বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

মরিচ্চাপ নদীর ভাঙনে বিলীনের ঝুঁকিতে শ্রীকলস ফুটবল মাঠ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
মরিচ্চাপ নদীর ভাঙনে বিলীনের ঝুঁকিতে শ্রীকলস ফুটবল মাঠ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি সদরের ঐতিহ্যবাহী শ্রীকলস ফুটবল মাঠটি (বালুর মাঠ) মরিচ্চাপ নদীর তীব্র ভাঙনের মুখে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে মাঠটির বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু ভাঙনকবলিত মাঠ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শ্রীকলস গ্রামের একমাত্র খেলাধুলার স্থান এই মাঠটি। গত এক বছর ধরে নদীর স্রোতের আঘাতে মাঠের উত্তর অংশে ভাঙন চলছে। বাঁধ রক্ষার জন্য বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হলেও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে এক বছরে মাঠের প্রায় ৫০ ফুট জায়গা নদীগর্ভে ধসে গেছে। বর্তমানে প্রায় ৭০০ ফুট দৈর্ঘ্য এলাকাজুড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। সামনে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই পাইলিং ও জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে বাঁধ রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, ভাঙনের তীব্রতা দেখে বিষয়টি নিয়ে তিনি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন। পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, মাঠ কমিটির সভাপতি গাউসুল আজম, সহসভাপতি মিজানুর রহমান, সেক্রেটারি আবু বক্কর সিদ্দিক, ক্রীড়া সম্পাদক সেলিম রেজা, ইউপি সদস্য শাহীনুর ইসলাম প্রমুখ।

Ads small one

তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
তীব্র লোডশেডিংয়ে অচল সাতক্ষীরা সদর: গ্রামে ত্রাহি অবস্থা

সংবাদদাতা: কোনো এলাকাতেই স্বস্তি নেই; তীব্র তাপদাহ আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো সাতক্ষীরা সদর উপজেলা। শহরের কাটিয়া, পলাশপোল, ইটাগাছা কিংবা সুলতানপুর-সবখানেই বিদ্যুতের একই দশা। অপরদিকে গ্রামীণ ফিডারগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। ঝাউডাঙ্গা, বল্লী, ফিংড়ী, বাশদহা কিংবা কুশখালী ইউনিয়নে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকর ও বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এটি এখন আর সাধারণ বিভ্রাট নয়, এটি বিদ্যুতের ‘মহামারি’।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকো মিলিয়ে পুরো জেলায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৯৫ মেগাওয়াট। প্রতিদিন প্রায় ৫৫ মেগাওয়াট ঘাটতি নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে সরবরাহ।

পৌর এলাকায় তাও কিছুটা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও, সদরের গ্রামগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাতে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।

সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরী সূত্র জানায়, ৪২টি কারখানাসহ সদরের শত শত লেদ ও চালকলের উৎপাদন পুরোপুরি লাটে উঠেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকেরা অলস বসে থাকছেন, অথচ মালিকদের গুনতে হচ্ছে নিয়মিত বেতন।
দাবদাহের কারণে ফসলের মাঠ শুকিয়ে চৌচির হলেও বিদ্যুৎ সংকটে সেচ পাম্পগুলো চালানো যাচ্ছে না। এতে আমন ও রবি শস্যের আবাদ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে ভাইরাসজনিত রোগ ও চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে রোগীর ভিড় উপচে পড়ছে।

ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব বিদ্যুতের এই ভয়াবহ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের অবহেলাকে দায়ী করছেন। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই। তীব্র গরমে ফ্যানের পাশাপাশি এসির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় লোড আরও বেড়েছে, যা বর্তমান সরবরাহ দিয়ে সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংবাদদাতা: মোঃ রবিউল ইসলাম

কপিলমুনিতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা!

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী উত্তর সলুয়া গ্রামে জিয়ারুল মজলিস (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত জিয়ারুল মজলিস উত্তর সলুয়া গ্রামের মৃত নওয়াব আলী মজলিসের ছেলে। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে কোনো এক সময় বাড়ির পাশে একটি গাছের ডালে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন জিয়ারুল। বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।

খবর পেয়ে পাইকগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের স্ত্রী জানান, “এর আগেও একবার তিনি বিষপান করেছিলেন। এরপর থেকে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।”

এ বিষয়ে হরিঢালী ইউপি’র ৮নং ওয়ার্ড সদস্য বিষু পদ রায় বলেন, “জিয়ারুল ভালো মানুষ ছিলেন। তবে কিছুদিন ধরে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ পুনর্মিলনী-২০২৬ এবং এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোঃ মাহমুদুল হাসান পলাশ, ডা. মোঃ মাহমুদুল হাসান মামুন, ডা. এস. এম. এ. মুক্তাদির তামিম এবং ডা. আব্দুর রহমানসহ অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ।

এ সময় এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধনা প্রাপ্তরা হলেন ডা. আমিনুর রহমান রিংকু, ডা. মনিরুল ইসলাম এবং ডা. মুজাহিদ বিল্লাহ।

বক্তারা বলেন, এফসিপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া চিকিৎসকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের এসব মেধাবী শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন এবং তাঁদের কর্মদক্ষতা ও সেবার মাধ্যমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ তথা সাতক্ষীরা জেলার সুনাম দেশ-বিদেশে আরও উজ্জ্বল করবেন।

বক্তারা নবীন চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা এবং রোগীদের প্রতি আন্তরিক সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাঁদের এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে সংবর্ধনা প্রাপ্ত চিকিৎসকদের ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়ের মাধ্যমে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।