শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

আষাঢ়ের শেষে টানা বৃষ্টিতে পাইগাছার জনজীবন বিপর্যস্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
আষাঢ়ের শেষে টানা বৃষ্টিতে পাইগাছার জনজীবন বিপর্যস্ত

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে আষাঢ়ের টানা বর্ষণে খুলনার পাইকগাছার স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পৌর সদরসহ বিভিন্ন এলাকার নিচু ও কাঁচা রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। টানা বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন।

আষাঢ়ের শেষ প্রান্তে এসে টানা ছয় দিনের ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উপকূলের পাইকগাছার জনজীবন। বৃষ্টির প্রভাব ও জনদুর্ভোগে দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালক ও মৎস্যজীবীরা টানা কয়েকদিন পুরোপুরি বেকার বসে আছেন। রাস্তায় যাত্রী ও লোকজনের উপস্থিতি না থাকায় এবং শ্রমনির্ভর কাজ বন্ধ থাকায় এসব পরিবার তীব্র অর্থনৈতিক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। পৌর সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারের সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি অনেক কম।

 

টানা বর্ষণে রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না, যার ফলে চিরচেনা ব্যস্ত সড়কগুলোতে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান ও কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের সমাগম নেই বললেই চলে। কেনাবেচা বন্ধ থাকায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আমন মৌসুমের জন্য বৃষ্টির পানি ইতিবাচক হলেও, অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে আমন বীজতলা ও মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষক ও মৎস্যজীবীরা।

টানা বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েন ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ। ছাতা নিয়ে বের হলেও বিস্টিতে ভিজে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। উপকূলের নিম্নাঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। নিচু এলাকার বাড়ির উঠানে পানিতে ডুবে গেছে। রান্না করা নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছে গৃহবধূরা, উনুনে পানি উঠছে। শ্রমজীবী মানুষ যারা দিন এনে দিন খায়। এমন নির্মাণ শ্রমিক, রিকশা-ভ্যানচালক, হোটেল সহকারী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সবার জীবিকা নির্ভর করে প্রতিদিনকার আয়-রোজগারের ওপর। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে থমকে গেছে তাদের জীবনের চাকা।
টানা বৃষ্টিতে কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে।

 

এতে করে নিত্যপণ্যের দামে প্রভাব পড়তে পারে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টিতে পাইকারি বাজার থেকে পণ্য আনতে সমস্যা হচ্ছে। চাহিদা বাড়লে দামও বাড়বে।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একরামুল হোসেন জানান, ক্ষেতে পাট ছাড়া তেমন কোন ফসল নেই। যে সকল ক্ষেতে সবজী মাটিতে রয়েছে তার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। তাছাড়া এ বৃষ্টিত ফসলের তেমন কোন ক্ষতি হবে না।

Ads small one

স্বস্তির জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
স্বস্তির জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো বাংলাদেশ

দুই ওয়ানডে হেরে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। তবে শেষ ওয়ানডে জিতে হোয়াইটওয়াশ (২-১) এড়িয়েছে সফরকারীরা। তৃতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

আগের দুই ম্যাচের ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো। হারারেতে এদিন সেই ব্যর্থতা পেছনে ফেলে দাপুটে ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। ২০০ রানের মামুলি লক্ষ্যে ওপেনিং জুটিতেই ১৫১ রান যোগ করেন সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান। সৌম্য ৮২ বলে ৬৯ রানে আউট হলে ভাঙে শুরুর জুটি। তাতে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছয়ের মার। তার পর সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন তানজিদ। কিন্তু দলের রান যখন ১৯৭, তখন তাড়াহুড়ো দেখা যায় তার ব্যাটিংয়ে। যার মাশুল দেন ৯৪ রানে ক্যাচ তুলে। তার ১০১ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছয়। তার পর নতুন নামা তাওহীদ হৃদয়ও ফেরেন শূন্য রানে। শেষ পর্যন্ত ৩৬তম ওভারে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন নাজমুল হোসেন (১৮*) ও নুরুল হাসান (০*)।

শুরুতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে থেমেছে।

এবারও বাংলাদেশের বোলিং কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ১০৮ রানে পড়ে ষষ্ঠ উইকেট। দলকে দুইশ রানের কাছে নিয়ে যেতে বড় ভূমিকা ছিল ওয়েসলি মাধেভেরের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও শেষ দিকে বেন ইভান্সের ঝড়ো ফিফটির।

দলের ১৫১ রানে ফেরা মাধেভেরে খেলেছেন ৭৪ বলে ৭৫ রানের দারুণ ইনিংস। তাতে ছিল ৫টি চার ‍ও ১টি ছক্কা। আর শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ৪৩ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ঝড়ো ফিফটি তুলে জিম্বাবুয়ের ইনিংস সমৃদ্ধ করেছেন। এই দুজন ছাড়া জিম্বাবুয়ের অন্য ব্যাটারদের অবস্থা ছিল হতাশাজনক। বাকি সবাই মিলে ১৭২ বল খেলে করতে পেরেছেন মাত্র ৬১ রান।

বাংলাদেশের হয়ে ৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সফল বোলার ছিলেন পেসার শরিফুল ইসলাম। দুটি করে নেন তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম। একটি নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

গাবুরার নিহত জেলের পরিবারকে ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
গাবুরার নিহত জেলের পরিবারকে ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের নিহত জেলে আমিনুর ইসলামের শোকসন্তপ্ত পরিবারের হাতে বিএনপি-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) খুলনা সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহতের পরিবারের সদস্যদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সহায়তার অর্থ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম সহায়তার অর্থ হস্তান্তর করেন।

জানা যায়, গাবুরার নিহত জেলে আমিনুর ইসলামের পরিবারের দুর্দশার বিষয়টি ডা. এম. মনিরুজ্জামান সংশ্লিষ্ট মহলের নজরে আনেন। পরে মানবিক দিক বিবেচনা করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পরিবারটির জন্য ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়।

অনুষ্ঠানে খুলনার জেলা প্রশাসকসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে পরিবারগুলো নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করে। এমন সংকটময় সময়ে নিহত জেলের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা প্রদান একটি মানবিক উদ্যোগ। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও অসহায় ও দুর্গত মানুষের পাশে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

নিহত আমিনুর ইসলামের পরিবারের সদস্যরা এই সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের জন্য দোয়া কামনা করেন।

সাতক্ষীরায় ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও ‘জলবায়ু সহনশীল’ প্রকল্পের ড্রেন ঢালাই, গুণগত মান নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও ‘জলবায়ু সহনশীল’ প্রকল্পের ড্রেন ঢালাই, গুণগত মান নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
মো: হোসেন আলী: টানা কয়েকদিনের রেকর্ডভাঙা ভারী বর্ষণে যখন সাতক্ষীরা শহরের জনজীবন বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো প্রকল্পের ড্রেন নির্মাণের ঢালাই কাজ। আজ শনিবার (১১ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে চরম দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও শহরের অন্যতম ব্যস্ত সরকারি কলেজ-ঝুটিতলা সড়কের ফজিলা কন্টাক্টারের বাড়ির সম্মুখে এই ঢালাই কাজ চলতে দেখা যায়। ঝুম বৃষ্টির মধ্যে এভাবে তড়িঘড়ি করে কাজ করায় প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু করে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত জেলায় রেকর্ড ৩১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনও এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এমন বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সাতক্ষীরা পৌরসভা এলাকায় জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো প্রকল্পের অধীনে এই ড্রেনেজ ব্যবস্থার নির্মাণ কাজ সচল রাখা হয়েছে।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক (কে-এফ-ডাব্লিউ) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে “ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনস্ট্রিমিং প্রজেক্ট (সিআরআইএমপি)”-এর আওতায় এই উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বিবরণী থেকে জানা যায়, ১ কোটি ৮১ হাজার ৫৫৯ টাকা ৬১ পয়সা ব্যয়ে ৪২৪ মিটার দীর্ঘ এই আরসিসি ড্রেনটি নির্মাণ করা হচ্ছে, যেটি কাটিয়া লস্করপাড়া সাজেদুল করিমের বাড়ি থেকে শুরু হয়ে লস্করপাড়া ঈদগাহ মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত। চুক্তি অনুযায়ী ‘মনির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিঃ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছে। ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ ২০২৭ সালের ১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা রয়েছে। তবে ১ এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পটি সম্প্রতি শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বৃষ্টির পানিতে সিমেন্ট ও বালুর মিশ্রণ ধুয়ে যাচ্ছে, যা কিনা ড্রেনের স্থায়িত্বকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলবে। সরকারি কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পে এভাবে চোখের সামনে অনিয়ম চলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
ঝুম বৃষ্টির মধ্যে ঢালাইয়ের বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মীরা। এ প্রসঙ্গে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম (ক্যাফ)-এর সদস্য সচিব এডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন বলেন, যে প্রকল্পটি করা হচ্ছে চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ার ঝুঁকি মোকাবিলা করে শহরকে টেকসই রাখার জন্য, সেই ‘জলবায়ু সহনশীল’ প্রকল্পের কাজই যদি এমন চরম বৃষ্টির মধ্যে নিয়ম না মেনে করা হয়, তবে তা চরম প্রহসন। বৃষ্টির পানির তোড়ে সিমেন্টের সঠিক অনুপাত ঠিক থাকে না, ফলে ঢালাই দুর্বল হয়ে যায়। জলবায়ু তহবিলের এই অর্থ আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের অধিকার। এর সঠিক ব্যবহার এবং শতভাগ গুণগত মান নিশ্চিত করা জরুরি, অন্যথায় এই কোটি কোটি টাকার প্রকল্প প্রথম বর্ষাতেই ধসে পড়বে।
এ বিষয়ে জানতে সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম নূর আহম্মদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে বক্তব্য জানতে সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি যতটুকু জানি, এটা (ঢালাই) দুপাশের বর্ডার লাইন করে তারপরে করা হচ্ছে। অর্থাৎ দুপাশে স্টিলের শিট আটকে দিয়ে তারপরে ঢালাই করা হচ্ছে। তারপরেও বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখব।