শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপেই নবজাতকের জন্ম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপেই নবজাতকের জন্ম

চারদিকে ধ্বংসস্তূপ, স্বজন হারানোর আহাজারি আর উদ্ধারকর্মীদের মরিয়া ছুটে চলা। এমন ভয়াবহ এক দুর্যোগের মধ্যেই জন্ম নিয়েছে এক নবজাতক। শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় শোকের আবহে এই শিশুর জন্ম যেন এক টুকরো আশার আলো।
এদিকে জোড়া ভূমিকম্পের কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও থামেনি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিত মানুষের সন্ধানে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন দেশি-বিদেশি উদ্ধারকর্মীরা। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৯২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিন হাজার ৩৬০ জনেরও বেশি, আর এখনও ১৭২ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট ও রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত একটি এলাকার ধ্বংসস্তূপের পাশে আশ্রয় নেওয়া এক অন্তঃসত্ত্বা নারী একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

উদ্ধারকর্মীরা জানান, চারদিকে যখন ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছিল, ঠিক সেই সময় নবজাতকের প্রথম কান্না উপস্থিত সবার চোখে জল এনে দেয়। অনেকেই শিশুটিকে দুর্যোগের মধ্যেও জীবনের জয়ের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই নবজাতকটিকে ‘আশার প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করছেন। উদ্ধারকর্মীরাও বলেছেন, এমন একটি মুহূর্ত তাদের ক্লান্তি কিছুটা হলেও ভুলিয়ে দিয়েছে।

ভেনেজুয়েলায় কয়েকদিন আগে আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৯২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিন হাজার ৩৬০ জনের বেশি এবং এখনও ১৭২ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, ৫০ হাজারের বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদার করতে ইতোমধ্যে এক হাজার ৬০০ জনের বেশি-বিদেশি উদ্ধারকর্মী ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ১৭টি উদ্ধারকারী ফ্লাইট দেশটিতে অবতরণ করেছে এবং আরও কয়েকটি ফ্লাইট পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাস ও উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চল। বহু বহুতল ভবন, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হাজারো পরিবার রাতারাতি হারিয়েছে তাদের স্বজন, ঘর-বাড়ি এবং জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ।

উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে এলেও তারা আশা ছাড়ছেন না। ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি ইট-পাথর সরিয়ে জীবনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায় কিনা, সেই চেষ্টা চলছে অবিরাম।

একদিকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসছে নিথর দেহ, অন্যদিকে একই ধ্বংসস্তূপের পাশে জন্ম নেওয়া একটি নবজাতক মনে করিয়ে দিচ্ছে—সব হারিয়েও জীবন থেমে থাকে না। ভেনেজুয়েলা এখন শোক, বেদনা ও আশার এক কঠিন অধ্যায় অতিক্রম করছে।

Ads small one

কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

oplus_0

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির কাশিমনগর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামি মহিদুল গাজীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে কাশিমনগর বাজারের প্রধান সড়কে মানববন্ধন, পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাজসেবক এম বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য দেন পাইকগাছা উপজেলা মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শেখ সেকেন্দার আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মাজেদা পারভীন, মাওলানা আবু মুসা, গোলাম মোস্তফা গাজী ও তাসমিরা খাতুন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদক ব্যবসায়ী ও নিজের ভাবিকে হত্যাকারী মহিদুল গাজীকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নিহতের মেয়ে তাসমিরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চাচা মহিদুল গাজী আমার মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় মামলা হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু গত ২১ এপ্রিল জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকে সে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদের ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা উল্টো তাদের ও মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এই পরিস্থিতিতে তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।

২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ঘরচালা মাঠপাড়া গ্রামে প্রায় ২৩ শতক জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। উভয় পক্ষই নিজেদের জমির বৈধ মালিক দাবি করে আসায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালত ও ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বল্লী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মৌজার সাবেক ২৪৮, ২৮৪, ২৮৭ সহ কয়েকটি দাগের অন্তর্ভুক্ত ২৩ শতক জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। বাদীপক্ষের মাসুরা খাতুন ও উজির আলী ফকির বিএস খতিয়ানে রেকর্ড সংশোধনের আবেদনসহ সায়েদ আলী মোড়লের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
অন্যদিকে বিবাদী সায়েদ আলী মোড়ল দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জমির নামজারি (মিউটেশন) তার নামে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করছেন। আবেশ আলী সরদারের কাছ থেকে তিনি জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ তাকে জমিতে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। তবে অন্য অংশীদার আবু তালেব ফকির এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, সায়েদ আলীর কাগজপত্র জাল। জমিটি বর্তমানে তাদের দখলে রয়েছে এবং এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে তারা সহকারী জজ ভূমি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র (মাসউক) সাতক্ষীরার উদ্যোগে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির ২০২৫-২০ছঞ মেয়াদের প্রশিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ (টিওটি) কোর্স সম্পন্ন হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে লোহাগড়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
এর আগে নড়াইল মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মৌসুমী রানী মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সালমা জামান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির লোহাগড়া শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর ফারুক এবং মানবাধিকার কর্মী সৈয়দ খায়রুল আলম।
তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে জীবন দক্ষতামূলক ও আয়বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন মডিউলের ওপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র রায় এবং মাস্টার ট্রেইনার মো. গিয়াসউদ্দিন। প্রশিক্ষণে মোট ১০জন প্রশিক্ষক অংশ নেন। সমাপনী দিনে মাসউকের হলরুমে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন।