বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

মেসির বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
মেসির বিরুদ্ধে মামলা

স্পোর্টস ডেস্ক: আসন্ন বিশ্বকাপের ডামাডোলের মাঝেই এক অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছেন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি আদালতে তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে মামলা করেছে মায়ামিভিত্তিক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ‘ভিআইডি’।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম টিএমজেড এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে ভেনেজুয়েলা ও পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দুটি প্রীতি ম্যাচকে কেন্দ্র করে এই মামলার সূত্রপাত।

ভিআইডি নামক প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৭০ লাখ ডলারের বিনিময়ে এই ম্যাচ দুটির একক স্বত্ব কিনে নিয়েছিল। চুক্তির প্রধান শর্ত ছিল, যদি কোনো চোট না থাকে তবে মেসিকে প্রতিটি ম্যাচে অন্তত ৩০ মিনিট মাঠে থাকতে হবে। তবে ভিআইডির দাবি, ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচে মেসি এক মুহূর্তের জন্যও মাঠে নামেননি, বরং গ্যালারিতে বসে খেলা দেখেছেন। অথচ হার্ড রক স্টেডিয়ামে মেসির পরিবারের জন্য যে বিশেষ সুইট বরাদ্দ করা হয়েছিল, তার খরচও বহন করেছিল এই আয়োজক প্রতিষ্ঠান।

ভিআইডির এই অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে একটি বিশেষ ঘটনার কারণে। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে না নামলেও এর ঠিক পরদিনই ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে মাঠে নামেন মেসি এবং জোড়া গোল করেন।

আয়োজকদের মতে, এটি স্পষ্টতই প্রমাণ করে— মেসি খেলার মতো শারীরিক অবস্থায় ছিলেন এবং কোনো বিশেষ কারণে ইচ্ছাকৃতভাবেই প্রীতি ম্যাচটি এড়িয়ে গেছেন, যা সরাসরি চুক্তি লঙ্ঘন।

আইনি নথিতে পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। ম্যাচটি শিকাগোর বিশাল সোলজার ফিল্ডে হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা ফোর্ট লডারডেলের ছোট চেজ স্টেডিয়ামে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আয়োজকদের দাবি, ভেন্যু পরিবর্তনের ফলে ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় তারা ১০ লাখ ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এএফএ নিরাপত্তা ঝুঁকির দোহাই দিলেও শিকাগো কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল টিকিট বিক্রি কম হওয়া।

এই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে চীনে অন্য একটি ম্যাচ আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিলেও ব্যস্ত সূচির অজুহাতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তা রক্ষা করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির মুহূর্তে এমন আইনি লড়াই আর্জেন্টিনার দলীয় মনোবলে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে কি না, সেটিই এখন ফুটবল বিশ্বের বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে এখন পর্যন্ত মেসি বা এএফএ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই মামলার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Ads small one

ঘৃণাত্মক বক্তব্য প্রতিরোধ; সুনাগরিকের দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
ঘৃণাত্মক বক্তব্য প্রতিরোধ; সুনাগরিকের দায়িত্ব

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতিবছর ১৮ জুন পালিত হয় ঘৃণাত্মক বক্তব্য প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবস। বর্তমান বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, জনসভা, সেমিনার কিংবা বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। কারণ ঘৃণাত্মক বক্তব্য ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের মধ্যে বিভাজন, বৈরিতা এবং সহিংসতার পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে।

একজন সুনাগরিক হিসেবে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো উসকানিমূলক, বিদ্বেষমূলক বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার না করা। অনলাইনে কোনো পোস্ট, ছবি বা ভিডিও শেয়ার করার আগে এর সত্যতা যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, লিঙ্গ, পেশা বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে কাউকে হেয় করে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘৃণাত্মক কনটেন্ট দেখলে তা ছড়িয়ে না দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে রিপোর্ট করা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং সচেতনতামূলক ইতিবাচক বার্তা প্রচার করা নাগরিক দায়িত্বের অংশ। জনসভা, সেমিনার ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ভিন্নমতকে সম্মান করা, সংলাপ ও সহনশীলতার চর্চা করা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করা প্রয়োজন।

পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে সহমর্মিতা, মানবিক মূল্যবোধ ও বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা গড়ে তোলা সম্ভব। ঘৃণা নয়, যুক্তি; বিদ্বেষ নয়, মানবতা—এই চেতনা ধারণ করলেই একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

ঘৃণাত্মক বক্তব্য প্রতিরোধ কেবল আইনের বিষয় নয়; এটি সচেতন নাগরিকত্বেরও পরীক্ষা, ধর্মীয় অনুশাসন বাস্তবায়ন। তাই আসুন, আমরা সবাই দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে সম্মান, সম্প্রীতি ও মানবিকতার সংস্কৃতি গড়ে তুলি।

 

 

 

 

 

 

 

আশাশুনিতে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ কাউসার আজিজ। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে সভায় উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বক্তব্য দেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমদ খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হেদায়েতুল ইসলাম, জামায়াতের নায়েবে আমীর নুরুল আফছার মোর্তজা, আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন ও জাকির হোসেন বাবু, যুবদলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ এবং প্রেস ক্লাব সভাপতি এস কে হাসান।

এ ছাড়া সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলা প্রশাসক সবার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং আশাশুনি উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এর আগে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে বাল্যবিয়ে, মাদক, ইভটিজিং ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক একটি ছাত্রী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও আশাশুনি থানা পরিদর্শন করেন।

 

 

 

 

 

কালিগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতাদের জমি জবরদখল করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক বহিষ্কৃত নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিগঞ্জ থানার চাঁচাই মৌজায় রেজাউল ঢালীর ভোগদখলীয় একটি জমি স্থানীয় যুবলীগ ও কৃষক লীগ নেতার পক্ষে জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত সদস্য সচিব কাজী সোহেল, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি মোস্তফা ও আলতাফসহ একদল লোক সেখানে তারের ঘেরা দিয়ে জমিটি দখলে নেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

ভুক্তভোগী নীলা দাশ ও রেজাউল ঢালী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাঁরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অভিযুক্তরা তাঁদের নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত কাজী সোহেলের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও জমি দখলের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি এই চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও পুলিশের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।