শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

মা-কে নিয়ে পরীর আবেগঘন পোস্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
মা-কে নিয়ে পরীর আবেগঘন পোস্ট

আবারও আলোচনায় ঢালিউডের গ্ল্যামার কুইন পরীমণি। তবে এবার কোনো সিনেমা, কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিতর্কে নয়, বরং সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে মাকে নিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়ে খবরের শিরোনামে এসেছেন এই সুন্দরী।
শুক্রবার (২২ মে) অভিনেত্রীর সোশ্যাল হ্যান্ডেলে মাকে নিয়ে শেয়ার করা সেই পোস্টটি ছুঁয়ে গেছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের হৃদয়। পোস্টে নিজের মাতৃত্বের অনুভূতির পাশাপাশি তার মায়ের প্রতি এক বুক হাহাকার প্রকাশ করেছেন পরীমণি।

প্রকাশিত সেই পোস্টটিতে পরী লিখেছেন, আমার ছেলে অসুস্থ হলে একদম ছোট্ট বাচ্চা হয়ে যায়। বিড়ালের মতো গাঁয়ে ঘেঁষে থাকে সারাক্ষণ। শুধু আমি আমার মায়ের গাঁ ঘেঁষতে পারি না।

পরীমণির এই আবেগঘন পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুরাগী ও নেটিজেনরা তাকে ভালোবাসা ও সান্ত্বনায় ভাসাচ্ছেন। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই নায়িকার এই কষ্টের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন।

পরীমণির সেই পোস্টে মন্তব্য করে একজন নেটিজেন লিখেছেন, মা-বাবার স্নেহই সন্তানের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা। অসুস্থ অবস্থায় আপনার ছেলের আপনার কাছে এমনভাবে ঘেঁষে থাকা আসলে তার ভরসা আর ভালোবাসার আল্লাহ তাকে দ্রুত সুস্থ করে দিন এবং সব সন্তানকে সুস্থ রাখুন এই দোয়াই রইল

Ads small one

ছয় বছর ধরে বারান্দায় পড়ে আছেন পাইকগাছার লতিফ, মিলছে না চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
ছয় বছর ধরে বারান্দায় পড়ে আছেন পাইকগাছার লতিফ, মিলছে না চিকিৎসা

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): জীবন যেন থমকে গেছে লতিফ সরদারের। ৬ বছর ধরে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে ঘরের বারান্দায় শয্যাশায়ী তিনি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে শারীরিক অবস্থা। অর্থের অভাবে চিকিৎসা তো দূরের কথা, দু’বেলা খাবার জোগাড় করতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে তার পরিবারকে।

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের মৌখালী চরভরাটী এলাকার বাসিন্দা লতিফ সরদার। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার বয়স ৬৪ বছর হলেও স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত বয়স আরও বেশি। তিনি মৃতঃ রজত সরদারের ছেলে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দেড় শতকেরও কম জমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে একটি জরাজীর্ণ ভাঙাচোরা মাটির ঘর. যার পিছনের দেয়াল ধসে পড়েছে। ভাঙ্গা ঘরের সামনের বারান্দায় দিনের পর দিন শুয়ে আছেন অসহায় লতিফ সরদার। নিজের শরীর নড়ানোরও শক্তি নেই। প্রয়োজনীয় সব কাজেই তাকে অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে কষ্টের মাঝেও স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার শরীরে বিভিন্ন ধরনের গুটি দেখা দেয়।

 

পরে তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। এরপর থেকেই কার্যত শয্যাশায়ী। টাকার অভাবে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে ৬ বছর ধরে চিকিৎসাবঞ্চিত অবস্থায় মানবেতর জীবন কাটছে তার। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি স্ত্রী ফজিলা বেগম। অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে যে সামান্য আয় করেন, তা দিয়েই কোনোমতে দুজনের সংসার চলে। অনেক সময় খাবার জোটে, আবার অনেক সময় অনাহার কিংবা অর্ধাহারেই কাটে দিন।

ফজিলা বেগম বলেন, “স্বামীকে চিকিৎসা করাতে চাই, কিন্তু সামর্থ্য নেই। সরকারি সহায়তা পাওয়ার আশায় অনেকের কাছে গেছি। কিন্তু কিছু না পেয়ে ফিরে এসেছি। গরিব মানুষের কপালে যেন কোনো সাহায্যই নেই। লতিফ সরদারের নিকটাত্মীয় ও পাইকগাছা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওয়াহাব বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে কিছু আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছি। কিন্তু তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারি উদ্যোগ এবং সমাজের বিত্তবান মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

ইউপি সদস্য আনিছুর রহমান জানান, লতিফ সরদারকে চিনতে পারছিনা। খোঁজ নিয়ে দেখে পরে জানাবো।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, “বিষয়টি আমার জানা হয়েছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অসহায় লতিফ সরদারের পরিবার এখন সরকারি সহায়তা এবং সমাজের সহৃদয় মানুষের সহযোগিতার অপেক্ষায়। সময়মতো চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা মিললে হয়তো কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসতে পারে তার জীবনে।

 

 

তালায় দুস্থ-অসহায়দের মাঝে চেক বিতরণ করলেন এমপি ইজ্জত উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
তালায় দুস্থ-অসহায়দের মাঝে চেক বিতরণ করলেন এমপি ইজ্জত উল্লাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে দুঃস্থ, অসহায়, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ অনুদান কর্মসূচির আওতায় ১০ জুলাই শুক্রবার তালায় উপকারভোগীদের মাঝে নগদ চেক বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি।

বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের কারণে নির্ধারিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজন সম্ভব না হওয়ায় উপকারভোগীদের সুবিধার্থে চেক বিতরণ কার্যক্রম দুটি স্থানে সম্পন্ন করা হয়। এর মধ্যে বেলা ১১টায় তালা এমপি অফিসে এবং বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে পাটকেলঘাটা আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে উপকারভোগীদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।

এ কর্মসূচির আওতায় ৪০ জন প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১০ হাজার টাকা করে নগদ অনুদানের চেক প্রদান করা হয়।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিদুল্লাহ, সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, সহ-সেক্রেটারি মাওলানা কবিরুল ইসলাম, শুরা সদস্য ও সাংবাদিক অধ্যাপক ইয়াছীন আলী সরদার, অ্যাডভোকেট মশিউর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

এক রাতের বৃষ্টিতে ডুবেছে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল, জলাবদ্ধতায় নাকাল জনজীবন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
এক রাতের বৃষ্টিতে ডুবেছে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল, জলাবদ্ধতায় নাকাল জনজীবন

নিজস্ব প্রতিনিধি: এক রাতের রেকর্ড বৃষ্টিতে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে সাতক্ষীরায়। পৌরসভাসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সরকারি দপ্তর, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক কার্যক্রম। সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রাতে জেলায় ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে, যা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

রাতভর টানা বর্ষণে পৌর সদরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ বিভিন্ন এলাকা এখন পানিতে থইথই করছে। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, কলেজ মাঠ, হাসপাতাল চত্বর, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসহ একাধিক সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় পানি জমে গেছে। বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ রোড থেকে শুরু করে মাছখোলা এলাকার বাসিন্দারা। এই এলাকার রাস্তাঘাটে এখন হাঁটুসমান পানি। ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, রান্নাঘর ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা। স্থানীয়দের অভিযোগ—অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব ও নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করায় এই ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ রোডের বাসিন্দা সবুর গাজী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বছরের পর বছর ধরে সাতক্ষীরার মানুষ একই দুর্ভোগে পড়ে আছে। পৌর কর্তৃপক্ষ কোনো কাজই ঠিকমতো করে না, সব কাজে তারা অনিয়ম করে থাকে। আমরা ২০ বছর এখানে বসবাস করছি; আগে হালকা বৃষ্টিতে তলিয়ে যেত, আর এখনো তাই যায়। তাহলে উন্নতিটা হলো কী? এখন বলছেন, নতুন সরকার এসেছে কাজ হবে। আল্লাহ জানেন আদৌ কাজ হবে কি না।”

একই এলাকার মাছখোলা গ্রামের গৃহবধূ শাহানারা বেগম বলেন, “১০ বছর ধরে এমন হয়, কিন্তু কোনো সমাধান নেই। রান্নাঘরে পানি ঢুকে হাঁড়ি-পাতিল নষ্ট, বন্ধ হয়ে গেছে খাওয়া-দাওয়া। সাপ-মাকড় ঢুকে পড়েছে, ঘুমাতে পারছি না। সন্তানদের নিয়ে নিরাপদ জায়গায় থাকতে হচ্ছে।”

শিক্ষা কার্যকলাপেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। বৃষ্টিতে ‘দক্ষিণবঙ্গের অক্সফোর্ড’ খ্যাত সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ টু মাছখোলা সড়ক এবং কলেজের খেলার মাঠ পানিতে তলিয়ে গেছে। কলেজের শিক্ষার্থী সবুজ বলেন, “পানির কারণে কলেজে যেতে পারি না। হাঁটু পানি পার হয়ে যেতে আমাদের পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। ফলে এই সময়টা খুব দুর্ভোগে থাকতে হয়। টিউবওয়েল ডুবে গেছে, পানি কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে।”

একই অবস্থা কলারোয়া পৌর সদরের ঐতিহ্যবাহী বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা, কার্যালয় ও শ্রেণিকক্ষ হাঁটুপানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় সাড়ে ৩০০ শিক্ষার্থীর শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য জেলা পরিষদ ও পৌর প্রশাসকসহ জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাশেদুল ইসলাম কামরুলসহ কর্তৃপক্ষ।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা। প্যান্ট গুটিয়ে, বই-খাতা ও স্কুলব্যাগ বাঁচিয়ে কোনোমতে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। এতে যেমন পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষিণ দেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি নিছু হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষায় চারপাশ থেকে পানি এসে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এবার মাঠ ছাড়িয়ে শৌচাগারে যাওয়ার পথটিও পানির নিচে চলে গেছে। বিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, মাঠ ভরাট ও স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদন করা হলেও দীর্ঘ দিনেও কার্যকর সমাধান মেলেনি।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক আবু সাঈদ বলেন, “সরকার যেখানে শিশুদের শিক্ষা ও খেলাধুলার পরিবেশ উন্নয়নে জোর দিচ্ছে, সেখানে জলাবদ্ধতার কারণে এই বিদ্যালয়ের শিশুরা স্বাভাবিকভাবে ক্লাসে অংশ নিতে পারছে না। বাধ্য হয়ে অনেক অভিভাবক নিজেরাই সন্তানদের বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন।” বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক জোছনা আরা বলেন, “শিশুদের এই সীমাহীন কষ্ট দেখে চুপ থাকা যায় না। তাই জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের জন্য জোর দাবি জানিয়েছি।”

অনুরূপ চিত্র দেখা গেছে শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ১৪৯ নম্বর শ্রীফলকাটি পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও। সেখানে মাঠের পানি উপচে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও মাঠ ভরাটের জন্য গত ৮ জুলাই জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম।

এদিকে বৃষ্টির কারণে কাজ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দিনমজুর ও ভ্যানচালকের মতো খেটে খাওয়া মানুষ। ভ্যানচালক ভোলা জানান, “বৃষ্টির জন্য ভ্যান নিয়ে বের হতে পারছি না, ভাড়াও নেই। প্রতিদিনের চাল-ডাল কেনা বন্ধ। এনজিওর কিস্তি কীভাবে দেবো, সেই চিন্তায় আছি।” একইভাবে দিনমজুর আখতারুল ইসলাম বলেন, “দুই দিন ধরে ঘরে বসে আছি। কোনো কাজ নেই। পরিবার নিয়ে খুব সমস্যায় পড়ে গেছি।”

সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্নব দত্ত বলেন, “নতুন সরকারের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন খাল ও নদী খনন করা হচ্ছে। ফলে আমি মনে করি এবার হয়তো শহরের জলাবদ্ধতা দূর হবে। পাশাপাশি শহরের স্লুইস গেট খুলে দেওয়া হবে এবং প্রাণসায়ের খালে পানি নিয়ে যাওয়ার জন্য সব ড্রেন সচল করে প্রাণসায়ের খালের সাথে যুক্ত করা হবে। তখন আশা করি পরিস্থিতির উন্নতি হবে।”