতিক্রম কন্ঠ ও চ্যালেঞ্জ নেবার দক্ষতা আমায় মুগ্ধ করেছে।

‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের পরিচালক ওয়ালিদ আহমেদ বলেন, “হৃদয়ের জমিনে” গানটির জন্য আমরা এমন একজন শিল্পী খুঁজছিলাম, যিনি সুরের পাশাপাশি গানের আবেগটিও সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারবেন। কনক দত্ত সেই কাজটি সফলভাবে করেছেন। ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের এই গানের আবহের সঙ্গে তাঁর কণ্ঠ খুব সুন্দরভাবে মিশে গেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই গানটি দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, লোকসংগীত, ধ্রুপদী ও আধুনিক গানের চর্চার মাধ্যমে কনক দত্ত সংগীতপ্রেমীদের কাছে একজন পরিচিত মুখ। এরই ধারাবাহিকতায় চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের মাধ্যমে কনক দত্তের এই যাত্রা তাঁর ক্যারিয়ারে একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করলেন। অডিও গান ও মঞ্চ পরিবেশনার বাইরে এবার বড় পর্দার দর্শকদের কাছেও তাঁর কণ্ঠ পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হলো।

প্রসঙ্গত, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মিতব্য ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা ও অভিনেতা রাকিব হোসাইন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি