রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

মাল্টিপ্লেক্সে ঈদের তৃতীয় দিন: কোন চলচ্চিত্র আয় করলো কত?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
মাল্টিপ্লেক্সে ঈদের তৃতীয় দিন: কোন চলচ্চিত্র আয় করলো কত?

বাংলা সিনেমার মেটা ডাটাভিত্তিক ফেসবুক পেজ বিএমআর-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঈদের মুক্তির তৃতীয় দিনেও দেশের মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে শীর্ষ কয়েকটি বাংলা চলচ্চিত্র তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে। শো সংখ্যা, হাউজফুল শো এবং মোট গ্রস আয়ের ভিত্তিতে স্পষ্ট হয়েছে কোন সিনেমা এগিয়ে আছে এবং কোনগুলো ধীরগতিতে এগোচ্ছে।

এদিকে, প্রতিটি চলচ্চিত্র নিয়েই দর্শকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বোঝা যাচ্ছে, দর্শকের রুচি ও পছন্দের ভিন্নতার কারণে একেকটি সিনেমা নিয়ে ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা তৈরি হচ্ছে হলে গিয়ে। তবে এর মাঝেও থেমে নেই ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলোর যাত্রা। উৎসবের আবহে দর্শকরা এখনো হলে গিয়ে সিনেমা উপভোগ করছেন। এখন দেখার বিষয়, মাল্টিপ্লেক্সে দিনশেষে কোন সিনেমা কেমন আয় করছে এবং প্রযোজক ও প্রদর্শকদের হিসাব কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে।

তৃতীয় দিনেও সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে রকস্টার। এদিন শুধু স্টার সিনেপ্লেক্স (৩৭টি শো), লায়ন সিনেমাস (৮টি), গ্র্যান্ড সিলেট মুভি থিয়েটার (৪টি), মম ইন (৪টি), মণিহার সিনেপ্লেক্স (৫টি), মধুবন সিনেপ্লেক্স (৪টি), সিনেস্কোপ (৪টি), শ্যামলী সিনেমা (৪টি), গ্র্যান্ড রিভারভিউ সিনেপ্লেক্স (৩টি), স্বপ্নীল সিনেপ্লেক্স (৪টি) এবং কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স (৪টি) মিলিয়ে মোট ৮১টি শো চলেছে। এর মধ্যে ৩২টি শো হাউজফুল এবং আরও ৫টি প্রায় হাউজফুল ছিল। তিনদিন শেষে সিনেমাটির মাল্টিপ্লেক্স গ্রস দাঁড়িয়েছে ১.৩৪ কোটি টাকা।

রইদ তৃতীয় দিনেও ডাবল ডিজিট কালেকশন ধরে রেখেছে। স্টার সিনেপ্লেক্স (১৯টি শো), লায়ন সিনেমাস (২টি) এবং কে-স্ক্রিন (১টি) মিলিয়ে মোট ২২টি শো চলেছে। এর মধ্যে ৭টি শো হাউজফুল এবং ২টি প্রায় হাউজফুল ছিল। তিনদিন শেষে মোট গ্রস ৩৬.৯২ লাখ টাকা।

বনলতা সেন তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। স্টার সিনেপ্লেক্সে (১০টি শো) এবং লায়ন সিনেমাসে (১টি শো) মোট ১১টি শো চলেছে, যার মধ্যে ৪টি হাউজফুল ছিল। তিনদিন শেষে মোট গ্রস ১৬.৬৫ লাখ টাকা।

মালিক তৃতীয় দিনেও ভালো হোল্ড বজায় রেখেছে। স্টার সিনেপ্লেক্স (১০টি), লায়ন সিনেমাস (৩টি) এবং কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স (৩টি) মিলিয়ে ১৬টি শোতে ২টি হাউজফুল শো ছিল। তিনদিন শেষে মোট আয় ১৫ লাখ টাকা।

মাসুদ রানা তৃতীয় দিনে কিছুটা উন্নতি করলেও কোনো শো হাউজফুল হয়নি। স্টার সিনেপ্লেক্স (৬টি) ও লায়ন সিনেমাস (১টি) মিলিয়ে ৭টি শো চলেছে। তিনদিন শেষে মোট গ্রস ৬.২৩ লাখ টাকা।

পিনিক তুলনামূলকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। স্টার সিনেপ্লেক্স (৪টি) ও লায়ন সিনেমাস (১টি) মিলিয়ে ৫টি শো চললেও কোনো হাউজফুল শো হয়নি। তিনদিন শেষে গ্রস ১.৬৯ লাখ টাকা।

অফিসার সবচেয়ে কম শো পাওয়া ছবিগুলোর একটি। স্টার সিনেপ্লেক্সে একমাত্র শোতে দর্শক উপস্থিতি ছিল ৩০ জন। তিনদিন শেষে মোট গ্রস ৫০.৮ হাজার টাকা।

প্রসঙ্গত, বিএমআর এর এ জরিপ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদের সাথে। তিনি বলেন, “বিএমআর এ ধরণের কাজগুলো করছে বলে শুনেছি। মাল্টিপ্লেক্সগুলোর সবকিছুই খুব ট্রান্সপারেন্ট। কেউ যদি চায়, কত টাকা সেল হল তা তারা অবশ্যই বের করতে পারে। তা সঠিক তথ্যের কাছাকাছি বা সঠিক তথ্য হতে পারে।”

বরাবরই বিএমআরও দাবি জানিয়ে এসেছে, তাদের এ জরিপ অনলাইন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কেবলমাত্র মাল্টিপ্লেক্স এর জন্যই প্রযোজ্য। শুধুমাত্র যমুনা ব্লকবাস্টার এর আওতাভুক্ত নয়।

Ads small one

দুস্থদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি ইজ্জত উল্লাহর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
দুস্থদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি ইজ্জত উল্লাহর

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সমাজের দুস্থ ও অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা ও জীবিকায় সাহায্যার্থে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ।
রোববার (২৭ জুলাই) বিকেল ৫টায় তালা উপজেলার মির্জাপুর বাজারে কাদের বক্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে নগদ টাকা ও ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ডা. আলাউদ্দিন মল্লিকের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, “ধনী মানুষের সম্পদের ভেতরে আল্লাহ তাআলা গরিবের হক রেখে দিয়েছেন। আজকের সমাজে যদি জাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালু থাকত, তাহলে কোনো গরিব খুঁজে পাওয়া যেত না। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে ১০ জন দুস্থ ও অসহায় মানুষকে ১টি করে ছাগল এবং ১ জনকে চায়ের দোকান দেওয়ার জন্য নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। ছাগলপ্রাপ্তরা হলেন বারাত গ্রামের মো. আব্দুল মজিদ ও মোসাঃ সাজেদা বেগম, কুমিরার ফাতেমা বেগম, মদনপুরের আছিয়া বেগম, ভাগবা গ্রামের শিরিনা বেগম, সেনপুরের মফিজুর রহমান ও সিদ্দিকুর রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ, নোয়াকাটির নিসার আলী এবং জামাল উদ্দিন। এছাড়া চায়ের দোকান করার জন্য হাজরাপাড়ার কামরুল ইসলামকে নগদ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. মাহমুদুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী, ভিডিএফের জেলা সভাপতি ডা. আফতাব উদ্দীন, তালা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিদুল্লাহ, সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি নাজমুল হক খান, কুমিরা ইউনিয়ন আমীর মাস্টার বকুল, সেক্রেটারি মাওলানা তরিকুল ইসলাম, মাস্টার মাওলানা মোশাররফ হোসেন, ছাত্রনেতা জুবায়ের, সমাজসেবক আল মামুন, ডা. আবু হোসেন ও মতিউর রহমান।

 

আশাশুনি উপজেলা ওলামা দলের ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনি উপজেলা ওলামা দলের ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সাতক্ষীরা জেলা শাখার অধীনস্থ আশাশুনি উপজেলা শাখার ২১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৬ জুলাই) জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা আনিসুর রহমান আজাদী এবং সদস্য সচিব হাফেজ সাইফুল্লাহ আল কাফি স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত কমিটিতে হাফেজ মাওলানা মো. আব্দুল জলিলকে আহ্বায়ক এবং মাওলানা মুফতি ইমরান হোসাইনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মুফতি আবুল কাশেম, মাওলানা তুহিন হোসেন, হাফেজ আব্দুল করিম, হাফেজ সাদেক হোসেনসহ মোট ২১ জনকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নবগঠিত এ কমিটি আশাশুনিতে সংগঠনকে আরও গতিশীল করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জেলা নেতৃবৃন্দ।

সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি থেকে একযোগে ৮ নেতার পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি থেকে একযোগে ৮ নেতার পদত্যাগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির বর্তমান ১৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি প্রত্যাখান করে একযোগে পদত্যাগ করেছেন ৮ জন শীর্ষ নেতা। পদত্যাগকারীরা হলেন কার্যকরী সভাপতি শেখ সাঈদ আহমেদ রঞ্জু, সহ-সভাপতি মো. জিয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মো. তৌহিদুজ্জামান বাবলু, এবং কার্যকরী সদস্য যথাক্রমে আব্দুল মোমেন খান চৌধুরী (সান্টু), মো. আবু হাসান, মো. নুরুজ্জামান জামু, শেখ শাহাজাহান আলী ও মো. দেলোয়ার হোসেন সুজন।
রবিবার (২৬ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। পদত্যাগপত্রটি সমিতির সাধারণ সম্পাদক বরবোর ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।
পদত্যাগকারী নেতাদের অভিযোগ, গত ২৯ নভেম্বর সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদিত হলেও পরবর্তীতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের সুবিধাজনক ব্যক্তিদের নিয়ে ৯ সদস্যের একটি পৃথক কমিটি গঠন করে খুলনা শ্রম অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন করিয়ে আনেন। বিষয়টি নিয়ে বারবার আপত্তি জানানো হলেও কোনো সমাধান করা হয়নি। এছাড়া অনুমোদিত কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তার নিজস্ব কোনো ট্রাক নেই বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব অসাংগঠনিক কর্মকা-ের প্রতিবাদেই তারা একযোগে পদত্যাগ করেছেন।